290>||- আর্তনাদ -||
<---©-আদ্যনাথ--->
দেখেছি শুনেছি আর্তনাদ,
অসহায় মানুষের আর্ত চিৎকার।
পশু পাখিদের ব্যাকুল কোলাহল,
প্রকৃতির রোষাগ্নি সমুদ্রের প্রলয়।
সে ভীষণ ঝড়ের তান্ডব নৃত্য,
সাথে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ স্ফীত।
নিমেষে করেগেলো তছ নছ
যেন মহাদেবের প্রলয় তান্ডব নৃত্য।
বুঝি দেবাদি দেব মহাদেব আজ রুষ্ট,
তাঁর ক্রোধাগ্নি বর্ষিছে সমগ্র ধরাতলে।
প্রকৃতি যেন পৈশাচিক হাসি হাসিছে,
বজ্র নিনাদ,অবিশ্রান্ত ধারায় বর্ষণ।
সমুদ্রের হুংকার ধরাতল কাঁপে থর থর।
মানুষ কত অসহায় প্রকৃতির কাছে,
শুনেছি তারই হাঁ হাঁ কার
আর্তনাদ শুনেছিলাম সুনামির পরে
2004সালে উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে।
যৌবন কালে বার বার ছুটে গেছি
যেখানেই মানুষ প্রকৃতির বিপর্জয়ে,
হয়েছে অসহায় সম্বল হীন সর্বহারা।
ভুলতে পারিনি সেই অসহায় চাহনি,
এক মুঠো অন্নের জন্য শিশুর ক্রন্দন।
মা এর বুকের দূধ শুকিয়ে গেছে ক্ষুধায়।
যে প্রকৃতি কত যত্নে ধরিত্রীকে করে রক্ষা
সেই প্রকৃতি নিমেষে ধরিত্রীকে করে ধ্বংস।
হাসি কান্নার এই খেলা প্রকৃতির ধর্ম,
ধ্বংস আর সৃষ্টি প্রকৃতি নিত্য কর্ম।
সৃষ্টির আনন্দে আমরা হই উদ্বেলিত,
ধ্বংসের বেদনায় হয়েপরি ব্যথিত।
প্রকৃতি করে চলে নিজ কর্ম সৃষ্টিতে,
আমরা বিষাইছি তারে নানান অজুহাতে।
আমাদের সৃষ্ট বিষের কারণ
প্রকৃতি হয়েপরে ভারসাম্য হীন।
তাইতো প্রকৃতি ঘটায় ধ্বংসের নৃত্য,
তবুও আমরা দুষী প্রকৃতিরে নিত্য।
আমরা মরি নিজ দোষের অহঙ্কারে,
তথাপি দুষি প্রকৃতিরে বারে বারে।
দেখেও শিখিনা বুঝেও বুঝিনা নিজ দোষ।
দিগে দিগে নিত্য হাঁ হাঁ কারি আপশোস।
মানুষের করুন আর্তনাদ যখন শুনি
কিছু লয়ে সাথে ত্রাণের অজুহাতে।
বার বার মনেপড়ে ঈশ্বরের সৃষ্টি খেলাকে।
হে ঈশ্বর তুমিতো দিয়েছো অকাতরে,
তবুও বোধ হয় মানুষ করনি মানুষেরে।
মানুষকে গড়েছো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব করে,
তবুও কোথায় যেন রেখেছ ত্রুটি করে।
<---©-আদ্যনাথ----->
【--anrc-01/03/2019--】
【=রাত্রি:02:28:22=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================
( বহুবার নানাস্থানে নানান বিপর্যয়ে
ত্রাণ কার্যে যোগ দিয়েছিলাম।
কিন্তু2004 ডিসেম্বরের ভয়ঙ্কর সুনামিতে 14টি দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
হোয়েছিলো।
আমরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ধানবাদ থেকে
14জন উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে গিয়েছিলাম
সেই দৃশ্য আজও মনে পড়ে বারে বারে।)
============================
<---©-আদ্যনাথ--->
দেখেছি শুনেছি আর্তনাদ,
অসহায় মানুষের আর্ত চিৎকার।
পশু পাখিদের ব্যাকুল কোলাহল,
প্রকৃতির রোষাগ্নি সমুদ্রের প্রলয়।
সে ভীষণ ঝড়ের তান্ডব নৃত্য,
সাথে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ স্ফীত।
নিমেষে করেগেলো তছ নছ
যেন মহাদেবের প্রলয় তান্ডব নৃত্য।
বুঝি দেবাদি দেব মহাদেব আজ রুষ্ট,
তাঁর ক্রোধাগ্নি বর্ষিছে সমগ্র ধরাতলে।
প্রকৃতি যেন পৈশাচিক হাসি হাসিছে,
বজ্র নিনাদ,অবিশ্রান্ত ধারায় বর্ষণ।
সমুদ্রের হুংকার ধরাতল কাঁপে থর থর।
মানুষ কত অসহায় প্রকৃতির কাছে,
শুনেছি তারই হাঁ হাঁ কার
আর্তনাদ শুনেছিলাম সুনামির পরে
2004সালে উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে।
যৌবন কালে বার বার ছুটে গেছি
যেখানেই মানুষ প্রকৃতির বিপর্জয়ে,
হয়েছে অসহায় সম্বল হীন সর্বহারা।
ভুলতে পারিনি সেই অসহায় চাহনি,
এক মুঠো অন্নের জন্য শিশুর ক্রন্দন।
মা এর বুকের দূধ শুকিয়ে গেছে ক্ষুধায়।
যে প্রকৃতি কত যত্নে ধরিত্রীকে করে রক্ষা
সেই প্রকৃতি নিমেষে ধরিত্রীকে করে ধ্বংস।
হাসি কান্নার এই খেলা প্রকৃতির ধর্ম,
ধ্বংস আর সৃষ্টি প্রকৃতি নিত্য কর্ম।
সৃষ্টির আনন্দে আমরা হই উদ্বেলিত,
ধ্বংসের বেদনায় হয়েপরি ব্যথিত।
প্রকৃতি করে চলে নিজ কর্ম সৃষ্টিতে,
আমরা বিষাইছি তারে নানান অজুহাতে।
আমাদের সৃষ্ট বিষের কারণ
প্রকৃতি হয়েপরে ভারসাম্য হীন।
তাইতো প্রকৃতি ঘটায় ধ্বংসের নৃত্য,
তবুও আমরা দুষী প্রকৃতিরে নিত্য।
আমরা মরি নিজ দোষের অহঙ্কারে,
তথাপি দুষি প্রকৃতিরে বারে বারে।
দেখেও শিখিনা বুঝেও বুঝিনা নিজ দোষ।
দিগে দিগে নিত্য হাঁ হাঁ কারি আপশোস।
মানুষের করুন আর্তনাদ যখন শুনি
কিছু লয়ে সাথে ত্রাণের অজুহাতে।
বার বার মনেপড়ে ঈশ্বরের সৃষ্টি খেলাকে।
হে ঈশ্বর তুমিতো দিয়েছো অকাতরে,
তবুও বোধ হয় মানুষ করনি মানুষেরে।
মানুষকে গড়েছো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব করে,
তবুও কোথায় যেন রেখেছ ত্রুটি করে।
<---©-আদ্যনাথ----->
【--anrc-01/03/2019--】
【=রাত্রি:02:28:22=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================
( বহুবার নানাস্থানে নানান বিপর্যয়ে
ত্রাণ কার্যে যোগ দিয়েছিলাম।
কিন্তু2004 ডিসেম্বরের ভয়ঙ্কর সুনামিতে 14টি দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
হোয়েছিলো।
আমরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ধানবাদ থেকে
14জন উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে গিয়েছিলাম
সেই দৃশ্য আজও মনে পড়ে বারে বারে।)
============================
No comments:
Post a Comment