Tuesday, March 26, 2019

299> || পরোয়া করিনা ||

 
 299> || পরোয়া করিনা ||

  আমি কোন পরোয়া করিনা,
              কে কি ভাবছে,
              আমাকে নিয়ে।
          আমার ভাবনা একটা,
          আমি কখনো কারুর,
          কোন অনিষ্ঠ চাইনা।
                 <---©-আদ্যনাথ--->
--    ================  - - -

আমায় নিয়ে কেকি ভাবছে ভাবুক,
আমি কোনো পরোয়া করিনা।
কে কি বললো তাও ভাবিনা,
আমি ঐসকল চিন্তাই করিনা।

আমার ভাবনা সকলের ভালো হোক,
সকলের হৃদয় আনন্দ পূর্ণ হোক।
ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুক,
মানুষ মাত্রেই ঈশ্বরের প্রতি রূপ।
জীব মাত্রেই "শিব",
মানুষ সর্ব শ্রেষ্ঠ জীব।
   <---©-আদ্যনাথ---> 【--anrc-26/03/2019--】
            01:24:12 am
     ______________________
==========================
मुझे कुछ फर्क नहीं पड़ता,
मेरे बारेमे कोन क्या सोचता।

             जानते हैं मेरा सोच
                    हैं केया,
में किसिका कभी कोई बुरा नहीं चाहा।
                   ANRC
          २६/०३/२०१९: ०२:१०:११am
===========================

Monday, March 25, 2019

298>|| তোমরা ভালো থেকো ||

  298>|| তোমরা ভালো থেকো ||
                 <-----©-আদ্যনাথ--->

কি এতো ভাবছো আমাকে নিয়ে,
কই আমিতো পারিনা একটুও
ভাবতে তোমায় নিয়ে।
আমি জানি তোমার আছে অভিমান,
কোনদিন দিতে পারিনি
তোমার ভালোবাসার প্রতিদান।

কিকরি বলো
তুমিতো সকলি জানো।
কালকে গিয়েছিলাম
ঝাড়খণ্ডের ঐ প্রত্যন্ত গ্রামে।
দেখলাম ---
নানা রোগে অনাহারে
ভুকছে চারটি পরিবার।

যেটুকু ছিলো সম্বল,
কোনমতে ওদের মুখে
একবেলা কিছু যোটালাম।
জানো ডাক্তার সরকার,
নিজেই রাজি হলেন যাবে সেখানে।

এইতো দেখে এলাম,
ওনারা কতো ওষুধ প্যাক করছে।
ওদের চোখে মুখে কি আনন্দ,
আমিতো ভাবতেই পারিনা
কিসের এতো আনন্দ ওদের।

তবুও হোক ঐ শিশু গুলি
পাবে তো একটু চিকিৎসা।
বুঝতেই পারছ,
ঔষদের চিন্তা মিটেছে,
হোকনা ক্ষণিকের তরে।
এবার ওদের ভাতের চিন্তা
সেটা মিটাই কি করে।

একি তুমি একি করছো,
না না এটা ঠিক হবেনা,
ঐ বালাটা তোমার বাবার দেওয়া।
ওতে কতো স্মৃতি জড়িয়ে,
আমি পারবনা ওটি বেচতে।
বরঞ্চ আমায় দেও,
আমার সেই স্কুলের মেডেল টা
কি হবে ওটি দিয়ে ,
বাক্সেইত বন্ধ পড়ে আছে,
আজ নাহয় সত্যি কারের কাজে লাগবে।
কতগুলো মানুষের মুখে ভাত যোটাবে।

ঐদেখো তোমার ছেলে আসল ,
ভালই হোল তুমি এলে
ঠিক সময়ে।
তুমি তোমার মাকে একটু দেখো
আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে।

হ্যাঁ আমিজনি ঘরে চাল ডাল বাড়ন্ত
তোমার মা যেটুকু ফুটিয়ে ছিলো
নিজের জন্য,
তাও আমাকে খাইয়ে দিল জোর করে।
তুমি একটু তোমার মাকে দেখো
আমাকে যেতে হবে অনেক দূরে,
আসবো ফিরে কোয়েক দিন পরে।

একি এতো টাকা
কেন দিচ্ছ আমাকে
এদিয়ে বরঞ্চ তোমার মাকে
একটু ডাক্তার দেখাও,
ও বোধহয় ভুগছে বেশ কদিন ধরে
ঘরে কিছু আনাজ কিনে
আগে খাওয়াও তোমার মাকে।
আমাকে টাকা নাদিলেও হবে,
আমাকে জে যেতেই হবে।
আমি নাগেলে ঐ পরিবার গুলো
নাখেয়েই মরে যাবে
অসুখে ভুগে।
তাই আমাকে যেতেই হবে।
আমি চলি
তোমরা ভালো থেকো সকলে।

        <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc--26/03/2019--】
     【=সকাল:04:08:18am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================

শঙ্কর দা জানালেন মতামত,
অপূর্ব " তোমরা ভালো থেকো "
মনটা নাড়া দিয়ে গেল ।

Sunday, March 24, 2019

297>|| জীবন-সঙ্গী ||

 
          297>|| জীবন-সঙ্গী ||
                  <----আদ্যনাথ--->

শরীরই একমাত্র সত্য জীবন-সঙ্গী,
শরীর নাথাকলে কেউ রবেনা সঙ্গী ।
শরীর যেদিন দেবেনা আর সারা
সকলেই যাবে দূরে কাছে ছিলো যারা।

নিজের শরীরের দায়িত্ব নিজেতেই বর্তায়,
কেউ ভোগেনা অন্যের কষ্ট কোন উপায়
সুখাদ্য, পানীয় সকলি শরীর সুস্থ রাখতে,
শুভ চিন্তা, মন ও ভাবনা সুন্দর রাখতে।

জপ ধ্যান, মনের একাগ্রতার তরে,
ব্যাম, যোগা শরীর সুস্থ রাখার তরে।
শুভ কর্মে গড়ে ওঠে সুন্দর জীবন,
শুভ চেতনায় সুন্দর হয় সমাজ জীবন।

মনের একাগ্রতায় মস্তিষ্কের বিকাশ,
মনের একাগ্রতায়  জ্ঞানের বিকাশ,
মনের একাগ্রতা মানষিক শক্তির উন্মেষ
মনের একাগ্রতা স্মৃতিশক্তির সহায়ক।

জন্ম থেকে মৃত্যু শরীরই সঙ্গে থাকে,
অর্থ,ধন সম্পদ মরনে সকলি পরে রবে।
মিথ্যা অহঙ্কার রাগ হিংসা দ্বেষ,
এ সকল মিলে জীবনকে করে শেষ।

সার্থক জীবন-সঙ্গী নিজের শরীর,
জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ নিজের শরীর।
মানুষই ঈশ্বর হন শরীকে নির্ভর করে,
অসীম শক্তি নিহিত শরীরের ভিতরে।

পঞ্চভূতে নির্মিত শরীর প্রকৃতির সৃষ্টি,
স্থূল শরীর অন্নময় কোষের সমষ্টি।
শরীর নিশ্চিত একদিন শেষ হয়ে যাবে,
শুভ কর্ম,শুভ চিন্তায় জীবন অমর হবে।
       <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
      11/08/2019;;11:36:15pm
==========================

  

Thursday, March 14, 2019

296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||

   296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||
          <---©-আদ্যনাথ--->

"বিদ্যা দদাতি বিনয়ম্ !
শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম্ !" -


বিদ্যার্থী দেশ ও জাতির সম্পদ,
বিদ্যার্থীর পরিচয় তার  মনুষ্যত্বের।
শিক্ষার চূড়ান্ত ফল সহনশীলতা,
মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা।

বিদ্যা শিক্ষাতে হয় জ্ঞানের প্রকাশ,
খেলা ধুলা ব্যামে হয় শরীরের বিকাশ।
স্বচ্ছ  চিন্তা সম্ভব স্বাস্থ্যবান্ শরীরে,
নির্মল সুন্দর চিন্তা সমাজ কল্যাণের তরে।

নিত্য ক্রীড়া কৌশল ও শরীরচর্চা,
বিদ্যার্থী জীবনে উচিত রোজ নামচা।
সুশিক্ষা, সুন্দর শরীর সুঠাম
এমন বিদ্যার্থী সমাজে একান্ত মূল্যবান।

একনিষ্ঠ সাধন ও কর্মনিষ্ঠ বিদ্যার্থী জীবন,
প্রত্যহ নিজ কর্মের উচিত পর্যবেক্ষণ।
ক্রোধ,আনন্দ,দুঃখ,কষ্ট, জিবনে অপরিহার্য,
সকলি জীবন যুদ্ধে সময়ের ধর্ম।

শিক্ষা দিয়ে জীবন শুরু স্বাস্থ্যই সম্পদ,
প্রকৃত শিক্ষাইতো দেশের সম্পদ।
শিক্ষার পূর্ণতা হয় নম্রতার গুণে,
অহঙ্কার বর্জিত শিক্ষা নম্রতা দানে।

বিদ্যার্থী জীবনে শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠা শ্রেষ্ঠ ধর্ম,
অহঙ্কার,জীবনের চরম শত্রু ও দুষ্কর্ম।
পিতা মাতা শিক্ষাগুরুই বিদ্যার্থীর শরণ্য,
শ্রদ্ধাবান বিদ্যার্থী সদাই বরেণ্য।

নদীতো চায় ঝর্নাকে সমুদ্রে পৌঁছে দিতে,
ঝর্না বলে বিশাল হতে সমুদ্রে গিয়ে,
বিশালতার লোভে লবণাক্ত হবার থেকে,
ছোট হয়ে মিষ্টি থাকাই শ্রেয়।

গুন ও কর্মই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয়,
জাতপাত ধর্ম  অহঙ্কার বাড়ায়।
রূপের সৌন্দর্য ক্ষণিকের তরে,
সময়ে শুকনো পাতার মত ঝড়ে পরে।
গুনের সৌন্দর্য চিরকাল রয়,
সময়ের সাথে গুণের সৌন্দর্য ক্রমে বাড়ে।

রুপে মুগ্ধ হয় লোভী,
গুণে মুগ্ধ হয় জ্ঞানী।
বিদ্যার্থীর জ্ঞান শিক্ষার গুনে,
বিদ্যার্থী আদরনিয় তার শ্রদ্ধার গুণে।

     <---©-আদ্যনাথ--->
 【--anrc--19/03/2019 --】
     【=সকাল:08:08:12=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56-】
===========================

Wednesday, March 13, 2019

295>||- চিন্তার গুরত্ব ||


295>||- চিন্তার গুরত্ব ||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

চিন্তার শক্তি অসীম।
আবার এমনও  বলাহয়
চিন্তা চিতার সমান।
আসলে
চিন্তার শক্তি অসীম,
যে শক্তি ব্যর্থ নাহি  যায়।

মনুষ্য শরীর বহু শক্তির আঁধার ,
সেথা চিন্তা শক্তির শক্তি অপার।
চিন্তা শক্তি বা চিন্তার কম্পন বলয়,
জল তরঙ্গেরন্যায় প্রবাহ হয়।

সর্বদা সকলের শুভ চিন্তাই করতে হয়,
শুভ চিন্তায় গভীরতা রাখতে হয়।
চিন্তা যদি পসিটিভ চিন্তা হয়,
এবং একাগ্র চিত্তের চিন্তা হয়,
তবে নিশ্চিত শুভ ফল লাভ হয় ।
সাথে নিজেরও কল্যাণ হয়।

সেইরূপ অশুভ বা অকল্যাণ চিন্তন,
মন হয়েযায় উচাটন।
ক্ষনিকের তরেও অকল্যাণ চিন্তা যদি হয় ,
কারুর অকল্যাণ হোক বা নাই হয় ,
নিজের অকল্যাণ নিশ্চয় হয়।

তাইতো সদা শুভ চিন্তাই মনুষত্বের লক্ষণ।

একটি অতি সাধারণ কাজ যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই লক্ষ্য কিরি,
যেমন আমরা যখন কোন পূজার ভোগ প্রসাদ খাই তখন এমনটাই পাই যে
ভোগ প্রসাদ অপূর্ব স্বাদিষ্ট হয়।
আমরা ভাবতে পারি যে যিনি রান্না করেছেন তার হাতের গুনেই এমন স্বাদিষ্ট
অথবা কোনো ভালো মশলা ব্যাবহার হয়েছে।
এমন ধারণা মোটেও ঠিক নয়।
কারণ আমরা যদি ওই একই রাধুনি দিয়ে একই মশলা ব্যবহার করে নিজেদের খাবার জন্য
রান্না করাই তাতে কিন্তু স্বাদ হবে অন্যরকম। ওই ভোগের প্রসাদের মতন স্বদিস্ট হবেনা।
একই লোক রান্না করলো একই মশলা দিয়ে, তথাপি স্বাদে পার্থক্য হলো কেন?
এমন হবার কারন খুবই সাধারন। সে হলো ওই চিন্তা শুভ চিন্তা।
যখন ভোগের প্রসাদ রান্না হচ্ছিল তখন রাধুনী এবং অন্য সকলের চিন্তা ছিল ঈশ্বরের প্রতি ,
ভগবানের ভোগের প্রতি।
সকলের শুভ ও সুন্দর চিন্তার কারণে কতো গুলি শুভ পজেটিভ চিন্তা তরঙ্গের
মিলিত প্রভাবের  শুভ শক্তি ভোগের প্রসাদের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।
আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবো যে বাড়িতে মা যখন রান্না করেন
তার স্বামীও সন্তানদের জন্য তখন সেই রান্নার স্বাদ আর কাজের লোক দিয়ে রান্না
করলে তার স্বাদ অনেক পার্থ্যক্য হয়।
এর কারণও ওই রকম ,কারণ মা নিজের স্বামী স্বন্তান দেড় জন্য যে মন ও চিন্তা
নিয়ে রান্না করেন, কাজের লোকের  সেই মন ও চিন্তা থাকে না। ফলে রান্নার
স্বাদ পার্থক্য হবেই।
তবে আবার মজার ব্যাপার এটাই যে হয়তো কাজের লোক রান্না করছেন এবং
মা নিজে রান্না  ঘরে ঐ রান্না করার সময় উপস্থিত আছেন ,এবং মা তখন ওই
রান্নার বিষয়ে চিন্তা করছেন তখন কিন্তু আমরা মায়ের রান্না করার স্বাদই পাবো।

এমন টাই হয় সকল ব্যাপারে।
চিন্তার শক্তি কাজকরে সূক্ষ্ম রূপে তার অদৃশ্য তরঙ্গের মাধ্যমে।
আবার এমনটাও দেখা গেছে যে নিজের কাছের কেউ যেমন নিজের সন্তান
হয়তো দিনের পড়দিন ঠিক আমার মনের মতন কাজ করছে না।
আমার ইচ্ছা সে আমার মনের মতন চলুক বা কাজ করুক ,কিন্তু এই বিষয়ে
তাকে বার বার বলেও কোন লাভ হচ্ছেনা।
তখন আমরা যদি মনে মনে একাগ্র চিত্তে সদা সর্বদা তার শুভ চিন্তা করি
এবং আমার যা বলবার তা যদি বার বার তার মঙ্গলের কামনা করে তার জন্য
শুভ চিন্তা করে প্রার্থনা করি তবে এই শুভ প্রার্থনার চিন্তার  ফলে সন্তানের
পরিবর্তন হবেই হবে।
যে কাজ মুখে বলে হয়নি প্রার্থনার শুভ চিন্তার দ্বারা
সেই কাজ সহজেই হয়ে যায়।
আমার এই লেখার সত্যতা যেকেউ পরীক্ষা করে দেখলেই জানতে পারবে।
                                                                                             আদ্যনাথ

            <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================

Tuesday, March 12, 2019

294>||-সুখ সুখ সুখ-||



294>||-সুখ সুখ সুখ-||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

সুখ সুখ সুখ------
ছিলাম নিতান্ত অন্ধকারে,
তাইতো সুখের সন্ধানে,
ভ্রমিলাম দেশ দেশান্তরে।
সুখ যে আছে নিরালায় বসে
নিজ অন্তর দেশে।
বুঝিনাই আগে ,
তারে খুঁজিলাম বৃথাই বাহিরে
অজ্ঞান অন্ধকারে ভ্রমে
ঘুড়িলাম দেশে দেশে ,
ব্যর্থ পরিশ্রমে।

সৎ, চিৎ, আনন্দ,
সত্যম্,  শিবমম্, সুন্দরম্,
অস্তি, ভাতি, প্রিয়,
হলেও ভিন্ন ভিন্ন,
মুলেতে কই সত্তার অঙ্গ।
নিত্য যাহা কিছু তাই তো আনন্দ ,
যেখানে জ্ঞান সেখানেই আনন্দ।

আনন্দইতো আত্মার স্বরূপ,
জীবাত্মার স্বরূপ।
এহেন আনন্দ ময় স্বরূপের সাক্ষাৎকার ,
এইতো জীবনের লক্ষ্য।
এখানেই হয় আত্ম দর্শন ,
এখানেই হয় সকল আনন্দের কর্ষণ।
বুদ্ধিই পারে করতে এই আনন্দের বিশ্লেষণ,
বুদ্ধির দ্বারাই বাড়ে আনন্দ উপলব্ধি আকর্ষণ।

একবার বোধে বোধ হলে ,
সকল বাঁধা যাবে দূরে চলে।
ভয় থাকেনা বিপথ গামী হবার ,
জাগতিক সকল সুখের হয় অধিকার।
জাগতিক সকল সুখ,দুঃখ,
সমাহিত হয় তার অন্তরে।
তখন কার সাধ্য তারে বিচলিত করে।

 <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================

293>||-সুখপাখী -||


293>||-সুখপাখি -||
         <-----©-আদ্যনাথ--->

সুখ নামে সুখ পাখি  থাকে যে খাঁচায়,
সুজন সেই খাঁচা বয়ে বেড়ায়।
খাঁচার মালিক তাই আছে অহঙ্কার,
জেনেও জানেনা, খোঁজও  রাখেনা,
সেই পাখি র আলয়।
পাখি তো সদাই আনন্দে রয়,
পরমানন্দের খোঁজ দিতে চায়,
সুজন বাহিরেই সুখ খুঁজে বেড়ায়।

নিত্য যে সদাই  আনন্দ ময়,
একথাতো মিছে নয়।
তবুও ঘুরে মরা মিছে অহংকারে,
নিত্য কে অবহেলা করে।
সুজন বোঝেনা নিত্য অনিত্য কে,
ক্ষণিক সুখে ব্যস্ত অনিত্যতে।
অনিত্যের পিছনে ছোটা,
জীবনটাই ফুরিয়ে যায় অযথা।

অনিত্য হারিয়ে যায় সময়ের সাথে,
নিত্য সদাই সুখ,আনন্দের আকর লয়ে।
খাঁচায় বন্ধি সুখ রয় জীবনের সাথে সাথে,
সুজন খোঁজেনা তারে একবারের তরে।
সুখ নামে সুখ পাখী থাকে যে খাঁচায়,
নিজের মতন করে খুঁজে নিতে হয়।
সত্যম্,শিবম্,সুন্দরম্ সদাই সত্য ভাবনা,
অন্তরে ডুব দিলে থাকেনা ভাবনা।



 <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================

Tuesday, March 5, 2019

292>||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -।।


    292>||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -।।
                      <-----©-আদ্যনাথ--->

সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষের জীবন,
ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি পূর্ণ জীবন ,
সে তো নিম্নতর নিকৃষ্ট জীবন।
সে তো নয় মানুষের প্রকৃত জীবন।
মানুষের জীবন সুন্দর ও মহান।

যে মানুষ তার বিচার বুদ্ধির দ্বারা,
কামনা-বাসনা রুপি ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি গুলি কে,
নিয়ন্ত্রণ করে,
পরিপূর্ণ ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধন করে,
তার আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতাকে
পরিহার করে ।
সকল মানুষের সঙ্গে একাত্ম বোধ করে।
সে মহৎ জীবন যাপন করতে পারে।

এই আত্মকেন্দ্রিক ভাবের অবসান না হলে,
মানুষ আত্ম বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনা,
প্রকৃত জীবনের স্বাদও গ্রহণ করতে পারেনা।

মানুষের প্রকৃত জীবন তার বুদ্ধিমত্তা পূর্ণ জীবন,
যেখানে ক্ষুদ্রতা, তুচ্ছতা, স্বার্থপরতার স্থান নেই।
এক মহৎ জীবন সমাজ তথা দেশের
যুবক তথা মানুষের জীবন কল্যাণের
উৎস্য তথা পথ প্রদর্শক রূপে গণ্য।

      <-----©-আদ্যনাথ--->     
     【--anrc--05/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:18:22=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================

Monday, March 4, 2019

291> ||- ওরা কাজ করে -|| ----(1)+(2)

291> ||- ওরা কাজ করে -|| ----(1)+(2)
                         <-----©-আদ্যনাথ--->
           ( 1 )
ঐযে ওরা কাজ করে,
ওরা কাজের লোক,
কেউ বাড়ি বাড়ি বাসন মাজে,
কেউ রান্নার কাজ করে,
কেউ রিক্সা চালায়।
কেউ দিন মজুর খাটে।
ওরা কাজ করে
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
হয়তো ওদের পুঁথিগত বিদ্যা নাই,
আছে কিছু গুন তাই ওরা কাজ করে।

ওরাও সমাজের একজন,
ওদের মান সন্মান বোধ আছে।
ওদের পেটে খিদের জ্বালা আছে,
ওদের চোখে জল আছে,
হৃদয়ে বেদনা আছে।
মান অপমান বোধ টুকু আছে।
ওরা নীরবে নিভৃতে কাঁদে।
হৃদয়ে ব্যাথা পেলে
কটু কথায় নীরব থেকে।
ওরা কাজ করে।
পেটের দায়ে কাজ করে।

আমরা সমাজে নিজেকে
শিক্ষিত,ভদ্র, সভ্য রূপে মানি।
শিক্ষা ও অর্থের অহঙ্কারের বলে
মুখে অনেক ভালোবাসার কথা বলি,
সুযোগে জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করি।

কখনো কিছু দান দিয়ে নিজেকে
নিজেই ধন্য মনে করি।
নিজেকে দানি, কেউ কেটা মনে করি।
এমন ভান করি যেন,
গরীবের তরেই অশ্রু ঝড়ে।
আসলে নিজেই মরি নিজের অহঙ্কারে।

কারন নিজেরাই বুঝি না,
কোনটা মান, কিসে অপমান।
সর্বদা নিজের দম্ভ ও অহঙ্কারে,
ওরাও মানুষ, ভুলে যাই বারে বারে।

ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
আমরা নিজের ভাবনা, দম্ভ, অহঙ্কারে,
দিনরাত স্বপ্নের পাহাড় গড়ি।
কিন্তু ওই খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী জনেরে,
ভুলে যাই সামান্য সন্মান দিতে।
ভুলে যাই,ওরাও মানুষ
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

     <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-04/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:53:22pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
============43L=============

         ||- ওরা কাজ করে -||
                           <-----©-আদ্যনাথ--->
        ( 2 )
ওরা কাজ করে
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।
হয়তো ওদের পুঁথিগত বিদ্যা নাই,
আছে কিছু গুন তাই ওরা কাজ করে।

ওরাও সমাজের একজন,
ওদের মান সন্মান বোধ আছে।
ওদের পেটে খিদের জ্বালা আছে,
চোখে জল ও হৃদয়ে বেদনা আছে।
মান অপমান বোধ টুকু আছে।
তাই হৃদয়ে ব্যাথা পেলে।
ওরা নীরবে নিভৃতে কাঁদে।

আমরা নিজের ভাবনা, দম্ভ, অহঙ্কারে,
দিনরাত স্বপ্নের পাহাড় গড়ি।
কিন্তু ওই খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী জনেরে,
ভুলে যাই সামান্য সন্মান দিতে।
ভুলে যাই,ওরাও মানুষ
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

আমরা সমাজে নিজেকে
শিক্ষিত,ভদ্র, সভ্য রূপে মানি।
শিক্ষা ও অর্থের অহঙ্কারের বলে
মুখে অনেক ভালোবাসার কথা বলি,
সুযোগে জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করি।

কখনো কিছু দান দিয়ে নিজেকে
নিজেই ধন্য মনে করি।
নিজেকে দানি, কেউ কেটা মনে করি।
এমন ভান করি যেন,
গরীবের তরেই অশ্রু ঝড়ে।
আসলে নিজেই মরি নিজের অহঙ্কারে।
ওরা কাজ করে,
ওরা পেটের দায়ে কাজ করে।

  <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-04/03/2019--】
     【=রাত্রি:11:53:22pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
============30L=============

Saturday, March 2, 2019

290>||- আর্তনাদ -||

   290>||- আর্তনাদ -||
                     <---©-আদ্যনাথ--->

দেখেছি শুনেছি আর্তনাদ,
অসহায় মানুষের আর্ত চিৎকার।
পশু পাখিদের ব্যাকুল কোলাহল,
প্রকৃতির রোষাগ্নি সমুদ্রের প্রলয়।

সে ভীষণ ঝড়ের তান্ডব নৃত্য,
সাথে সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ স্ফীত।
নিমেষে করেগেলো তছ নছ
যেন মহাদেবের প্রলয় তান্ডব নৃত্য।

বুঝি দেবাদি দেব মহাদেব আজ রুষ্ট,
তাঁর  ক্রোধাগ্নি বর্ষিছে সমগ্র ধরাতলে।
প্রকৃতি যেন পৈশাচিক হাসি হাসিছে,
বজ্র নিনাদ,অবিশ্রান্ত ধারায় বর্ষণ।
সমুদ্রের হুংকার ধরাতল কাঁপে থর থর।

মানুষ কত অসহায় প্রকৃতির কাছে,
শুনেছি তারই হাঁ হাঁ কার
আর্তনাদ শুনেছিলাম সুনামির পরে
2004সালে উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে।

যৌবন কালে বার বার ছুটে গেছি
যেখানেই মানুষ প্রকৃতির বিপর্জয়ে,
হয়েছে অসহায় সম্বল হীন সর্বহারা।
ভুলতে পারিনি সেই অসহায় চাহনি,
এক মুঠো অন্নের জন্য শিশুর ক্রন্দন।
মা এর বুকের দূধ শুকিয়ে গেছে ক্ষুধায়।

যে প্রকৃতি কত যত্নে ধরিত্রীকে করে রক্ষা
সেই প্রকৃতি নিমেষে ধরিত্রীকে করে ধ্বংস।
হাসি কান্নার এই খেলা প্রকৃতির ধর্ম,
ধ্বংস আর সৃষ্টি প্রকৃতি নিত্য কর্ম।

সৃষ্টির আনন্দে আমরা হই উদ্বেলিত,
ধ্বংসের বেদনায় হয়েপরি ব্যথিত।
প্রকৃতি করে চলে নিজ কর্ম সৃষ্টিতে,
আমরা বিষাইছি তারে নানান অজুহাতে।

আমাদের সৃষ্ট বিষের কারণ
প্রকৃতি হয়েপরে ভারসাম্য হীন।
তাইতো প্রকৃতি ঘটায়  ধ্বংসের নৃত্য,
তবুও আমরা দুষী প্রকৃতিরে নিত্য।

আমরা মরি নিজ দোষের অহঙ্কারে,
তথাপি দুষি প্রকৃতিরে বারে বারে।
দেখেও শিখিনা বুঝেও বুঝিনা নিজ দোষ।
দিগে দিগে নিত্য  হাঁ হাঁ কারি আপশোস।

মানুষের করুন আর্তনাদ যখন শুনি
কিছু লয়ে সাথে ত্রাণের অজুহাতে।
বার বার মনেপড়ে ঈশ্বরের সৃষ্টি খেলাকে।
হে ঈশ্বর তুমিতো দিয়েছো অকাতরে,
তবুও বোধ হয় মানুষ করনি মানুষেরে।
মানুষকে গড়েছো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব করে,
তবুও কোথায় যেন রেখেছ ত্রুটি করে।

        <---©-আদ্যনাথ----->       
     【--anrc-01/03/2019--】
     【=রাত্রি:02:28:22=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=========================
( বহুবার নানাস্থানে নানান বিপর্যয়ে
ত্রাণ কার্যে যোগ দিয়েছিলাম।
কিন্তু2004 ডিসেম্বরের ভয়ঙ্কর সুনামিতে 14টি দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
       হোয়েছিলো।
আমরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ধানবাদ থেকে
14জন উড়িষ্যার পুরী অঞ্চলে গিয়েছিলাম
সেই দৃশ্য আজও মনে পড়ে বারে বারে।)
============================