Thursday, January 18, 2018

212 ||--আদরণীয় বর্ষা রানী--||

212 ||--আদরণীয় বর্ষা রানী--||-18/11/2017:::--

আদরণীয়
বাংলার বর্ষা রানী,
তুমি মানেই এক আদরণীয়, মন মুগ্ধকর আবেশ।
শীতল আমেজের  রঙিন স্বপ্ন ছোঁয়ার পরশ।
কত কবির কলমের নুতন ছোঁয়ার পরশ।
চাষিদের মনের উল্লাস।
আকাশে মেঘেদের আনা গোনা আর গুরু গম্ভীর গর্জন।
সাথে ময়ূরের পেখম তোলা নাচ।
পাখ পাখালীর আনন্দ উল্লাশের আশা।
ধরিত্রীর মেটে পিপাসা।
চাষিদের মনে জাগে নুতন আশা।
বর্ষা রানী,
তুমি জাগিয়ে তোলো বাংলার বুকে এক নুতন দিগন্তের আশা।
বেঁচে থাকবার নুতন আশা।
এসে গেছে পরিবর্তনের যুগ,
পরিবর্তন দেশের সর্বস্তরে,
এহেন পরিবর্তনের যুগে,
ডিজিটালে ভর করে,
হে বর্ষা রানী।
এ কেমন তোমার চরিত্র বদল,
তোমারও হয়েছে চরিত্র হনন।
দিন প্রতি দিন তোমার চরিত্র হচ্ছে খারাপ।
শ্রাবণে ঝড়লেনা তুমি মোটেই।
শরৎতে  দুর্গাপূজো প্যান্ডেলে ঝড়লে অঝোরে।
হেমন্তেও দেওনি ছাড় তোমার ঝরে পড়ার,
আজ শীতের হওয়ার সাথে,
এখনো ঝড়ছো অঝোরে।
আর নয় এবার থামো প্লিজ-----
তানাহলে----
তোমাতে ভরকরে বাড়ন্ত মশা,মাছি জতো,
ডেঙ্গুরা চালাবে উৎপাত ইচ্ছা মতো।
সাথে এবার যোগদিচ্ছে ম্যালেরিয়া।
তাই আমরাও আজ দিশেহারা মরিয়া।

জানি তোমার এহেন চরিত্র বদলের কারণ,
আমারা মানুষই সম্পুর্ন দায়ী, এসবের কারণ।
আমরাই করেচলেছি যথেচ্ছচার, ইচ্ছা মতন,
প্রকৃতির বিরুদ্ধ চার,করছি জেযার মতন।
কি করি বলো----
আমরা যে মানুষ,
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব।
সেই অহংকারের করতে বড়াই,
করে চলেছি নিজেদের ক্ষমতার প্রদর্শন,
আর এতেই দিন কে দিন বাড়ছে প্রদুশন।
আসলে কি জান----
দোষ অন্যের উপরে চাপিয়ে,
চোঁখ বুজে আরামে আরামকেদারায়,
শুয়ে থাকা জায়।
এটাই বোধহয় ভালো থাকবার (ভান করে)
সহজ উপায়।
হেবর্ষা রানী এবার অন্তত লহো বিদায়।
||-©➽-ANRC---1811/2017::------------||
||============================||

211 .||জীবন ও ঘর--||

211 .||জীবন ও ঘর ।।

জীবন টি কেমন কাটাতে হয়----||

জীবন টি কেমন কাটাতে হয়----
নিজের ঘর যেমন---
একে একে জিজ্ঞাসা করো ঘরের সকল বস্তু কে
দেওয়ালকে, ছাদ কে, মেঝেকে---
উত্তর পাবে এমন-------
ছাদ বলে =সর্বদা উপরে উঠতে চেষ্টা করো।
পাখা বলে=সর্বদা মাথা ঠান্ডা রাখো।
ঘড়ি বলে=সর্বদা সমযের মূল্য বোঝ।
কেলেন্ডার বলে=সময়ের সাথে চলো।
মানিব্যাগ বলে=ভবিষ্যতের জন্য বাঁচিয়ে চলো।
আয়না বলে=সর্বদা নিজেকে নিজে দেখো।
ঘরের দেওয়াল বলে=অন্যের বোঝা লাঘব করো।
জানালা বলে=দূরদর্শী হও।
মেঝে বলে=সর্বদা ভূমির সঙ্গে জুড়ে থাক।
শয্যা বলে=এই ঠাণ্ডাতে চাদর ঢেকে শুয়ে পরহে পাগল, দুনিয়ার সবই মোহ,মায়া ময়।
প্রকৃত এমনি তো জীবন হওয়া উচিত।
||-©➽--ANRC----17/11/2017:::-------------||
||=====================||

210>|| ধূপকাঠি আর পূজার ঘর,||

   

 210>|| ধূপকাঠি আর পূজার ঘর,||
                   <---©-আদ্যনাথ--->

ধূপকাঠি  আর
 পূজার ঘর,
দুটোই  আদরণীয় আমাদের।
সাধারণত ছোটই হয় পূজার ঘর আমাদের,
সেই ছোট ঘরে বসে মনের আনন্দে,
করি পূজা, ধ্যান, জপ,তপ।
পূজা মানে অতি পবিত্র,
সকলের হয় ভালো,
মনের শান্তি হয় বটে।
কিন্তু ভাবনা থাকে সুগন্ধি ছাড়া
আসবেন না দেবতারা।
আর সেই সুগন্ধির জন্য জ্বালাই়া
ধুপকাঠি।
কিন্তু আজ চিকিৎসকেরা বলেন
ধূপকাঠির ধোঁয়া নাকি সিগারেটের ধোঁয়া থেকেও ক্ষতিকারক বেশি !
এইটুকু প্রমাণিত
চিকিৎসকদের নতুন গবেষণাতে।
সেই কারণে চিকিৎসকেরা বলেন
ধূপকাঠি থেকে হতে পারে ক্যানসার।

সন্ধে হলেই ঠাকুরঘরে জ্বলতে শুরু করে ধূপকাঠি ৷
 ঘরে সুন্দর গন্ধ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমরা প্রায় সবাই ব্যবহার করে থাকি ধূপ ৷

পুজার ক্ষেত্রে ধূপকাঠি অতি প্রয়োজনীও একটি জিনিস ৷
কিন্তু  এই ধূপকাঠিই জীবনে 
ডেকে আনতে পারে বিপদ ! 

( আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা অনুযায়ী, ধূপকাঠির ধোঁয়া সিগারেটের ধোয়ার চাইতে বেশি মিউটাজেনিক, জেনোটক্সিক এবং সাইটোটক্সিক। যার অর্থ হল, ধূপের ধোঁয়া শরীরের কোষে জেনেটিক মিউটেশন ঘটাতে পারে এবং কোষের ডিএনএতে এমন সব পরিবর্তন আনতে পারে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ।
এই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যাদের ফুসফুসজনিত রোগ রয়েছে বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের ধূপের গন্ধে বেশিক্ষণ না থাকাই ভালো। শুধু তাই নয়, শিশু এবং প্রেগন্যান্ট মহিলাদেরও এই ধোঁয়া থেকে যত সম্ভব দূরে থাকা উচিৎ।

যে কোনও ধরণের ধোঁয়াই শিশুদের ফুসফুস গঠনের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ধূপকাঠি শুধু নয় রান্নার ধোঁয়াও বিশ্বজুড়ে মানুষের ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী।ধূপকাঠিতে নিকোটিন থাকে না একথা ঠিক৷ কিন্ত কাঠির ওপর বিভিন্ন সুগন্ধি এসেনশিয়াল অয়েল এবং কাঠের গুঁড়োর প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয় ধূপকাঠি। একে যখন পোড়ানো হয় তখন বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক কণা।

লাং ক্যান্সার, শিশুদের লিউকোমিয়া এবং ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে ধূপকাঠির সম্পর্ক গবেষণায় প্রমানিত।)

এইবার আপনিই ভাবুন,
কি করবেন ঠাকুর ঘরে।
ধূপকাঠির ধোঁয়ায় ফুসফুস ভরবেন
নাকি 
শুদ্ধ বাতাবরণে বসে ধ্যান, জপ, করবেন।
ধূপকাটি জ্বালালে 
 জানিনা ভগবান আসবেন কিনা,
তবে বুকে ভোরবেন বিষাক্ত ধোঁয়া ।

        <---©-আদ্যনাথ--->       
     【--anrc-05/05/2019--】
     【=সন্ধ্যা:06:08:22=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
==========================

209>-|| মানুষের নিজের কি আছে-।।

 209>মানুষের নিজের কি আছে-।। 11/09/2017==
মানুষের নিজের কি আছে ?
জন্ম---দিয়েছে অন্য জনে,
নাম---দিয়েছে অন্য জনে,
শিক্ষা---দিয়েছে অন্য জনে,
রোজগার--দিয়েছে অন্য জনে,
এবং শ্মশানে--নিয়ে গেছে অন্য জনে।
তাহলে মানুষের এতো কেন অহংকার??
||--©➽ -ANRC----11/09/2017::::--||
===================+
मनुष्य के आपना केया हैं??
जन्म लिया आपनेसे निहि।
नाम दिया दूसरे कोई,
शिक्षा ओभी तो दिया शिक्षक ने,
रोजगार दूसरे के दफ्तर में,
जीबन के अंतिम जात्रामें जाना है सबको,
ओभित दूसरोंके कंधे चरके जानाहैं श्मशान में।
तभी हम आहंकार करते हैं।
चाहत ख़तम नेही होते हैं।
लोभ,लालच,मोह,काम,क्रोध से
भर रखते हैं आपना मन को।
||--©➽ --ANRC----11/09/2017::::--||
||=======================||