295>||- চিন্তার গুরত্ব ||
<-----©-আদ্যনাথ--->
চিন্তার শক্তি অসীম।
আবার এমনও বলাহয়
চিন্তা চিতার সমান।
আসলে
চিন্তার শক্তি অসীম,
যে শক্তি ব্যর্থ নাহি যায়।
মনুষ্য শরীর বহু শক্তির আঁধার ,
সেথা চিন্তা শক্তির শক্তি অপার।
চিন্তা শক্তি বা চিন্তার কম্পন বলয়,
জল তরঙ্গেরন্যায় প্রবাহ হয়।
সর্বদা সকলের শুভ চিন্তাই করতে হয়,
শুভ চিন্তায় গভীরতা রাখতে হয়।
চিন্তা যদি পসিটিভ চিন্তা হয়,
এবং একাগ্র চিত্তের চিন্তা হয়,
তবে নিশ্চিত শুভ ফল লাভ হয় ।
সাথে নিজেরও কল্যাণ হয়।
সেইরূপ অশুভ বা অকল্যাণ চিন্তন,
মন হয়েযায় উচাটন।
ক্ষনিকের তরেও অকল্যাণ চিন্তা যদি হয় ,
কারুর অকল্যাণ হোক বা নাই হয় ,
নিজের অকল্যাণ নিশ্চয় হয়।
তাইতো সদা শুভ চিন্তাই মনুষত্বের লক্ষণ।
একটি অতি সাধারণ কাজ যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই লক্ষ্য কিরি,
যেমন আমরা যখন কোন পূজার ভোগ প্রসাদ খাই তখন এমনটাই পাই যে
ভোগ প্রসাদ অপূর্ব স্বাদিষ্ট হয়।
আমরা ভাবতে পারি যে যিনি রান্না করেছেন তার হাতের গুনেই এমন স্বাদিষ্ট
অথবা কোনো ভালো মশলা ব্যাবহার হয়েছে।
এমন ধারণা মোটেও ঠিক নয়।
কারণ আমরা যদি ওই একই রাধুনি দিয়ে একই মশলা ব্যবহার করে নিজেদের খাবার জন্য
রান্না করাই তাতে কিন্তু স্বাদ হবে অন্যরকম। ওই ভোগের প্রসাদের মতন স্বদিস্ট হবেনা।
একই লোক রান্না করলো একই মশলা দিয়ে, তথাপি স্বাদে পার্থক্য হলো কেন?
এমন হবার কারন খুবই সাধারন। সে হলো ওই চিন্তা শুভ চিন্তা।
যখন ভোগের প্রসাদ রান্না হচ্ছিল তখন রাধুনী এবং অন্য সকলের চিন্তা ছিল ঈশ্বরের প্রতি ,
ভগবানের ভোগের প্রতি।
সকলের শুভ ও সুন্দর চিন্তার কারণে কতো গুলি শুভ পজেটিভ চিন্তা তরঙ্গের
মিলিত প্রভাবের শুভ শক্তি ভোগের প্রসাদের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।
আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবো যে বাড়িতে মা যখন রান্না করেন
তার স্বামীও সন্তানদের জন্য তখন সেই রান্নার স্বাদ আর কাজের লোক দিয়ে রান্না
করলে তার স্বাদ অনেক পার্থ্যক্য হয়।
এর কারণও ওই রকম ,কারণ মা নিজের স্বামী স্বন্তান দেড় জন্য যে মন ও চিন্তা
নিয়ে রান্না করেন, কাজের লোকের সেই মন ও চিন্তা থাকে না। ফলে রান্নার
স্বাদ পার্থক্য হবেই।
তবে আবার মজার ব্যাপার এটাই যে হয়তো কাজের লোক রান্না করছেন এবং
মা নিজে রান্না ঘরে ঐ রান্না করার সময় উপস্থিত আছেন ,এবং মা তখন ওই
রান্নার বিষয়ে চিন্তা করছেন তখন কিন্তু আমরা মায়ের রান্না করার স্বাদই পাবো।
এমন টাই হয় সকল ব্যাপারে।
চিন্তার শক্তি কাজকরে সূক্ষ্ম রূপে তার অদৃশ্য তরঙ্গের মাধ্যমে।
আবার এমনটাও দেখা গেছে যে নিজের কাছের কেউ যেমন নিজের সন্তান
হয়তো দিনের পড়দিন ঠিক আমার মনের মতন কাজ করছে না।
আমার ইচ্ছা সে আমার মনের মতন চলুক বা কাজ করুক ,কিন্তু এই বিষয়ে
তাকে বার বার বলেও কোন লাভ হচ্ছেনা।
তখন আমরা যদি মনে মনে একাগ্র চিত্তে সদা সর্বদা তার শুভ চিন্তা করি
এবং আমার যা বলবার তা যদি বার বার তার মঙ্গলের কামনা করে তার জন্য
শুভ চিন্তা করে প্রার্থনা করি তবে এই শুভ প্রার্থনার চিন্তার ফলে সন্তানের
পরিবর্তন হবেই হবে।
যে কাজ মুখে বলে হয়নি প্রার্থনার শুভ চিন্তার দ্বারা
সেই কাজ সহজেই হয়ে যায়।
আমার এই লেখার সত্যতা যেকেউ পরীক্ষা করে দেখলেই জানতে পারবে।
আদ্যনাথ
<-----©-আদ্যনাথ--->
【--anrc-11/03/2019--】
【=রাত্রি:10:10:22pm=】
===========================