Tuesday, March 26, 2019

299> || পরোয়া করিনা ||

 
 299> || পরোয়া করিনা ||

  আমি কোন পরোয়া করিনা,
              কে কি ভাবছে,
              আমাকে নিয়ে।
          আমার ভাবনা একটা,
          আমি কখনো কারুর,
          কোন অনিষ্ঠ চাইনা।
                 <---©-আদ্যনাথ--->
--    ================  - - -

আমায় নিয়ে কেকি ভাবছে ভাবুক,
আমি কোনো পরোয়া করিনা।
কে কি বললো তাও ভাবিনা,
আমি ঐসকল চিন্তাই করিনা।

আমার ভাবনা সকলের ভালো হোক,
সকলের হৃদয় আনন্দ পূর্ণ হোক।
ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুক,
মানুষ মাত্রেই ঈশ্বরের প্রতি রূপ।
জীব মাত্রেই "শিব",
মানুষ সর্ব শ্রেষ্ঠ জীব।
   <---©-আদ্যনাথ---> 【--anrc-26/03/2019--】
            01:24:12 am
     ______________________
==========================
मुझे कुछ फर्क नहीं पड़ता,
मेरे बारेमे कोन क्या सोचता।

             जानते हैं मेरा सोच
                    हैं केया,
में किसिका कभी कोई बुरा नहीं चाहा।
                   ANRC
          २६/०३/२०१९: ०२:१०:११am
===========================

Monday, March 25, 2019

298>|| তোমরা ভালো থেকো ||

  298>|| তোমরা ভালো থেকো ||
                 <-----©-আদ্যনাথ--->

কি এতো ভাবছো আমাকে নিয়ে,
কই আমিতো পারিনা একটুও
ভাবতে তোমায় নিয়ে।
আমি জানি তোমার আছে অভিমান,
কোনদিন দিতে পারিনি
তোমার ভালোবাসার প্রতিদান।

কিকরি বলো
তুমিতো সকলি জানো।
কালকে গিয়েছিলাম
ঝাড়খণ্ডের ঐ প্রত্যন্ত গ্রামে।
দেখলাম ---
নানা রোগে অনাহারে
ভুকছে চারটি পরিবার।

যেটুকু ছিলো সম্বল,
কোনমতে ওদের মুখে
একবেলা কিছু যোটালাম।
জানো ডাক্তার সরকার,
নিজেই রাজি হলেন যাবে সেখানে।

এইতো দেখে এলাম,
ওনারা কতো ওষুধ প্যাক করছে।
ওদের চোখে মুখে কি আনন্দ,
আমিতো ভাবতেই পারিনা
কিসের এতো আনন্দ ওদের।

তবুও হোক ঐ শিশু গুলি
পাবে তো একটু চিকিৎসা।
বুঝতেই পারছ,
ঔষদের চিন্তা মিটেছে,
হোকনা ক্ষণিকের তরে।
এবার ওদের ভাতের চিন্তা
সেটা মিটাই কি করে।

একি তুমি একি করছো,
না না এটা ঠিক হবেনা,
ঐ বালাটা তোমার বাবার দেওয়া।
ওতে কতো স্মৃতি জড়িয়ে,
আমি পারবনা ওটি বেচতে।
বরঞ্চ আমায় দেও,
আমার সেই স্কুলের মেডেল টা
কি হবে ওটি দিয়ে ,
বাক্সেইত বন্ধ পড়ে আছে,
আজ নাহয় সত্যি কারের কাজে লাগবে।
কতগুলো মানুষের মুখে ভাত যোটাবে।

ঐদেখো তোমার ছেলে আসল ,
ভালই হোল তুমি এলে
ঠিক সময়ে।
তুমি তোমার মাকে একটু দেখো
আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে।

হ্যাঁ আমিজনি ঘরে চাল ডাল বাড়ন্ত
তোমার মা যেটুকু ফুটিয়ে ছিলো
নিজের জন্য,
তাও আমাকে খাইয়ে দিল জোর করে।
তুমি একটু তোমার মাকে দেখো
আমাকে যেতে হবে অনেক দূরে,
আসবো ফিরে কোয়েক দিন পরে।

একি এতো টাকা
কেন দিচ্ছ আমাকে
এদিয়ে বরঞ্চ তোমার মাকে
একটু ডাক্তার দেখাও,
ও বোধহয় ভুগছে বেশ কদিন ধরে
ঘরে কিছু আনাজ কিনে
আগে খাওয়াও তোমার মাকে।
আমাকে টাকা নাদিলেও হবে,
আমাকে জে যেতেই হবে।
আমি নাগেলে ঐ পরিবার গুলো
নাখেয়েই মরে যাবে
অসুখে ভুগে।
তাই আমাকে যেতেই হবে।
আমি চলি
তোমরা ভালো থেকো সকলে।

        <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc--26/03/2019--】
     【=সকাল:04:08:18am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================

শঙ্কর দা জানালেন মতামত,
অপূর্ব " তোমরা ভালো থেকো "
মনটা নাড়া দিয়ে গেল ।

Sunday, March 24, 2019

297>|| জীবন-সঙ্গী ||

 
          297>|| জীবন-সঙ্গী ||
                  <----আদ্যনাথ--->

শরীরই একমাত্র সত্য জীবন-সঙ্গী,
শরীর নাথাকলে কেউ রবেনা সঙ্গী ।
শরীর যেদিন দেবেনা আর সারা
সকলেই যাবে দূরে কাছে ছিলো যারা।

নিজের শরীরের দায়িত্ব নিজেতেই বর্তায়,
কেউ ভোগেনা অন্যের কষ্ট কোন উপায়
সুখাদ্য, পানীয় সকলি শরীর সুস্থ রাখতে,
শুভ চিন্তা, মন ও ভাবনা সুন্দর রাখতে।

জপ ধ্যান, মনের একাগ্রতার তরে,
ব্যাম, যোগা শরীর সুস্থ রাখার তরে।
শুভ কর্মে গড়ে ওঠে সুন্দর জীবন,
শুভ চেতনায় সুন্দর হয় সমাজ জীবন।

মনের একাগ্রতায় মস্তিষ্কের বিকাশ,
মনের একাগ্রতায়  জ্ঞানের বিকাশ,
মনের একাগ্রতা মানষিক শক্তির উন্মেষ
মনের একাগ্রতা স্মৃতিশক্তির সহায়ক।

জন্ম থেকে মৃত্যু শরীরই সঙ্গে থাকে,
অর্থ,ধন সম্পদ মরনে সকলি পরে রবে।
মিথ্যা অহঙ্কার রাগ হিংসা দ্বেষ,
এ সকল মিলে জীবনকে করে শেষ।

সার্থক জীবন-সঙ্গী নিজের শরীর,
জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ নিজের শরীর।
মানুষই ঈশ্বর হন শরীকে নির্ভর করে,
অসীম শক্তি নিহিত শরীরের ভিতরে।

পঞ্চভূতে নির্মিত শরীর প্রকৃতির সৃষ্টি,
স্থূল শরীর অন্নময় কোষের সমষ্টি।
শরীর নিশ্চিত একদিন শেষ হয়ে যাবে,
শুভ কর্ম,শুভ চিন্তায় জীবন অমর হবে।
       <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
      11/08/2019;;11:36:15pm
==========================

  

Thursday, March 14, 2019

296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||

   296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||
          <---©-আদ্যনাথ--->

"বিদ্যা দদাতি বিনয়ম্ !
শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম্ !" -


বিদ্যার্থী দেশ ও জাতির সম্পদ,
বিদ্যার্থীর পরিচয় তার  মনুষ্যত্বের।
শিক্ষার চূড়ান্ত ফল সহনশীলতা,
মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা।

বিদ্যা শিক্ষাতে হয় জ্ঞানের প্রকাশ,
খেলা ধুলা ব্যামে হয় শরীরের বিকাশ।
স্বচ্ছ  চিন্তা সম্ভব স্বাস্থ্যবান্ শরীরে,
নির্মল সুন্দর চিন্তা সমাজ কল্যাণের তরে।

নিত্য ক্রীড়া কৌশল ও শরীরচর্চা,
বিদ্যার্থী জীবনে উচিত রোজ নামচা।
সুশিক্ষা, সুন্দর শরীর সুঠাম
এমন বিদ্যার্থী সমাজে একান্ত মূল্যবান।

একনিষ্ঠ সাধন ও কর্মনিষ্ঠ বিদ্যার্থী জীবন,
প্রত্যহ নিজ কর্মের উচিত পর্যবেক্ষণ।
ক্রোধ,আনন্দ,দুঃখ,কষ্ট, জিবনে অপরিহার্য,
সকলি জীবন যুদ্ধে সময়ের ধর্ম।

শিক্ষা দিয়ে জীবন শুরু স্বাস্থ্যই সম্পদ,
প্রকৃত শিক্ষাইতো দেশের সম্পদ।
শিক্ষার পূর্ণতা হয় নম্রতার গুণে,
অহঙ্কার বর্জিত শিক্ষা নম্রতা দানে।

বিদ্যার্থী জীবনে শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠা শ্রেষ্ঠ ধর্ম,
অহঙ্কার,জীবনের চরম শত্রু ও দুষ্কর্ম।
পিতা মাতা শিক্ষাগুরুই বিদ্যার্থীর শরণ্য,
শ্রদ্ধাবান বিদ্যার্থী সদাই বরেণ্য।

নদীতো চায় ঝর্নাকে সমুদ্রে পৌঁছে দিতে,
ঝর্না বলে বিশাল হতে সমুদ্রে গিয়ে,
বিশালতার লোভে লবণাক্ত হবার থেকে,
ছোট হয়ে মিষ্টি থাকাই শ্রেয়।

গুন ও কর্মই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয়,
জাতপাত ধর্ম  অহঙ্কার বাড়ায়।
রূপের সৌন্দর্য ক্ষণিকের তরে,
সময়ে শুকনো পাতার মত ঝড়ে পরে।
গুনের সৌন্দর্য চিরকাল রয়,
সময়ের সাথে গুণের সৌন্দর্য ক্রমে বাড়ে।

রুপে মুগ্ধ হয় লোভী,
গুণে মুগ্ধ হয় জ্ঞানী।
বিদ্যার্থীর জ্ঞান শিক্ষার গুনে,
বিদ্যার্থী আদরনিয় তার শ্রদ্ধার গুণে।

     <---©-আদ্যনাথ--->
 【--anrc--19/03/2019 --】
     【=সকাল:08:08:12=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56-】
===========================

Wednesday, March 13, 2019

295>||- চিন্তার গুরত্ব ||


295>||- চিন্তার গুরত্ব ||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

চিন্তার শক্তি অসীম।
আবার এমনও  বলাহয়
চিন্তা চিতার সমান।
আসলে
চিন্তার শক্তি অসীম,
যে শক্তি ব্যর্থ নাহি  যায়।

মনুষ্য শরীর বহু শক্তির আঁধার ,
সেথা চিন্তা শক্তির শক্তি অপার।
চিন্তা শক্তি বা চিন্তার কম্পন বলয়,
জল তরঙ্গেরন্যায় প্রবাহ হয়।

সর্বদা সকলের শুভ চিন্তাই করতে হয়,
শুভ চিন্তায় গভীরতা রাখতে হয়।
চিন্তা যদি পসিটিভ চিন্তা হয়,
এবং একাগ্র চিত্তের চিন্তা হয়,
তবে নিশ্চিত শুভ ফল লাভ হয় ।
সাথে নিজেরও কল্যাণ হয়।

সেইরূপ অশুভ বা অকল্যাণ চিন্তন,
মন হয়েযায় উচাটন।
ক্ষনিকের তরেও অকল্যাণ চিন্তা যদি হয় ,
কারুর অকল্যাণ হোক বা নাই হয় ,
নিজের অকল্যাণ নিশ্চয় হয়।

তাইতো সদা শুভ চিন্তাই মনুষত্বের লক্ষণ।

একটি অতি সাধারণ কাজ যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই লক্ষ্য কিরি,
যেমন আমরা যখন কোন পূজার ভোগ প্রসাদ খাই তখন এমনটাই পাই যে
ভোগ প্রসাদ অপূর্ব স্বাদিষ্ট হয়।
আমরা ভাবতে পারি যে যিনি রান্না করেছেন তার হাতের গুনেই এমন স্বাদিষ্ট
অথবা কোনো ভালো মশলা ব্যাবহার হয়েছে।
এমন ধারণা মোটেও ঠিক নয়।
কারণ আমরা যদি ওই একই রাধুনি দিয়ে একই মশলা ব্যবহার করে নিজেদের খাবার জন্য
রান্না করাই তাতে কিন্তু স্বাদ হবে অন্যরকম। ওই ভোগের প্রসাদের মতন স্বদিস্ট হবেনা।
একই লোক রান্না করলো একই মশলা দিয়ে, তথাপি স্বাদে পার্থক্য হলো কেন?
এমন হবার কারন খুবই সাধারন। সে হলো ওই চিন্তা শুভ চিন্তা।
যখন ভোগের প্রসাদ রান্না হচ্ছিল তখন রাধুনী এবং অন্য সকলের চিন্তা ছিল ঈশ্বরের প্রতি ,
ভগবানের ভোগের প্রতি।
সকলের শুভ ও সুন্দর চিন্তার কারণে কতো গুলি শুভ পজেটিভ চিন্তা তরঙ্গের
মিলিত প্রভাবের  শুভ শক্তি ভোগের প্রসাদের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।
আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবো যে বাড়িতে মা যখন রান্না করেন
তার স্বামীও সন্তানদের জন্য তখন সেই রান্নার স্বাদ আর কাজের লোক দিয়ে রান্না
করলে তার স্বাদ অনেক পার্থ্যক্য হয়।
এর কারণও ওই রকম ,কারণ মা নিজের স্বামী স্বন্তান দেড় জন্য যে মন ও চিন্তা
নিয়ে রান্না করেন, কাজের লোকের  সেই মন ও চিন্তা থাকে না। ফলে রান্নার
স্বাদ পার্থক্য হবেই।
তবে আবার মজার ব্যাপার এটাই যে হয়তো কাজের লোক রান্না করছেন এবং
মা নিজে রান্না  ঘরে ঐ রান্না করার সময় উপস্থিত আছেন ,এবং মা তখন ওই
রান্নার বিষয়ে চিন্তা করছেন তখন কিন্তু আমরা মায়ের রান্না করার স্বাদই পাবো।

এমন টাই হয় সকল ব্যাপারে।
চিন্তার শক্তি কাজকরে সূক্ষ্ম রূপে তার অদৃশ্য তরঙ্গের মাধ্যমে।
আবার এমনটাও দেখা গেছে যে নিজের কাছের কেউ যেমন নিজের সন্তান
হয়তো দিনের পড়দিন ঠিক আমার মনের মতন কাজ করছে না।
আমার ইচ্ছা সে আমার মনের মতন চলুক বা কাজ করুক ,কিন্তু এই বিষয়ে
তাকে বার বার বলেও কোন লাভ হচ্ছেনা।
তখন আমরা যদি মনে মনে একাগ্র চিত্তে সদা সর্বদা তার শুভ চিন্তা করি
এবং আমার যা বলবার তা যদি বার বার তার মঙ্গলের কামনা করে তার জন্য
শুভ চিন্তা করে প্রার্থনা করি তবে এই শুভ প্রার্থনার চিন্তার  ফলে সন্তানের
পরিবর্তন হবেই হবে।
যে কাজ মুখে বলে হয়নি প্রার্থনার শুভ চিন্তার দ্বারা
সেই কাজ সহজেই হয়ে যায়।
আমার এই লেখার সত্যতা যেকেউ পরীক্ষা করে দেখলেই জানতে পারবে।
                                                                                             আদ্যনাথ

            <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================

Tuesday, March 12, 2019

294>||-সুখ সুখ সুখ-||



294>||-সুখ সুখ সুখ-||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

সুখ সুখ সুখ------
ছিলাম নিতান্ত অন্ধকারে,
তাইতো সুখের সন্ধানে,
ভ্রমিলাম দেশ দেশান্তরে।
সুখ যে আছে নিরালায় বসে
নিজ অন্তর দেশে।
বুঝিনাই আগে ,
তারে খুঁজিলাম বৃথাই বাহিরে
অজ্ঞান অন্ধকারে ভ্রমে
ঘুড়িলাম দেশে দেশে ,
ব্যর্থ পরিশ্রমে।

সৎ, চিৎ, আনন্দ,
সত্যম্,  শিবমম্, সুন্দরম্,
অস্তি, ভাতি, প্রিয়,
হলেও ভিন্ন ভিন্ন,
মুলেতে কই সত্তার অঙ্গ।
নিত্য যাহা কিছু তাই তো আনন্দ ,
যেখানে জ্ঞান সেখানেই আনন্দ।

আনন্দইতো আত্মার স্বরূপ,
জীবাত্মার স্বরূপ।
এহেন আনন্দ ময় স্বরূপের সাক্ষাৎকার ,
এইতো জীবনের লক্ষ্য।
এখানেই হয় আত্ম দর্শন ,
এখানেই হয় সকল আনন্দের কর্ষণ।
বুদ্ধিই পারে করতে এই আনন্দের বিশ্লেষণ,
বুদ্ধির দ্বারাই বাড়ে আনন্দ উপলব্ধি আকর্ষণ।

একবার বোধে বোধ হলে ,
সকল বাঁধা যাবে দূরে চলে।
ভয় থাকেনা বিপথ গামী হবার ,
জাগতিক সকল সুখের হয় অধিকার।
জাগতিক সকল সুখ,দুঃখ,
সমাহিত হয় তার অন্তরে।
তখন কার সাধ্য তারে বিচলিত করে।

 <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================

293>||-সুখপাখী -||


293>||-সুখপাখি -||
         <-----©-আদ্যনাথ--->

সুখ নামে সুখ পাখি  থাকে যে খাঁচায়,
সুজন সেই খাঁচা বয়ে বেড়ায়।
খাঁচার মালিক তাই আছে অহঙ্কার,
জেনেও জানেনা, খোঁজও  রাখেনা,
সেই পাখি র আলয়।
পাখি তো সদাই আনন্দে রয়,
পরমানন্দের খোঁজ দিতে চায়,
সুজন বাহিরেই সুখ খুঁজে বেড়ায়।

নিত্য যে সদাই  আনন্দ ময়,
একথাতো মিছে নয়।
তবুও ঘুরে মরা মিছে অহংকারে,
নিত্য কে অবহেলা করে।
সুজন বোঝেনা নিত্য অনিত্য কে,
ক্ষণিক সুখে ব্যস্ত অনিত্যতে।
অনিত্যের পিছনে ছোটা,
জীবনটাই ফুরিয়ে যায় অযথা।

অনিত্য হারিয়ে যায় সময়ের সাথে,
নিত্য সদাই সুখ,আনন্দের আকর লয়ে।
খাঁচায় বন্ধি সুখ রয় জীবনের সাথে সাথে,
সুজন খোঁজেনা তারে একবারের তরে।
সুখ নামে সুখ পাখী থাকে যে খাঁচায়,
নিজের মতন করে খুঁজে নিতে হয়।
সত্যম্,শিবম্,সুন্দরম্ সদাই সত্য ভাবনা,
অন্তরে ডুব দিলে থাকেনা ভাবনা।



 <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================

Tuesday, March 5, 2019

292>||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -।।


    292>||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -।।
                      <-----©-আদ্যনাথ--->

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষের জীবন,
ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি পূর্ণ জীবন ,
সে তো নিম্নতর নিকৃষ্ট জীবন।
সে তো নয় মানুষের প্রকৃত জীবন।
মানুষের জীবন সুন্দর ও মহান।

যে মানুষ তার বিচার বুদ্ধির দ্বারা,
কামনা-বাসনা রুপি ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি গুলি কে,
নিয়ন্ত্রণ করে,
পরিপূর্ণ ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধন করে,
তার আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতাকে
পরিহার করে ।
সকল মানুষের সঙ্গে একাত্ম বোধ করে।
সে মহৎ জীবন যাপন করতে পারে।

এই আত্মকেন্দ্রিক ভাবের অবসান না হলে,
মানুষ আত্ম বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনা,
প্রকৃত জীবনের স্বাদও গ্রহণ করতে পারেনা।

মানুষের প্রকৃত জীবন তার বুদ্ধিমত্তা পূর্ণ জীবন,
যেখানে ক্ষুদ্রতা, তুচ্ছতা, স্বার্থপরতার স্থান নেই।
এক মহৎ জীবন সমাজ তথা দেশের
যুবক তথা মানুষের জীবন কল্যাণের
উৎস্য তথা পথ প্রদর্শক রূপে গণ্য।

      <-----©-আদ্যনাথ--->     
     【--anrc--05/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:18:22=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================

Monday, March 4, 2019

291> ||- ওরা কাজ করে -|| ----(1)+(2)

291> ||- ওরা কাজ করে -|| ----(1)+(2)
                         <-----©-আদ্যনাথ--->
           ( 1 )
ঐযে ওরা কাজ করে,
ওরা কাজের লোক,
কেউ বাড়ি বাড়ি বাসন মাজে,
কেউ রান্নার কাজ করে,
কেউ রিক্সা চালায়।
কেউ দিন মজুর খাটে।
ওরা কাজ করে
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
হয়তো ওদের পুঁথিগত বিদ্যা নাই,
আছে কিছু গুন তাই ওরা কাজ করে।

ওরাও সমাজের একজন,
ওদের মান সন্মান বোধ আছে।
ওদের পেটে খিদের জ্বালা আছে,
ওদের চোখে জল আছে,
হৃদয়ে বেদনা আছে।
মান অপমান বোধ টুকু আছে।
ওরা নীরবে নিভৃতে কাঁদে।
হৃদয়ে ব্যাথা পেলে
কটু কথায় নীরব থেকে।
ওরা কাজ করে।
পেটের দায়ে কাজ করে।

আমরা সমাজে নিজেকে
শিক্ষিত,ভদ্র, সভ্য রূপে মানি।
শিক্ষা ও অর্থের অহঙ্কারের বলে
মুখে অনেক ভালোবাসার কথা বলি,
সুযোগে জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করি।

কখনো কিছু দান দিয়ে নিজেকে
নিজেই ধন্য মনে করি।
নিজেকে দানি, কেউ কেটা মনে করি।
এমন ভান করি যেন,
গরীবের তরেই অশ্রু ঝড়ে।
আসলে নিজেই মরি নিজের অহঙ্কারে।

কারন নিজেরাই বুঝি না,
কোনটা মান, কিসে অপমান।
সর্বদা নিজের দম্ভ ও অহঙ্কারে,
ওরাও মানুষ, ভুলে যাই বারে বারে।

ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
আমরা নিজের ভাবনা, দম্ভ, অহঙ্কারে,
দিনরাত স্বপ্নের পাহাড় গড়ি।
কিন্তু ওই খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী জনেরে,
ভুলে যাই সামান্য সন্মান দিতে।
ভুলে যাই,ওরাও মানুষ
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

     <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-04/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:53:22pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
============43L=============

         ||- ওরা কাজ করে -||
                           <-----©-আদ্যনাথ--->
        ( 2 )
ওরা কাজ করে
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
হয়তো ওদের পুঁথিগত বিদ্যা নাই,
আছে কিছু গুন তাই ওরা কাজ করে।

ওরাও সমাজের একজন,
ওদের মান সন্মান বোধ আছে।
ওদের পেটে খিদের জ্বালা আছে,
চোখে জল ও হৃদয়ে বেদনা আছে।
মান অপমান বোধ টুকু আছে।
তাই হৃদয়ে ব্যাথা পেলে।
ওরা নীরবে নিভৃতে কাঁদে।

আমরা নিজের ভাবনা, দম্ভ, অহঙ্কারে,
দিনরাত স্বপ্নের পাহাড় গড়ি।
কিন্তু ওই খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী জনেরে,
ভুলে যাই সামান্য সন্মান দিতে।
ভুলে যাই,ওরাও মানুষ
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

আমরা সমাজে নিজেকে
শিক্ষিত,ভদ্র, সভ্য রূপে মানি।
শিক্ষা ও অর্থের অহঙ্কারের বলে
মুখে অনেক ভালোবাসার কথা বলি,
সুযোগে জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করি।

কখনো কিছু দান দিয়ে নিজেকে
নিজেই ধন্য মনে করি।
নিজেকে দানি, কেউ কেটা মনে করি।
এমন ভান করি যেন,
গরীবের তরেই অশ্রু ঝড়ে।
আসলে নিজেই মরি নিজের অহঙ্কারে।
ওরা কাজ করে,
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

  <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-04/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:53:22pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
============30L=============

Saturday, March 2, 2019

290>||- আর্তনাদ -||

   290>||- আর্তনাদ -||
                     <---©-আদ্যনাথ--->

দেখেছি শুনেছি আর্তনাদ,
অসহায় মানুষের আর্ত চিৎকার।
পশু পাখিদের ব্যাকুল কোলাহল,
প্রকৃতির রোষাগ্নি সমুদ্রের প্রলয়।

সে ভীষণ ঝড়ের তান্ডব নৃত্য,
সাথে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ স্ফীত।
নিমেষে করেগেলো তছ নছ
যেন মহাদেবের প্রলয় তান্ডব নৃত্য।

বুঝি দেবাদি দেব মহাদেব আজ রুষ্ট,
তাঁর  ক্রোধাগ্নি বর্ষিছে সমগ্র ধরাতলে।
প্রকৃতি যেন পৈশাচিক হাসি হাসিছে,
বজ্র নিনাদ,অবিশ্রান্ত ধারায় বর্ষণ।
সমুদ্রের হুংকার ধরাতল কাঁপে থর থর।

মানুষ কত অসহায় প্রকৃতির কাছে,
শুনেছি তারই হাঁ হাঁ কার
আর্তনাদ শুনেছিলাম সুনামির পরে
2004সালে উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে।

যৌবন কালে বার বার ছুটে গেছি
যেখানেই মানুষ প্রকৃতির বিপর্জয়ে,
হয়েছে অসহায় সম্বল হীন সর্বহারা।
ভুলতে পারিনি সেই অসহায় চাহনি,
এক মুঠো অন্নের জন্য শিশুর ক্রন্দন।
মা এর বুকের দূধ শুকিয়ে গেছে ক্ষুধায়।

যে প্রকৃতি কত যত্নে ধরিত্রীকে করে রক্ষা
সেই প্রকৃতি নিমেষে ধরিত্রীকে করে ধ্বংস।
হাসি কান্নার এই খেলা প্রকৃতির ধর্ম,
ধ্বংস আর সৃষ্টি প্রকৃতি নিত্য কর্ম।

সৃষ্টির আনন্দে আমরা হই উদ্বেলিত,
ধ্বংসের বেদনায় হয়েপরি ব্যথিত।
প্রকৃতি করে চলে নিজ কর্ম সৃষ্টিতে,
আমরা বিষাইছি তারে নানান অজুহাতে।

আমাদের সৃষ্ট বিষের কারণ
প্রকৃতি হয়েপরে ভারসাম্য হীন।
তাইতো প্রকৃতি ঘটায়  ধ্বংসের নৃত্য,
তবুও আমরা দুষী প্রকৃতিরে নিত্য।

আমরা মরি নিজ দোষের অহঙ্কারে,
তথাপি দুষি প্রকৃতিরে বারে বারে।
দেখেও শিখিনা বুঝেও বুঝিনা নিজ দোষ।
দিগে দিগে নিত্য  হাঁ হাঁ কারি আপশোস।

মানুষের করুন আর্তনাদ যখন শুনি
কিছু লয়ে সাথে ত্রাণের অজুহাতে।
বার বার মনেপড়ে ঈশ্বরের সৃষ্টি খেলাকে।
হে ঈশ্বর তুমিতো দিয়েছো অকাতরে,
তবুও বোধ হয় মানুষ করনি মানুষেরে।
মানুষকে গড়েছো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব করে,
তবুও কোথায় যেন রেখেছ ত্রুটি করে।

        <---©-আদ্যনাথ----->       
     【--anrc-01/03/2019--】
     【=রাত্রি:02:28:22=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================
( বহুবার নানাস্থানে নানান বিপর্যয়ে
ত্রাণ কার্যে যোগ দিয়েছিলাম।
কিন্তু2004 ডিসেম্বরের ভয়ঙ্কর সুনামিতে 14টি দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
       হোয়েছিলো।
আমরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ধানবাদ থেকে
14জন উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে গিয়েছিলাম
সেই দৃশ্য আজও মনে পড়ে বারে বারে।)
============================

Friday, February 22, 2019

289>||-বাংলা ভাষা -||


 289>||-বাংলা ভাষা -||
               <-----©-আদ্যনাথ--->

আমরা বার বার বলি,
হাজার বার বলি।
আমরা বলতে চাই আমাদের ভাষা।
আমাদের গর্ব আমাদের আশা,
আমাদের বাংলা ভাষা।
সে আমাদের বাংলা ভাষা।
জন্মের পরে প্রথম যেদিন,
হয়েছিল কথা বলা শুরু,
সেইদিন প্রথম কথা,
বাংলা ভাষাতেই হয়েছিল শুরু।

বাংলা আমাদের প্রাণের ভাষা,
বাংলা তেই আমাদের সকোল আশা,
বাংলার বায়ু, বাংলার জল,
বাংলার এই নীল আকাশ,
বাংলা জন্ম ভূমির মাটি।
সকলি বাংলায় মাখা মাখি,
সকলি সোনার থেকেও খাটি।

এমন বাংলাকে কি আমরা
কখনো ভুলতে পারি।
বাংলার ঋতু, বাংলার ফুল, ফল,
বাংলার নিবিড় বনাঞ্চল,
সকলি আমাদের প্রিয়,
আমাদের প্রাণের প্রাণ।

দুই বাংলার কতো শ্রেষ্ঠ মানুষ,
বাংলার প্রেম ভালোবাসা দিয়ে,
বার বার করেছে বিশ্ব জয়।
বাংলা ভাষা আমাদের "মা"য়ের সমান।
আজ সেই একুশে ফেব্রুয়ারি।

সেদিন রাজপথ হয়েছিলো
কতো তরুণের রক্তে রঙিন,
কতো তরুণের রক্ত বহে ছিল
বাংলাদেশের রাজ পথ রাঙিয়ে।
আজও মনে পড়ে বারে বারে
এতগুলি বছর পার করে।

সেদিন পূর্ব বাংলা হয়েছিল উত্তাল,
কতো তরুণ দিয়েছে আত্ম বলিদান,
কেড়ে নিতে বাংলা ভাষার অধিকার।
বাংলা হোক রাষ্ট্রভাষা,
পূর্ব বাংলা চেয়েছিল সেই অধিকার।
আজও পূর্ব বাংলায় শোনা যায়
সেই সন্তান হারা "মা"য়েদের হাঁ হাঁ কার।

সেদিনের মতন আজও
পুবাকাশে ওঠে সূর্য রক্তের লালিমা মেখে।
অস্ত যায় দূই বাংলাকে রাঙিয়ে দিয়ে।
বসন্তের পলাশ যেন,
সেই রক্ত মেখে গায়ে,
রক্ত লালিমায় রঙিন আজও শোভা পায়।
সেই একুশে ফেব্রুয়ারি
তারে কখনো কি ভুলতে পারি।
সে যে শহীদের রক্তে রাঙা
একুশে ফেব্রুয়ারি।

সেদিন বাংলার তরুণদের দৃঢ় মনোবলে,
জাতিসংঘ নিয়েছিল সিদ্ধান্ত নুতন করে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে দিতে সন্মান,
2010 হতে দিনটি পেল আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবসের সন্মান।

মনের কোঠায় জমেথাকা
সকল আদর সন্মান দিয়ে,
বাংলাকে করি বার বার প্রণাম,
বাংলা ভাষাকে করি অন্তর হতে প্রণাম।

      <-----©-আদ্যনাথ----->
     【--anrc--21/02/2019--】
     【=রাত্রি:11:38:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================

Thursday, February 21, 2019

288> ||-২১ ফেব্রুয়ারি -||

  
  288> ||-ভাষা দিবস -||
        <--©➽-আদ্যনাথ--->
"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানোএকুশে ফেব্রুয়ারী।, আমি কী ভুলিতে পারি?" 21/2/2021 আজ ভাষা সহিদ দিবস। অভিনন্দন জানাই সকল জাতি,ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষ কে।


 288> ||-ভাষা দিবস -||
        <--©➽-আদ্যনাথ--->
আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারি,
আজ ভাষা দিবস জানি,
এই দিনটি  কি আমরা ভুলতে পারি?
শয়নে স্বপ্নে সদা জাগরণে, 
মনে পরে শহীদের রক্তের বদলে,
আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষার অধিকার।
কত মা হারিয়েছেন নিজের সন্তান,
আমরা দেখেছি শহীদের বুকের রক্ত দান।

কত শহীদের রক্তের বদলে পেয়েছি যে অধিকার। 
পেয়েছি বাংলা ভাষার অধিকার।
সেই শহীদের রক্তে লেখা আমাদের অঙ্গীকার,
 21শে ফেব্রুয়ারির অধিকার।
বাংলার শহীদের রক্তে রাঙা 21শে ফেব্রুয়ারি,
আমাদের অঙ্গীকার।
আজ আমরা বলি বুকফুলিয়ে 
বাংলা আমাদের অধিকার।

বাংলা আমাদের মাতৃ ভাষা,
বাংলা আমদের প্রাণের ভাষা।
বাংলা আমাদের আদরের ভাষা,
বাংলা আমদের হৃদয়ের ভাষা।
বাংলা আমাদের কথা বলার ভাষা,
বাংলা যে এক স্বর্গীয় ভাষা।
বাংলার গান গাই আনন্দে,
বাংলার ভাষা বাংলার ছন্দে।
বাংলার ছন্দ শ্রেষ্ঠ ঈশ্বরিয় সংস্কার,
বাংলা ভাষাই আমাদের অহঙ্কার।

বাংলার বায়ু,বাংলার জল,
বাংলাই আমাদের প্রানের বল।
বাংলার প্রকৃতি সকলের শ্রেষ্ঠ,
বাংলার আবহাওয়া সদাই উৎকৃষ্ট।
বাংলা তার প্রেম ভালোবাসা দিয়ে,
আজও আছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আসনে।
বাংলা ভাষা প্রেম ও আদরে পরিপূর্ন,
বাংলা ভাষা সর্বদাই বিশেষ মর্যাদাপূর্ন।
    <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
      21/02/2021-- 03:05:15 am
=========================




======================

288>  ||-২১  ফেব্রুয়ারি -||
        <---©-আদ্যনাথ--->

২১ শে ফেব্রুয়ারি
মনে করিয়ে দেয়
আমদেরও আছে ভাষা।
যে ভাষার নাম বাংলা ভাষা।
বাংলা আমাদের ভাষা,
বাংলা আমদের আদরের ভাষা
বাংলা আমদের প্রাণের ভাষা।

আমরা কথা বলি
আমাদের বাংলা ভাষায়।
আমরা গান গাই
আমাদের বাংলা ভাষায়।
গান গাই সকল ভাষার জন্য।
আমাদের ভাষা বাংলা ভাষা।
বাংলা আমাদের প্রাণ।
বাংলার বায়ু,বাংলার জল
আমদের বাংলার মতন হয়।
বাংলা তার প্রেম ভালোবাসা দিয়ে
বার বার করেছে বিশ্ব জয়।
         <---©-আদ্যনাথ--->
            21/02/2019-- 12:30:15

287>||-ভাষা দিবসে =সংগ্রহ -||

287>||-ভাষা দিবসে =সংগ্রহ -||
একটি সুন্দর সংগ্রহ-------

যে ভাষায় আমের নাম হিমসাগর আর গ্রামের নাম বীরসিংহ, ফুলের নাম অপরাজিতা আর দুলের নাম ঝুমকো, পাখির নাম বউকথাকও আর ফাঁকির নাম দেশভাগ, মিষ্টির নাম বালুসাই আর বৃষ্টির নাম ইলশেগুঁড়ি, মাছের নাম রূপচাঁদা আর গাছের নাম শিশু, কবির নাম জীবনানন্দ আর ছবির নাম সাড়ে চুয়াত্তর, কাজীর নাম নজরুল আর পাজির নাম পাঝাড়া, ঋতুর নাম হেমন্ত আর থিতুর নাম বিবাহিত, মাসের নাম শ্রাবণ আর ঘাসের নাম দূর্বা, গানের নাম ভাটিয়ালী আর ধানের নাম বিন্নি, খেলার নাম গোল্লাছুট আর ঠেলার নাম বাবাজী, সুরের নাম রামপ্রসাদি আর গুড়ের নাম নলেন, রেলের নাম কাঞ্চনকন্যা আর তেলের নাম জবাকুসুম, দাদার নাম ফেলু আর ধাঁধার নাম শুভঙ্করী, হাসির নাম খিলখিল আর বাঁশির নাম মোহন, ঝড়ের নাম কালবৈশাখী আর ঘরের নাম 'ভালো বাসা', যুদ্ধের নাম মুক্তি আর বুদ্ধের নাম অমিতাভ, প্রেমের নাম দেবদাস আর ট্রেমের নাম পরকীয়া, নদীর নাম কীর্ত্তনখোলা আর যদির নাম দিবাস্বপ্ন, রোগের নাম সন্ন্যাস আর যোগের নাম মণিকাঞ্চন, সাপের নাম শঙ্খচূড় আর বাপের নাম আপনি বাঁচলে

তাকে ভালো না বেসে পারি?
    ( সংগ্রহ )
❤❤❤
,=====================
     21/02/2019
21 শে ফেব্রুয়ারি মাতৃ ভাষা দিবস।
1952 AD
বাংলা ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮
বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম
রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন।
তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক,জব্বার,শফিউল,সালাম,বরকত সহ অনেকেই।
তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। 2010 খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ
কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।

Tuesday, February 19, 2019

286>||- এসেছে হৃতুরাজ -||

  286>||- এসেছে ঋতুরাজ -||
             <-----©-আদ্যনাথ--->

  এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত,
ব্যাকুল হৃদয়, মন অশান্ত।
উদাসী মণ খুঁজে চলে অনুক্ষণ,
হারানো প্রেমের স্বপ্ন সর্বক্ষণ।

যে বসন্ত গেছে চলে,
সে কি আর আসবে ফিরে।
যে গেছে সে যাক চলে,
তারে কেন চাওয়া ফিরে।

বহুদিন পরে এই বসন্ত যেন নুতন লাগে,
মণ ছুয়ে চলে তারে স্বপ্নে।
বিরহিত মণ স্বপ্নের জাল বোনে,
স্বপ্নেই নিশিদিন খেলা করে।

প্রেমার্ত হৃদয় বসে বাতায়নে,
শিহরিত বসন্তের আগমনে।
শিমুল পলাশ মূহ্যমান ফুলের ভারে,
সহসা অলক্ষিতে একবিন্দু অশ্রু ঝরে।

আকাশে বাতাসে প্রেমের আবেশ,
হৃদয়ে হৃদয়ে মিলনের অনুলেপ।
চোখে প্রেমময় লাজুক নেশা,
বসন্তের প্রেম মাদকতার নেশাে।

দুর দিগন্তে কোকিল ডাকিয়া কয়,
বসন্ত এসে গেছে প্রেম আছে সাথে।
দূরের বিলে ডাহুক ডাকিয়া কয়,
মনের জানালায় দেখ হৃদয় প্রেমের আলয়।

গাছে গাছে রঙের ছড়া ছড়ি,
বনাঞ্চল যেন ফুলের বাড়ি।
প্রজাপতি খায় দোল,
আমের শাখায় শাখায় সাজছে বউল।

ফুলের সৌরভে মধু কর মধুর লোভে,
গায়ে ফুলের পরাগ মাখে।
কর্ম ব্যস্ত মৌমাছি ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে,
গুণ গুণ রবে গান গায় আনন্দে।

প্রকৃতি হওয়ার ভরে বৃক্ষ শাখে,
দেয় দোল গাছে গাছে ডালে ডালে।
মহুয়ার গন্ধে ভালুক ছুটে আসে,
মধু আর মহুয়ার নেশায় মাতে।

খোলো আজি দুয়ার খোলো
ফাল্গুনের আগুন পলাশের বনে।
শূন্য হৃদয় বসে একলা প্রমাদ গোনে,
প্রিয়া আসবে বলে অপেক্ষায় দিন গোনে।

বসন্তের হওয়া জাগায় প্রেমের শিহরণ,
এমন দিনে ব্যাকুল মন চায় মিলন ।
প্রেম বুঝি আসে নীরবে
বসন্তে প্রেমের মিলন হয় গোপনে।

বসন্তে প্রেমের মিলনে স্বর্গীয় সুখ,
প্রেম মিলন বনফুলের গন্ধে হয় মধুর।
বসন্তের জোছনায় প্রেমের মিলন,
অনাবিল আনন্দে হৃদয়ের মিলন।

বসন্তে প্রেমের সূচনা স্বপ্নের মধু চন্দ্রিকা,
জোৎস্নায় পুলকিত  প্রেমিক প্রেমিকা।
এ মধু যামিনী হৃদয়ের মধু পিপাসু,
পূর্ণ মদ মত্ত আপ্লুত হৃদয় যেন পূর্ণেন্দু।

নয়নে মাখিয়া প্রেমের কাজল চিকন,
ওষ্ঠে ভরিয়া তৃষিত প্রেমের চুম্বন।
অঙ্গে অঙ্গে শিরায় শিরায় জাগে শিহরন,
বসন্তের প্রেম স্পর্শে পুলকিত মন।

শাখা মৃগ প্রেমে মত্ত ফুলের সৌরভে,
সোহাগে আদরে একে অন্যকে ব্যাকুল করে।
পশু কিট পতঙ্গ সকলেই প্রেমে মত্ত,
বসন্তে সকল হৃদয় প্রেমের জোয়ারে মত্ত।

বসন্তের আগমনে প্রেমের প্রকাশ,
নাকি প্রেমের যৌলসে বসন্তের প্রকাশ।
বসন্তের রূপ ও রঙ্গে ফুলের গন্ধ মেখে,
যৌবনকে করে আকৃষ্ট নানান ছলে।

বিরহে যুবতীর বনোফুলের মালা গাঁথা,
ব্যাকুলতা বারে দীর্ঘ হলে মালা গাঁথা।
বসন্তে যৌবন যেন পলাশের বন,
রাঙিয়ে দিতে চায় প্রেমাস্পদের মণ।

প্রকৃতি খেলাকরে বসন্তকে লয়ে,
তার উন্মাদনা বৃক্ষ লতা ফল ফুল লয়ে।
প্রকৃতির আনন্দ প্রাণী কুল জগৎ লয়ে,
বর্ষ ভর সকলেই বসন্তের প্রতীক্ষা করে।
     
     【--anrc-20/02/2019--】
     【=রাত্রি:12:08:22am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================


Monday, February 18, 2019

285> ||- বীরের হুংকার-||


285> ||- বীরের হুংকার-||
               <------©-আদ্যনাথ--->

একের পর এক জঙ্গী হানা,
কখনো সেনা ছাউনিতে।
কখনো সিআরপিএফ কনভয়ে।
এহেন জঙ্গী তৎপরতায়,
জম্মু, কাশ্মীর অঞ্চল করতে চাইছে
জঙ্গীদের সশস্ত্র মুক্তাঞ্চল।

১৪ই ফেব্রুয়ারি 2019 বৃহস্পতিবার
জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে এক জঙ্গি
বিধ্বংসী আত্মঘাতী হামলায়
প্রাণ হারান কমপক্ষে ৪০ জন জওয়ান।
এমনি করে হঠাৎ হঠাৎ অজ্ঞাতসারে
জম্মু, কাশ্মীরে হচ্ছে জঙ্গী হামলা,

ভারতীয় সৈনিকের কনভয়ে,
জঙ্গীতৎপরতায় ভয়ানক বোমা বর্ষণ।
ভারত মাতার কিছু বীর সৈনিক
মৃত্যু যন্ত্রণায় করে আর্তনাদ।

তথাপি ভারতীয় বীর সৈনিক,
মৃত্যু যন্ত্রণা ভুলে,প্রস্তুত হয়।
ভারতীয় সৈনিক আজ অকুতোভয়,
দিতে উপযুক্ত জবাব জঙ্গিদের।
কিন্তু হায় ওরা কাপুরুষ জঙ্গী
তাই করেছে পলায়ন সকল সঙ্গী।

ওরা অত্যাচারী দুরাচার জঙ্গী,
ওরা অতিশয় পাষণ্ড জঙ্গী।
ওদের না আছে ধর্ম না আছে কর্ম,
ওরা বোঝেনা ভালোবাসার মর্ম ।
ওরা জঙ্গী ওরা আগ্রাসী,
ওরা ষড়যন্ত্রকারী।
ওরা ভয়ানক উন্মাদ,
ওদের নীতি জঙ্গী বাদ।
ওদের নাই কোন ঠিকানা
ওরা নিজেকেই নিজে চেনে না।
ওদের পরিচয় ওরা জঙ্গী মাত্র
ওরা আতঙ্কবাদী মাত্র।

ওরা অন্ধকারের শয়তান,
ওরা ভীরু কাপুরুষ নাই কোন মান।
ওদের কর্ম সভ্যতাকে ধ্বংস করা,
ওদের আনন্দ সন্ত্রাস সৃষ্টি করা
ওরা ধর্মহীন বিকারগ্রস্ত,
ওদের করতে হবে সমুলে বিনাশ সমস্ত।

আজ ওরা ছড়িয়ে আছে বিশ্বময়,
ওদের খুঁজতে  না থাকে যেন সংশয়।
ওদের প্রতি আর কোন নয় অহিংসা নীতি,
ওদের সমুলে বিনাশই উচিত নীতি।
ওরা আজ সমগ্র বিশ্বের ত্রাস,
ওদের করতেই হবে সমুলে বিনাশ।
ওদের উদ্দ্যেশ্য দেশের শান্তি ভঙ্গ করা,
এখনই  উচিত ওদের শায়েস্তা করা।

ওদের কৃত কর্মে আমরা অনন্যোপায়,
ওরা আর ক্ষমার যোগ্যনয়।
ওরা অকৃতজ্ঞ, কৃতঘ্ন অতিশয়,
ওদের চাই সমুলে বিনাশ নিশ্চয়।
ওদের বিনাশেই দেশ হবে সন্ত্রাস মুক্ত,
জঙ্গীদের দিতেহবে শাস্তি উপযুক্ত।
         
     【--anrc--16/02/2019--】
     【=রাত্রি:01:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================

Saturday, February 16, 2019

284>||- মায়ের বীর সন্তান -||

    284>||- মায়ের বীর সন্তান -||
                 <-----©-আদ্যনাথ--->

   মা এর নিকট পৌঁছল সন্তান
      সৈনিকের কাঁধে চড়ে।
    সেই বীরসন্তান ছিল কফিনে ঢাকা
    সেই পার্থিব শরীর ফুলে ফুলে ঢাকা।

ভারত মাতার সন্তান,
  এক বীর সৈনিক,
যে ছিল কাশ্মীরে কর্মরত
জঙ্গী হানায় দিয়েছে আত্ম বলিদান
ভারতের বীর সন্তান।

মা দাড়ায়ে অচল অটল
বাক রুদ্ধ নয়ন স্থির শান্ত
সকলে আজ ভীত সন্ত্রস্ত
কে জানে কি হয়।

সাহসে ভরকরি এক সৈনিক,
যারা এনেছিল তাঁর সন্তানকে
কাঁধের ভরে ,
সহসা জিজ্ঞাসে তাঁরে,
মা কেন নির্বাক আপনি?

মা কিছুতো বলুন আজ,
মা তুমি কেন নির্বাক আজ।
কেন বলোনা কোন কথা
তোমার আঙনে শুয়ে শান্তিতে
তোমার এক মাত্র বীর সন্তান।

চারিদিক নিস্তব্ধ নীরব,
সহসা মা এর গম্ভীর স্বর
ভ্গবান কেন কৃপণ এত বুঝিনি আগে,
দিয়েছেন মাত্র এক বীর আদরে
কেন দেন নি এমন শত বীর আমার কোলে!
কে বলে আমার সন্তান মৃত,
তোমরা কি দেখছো না
আজও ঐযে লড়ছে দেশের তরে
হাজার সৈনিকের সাথে।
তোমরা বয়ে এনেছো এক
অবয়ব মাত্র।
আসোল তো তাঁর আত্মা
আমার সন্তানের আত্মা।
যা আজ হোয়েছে এক থেকে হাজার,
যারা আজও লড়ছে দেশের তরে,
কে বলে আমার সন্তান মৃত
আজ আমি গর্বোজ্জ্বল আনন্দিত।
আমি এক হারিয়ে
পেয়েছি হাজার সন্তান ।
আমার সন্তান আজ নয় একজন মাত্র।
আজ আমি এক থেকে হয়েছি
হাজার সন্তানের জননী।

ওঠো জাগো আমার বীর সন্তানেরা,
সমগ্র ভারত বাসী আজ,
চাইছে সমুচিত জবাব,
তোমাদের পথ চেয়ে ভারত বাসী আজ।
তোমরা আছ অতন্দ্র পাহারায়,
তাইতো ভারত বাসী সুখে ঘুমায়।
     
     【--anrc--15/02/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:10pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
       

283>||- ऋतु राज बसंत -||

     283>||- ऋतु राज बसंत -||

           <------©--आद्यनाथ--->

    आरहा हैं बसंत ऋतु राज,
    आरहा हैं हरियाली ऋतु राज।
    आरहा हैं फुलोकी ऋतु राज,
    आरहा हैं प्यारकी ऋतु राज।

     सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
     खेत खोरियान हरियाली छायेगी।
    किसानों के मन में खुशियाँ छायेगी,
     बन बिथी में हरियाली छायेगी।

     सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
        महुआ बन बस जाऊंगी
            मेहंदी रंग रचाऊंगी
         दरिया में जल केली खेलूंगी

      सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
      खामोशी का इयाद नहीं करुंगी।
        फूलों की डालियां सजाऊंगी
        घर घर मी खुशियां लाऊंगी।

        सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
        आपना सुहाग को बुलालूंगी।
       फुलोसे उनका स्वागत कोरूंगी,
            पलाश फूलोसे सजुंगी।
       
         सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
          गजरा बनाकर हैं इंतेज़ार उनकी।
          गुलाब,पलाश, शिमुलकी
          रंगोली खेलेंगी हम गुलालकी।

           सुचोना हैं बसंत ऋतु आनेकि,
            रंगोली रंग लाईगी होलिकी।
           प्यार की रिस्तो में इंतेज़ार
            बसंत ऋतु आनेकि इंतेज़ार।
   
      【--anrc--16/02/2019--】
      【=रात्रि 02:20:12=】 【=बेलघरिया=कोलकाता-56=】
=========================

282>||- मोहब्बत की राह -||

282>||- मोहब्बत की राह -||
              <--©--आद्यनाथ--->

मोहब्बत की खंजर
होती हैं छोटी मगर तीक्ष्न धार।
मोहब्बत की हर राह में
दुश्मन तैयार बैठे हैं लिए खंजर।
जरा होसियार रहना जरूरी
मोहब्बत की राह में।
अगर दोस्त ने ही चलाय खंजर,
दुस्मनकी केया जरूरी ।
अगर प्यार ने ही दिया धोका
बेवाफाई की जरूरी केया।
मगर प्यार में बेवाफाई मिले तो
कोभी नहीं करना गम।
तुम नहीं करना प्यार कभी कम।
प्यार के लिए महफ़िल सजाने से
दर्द को पीछा छुराय क्यसे।
प्यार में दर्द ही नहीं हैं तो
प्यार क्यसे।
बचना हो तो बचो मोहब्बत की खंजर से।
चुप मत बैठो सामना करना सिखलो दुश्मन से।
     
  【--anrc--16/02/2019--】
  【=रात्रि 02:44:10am=】 【=बेलघरिया=कोलकाता-59=】
========================




Friday, February 15, 2019

281>||- মেঠো পথ --||

   281>||- মেঠো পথ --||
              <-----©-আদ্যনাথ--->

আমি ভালোবাসি তোমাকে,
সেকি আমার অপরাধ।
জানি এই ভালোবাসাতেই আমার সর্বনাশ,
কেবলি অরণ্যে রোদন।
তবুও ভালোবাসি তোমাকে,
তোমার ঐ কাঁকর বিছানো বুকে
যতবার গেছি হেঁটে।
মনে পড়ে সেই কিছুদিন আগে
হেঁটেছিলাম তোমার বুকে,
রক্তাক্ত হয়ে ছিল দুটি পা,
তোমার ক্ষুরধার কাঁকরে।

তবুও আমি ভালোবাসি তোমাকে,
কোথাও তুমি কতো সুন্দর,
কালো কম্বলের মতন পিচে মোড়া।
কোথাও সিমেন্ট বালি পাথরের কংক্রিট।
কিন্তু আমার ভালোলাগে,
ওই অজ পাড়াগাঁয়ের মাটির পথ।
গ্রাম বাংলার সেই পথ,
আজ গেছে হারিয়ে।
তবুও ভালোবাসি তোমাকে।
দুই ধারে গরুর গাড়ির চাকার গর্ত,
মাঝখানে উচুঁ মাটির পথ।
বর্ষায় হাঁটু পর্যন্ত কাদ,
গ্রীষ্মে ধুলোয় ঢাকা ।
গ্রামের বধূ জল লয়ে যায় কাঁখে,
ওই পথ বয়ে।
শিশুরা  প্রাণের উল্লাসে ঐপথে,
দিন ভর খেলা করে।

আমি ভালোবাসি তোমাকে,
তোমার দুই ধারে ক্ষেত খামার,
ধান পাট কতো গাছ গাছালি।
মাঠে মাঠে চাষীদের ফসল,
কতো ফুল পশু পাখি।
খালের ধার দিয়ে চলে গেছো তুমি
গ্রাম থেকে গ্রামে।

আমি ভালোবাসি তোমাকে,
কিন্তু মনেহয় ঈশ্বর নাই আমার সহায়।
তাই বুঝি ধীরে ধীরে,
আমার চলার ক্ষমতা নিঃশেষ করে,
ঈশ্বর অট্টহাসিতে আমায় ব্যঙ্গ করে।

আমি ভালোবাসি তোমাকে,
সেই গ্রামের মেঠো পথ,
যে আমাকে শিখিয়েছে চলা,
শিখিয়েছে মানুষের সাথে কথা বলা।
আজ আমি কোন মতে হেঁটে চলি,
শহরের পিচের তপ্ত গরমে,
সদাই ভয় এই বুঝি কোন যান্ত্রিক বাহন,
ঠেলে ফেলে দিতেচায় পথের ধারে।

আমি আজও ভালোবাসি
পাড়াগাঁয়ের সেই মেঠো পথ।
মণ চায় মাটির ধুলো মেখে,
পুকুরে ঝাঁপিয়ে সাঁতার দিয়ে
এপার ওপার হতে।
প্রাণখোলা হওয়া,
কখনো ধানের শীষে ফুল ধরার গন্ধ,
কখনো  ঘরে ঘরে ধান সিদ্ধর গন্ধ।
মাঠে বসেছে আখের কল,
বাতাসে ভেসে আসে,
আখের গুড় তৈরি মিষ্টি গন্ধ।
খেতে খেতে সবুজ সাখ সবজি।

হে মেঠো পথ আমি আজও ভালোবাসি,
ভালোবাসি তোমার ধুলি কণাকে।
তাই বার বার বলি
আমি আজও ভালোবাসি তোমাকে।
মাখতে চাই তোমার ধুলি কণা দেহে।
 ভালোবাসি তোমাকে।         
     【--anrc--13/02/2019--】
     【=রাত্রি:12:15:53=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================





280>||- বসন্ত উৎসব -||

   
280>||- বসন্ত উৎসব -||
              <-----©-আদ্যনাথ--->
দেখেছিলাম,
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব।
সেদিন সকালে,
বৈতালিকের মাধ্যমে
শুরু হয়ে ছিল বসন্ত উৎসব।
গান আর রঙে মেতে ওঠেন হাজারো শিক্ষার্থী সাথে ছিলাম আমরা আর ছিল
 নানা ধর্ম নানা জাতির
অজস্র মানুষের ভিড়।

দেখেছিলাম শান্তিনিকেতনে
মেয়েদের পরনে বাসন্তী রঙের শাড়ি।
কপালে লাল টিপ।
হাতে কাচের চুড়ি, গলায় পুঁতির মালা।
চোখে গুলি যেন নীল আকাশের ডানা
বাঁধনহারা হাসির সাথে ঠোঁটের রং
যেন কামনার ছবি আঁকা।
খোঁপায়  ফুলের মালা।
বর্ণালী সাজে নারীদের মোহিনির মেলা
অপূর্ব ছিল সেদিনের মেলা।
দিকে দিকে আলপনার বাহার যায়না ভোলা।
প্রাণে মনে দোলা দেয় নতুন আবেশ।

বাতাসের স্নিগ্ধ শীতল পরশ
কুয়াশার মুক্ত সকাল
দিচ্ছে জানান আজ বসন্ত।

গাছে গাছে অঙ্কুরিত আম্র্রমুকুল।
আর সবুজ কিশলয়।
শাখায় শাখায় মঞ্জরিত ফুলদল।
পলাশ, কৃষ্ণচূড়া,শিমুল। 
রাঙিয়ে দিচ্ছে বসন্তের মন।
দূর থেকে ভেসে আসা
কোকিলের কুহু কলতান।
প্রজাপতি তার রঙিন ডানায়,
ফুলের পরাগ মেখে,
দোল খায় স্নিগ্ধ হওয়ায়।

ঋতু গুলি আসে যায় নূতনের আহ্বানে
প্রকৃতি সাজে আনন্দে নুতন রূপে।
বাংলার ষড়ঋতুর মহিমা চিরন্তন সুন্দর।
ঋতুর বদলের সাথে সাথে
মানুষের মন ও বদলে যায়।

মাঘ মাসের শীতলতা জানিয়ে বিদায়,
ফাল্গুনের প্রথম প্রহরেই বাঙালি মন
মেতে ওঠে ‘বসন্ত’ উৎসবে।
প্রতিটি মানুষ যেন ফিরে পায় জীবন,
ফিরে পায় নতুন চঞ্চলতা।
সুরে ও ছন্দে আনন্দের ঝলক,
দিকে দিকে রঙিন স্বনের পুলক।

প্রাণে প্রাণে দোলা দেয় নতুন আবেশ। হৃদয়ের ব্যাকুল তন্ত্রি সকল
প্রেমানলে বেজে উঠে- জানিয়ে ছিল
আহা আজি এসেছে বসন্ত।
নৃত্যের তালে তালে মুখরিত পরিসর
আজি বসন্ত উৎসব ।
এ উৎসব এক ভাবনার মেল বন্ধন
যেখানে দৃঢ় হয় মৈত্রীর বন্ধন।
সেই তো রবিঠাকুরের শান্তিনিকেতন।
     
     【--anrc-14/02/2019--】
     【=রাত্রি:11:15:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
  =======================
এবারে শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব !!
২১শে মার্চ ২০১৯ (৬ ই চৈত্র) বৃহস্পতিবার
 Thu, 21 Mar 2019,
=========================

279> ||- প্রিয়ার প্রতীক্ষায় -||

  279> ||- প্রিয়ার প্রতীক্ষায় -||
                <-----©-আদ্যনাথ--->

বসন্ত দাড়ায়ে দুয়ারে
হাওয়ার দোলায় চড়ে।
মন উচাটন হৃদে কম্পন
প্রিয়া আসিবে আজ আমার ঘরে।

কতো বসন্ত হয়েগেছে পার
প্রিয়ার অপেক্ষায় বার বার।
নিল আকাশে চিল ডেকে চলে
তার মন বুঝি চঞ্চল মিলনের তরে।

আজি বসন্তের প্রভাতে
যেদিকে তাকাই আনন্দে।
মন ভরে যায় ফুলের সৌরভে
উদাসী মন তোমাকেই খুঁজে চলে।

বাতাসের পরশে স্নিগ্ধ শীতল
কুয়াশা মুক্ত সকাল।
ব্যাকুল হৃদয়ে দিচ্ছে জানান
আজ বসন্তের আগমন।

গাছে গাছে অঙ্কুরিত আম্রমুকুল
আর সবুজ কিশলয় কুল।
শাখায় শাখায় মঞ্জরিত ফুলদল
পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল।

বসন্ত রাঙিয়েছে প্রকৃতির মন
ফুলের সৌরভ মনের মতন।
দুর হতে  স্বপ্ন সুর আসে ভেসে
কোকিলের কুহু কলতান মিশে।

প্রজাপতি তার রঙিন পাখনায়
ফুলের পরাগ মেখে ডানায়।
ভ্রমরেরা ফুলের মধু খেয়ে
স্নিগ্ধ হওয়ায় দোল খায়।

ঋতু গুলি আসে যায় যেন চির নূতন
প্রকৃতি সাজে সহজে বিদায় পুরাতন ।
বাংলার ষড়ঋতু সুন্দর চিরন্তন
ঋতুর সাথে বদলে যায় মানুষের মন।

মাঘের শীতলতা নিয়েছে বিদায়,
আমি বসে প্রিয়ার অপেক্ষায়।
ফাল্গুনের প্রথম প্রহরেই উদাসী মনে
পথ চেয়ে রই তোমার পানে।

ব্যাকুল হৃদয়ে বসন্তের পরশে
মন খুঁজে বেড়ায় তোমাকে ।
তুমি নাই কাছে তাই প্রমাদ গুণী
শূন্য হৃদয়ে স্বপ্নের জাল বুনি।

কোথা তুমি ওগো আমার প্রিয়া এসো
এসেছে বসন্ত তাই মেতে ওঠো।
আমিযে আজও বসে তোমার অপেক্ষায়
তুমি আসবে  রাতই প্রতীক্ষায়।
     
     【--anrc-15/02/2019--】
     【=সকাল:04:07:22am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================


278> ||-জীবন ক্ষণিকের -||

  278> ||-জীবন ক্ষণিকের -||

জীবন তো ক্ষণিকের অথিতি,
কেটেজায় কালের কিছু সময়।
যা ভাবনা তা তো পাইনা,
যা চাইনি সেটাই পাওনা।
যতই করি ভাবনা,
জানি কিছুই রবেনা।
এসেছি খালিহাত একলা,
যেতেও হবে খালিহাত একলা।
মাঝে শুধু পাওনা,
কিছু বন্ধুর সাথে মনের দেনা পাওনা।
            <---©-আদ্যনাথ--->15/02/2019.

Saturday, February 9, 2019

277>||- পুরাতন-||

 277>||- পুরাতন-||
          <----©-আদ্যনাথ--->

"মাঝে মাঝে পুরোনো পড়া ঝালিয়ে নিতে হয়। মস্তিস্ক সচল থাকে !!!"

পুরোনো পড়া ঝালিয়ে নিলে মস্তিস্ক সচল থাকে। একটা অত্যন্ত সত্য।
পুরনো প্রেম,ভালোবাসা,চিন্তা,আবেগ,
দুঃখ কষ্ট,এমনকি জীবন সাথিকেও নুতন রূপে চেনা যায়, একটু ঝালিয়ে নিলে।
যেমন পুরনো বইকে নুতন মলাট দিয়ে।
কিন্তু পুরনো সেইদিন কি আর ফিরে আসে?
যে দিন চলে গেছে সে আর ফেরে না।
শুধু চিন্তার বোঝা বাড়ায়।
পুরনো আনন্দের দিন গুলি সামান্যই
স্বরনে আসে।
পুরনো দুঃখ গুলি যেন হৃদয়ে গেঁথে থাকে।
পুরনো কতো আবেগ নদীর স্রোতের সাথে
সমুদ্রে হারিয়ে যায়।
সময় কেবল বয়েযায়।
হৃদয়ের ব্যথা গুলি বার বার মনকে জ্বালায়।
অশান্ত মন ছুটে বেড়ায় পাগল প্রায়।
ভাবনা গুলি আঁকরে থাকে লৌহ শিকল প্রায়।
চঞ্চল মন মানেনা বারণ,
সে ছোটে তার স্বভাবের কারণ।
এমনি ভাবেই চলে জীবন।
পুরোনোকে ভোলা কঠিন বরো।
তাই আজ যে নুতন তাকে খুব আদর করো।
নাহলে কালতো সেও পুরনো হয়ে যাবে।
নুতন কে সকলেই আদর করে।
পুরাতনকে হৃদয় দিয়ে নুতন রূপে গ্রহণ করাই বুদ্ধি মত্তা।
এমন বুদ্ধিমত্তা ই সঠিক মনুষ্যত্বের লক্ষ্যন।
তাইতো মানুষকে সবকিছু নিতে হয় মানিয়ে,
পুরাতনকে ও আদর করতে হয়
সুন্দর মণ নিয়ে।
মানুষ শ্রেষ্ঠ তার ভাবনা,উপলব্ধি সহো
মনুষ্যত্বের কারনে।

           
     【--anrc-04/01/2019--】
     【=সকাল:07:12:09=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
========================

276>||- আধুনিক কবি -||

276>||- আধুনিক কবি -||
        <---©-আদ্যনাথ--->

লিখবো কিছু কবিতা,
তাই ছিলো ভাবনা।

শুনেছি
"কবিরা তাদের নিজেদেরই সঙ্গেই কথা বলেন, আর আমরা, পাঠকেরা,
আড়াল থেকে সেই কথাগুলো শুনে ফেলি। অর্থাৎ কবিতা আর কিছুই নয়, কবিদের স্বগত সংলাপ মাত্র"।
শুনেছি "কবিতা পৃথিবীর গোপন সৌর্ন্দয্য কে গুণঠন মুক্ত করে দেখায়"।

তবে কবিতা লিখতে বসে ভাবছি,
দেশে কবি বেশী না কাক,
এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই।
তবে যত মরে কাক জানি,
তার দ্বিগুণ জন্মায় কবি।
কবিরা হয়ত বলবেন,
কবিদের পিছনে কেন পড়লেন।
লিখছিলাম কবিতা একমনে,
তখন জানলাম
কবিরা কাকের মতন।
কাক করে কা কা
কেউ শুনেও শোনেনা।
বিরক্তিতে বলে যা যা।
কবি লেখেন কবিতা,
কেউ পড়েও দেখেনা তা,
হয়ত কেউ উৎসাহ ভরে,
কেবল নাম গুলি পড়ে।
কবিতার বইএর আদর,
প্রেমিকাকে দিতে উপহার।
প্রেমিকা সাজিয়ে রাখে তাকে,
আবার কাউকে উপহার দিতে।

জেনে শুনে নিজে,
বসলাম কবিতা লিখতে ।
কোন সাহিত্য নয় শুধুই কবিতা।
মানুষ মাত্রই কমবেশি সবাই কবি।
নানান কারনে কবিতা লেখেন কবি।

কবিতা ঈশ্বরের দান।
ঈশ্বরীয় উদ্যানের মুক্ত বায়ুর অবদান।
কবির পেট গরম হলে,
ভাজাপোড়া খেলে গ্যাস হলে,
সেই গ্যাসের কারনে মনে আসে
উদ্ভট কবিতা।

চোর চুরি করতে ঘরে ঢুকলে,
বের হবার রাস্তা দেখে নেয় আগে।
কবি কবিতা লিখতে
মনে মনে ছবি আঁকে।

বারোমাসের পেটরোগা গদাই,
স্বর্গে গিয়ে সুযোগ পেয়ে জিজ্ঞাসে,
হে ঈশ্বর কি আছে উপায় এখানে,
তোমার উদ্যানে,পায়খানা পেলে,
কি উপায় আছে বলো আমাকে।
কোন বাথরুম তো নাই স্বর্গীয় উদ্যানে।
ঈশ্বর বলেন
অহেতুক চিন্তা করো কি কারনে।
যাই খাইবে স্বর্গীয় উদ্যানে,
সকল মূত্র বিষ্ঠা হওয়ায় মিলিয়ে,
কবিতা রুপে সুগন্ধ ছড়াবে বাতাসে।

যৌবনপ্রাপ্ত পুরুষ মানুষের বিবাহ নাহলে,
তার মনে কবিতা লেখার প্রেরণা জাগে।
সদ্য বিবাহিতরা  কবিতা লিখতে পারেনা,
আবৃত্তি করতে পারে বউকে আদর করে।

চল্লিশ হলে পার শরীরের চুলকানি বাড়ে,
আধুনিক কবিতা লেখার ক্ষমতা বাড়ে।
যেমন, চুলকাইতে বরো সুখ,
বিকৃতি করিয়া মুখ।
পুরুষরাই ভাবে বিভোর হয়ে,
আধুনিক কবিতা লেখে।

কবিতা যে কত প্রকার
তার হিসাব রাখা ভার।
কবিতা লিখতে গিয়ে,
কেমন যেন সকল গেল গুলিয়ে।
স্বরবৃত্ত ছন্দ, মাত্রাবৃত্ত ছন্দ, অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
আরো আসছে নানান প্রকার
রুবাই, সিজো, ক্বাসিদা, চতুর্দশপদী,
হাইকু, লিমেরিক, গজল,কবিতা গুলি।

কিছু কবিতার আছে অনেক মান্যতা,
মহাকাব্য, নাট্যকাব্য,আখ্যান কবিতা। বিদ্রুপাত্মক কবিতা, গীতিকাব্য,
শোককাব্য, পদ্য আখ্যান,গদ্য কবিতা।
আরো আছে কিছু ছন্দ,
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ, মাত্রাবৃত্ত ছন্দ,
স্বরবৃত্ত ছন্দ।

বিষয়ের কবিতা,অনুপ্রেরণার কবিতা,
উপদেশের কবিতা,একুশের কবিতা,
কষ্টের কবিতা,ছোটদের ছড়া কবিতা,
দুঃখের কবিতা,দেশের কবিতা,
নারীকে নিয়ে কবিতা,নীতি কবিতা,
প্রকৃতির কবিতা,প্রেমের কবিতা,
বসন্তের কবিতা,বিদ্রোহী কবিতা,
বিরহের কবিতা,বৃষ্টির কবিতা,
বৈশাখের কবিতা,ভালোবাসার কবিতা
মা কে নিয়ে কবিতা,মে দিবসের কবিতা
যুদ্ধের কবিতা,রম্য কবিতা,
রাজনৈতিক কবিতা, রূপক কবিতা,
রোমান্টিক কবিতা, শীতের কবিতা,
স্বাধীনতার কবিতা,
আরো কতো আছে কবিতা,
ভাবতে গিয়েই হলাম দিশেহারা।
এতো কবিতার ভাবানা ভেবে,
ভাবি কবিতা লিখবো কিভাবে।
আমি -- আনাড়ি -- আমার কিহবে।
   
     【--anrc-05/01/2019--】
     【=রাত্রি:11:11:20 pm=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================






275>||--বিয়ে পাশ --||

 275>||--বিয়ে পাশ --||
          <---©-আদ্যনাথ--->

এমে, বিএ, খালে বিলে যতই করো পাশ,
আসল পাস টি হল বিয়ের পাশ।
ওটি নাহলে  সারা জীবন
কাটবে ঘোড়ার ঘাস।
ঘাস চিনতেও লাগে
বউয়ের গেট পাস।

বিয়ে করার পরেই জীবনের আশ্বাস,
বিয়ে করার পরে দুই চার মাস,
দিন রাত মধুচন্দ্রিকার আশ্বাস,
পরের ছয়মাস শান্ত লাজুক দিদিমণির,
একটু শাসনের অনেক প্রয়াস।

তার পরেই শুরু জীবনের ফাঁস,
উঠতে বসতে চলতে ফিরতে
হবে জীবনের আশ্বাস।
গিন্নি শেখাবেন আসোল ফাঁস,
অযথা ফেলতে দেবেনা নিশ্বাস।

অফিস থেকে আড্ডাখানা,
সর্বত্রই প্রখর নজরদারি।
চলবেনা কোনো হুঁশিয়ারি,
সদাই চলে বিশেষ তদারকি।

জীবনের হবে নুতন করে শুরু,
শেখাবেন গিন্নী শিক্ষা গুরু।
গিন্নী ই তো আসল শিক্ষা গুরু,
গিন্নী ই সকল গুরুর শুরু।

গিন্নির মনটি বড়োই কোমল,
যখন তখন ঝরায় অশ্রু জল।
তার চাহিদা বিশ্বস্ত সেবার ভৃত্য,
তার আদরের স্বামীটি ছাড়া
কে আছেন এমন ভৃত্য।

পেতে গিন্নির মন,
করতে হবে তার সেবা যতন।
সকালে,বাজার করা, তরকারি কাটা,
তারপরে ভাতের ফেন গালা,মাছ ভাজা,
কাপড় কাচা,ঘর পোছা, ঘর সাজিয়ে রাখা।

বেড়াতে যাবার আগে শাড়ির কুচি ধরা,
একটু মুচকি হেসে বলতে হবে,
তোমায় খুব সুন্দর লাগছে।
সন্ধায় মাথা টেপা,পাটেপা,বাসন মাজা।

এত করেও যদি কখনো ভুলকরে,
একটু হেসেছ ওর বান্ধবী দেখে,
তবেই সর্বনাশ।
রাতে আর একঘরে হবেনা বাস।
যতই করো কাকুতি মিনতি,
গলবেনা গিন্নির মন,
এটাইতো বিবাহিত জীবন।

সংসার সুখের হয় গিন্নির গুণে
গিন্নী সদাই ব্যস্ত নিজের সুখে।
গিন্নী বোঝেন নিজের সুখ সংসারে,
স্বামীর চেষ্টা সদাই গিন্নির সুখের তরে।
স্বামীটি পুরুষ সিংহ ঘরের বাইরে,
ঘরে অতি শান্ত নিরীহ একনিষ্ঠ সেবক বটে।

সৎ চরিত্র সৎ গুন থাকা জরুরি সংসারে,
গিন্নির গুণগান গাইতে হবে সকলের মাঝে।
শনি রবি গিন্নী মার্কেটিংয়ে যাবে,
তোমাকে  বিল মিটিয়ে ঝোলা বোইতে হবে।
তোমার বাবা মা ভাই বোন আসলে,
গিন্নির মাথা ধরে জ্বরে কাহিল হবে।
গিন্নির বাবা মা ভাই বোন আসলে,
গিন্নির তৎপরতা দ্বিগুণ বাড়ে।
তোমাকে গুড বয় হয়ে আদেশ মানতে হবে।

এত করে যদি গিন্নির মন পাও,
তুমি অতি ভাগ্যবান জানিও নিশ্চয়।
নচেৎ তোমার উদ্ধার তরে বিধি বাম,
 সংসারে ধান্য হবে তোমার নাম।
গিন্নির গুনেই সংসার সুখের হয়।
স্বামীর গুনেই গিন্নী সুখে রয়।

বিয়ের পাঠ পড়লেই সংসার চেনা যায়,
নচেৎ জীবন বৃথা একুল অকূল হারায়।
কতো আদরে হয় ওই ফুলের  মালা বদল,
পুরুষ সিংহের শিং হারিয়ে বাজায় মাদল।
সংসারের সং টাই আসোল সার,
বোঝা যায় শোলার টোপোরের কতো ভার।

    【--anrc-04/01/2019--】
     【=রাত্রি:02:48:02=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
======================

274> ||-- মালি -||+ 1

 274> 1>||-- মালি -||
         <---©-আদ্যনাথ--->

ছিল এক বাগানের মালি,
সবে ফুটছিল ফুলের কলি।
বাগান মালিকের ছিল উচ্চাশা মনেতে,
তাই মালি পারেনি তার মন রাখতে।

গাছে সার,জল,আলো,বাতাস দিত যতনে,
গাছে ফুটবে ফুল মনের আনন্দে।
মনে প্রাণে গাছ গুলিকে ভালোবেসে ছিল,
সেটাই ত স্বাভাবি ক, মালির মনে ছিল।

বাগান মালিকের ব্যবসাই মন,
ভুরি ভুরি ফুল চাই মনের মতন।
মালি চায়না ভাঙ্গতে ফুল গাছের ছন্দ,
মালিকের এমনটি নয় পছন্দ।

মালিকে চলে যেতে হবে,
তার ভালোবাসার বাগান ছেড়ে।
দূর থেকেই ফুলের স্বপ্ন দেখবে,
নিজের অযোগ্যতার হাহুতাশ করবে।

কেঁদেই শেষ জীবন কাটাবে,
নাগানের মালি, মালিক নয় তো বটে।
নিজহাতে গড়া বাগান,
প্রতিটি গাছ যেন তার সন্তান।
ভালোবেসে আদর করে গাছ গুলির
নাম ধরে ডাকত,
গাছ গুলিও মনে হোত আনন্দে হাসতো।

         
     【--anrc-70/022019--】
     【=সকাল :06:12:00am=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
========================≠

2>||--মালী--|| 

সে এক বাগানের মালী,
সবে ফুটছিল ফুলের কুঁড়ি।
কিন্তু মালী----
সীমিত উচ্চ আশার গভীরতা,
সংশয় ছিল সময়ের মাপটা।
পারেনি কারুর মন রাখতে।
মনরাখা রাখির দাড়ি পাল্লাটা,
বড়ই স্পর্শ কাতর সময়টা।
ফুল গাছে দিত জল আলো বাতাস,
বেশি ফুলের চাহিদা,
চিন্তার বিষয় কিছুটা।
মাত্রাধিক সার----
ব্যাবসা বাণিজ্য,
গাছের ব্যাথা অনুভব করত।
ফুল গাছে স্বানন্দে ফুটবে ফুল মনের মতো।
সেটাইত স্বাভাবিক, মালির মনের মতো।
আলো, বাতাস, জলের নজরে রাখত।
পছন্দ নয় মালিকের,
মালিক বোঝে ব্যবসা।
বাগান টি ছেড়ে মালীকে চলে যেতে হবে,
কিউপায় মনের বিরুদ্ধ কাজে,
গাছ গুলির ব্যথা মনকে নাড়ায়।
গাছ গুলোর কঙ্কাল,
দূর থেকেই ফুলের স্বপ্ন দেখবে।
পাতানাই ফুলের বোঝা।
বস্তা বন্ধি হয়ে চলেযায়।
ব্যথায় বুক ডুকরে কাঁদে,
নিজের অযোগ্যতার জন্য হাহুতাশ করে,
কেঁদেই শেষ জীবন কাটাবে।
বাগানের মালী, মালিক নয় তো বটে।
||--anrc---03/12/2017::---------||
||======================|| 

273>||- ঘুরে এলাম স্বর্গ -||

  273>||- ঘুরে এলাম স্বর্গ -||
             <---©-আদ্যনাথ--->

ঘুরে এলাম স্বর্গদুয়ার,
স্বর্গের সাত দুয়ার।
প্রথম দুয়ারে আছেন যম রাজের চেলা,
কি সব হিসাব নিয়ে করছে খেলা।
শুধাইলাম তারে,
এত ব্যস্ত কিসের তরে?

দেখছ না কতো আসছে,
কতো যাচ্ছে মুহূর্তে।
সকল হিসাব দিতে হয় ব্রহ্মা সনে,
তাই হিসাব মিলাইতে ব্যাস্ত এই ক্ষণে।

আমাদের হিসেব কোথায়?
সে আছে চিত্রগুপ্তের খাতায়।
তোমার তো আর মরে আসনি,
তোমরা আহূত দেখতে প্রদর্শনী।
তোমাদের হিসাব রাখেন নন্দী,ভৃঙ্গী।

আমার কাছে তাদের বায়োডাটা,
যাদের ডাইরেক্ট এন্ট্রি টু উদ্যান,
অ্যান্ড ব্যাক টু মর্ত।
এদের আসা যাওয়ার আছে সর্ত,
কেউ একদিন, কেউ সাত বা একুশ দিন।
যে যেমন জমিয়েছে পূণ্য।

তোমাদের তো এন্ট্রি সপ্তম গেট,
তোমরা ইন্দ্রসভায় আহূত গেস্ট।
আর বাকি গেট গুলি কাদের?
2 এণ্ড,3র্ড এণ্ড 4র্থ
ওগুলি আমার প্রভু যম রাজের গেট
যার যেমন পাপ তার তেমন গেট।
কোনোটায় গরম তেলে হবে ভাজা
কোনোটায় করাত দিয়ে হবে কাটা।
আরো আছে শাস্তির বিধান ব্যবস্থা।
আর ওই 6 ষ্ঠ ও 7 ম দুয়ার,
ওদুটো ইন্দ্রাসনের দুয়ার।
আর ওই 5 ম দুয়ার,
ব্রহ্ম লোকের দুয়ার।


তোমার নাম কি ভাই,
আমরা যমদূতের চেলা,
আমাদের নাম থাকেনা।
ঠিক আছে ঠিক আছে,
তবে এইটুকু বলবে,
স্বর্গের আসোল মজা কোথায়?

কেন ঐযে স্বর্গোদ্যানে,
সেখানে যা চাইবে তৎক্ষণাৎ পেয়ে যাবে।
ভুলেও যেওনা শিবলোক যেথায়,
ভাংআর গাঁজার ধোঁয়ার নেশায়,
পালাবার পথ পাবেনা হেথায়।
তার উপরে ওখানে আছে হোৎকা দুটো,
ওই নন্দী ভৃঙ্গীর শিং এর গুতো।

কেন কেন মা দুর্গার পাবোনা দেখা।
মা কে পাবে কীকরে?
মা তো ব্যস্ত গনেশের আবদার মেটাতে।
তবে মায়ের কাছে খুব সাবধান,
ওখানে আছে সিংহ, মহিষাসুর দারোয়ান।
স্বর্গে মায়ের দেখা পাওয়া গন্ডগোল,
ভোলেনাথ ক্ষেপে গেলেই বোল হরি বোল।

আর ঐযে ব্রহ্ম লোক,
ওখানে পরম সুখ জলে দিয়ে ডুব।
কিছু বুঝলে কি?
ব্রহ্ম লোক মানেই ব্রহ্মার কমন্ডুল,
শুধু জল আর জল ,
মনের আনন্দে ভাসবে জলে।
হাতে কমল ফুল নিয়ে।

তবে স্বর্গে নাকি সকল সুখ,
সে সুখ পাবো কোথায়?
সুখের চিন্তা স্বর্গে করতে নাই,
সুখ বলতে স্বর্গোদ্যানে পাবে যাচাই।
খাও আর ঘুরে বেড়াও আনন্দে,
যেথা খুশি যাও মনের আনন্দে।

আর ওই ইন্দ্রের সভা,
ওখানেই আসোল মজা।
সে তো রাজার সভা,
ওই সভায় যে যায় সবাই রাজা।
অপ্সরা, কিন্নর,আরো কতো সুন্দরী,
কেউ করবেনা মানা যেমন করো ফুর্তি।

স্বর্গে রোগ বালাই নাই,
তাই বি ডি র ভয় নাই।
হেরেম্বা,উর্বশী, কতো রূপসী আছে,
যাকে মনে ধরে ডেকে নেও কাছে।
দিন রাত অফুরন্ত আনন্দ রসে বসে,
সূরা,নারী,সোমরস, যেমন ধরে মনে।
সকল কিছুর বর্ণনা সম্ভব,
স্বর্গীয় সুখের বর্ণন অসম্ভব।

শুধু এই টুকু রেখো মনে,
স্বর্গে এসে গৌর নিতাই সেজে,
থেকোনা নামাবলী গায়ে জড়িয়ে।
স্বর্গে কিছুই নাই ব্যভিচার আচার বিচার,
মনের ইচ্ছা পূরণই স্বর্গের সদাচার।
মন যাচায় তেমনি করাই উচিত বিচার,
তাইতো বলে স্বর্গীয় সুখ অচিন্ত্য অপার।
এমন সুখ পেতে কতো জন্ম হয় পার,
তবুও জোটেনা এমন সুখ সবাকার।
ঘুম ভাঙ্গতেই লিখলাম রাত্রের সমাচার।
       
     【--anrc-07/02/2019--】
     【=রাত্রি:03:08:22am=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================

272> ||- আর্তনাদ -||

  272> ||- আর্তনাদ -||
              <---©-আদ্যনাথ--->

সেদিন ওরা এসেছিল অন্ধকারে চোরের মতন।
লুটে নিয়ে গেল সবটুকু এক নারির সন্মান।
লুটে নিলো একলা অবলা নাড়ীর শেষ সম্বল,
রেখেগেল অবলার অন্তরে পাপেরফল।

অসহায় নারী কেঁদে কেঁদে দুয়ারে
দুয়ারে  ফেরে,
সকলেই দুর দুর করে চরিত্র হীন বলে।

এক নারীকে করলো ভোগ চার বীর পুরুষ,
সমাজের কেউ কেটা মানুষ নাকি ওরা।
ঝাপিয়ে পড়েছিল সিংহ বিক্রমে
অবলা এক নারির শরীরে।
ছিন্ন ভিন্ন করে চেটে পুটে লুটে নিল
অবলা একলা অসহায় নারীর
সবটুকু মান সম্মান।

সমাজে সেই পুরুষরাই শ্রেষ্ঠ আসন পাবে।
আর অসহায় অবলা নারী
সেই পাপের বোঝা
বোঁয়ে বেড়াবে।

অসহায় অবলার আর্ত চিৎকারে
কেঁপে ছিল মেদিনী থর থর করে,
পাখিরাও করেছিল
নারীর আর্তনাদে কোলাহল
নিদারুণ ভয়ে গাছের ডালে ডালে
অন্ধকারে।
সমাজের মানুষ কেউ আসেনি এগিয়ে।
তারা নাকি শোনেনি কোন আর্তনাদ।

সেদিন নারীর আর্তনাদে চুপ ছিল সমাজ,
কেউ আসেনি এগিয়ে করতে এক অসহায়
অবলা নারী রে করতে উদ্ধার।
নারী কি কেবল ভোগের পণ্য ?
পুরুষ তান্ত্রিক সমাজে নারীর কী
এতটাই মূল্য।
নিকৃষ্ট পশুর মতনএকদল
নারী কে ছিড়ে ছিড়ে খাবে।
আমাদের চুপ থাকা
আগামী প্রজন্মকে কি বার্তা দেবে?
   
     【--anrc--07/02/2019--】
     【=সন্ধ্যা:07:34:22 pm=】 
【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================


271> ||EMPTY

EMPTY

270>||EMPTY

Empty