Tuesday, October 9, 2018

269>।।-জীবনের ভাবনা =

269>।।-জীবনের ভাবনা =
                     <----আদ্যনাথ--->( © )


মনে না থাকলে দৃঢ়তা,
ভাবনা গুলির থাকে জড়তা।
মন দ্রুত গামী অশ্বের ন্যায়,
তাকে লাগাম দিতে  হয়।
ভাবনার মুলে আছে দুই
পজেটিভ এবং নিগেটিভ।
কিভাবো সে চিন্তা নিজের।


২>ভাবনা যখন নিগেটিভ
তখন মনেহয় ------
     
আমি রইলাম কি নাই রইলাম,
কার কি এসে যায় বলো ?
পৃথিবী কাউকে ভোলেনা
এটাই যে সত্য।
কে রইল আর কে না রইল
পৃথিবীর কারুর কিছু
আসে যায় না।
সময় সকলি ধরে রাখে
অনন্ত কালের তরে।

আমাকে যার প্রয়োজন
যদি কাউকে করেথাকি
উপকার অথবা দুশমনি
উভয়েই রাখবে মনে,
প্রয়োজন হলে।
প্রয়োজন,ভালোবাসা
বা প্রতিশোধ নিতে।
মানুষ কখনো দম্ভ প্রদর্শনে।
জানি দুঃখে পাবেনা কাউকে,
সুখে সকলেই থাকেবে কাছে।

মানুষ ছাড়া পশু পাখি,
কিম্বা কীট পতঙ্গ, সকলকে
যদি প্রকৃত ভালোবাসতে পারি ,
সে মনেরাখবে আজীবন জানি।
=========================
১>( + )ভাবনা গুলি যখন
পজেটিভ দিগে ধায়
তখন ------------------

এই পৃথিবীর হতে  সুন্দর কিছু নাই
জীব মাত্রেই ঈশ্বর রুপি
প্রকৃতির সৃষ্টি।
এই সৃষ্টির মাঝে রেখে যেতে হবে
কিছু কৃষ্টি, নিতান্ত কিছু দাগ ,
চিরদিন থাকবে তার প্রভাব।
জগতের শ্রেষ্ট সৃষ্টি মানুষ।
তাই মানুষের  অধিকার
সৃষ্টিকে রাখতে সুন্দর।

ভালো হও বা না হও ,
ভালোবাসা দিলে নাকি পেলে
সেতো  নিজের ব্যাপার।
ভালো হওয়ার বা ভালোবাসার,
প্রমান দিতে চাওয়া ,
সেটাই মূর্খের সমান হবে।
কে ভালোবাসলো,
কে মনেরাখলো,
ওসকল চিন্তায় লাভ কি বলো?

তারথেকে ভালো,
নিজের কাজ করো।
নিজের চিন্তা নয়,
কর্মপ্রধান বিশ্বে কর্মই শ্ৰেষ্ঠ।

যদি একান্ত ইচ্ছা থাকে জানতে ,
নিশ্চিত ভালো সত্য কিছু জানতে।
শরীর কে জানো, মনকে জানো,
জানো চিত চিত্তের ভাব ধারা।
ঈশ্বরের থেকে কি লুকাবে
যার হাতে জীবনের সূত্র ধরা।

জীবন সত্য, থাকাও সত্য,
না থাকার অর্থ হারিয়ে যাওয়া।
অন্ধকারে হারায় যে  তাঁকে ,
মনে রাখবে  বলো কে?
 <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc-09/10/2018--】
     【=সন্ধ্যা:07:01:12pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========46============

Monday, October 8, 2018

268>|| বিশ্ব নাট্য দিবস ||

   268>|| বিশ্ব নাট্য দিবস ||
                      <--©-আদ্যনাথ->

আজ বিশ্ব নাট্য দিবস।
জীবনটা ই তো নাটক।
জীবন ও নাটক
একে অপরের পরিপূরক।

নাটকে হয় জীবন দর্শন,
নাটকে সমাজকে করে প্রদর্শন।
নাট্যকার নিজেকে করেনা প্রদর্শন,
তার চিন্তা সমাজ শিক্ষার কর্ষণ।

জীবনের নাটক নিজে করতে হয়,
রঙ্গ মঞ্চে নাটক চিন্তার পথ খুলে দেয়।
জীবন যখন আছে
নাটক তো থাকবেই।

নাটক জীবনকে শুদ্ধ করে,
জীবনকে চিনতে সহায়তা করে।
নাটক জীবনের পথ দেখায়,
নাটক নিজেকে চেনায়।

নাটক বিহীন জীবন মূল্য হীন,
নাটক বেঁচে থাকবার স্বপ্নে রঙিন।
নাটক সমাজ জীবনের জল ছবি,
নাটক সমাজ মুক্তের তরী।

নাটকের সংলাপ জীবনের আলাপ,
নাটক তো নয় কেবলই প্রলাপ।
নাটক সমাজ কে চিনিয়ে দেয়,
নাটক সমাজের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়।

নাটক অন্ধের যষ্টি সম হয়,
নাটক বধিরের কর্ন কুহরে রয়।
নাটক জীবনের অগ্র গতি,
নাটক মানুষের বুদ্ধির গতি।

নাটক তো জীবনেরই ছায়া সত্য
নাটকের অন্তরেই লুকায়ে জীবনের
সত্য।
নাটক তো সমাজ ও জীবন প্রকাশের 
হাতিয়ার সত্য।

নাটক ছাড়া জীবন মৃত লাশের মতন,
নাটক জীবন অমৃত আস্বাদনের মতন।
নাটক জীবনকে করে পরিপূর্ণ,
নাটকে দম্ভীর হয় দর্প চূর্ণ।

     <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc--27/03/2019--】
     【=রাত্রি:08:08:15=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================


267>|| গন্তব্য জানিনা ||

   267>|| গন্তব্য জানিনা ||
                <--©-আদ্যনাথ-->

জীবন যেপথে নিয়েযায়
সেই পথই গন্তব্য হয়।
জীবনের প্রতিদিন হতে হয়
কতো নাটকের সমুখিন।
তবুও জীবন চলছে,
চলাই জীবন।

সামনে অনেক পথ
পথ চলার শপথ।
পথ বেছে নেওয়াই
বুদ্ধিমত্তার পরিচয় ।

সৃষ্টির শুরু থেকেই
মানুষের চলা শুরু।
দিগ থেকে দিগন্তে
মানুষ ছুটে চলেছে।

চলা কখনো হয় শান্ত,
কখনো উদভ্রান্ত,
কখনো দিকে দিকে
ছুটে ও মানুষ হয় না শান্ত।

কারন গতি মানুষের ধর্ম
গতিহীন তো অথর্ব।
যুগের পরিবর্তনে
অথর্বেরও গতি সামর্থ।
কারন গতি মনের ইচ্ছার কারন,
ইচ্ছাই ও চেষ্টা গতির মূল কারন।

তবুও গতি উচিত অগ্র মুখ
পশ্চাৎ গতিতে হারায় সুখ।
অগ্র গতি ই যুগের ধর্ম,
সজাগ পঞ্চেন্দ্রিয় উচিত কর্ম।

চলা যদি হয় চোখ বন্ধ করে,
সে চলায় তো বিপদ বারে।
তাই চলতে হবে উচ্চশিরে,
পঞ্চেন্দ্রিয় দৃঢ় রেখে।

     <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-27/03/2019--】
     【=সন্ধ্যা: 06:30:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================
আজ যে দুটি মেসেজ আপনি
পাঠিয়েছেন সে দুটি মেসেজ কে
একটু বিস্তার করে লিখলাম।
জানিনা শিব গড়তে বাদর হলো কিনা।

Sunday, October 7, 2018

266> ||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -||


266> ||- মানুষ শ্রেষ্ঠ -||
              <-----©-আদ্যনাথ--->

মানুষ শ্রেষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ তার ভালোবাসা।
মানুষ মানুষকে ভালোবাসে,
মানুষ জীবনকে ভালোবাসে।
জীবন তো জীবের জন্য,
মানুষ তো মানুষের জন্য,
মানুষ বোঝে জীবনের মূল্য।

প্রেম,ভালোবাসা,বুদ্ধি তিন‌ই আছে যার,
সমাজে শ্রেষ্ঠ আসনের অধিকার তার।
হিংসা ক্রোধে মানুষ অমানুষ হয়,
অহঙ্কারে মানুষের সর্বনাশ হয়।

অহঙ্কারে মানুষ জ্বলেপুড়ে মরে,
নিজের আগুনে নিজেই পুরে মরে।
অহঙ্কার মানুষের চরম শত্রু।
ক্ষণিকের ক্রোধও জীবনের শত্রু।

প্রেম, ভালোবাসা মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু।
প্রেম, ভালোবাসায় হয় সকল হৃদয় জয়।
প্রেম, ভালোবাসায় স্বর্গীয় শুখলাভ হয়।
প্রেম, ভালোবাসা দিয়েই সম্ভব বিশ্বজয়।

প্রেম, ভালোবাসা মানুষকে করে মহান
নাই সংশয়।
প্রেম, ভালোবাসা দিয়ে মানুষ স্বর্গীয় সোপান
করে জয়।
মানুষ, করে মানুষকে মহান,
প্রেম, ভালোবাসার হয় জয়।
মানুষের জন্য মানুষ শ্রেষ্ঠ,
শ্রেষ্ঠ তার প্রেম, ভালোবাসার হয় জয়।

    【--anrc--28/01/2019--】
     【=রাত্রি:01:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================{


Sunday, September 30, 2018

265>||---দই- নিয়ে হৈ চৈ--||

265>||---দই- নিয়ে হৈ চৈ--||
            <-----আদ্যনাথ--->( © )
আপনারা জানেন কি সবাই,
যে জানেন তো ভালো।
যে নাজানেন জেনে নিন সবাই।
অন্য কিছু নয় রে ভাই শুধু
একটু ঘরের পাতা দই।
রোজ যদি খান এক বাটি
রইবেন চনমনে একদম ফিট।
বাড়াবে আপনার হজম শক্তি,
কমাবে আনার ওজন সত্যি।
কমেগেছে ইমিউনিটি শক্তি?
সেই ইমিউনিটি কে করবে শক্তিশালী।
হার্টের চিন্তা নাই পাবেন উপকার।
শরীরের হাড়  আর দাঁত হবে মজবুত।
চিন্তার চাপ কমিয়ে করবে হালকা।
তারসাথে দূরে যাবে বিষণ্নতা।
দূর হবে আলসার,ক্লোরস্ট্রাল ,
রোজ যদি একবাটি খাও দই।

   <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc-29/09/2018--】
     【=রাত্রি:01:31:22am=】  【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================

Friday, September 7, 2018

264>||-ক্ষণেক পাওয়া-||

264>||-ক্ষণেক পাওয়া-||

যেদিন দেখেছিলাম প্রথম,
দেখে ছিলাম এক প্রস্ফুটিত যৌবন।
কি অপরূপ সুন্দর ফুলের মতন,
পূর্ন বিকশিত যৌবন দেখি সেই প্রথম।

সেতুমি আমায় কাছে ডেকে নিলে,
কতো কথা বলেছিলে।
বলেছিলে ভালোবেসে,
একটি গোলাপ দিয়েছিলে।

সেদিন ছিল পূর্ণিমা তিথি,
দেখছিলাম চাঁদ দুটি।
একটি ওই নীল আকাশে,
অপরটি আমার সকাশে।

প্রথম ভালোলাগার  আবেশ,
জোৎস্নার শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ।
শিহরণ মনে প্রতি অঙ্গে অঙ্গে,
পুলকিত মন প্রাণ হৃদয়ের সঙ্গে।

কেন যানিনা তোমাতে হলাম অসংযত,
তুমিও করোনি নিজেকে সংযত।
করলে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ,
শিরায় শিরায় জাগালে স্পন্দন।

অদ্ভুত উত্তেজনার শিহরণ,
অফুরন্ত উৎচ্ছাশ অশান্ত কম্পন।
ভাবনা ছিল এ রজনী হোক অফুরান,
শীঘ্রই অবসান রাত্রির সূর্য উদীয়মান।

সাঁতার তো শিখিনি তেমন করে,
তুমি শেখালে সাঁতার সাবধানে ধরে।
জানিনা কতো সুখ বৈতরণী পারহবার,
তোমার সাথে সাঁতরে সুখছিল অপার।

জানি পাপ বোধের চিন্তাই পাপ,
এই পাওয়া চাওয়ায় ছিলনা পাপ।
অন্তরাল থেকে ঈশ্বর করেছিলেন মাপ,
বোধ হয় একটু হেসে ছিলেন শুনে সংলাপ।
কিন্তু মনে ছিল অনুতাপ,
বুঝিনি বাড়তি চাওয়াও যে পাপ।

স্বপ্ন ছিল ছোট সংসারের,
অপূর্ণ রয়েগেল সেই সাধের।
অর্থের অহঙ্কারে হেরে গেলাম,
নিজের কাছেই হেরে গেলাম।

বুঝিনি অর্থ এতো মূল্যবান,
অর্থের কাছে প্রেমের নাই মূল্য।
অর্থবানের নিকট অর্থই বলবান,
অর্থ প্রেমকে করেদেয় খান খান।

           <--©--●অনাথ●--->
           【--anrc--05/09/2018--】
           【--01:47:23am==】
           【-কোলিকাটা-59】
=========42 L=========

Wednesday, September 5, 2018

263>||-অহঙ্কার-||

263>||-অহঙ্কার-||

অহঙ্কার মহাশত্রু, মহাপাপ,
অহঙ্কাকারি কে ঈশ্বরও করেন না মাপ।
অহঙ্কার চরম অভিশাপ জীবনে,
অহঙ্কাকারি অভিশপ্ত হয় ভুবনে।

অহঙ্কার চরম ব্যাধি মানুষের জীবনে,
অহঙ্কাকারি পায়না মুক্তি জীবনে।
অহঙ্কারেই  বিষাক্ত সমাজ সংসার,
অহঙ্কাকারি যোগ্য নয় প্রশংসার।

অহঙ্কার আমিত্বের জীবনের অভিশাপ,
অহঙ্কার আত্মাভিমানের অনিষ্ঠের মূল।
অহঙ্কার এক অভিশপ্ত অলঙ্কার,
অহঙ্কারীর জীবন করে তছনছ বারংবার।

অহঙ্কার  সম্পত্তির, সংসারের অভিশাপ,
অহঙ্কার নিজের গর্বের নিজের অপমান।
অহঙ্কার মান সম্মানের দুঃখের কারণ ,
অহঙ্কার মদ মত্ত সর্বনাশের কারণ।

অহঙ্কার দর্পের মুখ থুবড়ে পড়া,
অহঙ্কার নিজ গৌরবের নিজে খর্ব করা।
 অহঙ্কার নিজের দম্ভ নিজের সর্বনাশ,
অহঙ্কার সগর্ব পুলক ক্ষণিক সর্বনাশ।

অহঙ্কার ঔদ্ধত্যের সমাজ বিষাক্ত করা,
অহঙ্কার আড়ম্বর,সেতো মানুষের নিজের গড়া।
অহঙ্কার গরিমা উচিত দেশের তরে,
অহঙ্কার অভিমান সমাজের তরে।

অহংকার অনিবার্য ধ্বংশের মূল,
অহংকার  অনিবার্য  সর্বনাশের মূল।
মানুষকে তিলে তিলে নিঃশেষ করার খেলা,
অহঙ্কার দুষিত নিকৃষ্ট দুরাত্মার খেলা।

মানুষ যখন মনের হিংসা, উম্মাদনায়
নিজেকে শ্ৰেষ্ঠ ভাবে মনে,
তখন মুনুষ্যতা লাঞ্চিত হয় সেখানে।

অহঙ্কার জীবন পতনের নির্দেশিকা,
অহঙ্কার মানুষের  পতনের বিভীষিকা।
অহংকার ভয়ানক ব্যাধি, মনের বিকৃতি
যেখানে আছে শুধু পতনের সিকৃতি।

অহঙ্কার নিশ্চিত ধ্বংসের তান্ডবলীলা,
অহঙ্কার জীবন নিয়ে খেলে ধ্বংসের খেলা।
 অহঙ্কারির সীমিত জ্ঞানের সীমা অল্প,
অহঙ্কারির পরিনতী ভয়ংকর ভাগ্যকল্প।

অহংকার অঙ্গার সম দগ্ধ করে ভাগ্য,
অহংকার জীবন সংগ্রাম সর্বনাশের লক্ষ্য।
অহংকার নয় কোন অলঙ্কার সূত্র,
অহংকার সর্নাশের মূল মন্ত্র।

অহঙ্কার মূর্খতার শ্রেষ্ঠ পরিচয়,
অহঙ্কার জ্ঞানীর নিকট সময়ের অপচয়।
অহঙ্কার বর্জন বুদ্ধিমানের লক্ষণ,
অহঙ্কার বর্জন জ্ঞানীর শ্রেষ্ঠ  লক্ষণ।

     <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc--06/09/2018--】
     【=রাত্রি:12:08:22=】
     【=কোলকাতা -59=】
=======47L==============

------------------//----///------------------//







262>||--সংসার নারীর অহঙ্কার-||

 262>||-সংসার নারীর অহঙ্কার-||

সকল মেয়েই চায়----
সুন্দর সংসার বাঁধতে,
সকলকে নিয়ে সুখে থাকতে।
স্বামীর গলা ধরে আহ্লাদ করতে,
সংসারের ঝুট ঝামেলা নিয়ে ভাবতে।

দরিদ্র অসহায় মেয়েরা,
তারাও চায় পছন্দ করে মনে।
চায় এমন ভাবনা ভাবতে,
কিন্তু সেইটুকু পায় কজনে?

যা অনেকেই একটিও পায় না ,
তাদের চাহিদা পূরণ হবেওনা,
যদিও বা পায় দীর্ঘস্থায়ী হয়না।
দারিদ্রতা আর অভাব তাদের
নিক্ষেপ করে গভীর অন্ধকারে।

কোন দিন হয়তো হয় প্রতারিত,
বা পেটের খিদার তাগিদেই শুদু,
তাদের কপালে জোটে প্রতারণা,
নারী দেহের যৌবনের গন্ধে,
ক্ষনিকের জন্য কিছু নর পশু।
নানান প্রলোভনে করে প্রতারণা।

যারা তার পায়ের গোড়ালী থেকে,
ঠোট পর্যন্ত যৌবনের আছে যত টুকু,
চেটে পুটে খেয়ে নিয়ে সবটুকু,
ছুড়ে ফেলে দেয় দেহ টুকু।

দরিদ্র সুন্দরী অভাগা মেয়েদের কিছু,
নানান লোভের তাড়নায় হয়তো কিছু ,
মানুষ রূপী সমাজের নামি কিছু,
গণ্য মান্য পশুর অধম মানুষ কিছু।

যারা তাকে সমাজের আরালে
একান্তে বিছানায় পেতে চায়,
সেই প্রগতিশীলরা, তাকেকি একটা
সমাজ স্বীকৃত বৈধ সন্তান দিতে পারে?
নাকি দিতে চায় ?
দিতে পারে কি তারা?
ওই মেয়েটির যোনিতে প্রবাহিত,
তাদের হাজার অন্যায় বীর্জপাতের,
শুধু এক ফোটা বীর্জের পরিচয় ?

না না  , দেবে না ! খকনো দেবেনা।
তখন তাদের সমাজের ভয় মনে জাগে।
তখন তাদের মর্যাদায় বাধে,
অহঙ্কার ও খ্যাতি হারাবার চিন্তা জাগে।
অসহায় মেয়েটিরে লুটে নিতে পারে,
তখন তাদের বিবেক কোথায় থাকে?
মেয়েটি হলেও অর্থের বিনিময়ে,
যা হারায়, তাকি আর ফিরে পাবে?

তাইতো সব হারানো মেয়েরা চায়,
কুমারী আর স্বতী নারীদের করে,
বারে বারে আহবান,
সেও দেখায় নানান লোভ,
তার মত নগ্ন জীবন জাপনের।

অপবিত্র অসতী নারী চায়না,
কোন নারী পবিত্র থাকুক।
নারীর সতীত্ব তার মনে জ্বালায়--
প্রবল হিংসার আগুন।
যে আগুনে সে চায় সকলকে,
সমাজের সকল নারীকে পুড়িয়ে,
শেষ করে দিতে।
নারীই তো নারীর প্রবল শত্রু হয় বটে।
               <--©--●অনাথ●--->
           【--anrc--12/08/2018--】
           【--রাত্রি 01:32:11am--】
           【=কোলকাতা -59=】
=≠======================

261>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----|| ---( 1--9)

261>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||(1--9)
 2>||খাদ্য রসিক ||
3>|| খাই খাই করে মন ||(ফুচকা)

4>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||
5>||-কেক আর পিকনিক-||
6>।।-পৌষ পাবনের পিঠে--।।
7>||--ভোজন সূত্র-----||
8>কেডবেরি কেডবেরি
      স্বাদে গন্ধে কাড়াকাড়ি।
9>||-আহামরি,কেডবেরি,-||
=============================
261>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||

ডিসেম্বর, জানুয়ারি, দুই মাস,
বাঙালির হুড়োহুড়ির হতে নেই অবকাশ।
ডিসেম্বরের উৎসবে কেকের আড়ম্বর,
কেকনিয়ে চলে হুড়োহুড়ি মাস ভর।
ডিসেম্বরের স্বপ্ন থাকে বৎসর ভর,
25শে ডিসেম্বরের উৎসবের উল্লাশ আড়ম্বর।
ডিসেম্বরের কেকের স্বাদ,আনন্দ,রকমারি,
মাস ভর চলে এই ডিসেম্বরের হুড়োহুড়ি।
ডিসেম্বরের পরেই জানুয়ারির উৎসব,
চলতে থাকে পিকনিকের মহোৎসব।
পিকনিকের হুড়োহুড়ি মাসভর চলে,
আমিষ,নিরানিষের বাদবিচার না করে।
উদ্যান, কটেজ,নদীর পাড়,কিংবা পার্কে,
যেথা যাও পিকনিক স্পট বাদ নাই তর্কে।
বাঙালির অতি প্রিয় ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
এই দুটি মাসে উৎসবের নাই জুড়ি।
অফিস কাছারীতে বাঙালি দিলখুশ,
সকলেই চড়ুই ভাতির জল্পনা কল্পনায় উন্মুখ।
কেহ চায়,কেহ যোগ দেয়,কেহ করে আশা,
পিকনিক ব্যাতিরিকে মনে জাগে  হতাশা।
একদিকে পৌষের পিঠে পায়েসের রকমারি,
তারসাথে পিকনিকের বাড়াবাড়ির নাই জুড়ি।
বাঙালির অতি আদরের পৌষ পাবন,
পিঠে পুলির কতইনা চলে পূজা পাবন।
ডিসেম্বর, জানুয়ারির নাই কোন জুড়ি,
শীতের আমেজে বাঙালির বাড়ে ভূরি।
নাইখেদ আপসোস রকমারি খাবারের দিন,
খাদ্য রসিক বাঙালির হরেক খাবারের দিন।
শীত বাড়ার সাথে বাড়ে সোয়ার্টার কম্বল,
যতই খবেনাকেন শেষে চাই টক অম্বল।
শীত কাল ভর মনেহয় খাওয়াই সম্বল,
ভালখেয়ে রাতের সম্বল লেপ কাথা কম্বল।
শীতের পারদ জতো নীচে নামে,
খাবার ও সোবার আমেজ বাড়ে মনে মনে।
কিকরে কাটবে শীত তার থাকেনা চিন্তা,
রকমারি খাবারের আমেজে কাটে দিনটা।
শীতে বাঙালির খাবারের সাতকাহন,
ডিসেম্বর, জানুয়ারি,আর পৌষ পাবেন।
খাবারে রসিক বাবুয়ানীতে ফিট ফাট,
ডিসেম্বর,জানুয়ারিতে চলে বাঙালির ঠাট বাট।

<--------(c)-----অনাথ ----------->
       [--anrc----11/01/2018--]
       [--03:14:12--am---------]
       [--কোলকাতা --56------]
||===========================||

 2>||খাদ্য রসিক ||
       <--©-আদ্যনাথ-->

দিনভর খাই খাই
কি খাব কোথা পাই।
খাবার চিন্তায় মগজ ধোলাই
খেয়েনি চট পট যখন যা পাই।
খাবার মজা কি আর জানে সবাই
আমিপেটুক তাই খাবারের ঘ্রান পাই।
ভালো খাবারের সুমিষ্ট ঘ্রান
সর্বদা মন করে আন চান।

তবুও কিছু চিন্তা উদ্ভট
মগজে করে  কচ কচ।
যা মনেআসে চট পট
বলেফেলি ফট ফট।
পরে হলে খট খট,
ক্ষমা চাই চট পট।
মিটে যায় চট পট
আবার মন করে ছট ফট।

গিয়ে ছিলাম চাটগাঁও
মনে পড়ে চাট টা ও।
তাহোল অনেক দিন
মনে হয় এইতো সেদিন।
খেয়ে ছিলাম ইলিশ ভাতপান্তা,
আলবাৎ ওরা সব জান্তা।
ভুলিনি আজও সেটা
খাবার সাথে বেগুন বাঁটা।

আজও জিভে আসে জল
শুটকি ও খারকোলের গেরাকল।
সেদিন গিয়েছিলাম ঢাকা
ওরা তো রান্নায় পাকা।
গিয়ে ছিলাম বিক্রমপুর
হোলই  না হয় একটু দূর।
আমিও জিভের জন্য  মজবুর,
খাওয়ার লোভে জিভকরে তুর তুর।

আহা সেই রসমালাই,
যার কোন তুলনাই নাই।
গুড় আর নারকেলের নাড়ু,
খেলেই মনটা হয় উরু উরু।
আমিতো একটু পেটুক,
সবটাই খাই পাই যতটুক।
সুযোগ পেলেই জলদি চট পট
ছুটি এদিক ওদিক ঝটা পট।

সবাই বলে পেটুক গনেশ কিমভূত,
দিই না পাত্তা ওদের,সব যে অদ্ভুত।
যতই দিক তিনট্যাং ধুৎ কার,
উড়িয়ে দি সব, দিয়ে ফুৎকার।
পম পম ফুঁস ফাঁস,
কভু নয়তো ঢুস ঢাস।
আর কতো খাবারের বার্তা,
বিক্রমপুরের 36ভর্ত্তা।

নারানপুরের খাসীর লেবুশ,
চাখলেই প্রাণ টা মহা খুশ।
হাতিরপুলের কিআর বলবো চাচা,
নান্ ও কাচ্চি বিরিয়ানী খাসা।
ব্রেন ফ্রাই,ভূনা খিচুড়ির মজা,
আর সেই রুটি কলিজা ভাজা!!
জীবন তো আর পাবনা বার বার,
তাই গিয়ে খেয়ে আসুন একবার।

   05/04/2020::সন্ধ্যা 07:45:
=====================

3>|| খাই খাই করে মন ||(ফুচকা)
                  <--©-আদ্যনাথ-->

সেদিন গিয়েছিলাম শ্রী পল্লী,
মনের ইচ্ছা খাব গুড় ঝিল্লি।
কি যে তার মজা 
সবফেলে খাবে খাজা গজা।
আর সেই মিলের গেটের সামনে সেথা,
খেয়েছকি বলরামের ফুচকা?
সেতো নয় শুধু ফুচকা,
সে প্রাণ মন খোলা হেঁচকা।
রাস্তার মোড়ে ফুচকা খাবে,
ফুলকো লুচি ফুটো করে,
চটকে মাখা মশলা আলু ভরে,
কামড়ে খাবে -------
তেঁতুল জলে চুবিয়ে নিয়ে।         

 ( ফু===ফুলকো ছোট্ট লুচি,
  চ===চটকে মাখা মশলা আলু,
  কা===কামড়ে কামড়ে খা।
ফুচকা==ফুচুক করে তেঁতুল জলে 
               চুবিয়ে নিয়ে খা।)
যার হাতের আঙুলে সাদা সাদা ঘাঁ।
আর আছে লুঙ্গির নীচে ঐ খুজলি,
ওতে চুলকে তেঁতুল জলে ডুবকি।
খুজলির সাথে যদি থাকে সর্দি,
তেঁতুল জলের স্বাদ বেড়ে যায় চট জলদি।
কত বলবো হক কথার হোতকাত কিম্মত,
অনেক খেয়েও নাখাওয়া কিসমত।

মনেনাই সেকথা
নাই কোন লেখা জোখা।
চুলকাইতে বড় সুখ
বিকৃতি করিয়া মুখ।

মিষ্টির দোকানির ভুঁড়ি
ঠিক যেন ধামা ঝুড়ি।
ছাড়ে যখন  তেলে ভাজা,
মনে পড়ে ল্যাট্রিনের কমোডে বসা।
পরে সব টুপ টাপ,
যেন গরম তেলে পড়ছে চপ।
মুড়ি আর চপ গরম
গল্প আছে হরেক রকম।

কিখাব কিখাব করে  মন,
লোভনীয় খাওয়াতে মজেজায় মন।
সব হোতকা গোনে শুধু লাভের বোচকা ,
আমি বেটা পেটুক শেষে খাব কি হেচকা।
থাকলে ভাগ্য কিসমৎ পোক্ত,
নচেৎ কাঁচা কলার ঝোল আর শুক্ত।
বলে ওরা খেলে মাছের মূড়ি
তাড়াতাড়ি কমে নাকি ভুঁড়ি।
আমি পেটুক ভুঁড়ি,মূড়ি, ধুতৎত্তরী
খাবার পেলে মানিনা কোন তুৎকারি।
খটকা ভোটকা যত সব বাজে ভন্ড
নাই ওদের কোন জ্ঞান কান্ড।

ওরা ভন্ড, ওদের  হয়নি হাতেখড়ি
জানবে কি,যার নেই কোন নারী ভুঁড়ি।
আছে শুধু ফাঁকা বুলির ফুলঝুরি,
5কিলো মাংসেই ছোটে প্যারপেরি।
খাবার মত খেতে হলে খাবি যা
ভাগলপুরে দেখবি যা।
খাবার মতন খাওয়া ভোজ নয় সেটা
5কিলো চিঁড়ে আর একটা রামপাঠা।
দশ হাড়ি দই আর দশ কিলো বোদে,
শখানেক পরোটার সাথে।
তাও যদি না পারিস সামলাতে,
গুষ্ঠি শুদ্ধ মর গে যা ভাগারেতে।
    05/04/2020:: দুপুর 01:20:12:
=========================

 

4>||-খাদ্য রসিক বাঙালি-||

খাদ্য রসিক বাঙালির জীবন,
খাদ্যের রকমারি পার্বণ।
বারমাসে তের পার্বণের ফর্দ ,
ঝোলে ঝালে চর্ব্য চোষ্য খাদ্য।

খাদ্যে পটু বাঙালির খাদ্যের তালিকা,
নানান পার্বণের নানান স্বাদের বর্ণালিকা।
রূপে রসে গন্ধে ঋতুর তালে মিলিয়ে,
খাবার ব্যঞ্জন তৈরী হয় আদর দিয়ে।

রন্ধনে পটু বাঙালির গৃহ বধূ,
দশভুজা রূপে রন্ধনকর্মে পটু।
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা হরেক খাদ্যের খসড়া,
পরব উৎসব গুলি সুখাদ্যের মহড়া।

ইলিশ পার্বণ , চিঁড়ি পার্বণ কতকি আয়োজন,
বর্ষভর রকমারি সুগন্ধি মশলার ব্যঞ্জন।
বাঙালির উৎসব নানান খাদ্যের বাহার,
সুসজ্জিত পরিবেশন লোভনীয় আহার।

বাংলার প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকা ,
বর্ণময় ঋতু, কাল, দিনের সারিকা।
লোভনীয় স্বাদিষ্ট এক উৎকৃষ্ট সৃজন ,
আদর ও ভক্তি সমন্বিত পরিবেশন।

<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-28/06/2018--】
【01:52:18 am==20 L=】


==================================






5>||-কেক আর পিকনিক --||

দুটি মাস ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
চলতে থাকে বাঙালির হুড়োহুড়ির।
ডিসেম্বরের উৎসবে কেকের আড়ম্বর,
রকমারি কেকের চিন্তা চলে মাস ভর।
ডিসেম্বরের স্বপ্ন,চলে বৎসর ভর,
25শে ডিসেম্বর উৎসবের উল্লাশ রাতভর ।
ডিসেম্বরে কমারি কেকের স্বাদ,আনন্দ,রকমারি,
মাস ভর চলে এই কেকের হুড়োহুড়ি।

ডিসেম্বরের পরেই জানুয়ারির,
চলতে থাকে পিকনিকের হুড়োহুড়ি।
উদ্যান, কটেজ,নদীর পাড়,কিংবা পার্কে,
যেথা যাও পিকনিক স্পট বাদ নাই তর্কে।
বাঙালির অতি প্রিয় ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
এই দুটি মাসে উৎসবের নাই জুড়ি।
অফিস কাছারীতে বাঙালি দিলখুশ,
সকলেই চড়ুই ভাতির জল্পনা প্ল্পনায় উন্মুখ।
কেহ চায়,কেহ যোগ দেয়,কেহ করে আশা,
পিকনিক ব্যাতিরিকে মনে থেকেজায় হতাশা।

<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】

=≠==≠=====================


==========================

6>।।-পৌষ পাবনের পিঠে--।।

পৌষের পিঠে পায়েসের রকমারি,
তারসাথে পিকনিকের বাড়াবাড়ির নাই জুড়ি।
বাঙালির অতি আদরের পৌষ পাবন,
পিঠে পুলির কতইনা চলে পূজা পাবন।
ডিসেম্বর, জানুয়ারির নাই কোন জুড়ি,
শীতের আমেজে বাঙালির বাড়ে ভূরি।
নাইখেদ আপসোস রকমারি খাবারের দিন,
খাদ্য রসিক বাঙালির হরেক খাবারের দিন।
শীতের সাথে বাড়ে সোয়ার্টার কম্বল,
যতই খবেনাকেন শেষে চাই টক অম্বল।
শীত কাল ভর মনেহয় খাওয়াই সম্বল,
ভালখেয়ে রাতের সম্বল লেপ কাথা কম্বল।
শীতের পারদ জতো নীচে নামে,
খাবার ও সোবার আমেজ বাড়ে মনে মনে।
কিকরে কাটবে শীত তার থাকেনা চিন্তা,
রকমারি খাবারের আমেজে কাটে দিনটা।
শীতে বাঙালির খাবারের সাতকাহন,
ডিসেম্বর, জানুয়ারি,আর পৌষ পাবেন।
খাবারে রসিক বাবুয়ানীতে ফিট ফাট,
ডিসেম্বর,জানুয়ারিতে চলে বাঙালির ঠাট বাট।

<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-12/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】

=≠==≠=====================

||-----ANRC-------------11/01/2018----------||
||===========================||

7>||--ভোজন সূত্র-----||

আনন্দে কাটাতে জীবন,
সাথে লয়ে আপন পরিজন।
প্রতি দিন হৈ হৈ করে বাঁচতে,
ভোজন সূত্র হবে জানতে।
নিরালায় একবার করেন ভোজন যোগী,
আয়েশ করে দুই বার চব্য চস্য খায় ভোগী,
লোভের বশে বারে-বারে ভোজন করে রোগী।

সুস্থ্য সুন্দর রাখতে ভাত খাও আধপেট,
সবজি খাও স্বাদ নিয়ে ভাতের দ্বিগুন,
একঘন্টা পরে বিশুদ্ধ জল পান কর তিনগুন,
রোজ প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসো চতুর্গুন।

মনে রাখবে উনা ভাতে দুনা বল,
অধিক ভাতে রসাতল।
আয়ু বাড়তে পারে,রোজ একটু কম খেলে,
স্বাদিস্ট নয় স্বাদনিয়ে চিবিয়ে খাবে ভাল করে।

স্বাস্থ্যের হানিকারক মাত্রাধিক ভোজন,
রোজ উচিত নয় অধিক ভোজন--
জেনেরাখা ভাল, হজম হয় ভোজনের অর্ধেক,
ডাক্তারের জন্য জমা রয় ভোজনের বাকি অর্ধেক।

ডাকাত ধরলে একবার পাবে ঘাঁ,
পুলিশ ধরলে এক কিংবা দুই বার ঘাঁ।
উকিল ধরলে বার বার বারো ঘাঁ,
ডাক্তার ধরলে জীবন ভর খাবে ঘাঁ।

তাই ভোজন সূত্র মেনে চলা উচিত জীবনে,
নয়তো ডাক্তার ধরলে পরিত্রান নাই জীবনে।
ভোজন সূত্র মানলে সুস্বাস্থ্য পাবে জীবনে,
নচেৎ নিশ্চিত রসাতলে যাবে এই জীবনে।

<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】

=≠==≠=====================
||---anrc---16/01/2018::-----------||
||=====================||

8>কেডবেরি কেডবেরি
স্বাদে গন্ধে কাড়াকাড়ি।

কেউচায় কেউখায় চলছে হুড়োহুড়ি,
আছে মন মুগদ্ধ কর কেডবেরি রকমারি।
বানাও আর খাও কেডবেরি মিষ্টি,
কেডবেরি নিজেই এক অপরূপ সৃষ্টি।
কেডবেরির সাথে দিন রকমারি মিষ্টি,
তাহলেই খুঁজে পাবেন আপনার সৃষ্টি।
আপনার সৃষ্টি হয়ে উঠুক চমৎকার কৃষ্টি,
সকলের মন মাতিয়ে দেবে কেডবেরির সৃষ্টি।

<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】

=≠==≠=====================
||---anrc----25/03/2018-----------||

9>||-আহামরি,কেডবেরি,-||

কেডবেরি কেডবেরি,
স্বাদে গন্ধে রকমারি।
কেডবেরি রূপেতেও আহামরি,
কেডবেরির লোভে কিকরি কিনা করি।
কেউচায় কেউখায় চলছে দেখো হুড়োহুড়ি,
মন মুগদ্ধ কর কেডবেরি রকমারি।
বানাও আর খাও কেডবেরি মিষ্টি,
কেডবেরি নিজেই এক অপরূপ সৃষ্টি।
কেডবেরির সাথে দিন রকমারি মিষ্টি,
তাহলেই খুঁজে পাবেন আপনার সৃষ্টি।
আপনার সৃষ্টি হয়ে উঠুক চমৎকার কৃষ্টি,
সকলের মন মাতিয়ে দেবে কেডবেরির সৃষ্টি।
||---anrc----25/03/2018-----------||



<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--2018--】
【-TIME L=】
========================

Wednesday, July 4, 2018

260>||-কে আপন কে পর -||

  260>||-কে আপন কে পর -||
          <------©-আদ্যনাথ--->

আজ ডিজিটাল অগ্রগতির যুগে,
আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদের  কারণে,
শহর ও গ্রামে,রঙিন স্বপ্নের আবরণে,
কে যে আপন কে যে পর,
বোঝাই দুষ্কর।

ভাবনায় যে ছিল আপন,
সেও আর রইলনা আপন।
যে ছিল দূরে সেই নিল কাছে টেনে,
বিপদেই মানুষ মানুষকে চেনে।

তথাপি একান্ত আশা,
নতুন করে স্বপ্ন দেখা।
চলার পথে আপন যদি পাই,
জানি আপন কেউ কিছুই নাই।
তবুও ক্ষণিকের আশা যদি কিছু পাই।

কে পর কে অাপন,
চিনতে চিনতেই যায় জীবন।
প্রবাদে বলে, "ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়"।
আপন হয়েযায় পর,বার বার দেখি,
তবুও আপন খুঁজে মরি।

সমাজে সততা ও পরোপকারিতা,
সুগঠিত সুস্থ চিন্তার,বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।
কিন্তু বাস্তবে আজ পরোপকার,
এক হাস্যকর মনের আক্ষেপ।

আমরা নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের খোঁজে,
সংকীর্ণতাকে প্রশ্রয় দিয়েছি ভলবেসে।
সেই ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ বারায়ে পরিধি,
গ্রস করিয়া সভ্যতা, সংস্কৃতি,
আজ সে মানবিকতা বিরোধী।

আমরা নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত,
অপরকে ভাববো সে সময় কোথায়।
ঠিক যেন ছিন্নমস্তা "মা" য়ের মতন,
নিজের মাথা নিজেই কেটে নিজেই
নিজের রক্ত করছি পান।
তবুও খুঁজে মরি ,কে আপন কে পর।
আর যদি খুঁজতেই হয় তবে,
আগে নিজেকে জানতে হবে।

নিজেকে যেদিন নিজে জানব,
সেদিন আমরা আমাদেরই সৃষ্ট,
স্বার্থ চিন্তার সংকীর্ণতার বেড়া
পার করতে পারব।

সেদিন পর হবে আপন,
আপন আর হবে না পর।
নচেৎ এই গড্ডলিকা প্রবাহে,
কূপমন্ডুক হয়ে বাঁচে থাকা,
আর বৃথা সমাজের স্বপ্ন দেখা।

       <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc 23/01/2019--】
     【=রাত্রি:12:53:22am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================

Thursday, April 19, 2018

259>|| SV2 এর আমরা কজন (1 to 6 )

259>||
|1>|--SV2 এর আমরা কজন,||
2>আমাদের আড্ডা
3>||-Senior Citizens' Forum
Shyam Vihar Phase -2.--||
4>||SV2 পুজোর আনন্দ2019 ||
5>আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
6>মুখোরোচক আড্ডা::---


 =============================
1>||-SV2 এর আমরা কজন,||

অবসর জীবনে চলে আমাদের
রোজকার আড্ডাটা,
প্রাই থাকেনা মনে।
সকাল বিকেল,
প্রায়শই মনে হয় পরে,
তাই ভুলেযাই সময় কখোন।
এমনি করেই আড্ডাটা পরে যায় ফাঁকি।
পরে একালা বসেই সময় কাটাতে থাকি।

আসলে
সময়ের বাঁধনে বেঁধে ছিলাম
37টি বছর চাকুরী জীবন।
অবসর জীবন কাটুক
সময়কে ভুলে বেহিসেবী জীবন।
সেদিন ছিল সময় নিয়নের বাঁধনে
দায়িত্ব ছিল অনেক ।
আজ ভুলে যেতে চাই
সকল দায়িত্ব নিয়ম কানুন জতেক।
ভাবা হবে ভুল উচ্ছ্রিঙ্খল জীবন,
পাখা থাকলে ভালো হোত বিহঙ্গের মতন।
উড়েই বেড়াতাম মনের মতন,
জেদিগে চায় উন্মুক্ত মন যখোন যেমন।

সময়ে পারিনা সময় দিতে সকলের সাথে,
তাই বুঝি অসময়ে ভুগি
বিরহ বেদনাতে।

আকুলি ব্যকুলি মনের কতোনা ভাবনা,
নিরালায় গেঁথে চলি
স্বপ্নের মালা,ভাবনা।

যেদিন জমে জমাটিয়া আড্ডাটা,
সকলেই হাঁসে হৃদয় খুলে,
দিনভরের ক্লান্তি,অবসাদ,
সকলি নিমেষে মিলায়ে যায়।

আড্ডাটা জরুরি অবসর জীবনে,
সকাল সন্ধ্যা,এক ঘন্টার মিলনে।

নাই যৌবনের নচ্ছারতা
তবুও চলে গল্প।
কথা মালার না থাকুক মাথা মুন্ডু,
চলে হাসির প্ৰকল্প।

এমন আড্ডাটা জখোন হয় ফাঁকি
অনুশোনায় সাঁতরে চলতে থাকি।
||--22/11/2017::---------||
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【--2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56=】
||=====================||
2>আমাদের আড্ডা

আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
সকাল সন্ধ্যায় চলে আড্ডা,
এমনিকরেই কাটে দিন,
আড্ডাটা জমে সন্ধ্যায়।

আজকাল হয়েছে শুরু,
তাস, টি টি আর দাবার ফান্ডা,
আমি একা ইনডোরে আনাড়ি,
বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

দিন কেটে যায় সংশয়ে,
মনের ভেতরে স্রোত বয় সংশয়ে,
দিন প্রতিদিন পারহয় সংশয়ে,
সংশয়ের বোঝা বেড়েই চলে সন্ধ্যায়।

আমাদের ষাটোত্তরের আড্ডা,
আগে চলতো হাসির ও গল্পের আড্ডা,
আজকাল চলে ইনডোর প্রচেষ্টা,
আমি একা বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

আড্ডার সময় আড্ডা
নো তাস, নো দাবা, নো টিটি
আড্ডার আগে পরে
বা অন্য সময়ে ওসব
চলতে পারে।
ইনডোর খেলা ওতি প্রয়োজন।
স্বাস্থ ও মাথা উভয়ের উপকার।
আড্ডায় কিন্তু মাথা ও মন
ধুয়ে যায় সবাকার।
তাই যেমন চলছে চলুক,
কোনো দোষ নাই।
আমার লেখা শুধু
আমার মনের বিকার।
ওনিয়ে চিন্তা করা ই বেকার।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
||--07/12/2017::-------||
【--2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56=】



||=========================||

3>||-Senior Citizens' Forum
Shyam Vihar Phase -2.--||

অনেক চিন্তা প্রসূত ভাবনায় উঠেছিল গড়ে,
আমাদের শ্যাম বিহার ফেজ 2 আবাসনে,
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের শুভ চেতনা।
কিন্তু সদস্যদের চেতনায় ছিল ভাটার টান,
তাই আজ এমন ভাবনার হতে চলেছে অবসান।
অজুহাত সদস্যদের গর উপস্থিতি অনেক,
আসলে সদস্যদের হয়নি চেতনার উদ্রেক।
সদস্য ছিলেন অনেক কিন্তু অভাব মনের টানে,
তাই ব্রেক ডাউন বাসের মতন দাঁড়িয়ে এক স্থানে।
কন্ডাক্টার, টিকিট কেটেছিলেন সকলের,
যাত্রীরা নির্বাক দুরন্ত, রাজধানীর কবলে।
বসন্ত আগমনের পূর্বে প্রেমদিবসের তাড়নায়,
ভাটা পড়লো সি সি ফোরামের শুভ চেতনায়।
টিকিটের মূল্য দেওয়া হবে ফেরত,
ক্যাশিয়ার,সেক্রেটারির মারফত।
হলেও দেবনা দায়ক,
নিদারুণ সত্যকে মেনে নেওয়াই সহায়ক।
শ্যাম বিহার ফেজ 2 আবাসনের সি,সি,ফ, বাস
গন্তব্যের দিগে এগোবার আর নাই কোন আশ।
তাই আজ এমন অপমৃত্যু শুভ চেতনার,
নাড়িয়ে দেবেনাকী আবাসনের বয়ঃচেতনার।
ভাবাবে নিশ্চই আগামী দিনে------------
এমন চিন্তা আছে আমার মনে।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
-SV-2//-6-2A----12/02/2018----||
【---2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56
==========================

4>||SV2 পুজোর আনন্দ2019 ||

শ্যাম বিহার ফেজ2 পুজোর আনন্দ,
মহা ষষ্টির আকর্ষন অনন্দ মেলার ছন্দ।
এবার আকর্ষনে পরল ভাটা ,
আনন্দ মেলার রেসিপি কনটেস্ট টা গেল কাটা।


চলেছে ভালো খাবার, খাবারের মেলা,
ঠিক জেন ঠেলাওয়ালা দের সাজান ঠেলা।
আসলে ষষ্টির আনন্দের মুল ওই কনটেস্ট,
কতো নুতন খাবারের রকমারি টেস্ট ।


সেই টান টান উত্তেজনা বিচারকের বিচার,
নুতন কিছু খাবার বানিয়ে দেখাবার।
সেই উত্তেজনার মুহুর্তটাই গেল হারিয়ে,
রইল কেক, চাট, দৈ বড়া বিক্রি হাকিয়ে।


তাই আর আনন্দ মেলা নয়,
এর পর থেকে হবে ভুঁড়ি ভোজ মেলা।
মিলবেনা আর নূতন খাবারের স্বাদ,
ষষ্টির আকর্ষন আনন্দটাই দিয়ে দিল বাদ।


এবারের মেলা ঠিক যেন
নুন বিহীন ডিমের মতন স্বাদ,
আনন্দ মেলার প্রান টাই দিল বাদ।
ভুড়ীভোজ আর ঠেলার খাবার,
আনন্দ নয় খাবার বিক্রির বাজার।


এবারের শুরুটা কেমন যেন ফাঁকি,ফাঁকি
ষষ্ঠীর সন্ধাটা কাটা কুটি ফাঁকি ।
এখনো তিন দিন বাকি,আর কত দেবে ফাঁকি,
শ্যামবিহার ফেজ2 পুজোর অনন্দ এবার
কিছুটা হলেও অনেকটাই হবে মাটি।


আমাদের শ্যামবিহার ফেজ2 পুজোর আনন্দ,
শুরুতেই বেসাতী বেসাতী গন্ধ।
হারিয়েছে পুরাতন প্রান খোলা আনন্দ,
বেসাতীতেই বুঝি সকলের আনন্দ।


এবার শুরুতেই হৃদয়বিদারক ছাট কাট,
খাবারের ঠেলা সাজিয়ে বেসাতীর ঠাট বাট।
প্রান,মন,হৃদয় উচ্ছাসের অফুরন্ত আনন্দ,
হারিয়েছি সেই সাবেকী হৃদয়ের আনন্দ
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
04/10/2019
রাত্রি 02:25:18--
শ্যামবিহার ফেজ2
=============================

5>আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
সকাল সন্ধ্যায় চলে আড্ডা,
এমনিকরেই কাটে দিন,
আড্ডাটা জমে সন্ধ্যায়।

আজকাল হয়েছে শুরু,
তাস, টি টি আর দাবার ফান্ডা,
আমি একা ইনডোরে আনাড়ি,
বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

দিন কেটে যায় সংশয়ে,
মনের ভেতরে স্রোত বয় সংশয়ে,
দিন প্রতিদিন পারহয় সংশয়ে,
সংশয়ের বোঝা বেড়েই চলে সন্ধ্যায়।

আমাদের ষাটোত্তরের আড্ডা,
আগে চলতো হাসির ও গল্পের আড্ডা,
আজকাল চলে ইনডোর প্রচেষ্টা,
আমি একা বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

আড্ডার সময় আড্ডা
নো তাস, নো দাবা, নো টিটি
আড্ডার আগে পরে
বা অন্য সময়ে ওসব
চলতে পারে।
ইনডোর খেলা ওতি প্রয়োজন।
স্বাস্থ ও মাথা উভয়ের উপকার।
আড্ডায় কিন্তু মাথা ও মন
ধুয়ে যায় সবাকার।
তাই যেমন চলছে চলুক,
কোনো দোষ নাই।
আমার লেখা শুধু
আমার মনের বিকার।
ওনিয়ে চিন্তা করা ই বেকার।
=====================
||------ANRC-----07/12/2017::--------||
||=========================||




6>মুখোরোচক আড্ডা::---

শ্যমবিহারফেজ2 বয়স্কদের আড্ডা অবসর,
চলছে তাস,টিটি,ও দাবার,আসর।
যেন পুরোনো দিনে ফিরে তাকাবার চেষ্টা।
আগে তাস চলতো শংকর দা ওনারা তিনজন,
আজকাল ওনাদের আনাগোনা নাই ঠিক মতন।
শংকর দা তো থিয়েটার পাগল তাই ব্যস্ত।
কারুর কারুর টি টি তেই মন,
কোমরে ব্যাথা,পিঠে ও হাথুতেও ব্যথা,
তবুও টি টি চলছে ওনাদের মতন।
চক্রবর্তী দা আনলেন তাস পেকেট এক গোটা,
বর্মন দা কিনলেন দাবার গুটি ও কোটটা।
কখনো দাবা কখনো রং মেলেনি ফিস,
আজকাল ক্লাবে রোজ সন্ধ্যায় চলেবেশ।
আসর তেমন জমেনা সেটাই বিশেষ ভাবনা,
আমরা সিনিয়র মেম্বার পঞ্চাশ জন,
আগে আসতো আড্ডায় নয় কি দশ জন।
দিন দিন সংখ্যা কমছিল,
শীতের হাওয়া আরো কমিয়ে দিল।
এখন আমরা জনা চার পাঁচ জন,
তাইতো ওনারা খেলায় দিয়েছে মন।
গ্রীষ্ম কালে ব্লক2এর নিচে বসত আড্ডা,
চেয়ারে গোল হয়ে চলত জনা দশের আড্ডা।
তারপরে শুরু হলো মশার বার বাড়ন্ত
আমরা এন্ট্রি নিলাম ক্লাব ঘরে শেষ পর্যন্ত।
এখানেও চলছিল বেশ,আড্ডার আবেশ,
তারপরেই শুরু হল শীতের আবেশ।
আমাদের সংখ্যাও কমলো অনেক,
এখন নিরস ওই আড্ডায় খেলা চলছে বেশ।
গড়া হয়েছিল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম,
এইতো কদিন আগেও মঙ্গলবার যোগ দিতাম।
ভেবেছিলাম এবার জমেউঠবে আড্ডাটা,
কিন্তু হায় মেম্বারের এভাবে ভেস্তে গেল আড্ডাটা।
বর্মন দা, কানুনগো দা, চক্রবর্তী দা, মজেছেন তাসে,
টি টি খেলা রায়চৌধুরী দা ও আলোক দার পাসে।
আমি একা বসে উপভোগ করি ওনাদের খেলা
টিটিতে ভয় হাটু ব্যাথা,তাসের জানিনা কোন খেলা।
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামএর আয়ু বাড়ন্ত
জন্মের পরেই হোল বোধ হয় অন্তিম অন্ত।
মাঝে কিছু কাগজ খাতায় খচ খচ
সকল কিছুই বোধহয় হয়েগেল হচপছ।
জানুয়ারির দশেতে হবে চড়ুইভাতি,
সেখানে জড়ো হবো সকলের সথে।
দেখাযাক যেমন জমে এবারের পিকনিক,
আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সৈনিক।
||---©➽---ANRC-------21/12/2017:::---------||
||============================

258>||--গৃহ সুখের সন্ধানে--||--23/11/2017-


258>||--গৃহ সুখের সন্ধানে--||
                <---আদ্যনাথ--->
বর্তমানের ডিজিটাল কর্ম ব্যস্ত জীবনে,
গিন্নিকে সামলাতে হয় ঘর অতি নীরবে।
সাংসারিক ঝামেলা সাথে স্বামী নামের 
চাকুরী রত অহংকারী মানুষ টিকে।
তাই হয়তো----বোধহয় এটাই সত্য,
গৃহিণীর  রান্না করতে করতে 
হয় মাথা গরম।
আর--
বোধ হয় রান্না ঘরে কর্তাদের 
মাথা থাকে ঠান্ডা ও মনটি নরম,
কারন গিন্নীকে খাওয়াবে গরম গরম।
খাওয়াতে পারলে গিন্নীকে গরম গরম,
গিন্নির মাথা হবে ঠান্ডা মনটি হবে নরম।
তখনই লাভ হবে আনন্দ চরম।
গিন্নির ঠান্ডা মাথায় গৃহ লক্ষ্মী বসেন,
গিন্নির আনন্দিত মনে গৃহে শান্তি থাকে,
গিন্নির উদার হৃদয়ের আওভানে স্বামী বসে থাকে।
গিন্নির হৃদয়ে ই তো মৌ চাক থাকে।
মৌ এর নেশাতে স্বামী বিভোর হয়ে থাকে।
তাই বোধ হয় আজকাল প্রাই স্বামীগন
রান্নাঘরেই মন দিয়ে থাকে।
||---ANRC------23/11/2017:::----------||
||=======================||









257>||--একটু সচেতনতা--||::21/11/2017:


257>||--একটু সচেতনতা--||:---


আজ ক্রুধ্য বুঝি আমাদের আকাশ,
প্রকৃতিও মলিনতায় ঢাকেছে প্রকাশ।
পরিবেশ চাইছে প্রতিশোধ নিতে,
আমাদের কৃত কর্ম ফিরিয়ে দিতে।

আমরাই করে চলেছি বিষাক্ত পরিবেশ,
নিত্য অবহেলায় করছি বায়ু ও শব্দ দূষণ।
আমাদের পরিবেশের বন্ধু সকল,
কীট পতঙ্গ পশু পাখি সকল।

আমরা শিক্ষার করি বড়াই,
করি জ্ঞানের অহংকার।
অথচ নিত্য করি অবহেলনা পরিবেশকে,
ভাবিনা পরিবেশ সচ্ছতা নিতান্ত দরকার।

মানুষ হয়েও গড়ে চলেছি মানুষ মারার কল,
দিন প্রতিদিন করে চলেছি অজস্র গড়ল।
বিজ্ঞ জন বিজ্ঞানকে দিয়ে দোহাই,
করেচলেছেন প্রকৃতিরে ধংশ অবিরল।

আমরা মানুষ নিজেকে ভাবি উন্নত,
কীট, পতঙ্গ,পরজীবীরাও বাড়ন্ত।
আমাদের নিত্য নুতন আবিষ্কার,
কীট, পতঙ্গেরাও হচ্ছে দুর্নিবার।

মরছে মানুষ,মারছি মশা,মাছি,
দিনদিন বাড়ন্ত মানুষের ভিড়।
কেউ নাই পিছিয়ে,
কীট, পতঙ্গ,মশা,মাছির ভিড়।

কবে হবো আমরা সচেতন,
করবো পরিবেশের জতন।
বাতাস,জল,বৃক্ষকে করে জতন,
নিজ আপন সচ্ছ মনের মতন।

বায়ু,জল,বৃক্ষ, এরাই জীবের জীবন,
এই অতি সামান্য জ্ঞানেই বাঁচবে জীবন।
বৃক্ষ কুলের ধংশ ও পরিবেশ দূষণ,
পৃথিবীর বুকে আনছে ধংশ ভীষণ।

আমাদের শুভ সচেতনতাই একমাত্র অস্ত্র,
পৃথিবী কে করতে রক্ষা,
নচেৎ ধংশ অনিবার্য ।
||--©➽ ---ANRC---21/11/2917::-----||




<--©--●অনাথ●--->

【--anrc---------2018--】

【=রাত্রি:01:08:22=】

【=কোলকাতা -56=】





||========================||



256>|| উলঙ্গ সৃষ্টি ||

  256>|| উলঙ্গ সৃষ্টি ||


আমি মরুভুমির মতন ধূসর,

প্রচন্ড গ্রীষ্মের তাপদাহনের হুঙ্কার।

হিনালয়ের গিরি শীর্ষে তুষার ঝঞ্ঝা,

মহা সাগরের মাঝে ঘূর্ণি ঝঞ্ঝা।

আমি দুরন্ত দাবানল সহ ঝঞ্ঝা,

আমি ভেঙে করি সব চুরমার,

প্রকৃতির রোষে প্রকৃতিকে লয়ে

প্রকৃতিকেই করি ধ্বস্ত।

আমি বাঁধ ভাঙা প্রলয় অশান্ত,

কখনো সৃষ্টির নিমিত্তে সুচারু শান্ত।

আমি একলাই চলি অসীমের পথে

গিরিখাদ বয়ে ধেয়ে সমুদ্রের মাঝে।

ধ্বংসের পরেই নূতন সৃষ্টির যোজনা,

সৃষ্টির আনন্দে প্রকৃতির নিত্য নুতন ভাবনা।



আমি প্রেয়সীর পেলব ওষ্ঠ,

ষোড়শী তন্বীর ক্ষীণ কটি স্পষ্ট।

মসৃন দীর্ঘ লোলায়মান জঙ্ঘা,

লালশার স্রোতে হারিয়ে যাওয়ার সংজ্ঞা।

সুগভীর নাভিচক্রে কঞ্জমুখী,

কামনামত্ত প্রথম শিহরন প্রদায়ী।

প্রেয়সীর বিস্তৃত সুগঠিত সূচাগ্র নিতম্ব,

মাখন সম সুডোল সূচাগ্র স্তনবৃন্তের শিহরন।

প্রেয়সীর আজানু লম্বিত কেশ রাজি,

বসন্তের হওয়ায় ফুলরেণু মাখি।


আমি ভালোবাসা,

কখনো আমি দুরাশা,

কখনো আমি প্রচণ্ড পিপাসা,

কখনো আমি হৃদয় বিদারী,

হৃদয় নিয়ে করি তামাশা।

আমি পুঙ্গব নাচি উলঙ্গ নৃত্য,

প্রকৃতির আনন্দ চির সত্য।

প্রেয়সীর হৃদয়ে আনন্দে রই ব্যাপৃত,

আমি নিতান্ত অনাহুত বিভ্রান্ত।

প্রকৃতি সদা নূতনের গন্ধে মাতোয়ারা

সৃষ্টির আনন্দে মেতেই বুঝি  দিশেহারা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

====================

         

255>||--বিড়ির সুখ টান--||


255>||--বিড়ির সুখ টান--||


কিনলে দোকান থেকে কত সমাদরে ,
ধোঁয়া পানের গভীর টানে।
রাখলে পকেটে/গাটে যত্নকরে,
জানি সিগারেটের মতন আদর আমার নাই,
আমিজে বিড়ি দেশের গরিবের তৈরি তাই।
সিগারেট হলে রাখতে প্যাকেটে করে,
কতনা যত্ন সমাদরে।
কিন্তু আমিজে বিড়ি তাই এত যত্ন নাই।
তবুও নেশার প্রয়োজনে রাখো গাটে করে,
সুখ টানটি টানার পরে ছুড়ে ফেলো দূরে।

কেন ভাই একটু ধোঁয়া নাটানলেই কি নয়,
আমাকে জ্বালিয়ে তুমি পাও সুখ,
তোমার ছেড়ে দেওয়া ধোঁয়া,
কতো শিশুর জীবন নিয়ে করে খেলা।

লোক সমাজে সিগারেট ধুম্রপান,
লুকিয়ে আড়ালে (বিড়ি) আমাতে ই সুখ টান।
তুমি করছো সুখ, ধুম্র পানে আসক্ত,
একটু ভেবোকি পরিবেশকে করছো বিষাক্ত।
তুমিতো ওই বিষাক্ত ধোঁয়ায় আসক্ত,
ধীরে ধীরে পরিবেশ কে করে চলেছে বিষাক্ত।
তোমার পাশেই বসে ওই রুগ্ণ শিশুটি,
হচ্ছে শিকার ওই ধোঁয়াতে বিষাক্ত।

পানকর সুখ টান দিয়ে চলো মনের মতন,
কেউই করবেন মানা কারন তুমি আসক্ত,
অবিরল ধোঁয়া পানে তুমি নিত্য ব্যস্ত।
প্রতিটি টানের আগে যদি একটু ভাব,
তোমার একটু শুভ চিন্তায়,
বাঁচতে পারে কত শিশু,
কতো পরিজন,
পরিবেশ প্রকৃতিকে বাঁচাতে অতি প্রয়োজন।
||----ANRC---------08/12/2017::------------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||==========================||




254> ||-যেন কত আপন -||

254> ||-যেন কত আপন -||
         <-------©-আদ্যনাথ--->


মানুষ মরলেই হয় কাজের জন,

কতো কান্না কাটির আয়োজন,

কতো দুঃখ প্রকাশ তখন,

যে গেলো চলে ছিলো আপোন,

আপোন বলেই কান্নার আয়োজন।

আমরা জানি আজ যে আছে,

নিশ্চই একদিন চলে যাবে।

তবে কান্নাকাটির কি প্রয়োজন,

তবুও কাঁদি আমরা মূর্খের মতন।

এখনো যেন কতো আপোন।




আসলে কান্না কাটির অনেক কারণ,

কখনো রাখতে চাই করে আপোন।

কখনো কাঁদি লোক দেখবার কারন।

কখনো কাঁদি কিছু হারাবার কারণ।

হয় তো ছিলো সম্পত্তি,

ভাগ হয়নী ঠিক মতন।

এখন কাঁদি মূর্খের মতন।

এখনো যেন কতো আপোন।




যারা আছেন তাদের করি কি যতন?

বয়ঃ বৃদ্ধজনের সামান্য চাহিদা

একটু ভালোবাসা একটু আদর,

আমরা করীকি তার চাহিদা পূরণ?

যারে চাইনি করতে আপোন,

তার মৃত্যুতেও কাঁদি,

যেন কতো আপোন।




কখনো করি লোকদেখানো,

কান্নার আয়োজন।

যারা আসছে কাছে,

তারা জানে কান্নার কি কারণ।

দুনিয়া বরই কঠিন নিষ্ঠুর,

আজ যে আপন কাল সেও হয় পর।

স্বার্থের জন্য আপন ক্ষণিকের আপন।

লোভের জন্য আপন তৎকাল আপন,

স্বার্থ,লোভ,অহঙ্কার, আপনকে করে পর।

এই দুনিয়ায় কিছুই নাই আপন,

তবুও কাঁদি মূর্খের মতন।

যেন কত আপোন।




<--©--●অনাথ●--->

【--anrc-20/01/2019--】

【=রাত্রি:01:30:24=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】




=======================

253>||২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -||


253>1>২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -|| 14/12/2016- 

===============================================
1>২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -|| 14/12/2016-

শেখর দা ও ছোট বৌদির ২৫ তম
বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে -------
--------------
ওগো ও সজনী, //
মনে পরে কি সেই রজনী। //
জীবনের প্রথম সেই সুন্দর মধুর অপার্থিব মিলন। //
সেই দিন টিকে কি আজ করছেন স্বরণ। //
সেই অটুট বন্ধনের অঙ্গীকারের অপূর্ব মিলন। //
আজ মনে হয়নাকি //
একবার ফিরে যেতে সেই দিনটিতে। //
মনে আছে কি অপূর্ব সেদিন, //
প্রকৃতিও যেন সেজে ছিল, //
তাঁর অপূর্ব রূপে রসে গন্ধে, //
সেদিনের সেই সন্ধে। //
কত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ওগো সজনী , //
মধুর মিলনের প্রথম সেই রজনী। //
মনে পরে কি? কিমধুর নানা পুষ্প ঘ্রাণে //
প্রকৃতিও যেন মেতে ছিল সেদিন //
তাঁর একান্ত আপন গোপন ছলে। //
দুটি মন প্রাণের একান্ত গভীর মিলনে
ভরে ছিল বোধ হয় মন প্রাণ,সেই রজনী তে। //

আজ ২৫টি বসন্ত হলো পার //
তাই মনে পরে বার বার। //
সেদিনের সেই মিলন অপূর্ব অপার, //
বর্ণাতীত দেহ গন্ধ মিলিয়ে, //
ফুলের রেণু মেখে দুটি শরীরে , //
মনে পরেকি আজ আবার। //
সেদিনের ভয়ঙ্কর যৌন তীক্ষ্নতাঁর তেজ , //
যৌবন শক্তি পেয়েছিল মুক্তি, //
ভেঙ্গে দিয়ে সব লজ্জা ভয়, //
নিঃশেষ করে সকল যুক্তি, //
মন খুঁজে পেয়ে ছিল পূর্ণ মুক্তি। //
বর্ণাতীত সেই সেদিনের স্পন্দন, //
ভুলে থাকা কি করে সম্ভব। //
সেইহতে বার বার প্রতিটি রাতে, //
নিঃস্বাসের প্রতিটি কম্পন মনে পড়ে কি //
হৃদয়ের সেই প্রবল স্পন্দন। //
কিদারুন অপূর্ব সেই প্রকৃতির লীলা, //
নিবৃত্তি হয় শেষ ভোরের পাখির করলবে। //
মধুর মিলনের সেই নিশি, //
গগনে ছিল বুঝি পূর্ণ শশী। //
জানিনা , যদি থেকে থাকে তবে, //
তাঁর স্নিগ্দ্ধ আলোয় ভেসেছিল কি //
এসেছিলো কি আবেগের পূর্ন জোয়ার দুটি মনে। //
উত্থাল সমুদ্রের উথাল পাথাল করা, //
প্রচন্ড ঢেউয়ের তালে তালে আবেগ পূর্ন মন , //
নিশ্চয় পেয়েছিল পরম তৃপ্তির স্বাদ মনে। //
কি দারুন সেই ক্ষণ ,//
মনেকি পড়েনা অনুক্ষণ। //
ফিরে যেতে চায় নাকি মন //
সেদিনের প্রতিক্ষণ। //
মুখে লাজ মনে ইচ্ছা //
তবুও ভালো ভেবে সেই ক্ষণের //
গোপন ইচ্ছা। //
হয়তো ছিল চোখে এক ফোটা জল। //
ভেবে নিজ পিতা মাতার, //
স্নেহ আদর হাশি কল কল। //
শিশু কাল হল যে অন্ত ,//
লেগেছে মনে নুতন বসন্ত। //
হায় রে জীবন কত তার লীলা //
কে জানে কোথায় শেষ হবে , //
তাঁর নিত্য নুতন খেলা। //
থাকতে বেলা সেই ছোট বেলা //
আমকুড়োনোর দিনে , //
ফ্রক পরে উদাল হয়ে //
ছোটা আপন মনে। //
আজ লেগে হওয়া বসন্তের, //
মনে পরে কি সেই দিগন্তের, //
যার ছিলোনা দিগ্ না অন্ত //
এখনো বোধ হয় হয়নি অন্ত। //
আছে অনেক বাকি। //
থাকে থাক একটু বাকি এখন আমি থামি। //
আপনা দেড় ভরুক মন ,আনন্দে করুক চন মন। //

প্রণাম আন্তে ------

সবিতা -আদ্য
১৪ ডিসেম্বর ২০১৬
০২:৫৬:১২সে :
-----------------------

25 টি বসন্ত =300 টি মাস //
=9125 টি দিন //
=219000 টি ঘন্টা //
=13,140,000 টি মিনিট //
=788,400,000 টি সেকেন্ড //
কম তো নয় ? //
কাটালেন কেমন ? //
ভাবলেন না হয় একটু //
দোষ তাতে কি হবে। //
যা হবার তা হয়ে গেছে //
25 বছর থেকে। //
এখন শুধু ভাবনা আর //
মন দিয়ে করুন রান্না। //
।।©➽-ANRC---14/12/2016----||
||===========================||


 

252>||-হারিয়ে যাওয়া ||

    252>|| হারিয়ে যাওয়া ||

    <--©➽-আদ্যনাথ--->


মন চায়  হারিয়ে যেতে,

সকলকে ছেড়ে অনেক দূরে,

কিন্তু কে যেন পিছনে টানে,

ফিরতে হয় ব্যর্থ মনোরথে।


প্রকৃতির ডাকে মনের ইচ্ছা পূরণে,

আবার কোমর বাঁধি দূরে যেতে।

দায়িত্ব গুলি একে একে ঘিরে ধরে,

ফিরিয়ে আনে খানিকটা জোর করে।


কখনো বা ফেরাতে চায় আদর করে,

ইচ্ছা গুলি রয়েজায় মনের গভীরে।

ভাবনা গুলি  ভাবায় সময়ের তালে,

ইচ্ছা গুলি জড়িয়ে যায় চিন্তার জালে।


তবুও মন মানেনা ঘরের কোনে,

সকাল সন্ধ্যা ভাবায় উদাস মনে।

বার বার হারিয়ে যাওয়া আপন মনে,

জঙ্গল, পাহাড়, আর নদীর টানে।


শীতের পড়ন্ত শেষ বেলায়,

পশ্চিম আকাশে গোধূলি বেলায়।

শিশুরা যেখানে দৌড়ে বেড়ায়,

নদী বাঁকের ওই বালুকা বেলায়।


আজ বসন্ত দাঁড়ায়ে দুয়ারে,

বনের শোভা দেখি দুচোখ মেলে।

সকালে শীতের হালকা ছোঁয়ায়,

স্বপ্ন দেখা মন উদাস হয়ে যায়।


মন চায় প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যেতে,

খানিক প্রাণ ভরে  আদর নিতে।

ভাবনা গুলি ছুটে চলে মনের আগে,

কত স্বপ্ন ভাসে মনের নীল আকাশে।


মহুয়ার মিষ্টি গন্ধে  মনের আনন্দে,

হয়তো কখনো নিজের অজান্তে

মন পৌঁছে যায় ওই পাহাড়ের চূড়ায়,

যেখানে মেঘেরা আদরে বৃষ্টি ছড়ায়।

   <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================



251>||-মুখোরচক আড্ডা::---||-

251>||--মুখোরচক আড্ডা::---||

শ্যমবিহারফেজ2 বয়স্কদের আড্ডা অবসর,
চলছে তাস,টিটি,ও দাবার,আসর।
যেন পুরোনো দিনে ফিরে তাকাবার চেষ্টা।
আগে তাস চলতো শংকর দা ওনারা তিনজন,
আজকাল ওনাদের আনাগোনা নাই ঠিক মতন।
শংকর দা তো থিয়েটার পাগল তাই ব্যস্ত।
কারুর কারুর টি টি তেই মন,
কোমরে ব্যাথা,পিঠে ও হাথুতেও ব্যথা,
তবুও টি টি চলছে ওনাদের মতন।
চক্রবর্তী দা আনলেন তাস পেকেট এক গোটা,
বর্মন দা কিনলেন দাবার গুটি ও কোটটা।
কখনো দাবা কখনো রং মেলেনি ফিস,
আজকাল ক্লাবে রোজ সন্ধ্যায় চলেবেশ।
আসর তেমন জমেনা সেটাই বিশেষ ভাবনা,
আমরা সিনিয়র মেম্বার পঞ্চাশ জন,
আগে আসতো আড্ডায় নয় কি দশ জন।
দিন দিন সংখ্যা কমছিল,
শীতের হাওয়া আরো কমিয়ে দিল।
এখন আমরা জনা চার পাঁচ জন,
তাইতো ওনারা খেলায় দিয়েছে মন।
গ্রীষ্ম কালে ব্লক2এর নিচে বসত আড্ডা,
চেয়ারে গোল হয়ে চলত জনা দশের আড্ডা।
তারপরে শুরু হলো মশার বার বাড়ন্ত
আমরা এন্ট্রি নিলাম ক্লাব ঘরে শেষ পর্যন্ত।
এখানেও চলছিল বেশ,আড্ডার আবেশ,
তারপরেই শুরু হল শীতের আবেশ।
আমাদের সংখ্যাও কমলো অনেক,
এখন নিরস ওই আড্ডায় খেলা চলছে বেশ।
গড়া হয়েছিল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম,
এইতো কদিন আগেও মঙ্গলবার যোগ দিতাম।
ভেবেছিলাম এবার জমেউঠবে আড্ডাটা,
কিন্তু হায় মেম্বারের এভাবে ভেস্তে গেল আড্ডাটা।





বর্মন দা, কানুনগো দা, চক্রবর্তী দা, মজেছেন তাসে,
টি টি খেলা রায়চৌধুরী দা ও আলোক দার পাসে।
আমি একা বসে উপভোগ করি ওনাদের খেলা
টিটিতে ভয় হাটু ব্যাথা,তাসের জানিনা কোন খেলা।
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামএর আয়ু বাড়ন্ত
জন্মের পরেই হোল বোধ হয় অন্তিম অন্ত।
মাঝে কিছু কাগজ খাতায় খচ খচ
সকল কিছুই বোধহয় হয়েগেল হচপছ।
জানুয়ারির দশেতে হবে চড়ুইভাতি,
সেখানে জড়ো হবো সকলের সথে।
দেখাযাক যেমন জমে এবারের পিকনিক,
আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সৈনিক।
||------ANRC-------21/12/2017:::---------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||============================||














250>||-বাঙালির আত্মবিস্মৃতি---||


250>||-বাঙালির আত্মবিস্মৃতি---||

আমরা বাঙালি লুপ্ত প্রায়,
আমাদের সকল ঐতিহ্য ও লুপ্ত প্রায়।
বিদেশি তকমার না করলে যাচনা,
আমাদের 'হেরিটেজ', সংরক্ষণ হয় না।
একে একে সকল কিছু হারিয়ে,
চলেছি রসগোল্লা নিয়ে ঢাক ঢোল বাজিয়ে।
তাইত আজ নিজেদের অস্তিত্য হারিয়ে,
হেরিটেজ খুঁজি বিদেশি তকমা দিয়ে।
সামান্য খেজুর গুড়,ছিল সুস্বাদু চিরকাল,
তাও হচ্ছে আজ নকল ভেজাল।
শিউলির সেই গল্পো রস দিয়ে গুড় বানাবার,
আজ হারিয়ে গেছে শিউলি পরিবার।
আজ বাজারের পাটালি তাও নকল,
ভেলি গুড় ও চিনির রসে কেমন,
মিশিয়ে চায়ের রং,কেমিকেল সুগন্ধি সকল।
তাল পাটালির স্বপ্ন হয়ত দেখি কেউ,
তাল, খেজুরের গাছগুলোই যে উধাও।
আজ সর্বস্তরে ভেজালের কারবারি,
খাদ্য ঔষধ সকল জতো নিত্য দরকারি।
আমরা বাঙালি হারিয়েছি সকল স্মৃতি,
তথাপি আমদের ঐতিহ্যের প্রতি আছে প্রীতি।
||----ANRC---23/12/2017:::--------------||
【=রাত্রি:01:08:22=]
【=কোলকাতা -56=】

||=========================||

249>|। মনের গোপনে ||

  249> || মনের গোপনে ||

           <--©➽-আদ্যনাথ --->


কে আসে কার সাথে?

কে যায় কার সাথে?

একলাই চলে আসা যাওয়া,

মাঝে কিছু কাল একসাথে 

পথ চলা।


মনের কিছু  কথা বলা,

সুন্দরকে মনে রাখা,

এনেক কথাই ভুলে যাওয়া,

কিছু চাহিদা মিটিয়ে নেওয়া।


যেটুকু পাই সবটাই কি চাই,

যাকিছু চাই সবটাই কি পাই!

কিছু দ্বিধা রয়ে যায় মনের গোপনে,

চাওয়া পাওয়ার সুপ্ত কারণে।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================


Tuesday, April 17, 2018

248>||--বিপন্ন প্রকৃতি--||


248>||--বিপন্ন প্রকৃতি--||

আমরা মানুষ এই প্রকৃতির বিশেষ অংশ,

তথাপি অবহেলায় প্রকৃতিরে করছি ধ্বংস।

আজ কান্ডারি হবে কোনজন,

শক্ত হাতে ধরবে হাল,বাঁচাতে এই প্রকৃতিরে,

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




আমাদের নিত্য নুতন শ্রেষ্ঠত্বের প্রদর্শন,

প্রকৃতিরে করছে নুতন রূপে প্ৰদূষণ,

আমাদের বাড়ন্ত আহমিকার নিদর্শন,

সকলি প্রকৃতির ধ্বংসের কারন।

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




জগৎ প্রকৃতি আজ বিপন্ন অতি,

দিন প্রতিদিন হচ্ছে ধ্বংস।

আমাদের একটু শুভ চেতনা,

রুখতে সক্ষম এহেন ধ্বংস।

বাঁচাতে পৃথিবী ও প্রকৃতিরে,

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




যুগ অরিবর্তনের ঝোড়ো হওয়া,

আজ শহর গ্রাম গঞ্জের ত্রাস,

ফেসবুক, হোয়াটস আপের এর প্লাবন,

বিশ্বকে করছে গ্রাস।

নির্মল পরিবেশ প্রকৃতির চিন্তায়,

আমরা সকলেই উদাস।

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।

||-----anrc---------------------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||====================||

247>||--বীক্ষণ--||-

247>||--বীক্ষণ--||

ফুলের রঙে রাঙিয়ে,

মনের কলম দিয়ে,

আজ লিখি তোমায় মন নিয়ে।

কি করে বলি,

কেমনে কাটে প্রহর।

একলা তোমার চিন্তা মনের কোণে,

দিন রাত কত চিন্তার যাতনা সয়ে মনে।

শুতে জাগতে,পথ চলতে একাকী,

তোমারই ছবি মনে মনে আঁকি।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার ঐদুটি চোখের নেশা,

কি জাদু মাখানো তাঁর নেশা।

কম্পিত হৃদয়ে জাগে নুতন আশা,

ভুলিয়ে দেয় আমার পথের দিশা।

পলকহীন আকর্ষণ উলঙ্গ দৃষ্টি,

যেন সেই কামদেবের অপরূপ কৃষ্টি।

আমাকে ভাবায় অনেক,

ধরে রাখতে চাই মিলনের গন্ধ, আবেগ।

গভীরতার কুন্ড খুঁজে চলি মনে মনে,

নিরালায় একলা পথে স্বপ্নের গল্প বুনে।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার সিক্ত পেবল ওষ্ঠ,

রক্তিম গোলাপ পাপড়ির মতন,

ভোরের শিশির স্পর্শের শিহরণ।

ফুল চন্দন আতরের গন্ধ মাখা,

তোমার সর্বাঙ্গে ফুলের রেনু মাখা,

প্রথম পরশের সেই ব্যথার শিহরন।

সেদিন বর্ষায়,

সিক্ত বস্ত্রে শরীরের সবটুকু,

বিহ্বল চিত্তে একাগ্র মনে,

গোগ্রাসে গিলেছিলাম তোমার ছবি।

আজও মনেপরে যায়,

তোমার চলায়।

শরীরের ঢেউ উথলে ওঠা,

সাগর সলিলের ফেনিল ফেনা,

জল কন্যা যেন ললিত ললনা।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




হিমালয় শৃঙ্গের জমেথাকা তুষার,

যেন তোমার সর্বাঙ্গে মাখা।

সেই শীতলতার পরশের স্বপ্ন,

হৃদয় আপ্লুত শ্রান্ত তুষার মাখা।

তোমার মাতানো প্রেমের নেশা,

আমার মনের পাগলের দশা।

তোমাকে জানতে বুঝতে,

তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার চকিত চাহনির ছলনা,

তোমার মনের আদর করুনা,

দীর্ঘ করে আমার নিঃস্বাস প্রশ্বাস,

বাড়িয়ে তোলে আমার হৃদ কম্পন,

রোমে রোমে জাগে শিহরন স্পন্দন।

তুমি আমার মনের সরগম,

হৃদস্পন্দন যেন বীণার মূর্ছনা,

স্বপ্নের ফুল কুমারী তন্বী তনয়া তনিমা,

স্নিগ্ধ ভোরের দক্ষিণা বায়ুর স্পর্শ প্রেরণা।

তোমার একটু পরশের লাগি,

হৃদয়ে জাগে অনাবিল হর্ষ মাধুরী।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে বার বার হবে জন্ম নিতে।




তবুও ব্যথিত মনে চেয়ে থাকি,

চেয়ে চেয়ে লাল গোলাপ কেই দেখি।

গোলাপের বাগিচায় মধুকর যেমন,

নেশায় মত্ত একমনে করে মধুর চয়ন।

আমার ভালোবাসা করে পর্যবেক্ষণ,

তোমার রূপের গন্ধ খোঁজে সর্বক্ষণ।

তোমার স্বপ্ন হৃদয়ে আঁকি সর্বক্ষণ,

এ নয় আমার মোহাচ্ছন্ন মনের বীক্ষণ।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে বার বার হবে জন্ম নিতে।




||----anrc-------09/03/2018::-----||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||=====================||

246>||--আমরা জানি অনেক-||

246>আমরা জানি অনেক।


এই অনেক জানার মাঝেও 
বোধহয় কিছু জেনেও জানিনা সবটা।
অথবা কিছু রয়েযায় বাকি।
এমনি কিছু জেনেছি-----
সেই টুকুই বলতে চাই , যদি শোন---
শোনার থেকে পড়ে নেওয়াটাই ভালো----

1>Correct meaning of "OK" = is the name of a German engineer Otto Krovens 
who worked for Ford car company in America.
As chief inspector he wrote his initial as OK upon each car he passed.
Hence it continued till date as All correct

2>News paper =

North East West South past and present events report.

3>Chess =

Chariot, Horse, Elephant, Soldiers.

4>Cold =

Chronic Obstructive Lung Disease.

5>Joke =

Joy of Kids Entertainment.

6>Aim =

Ambition in Mind.

7>Date =

Day and Time Evolution.

8>Eat =

Energy and Taste.

9>Tea =

Taste and Energy Admitted.

10>Pen =

Power Enriched in Nib.

11>Smile =

Sweet Memories in Lips Expression.

12>SIM =

Subscriber Identity Module

13>etc. =

End of Thinking Capacity

14>Or =

Orl Korec (Greek Word)

15>Bye =

Be with you Everytime.

16>WOMAN=

W=Wonderful Mother.

O=Outstanding Friend.

M=Marvelous Daughter.

A=Adorable Sister.

N=Nice Gift to Men from God.

এইটুকু লেখা পছন্দ হোল কিনা জানিনা,
পছন্দ হলেই ভাল,আনন্দ পাব মনে।
নচেৎ কাগজে কিছু ব্যর্থ কলির দাগ
ভেবে গুটিয়ে রেখে দেব টেবিলের কোনে।
||----anrc--------16/03/2018::----||
||=======================||

245>||---বন্ধু-------||6/10/2017-


245>||---বন্ধু-------||6/10/2017


পাতাল পুরীর নিঝুম পুরী,
সেথায় থাকে গোলাপ পড়ি।
সাধ জাগলো হঠাৎ করে,
দেখবে যাবে মেঘের বাড়ি।

সঙ্গে নিয়ে ফুল পরীদের,
গোলাপ পড়ি উড়লো মেঘে।
দিন ফুরোল রাত ফুরালো,
সূর্য্য মামা উঠল জেগে।

আলোয় ভরলো দিক দিগন্ত,
প্রবল তাপের বার বাড়ন্ত।
ফুলপরিরা হাঁপিয়ে ওঠে,
গোলাপ পরীও হোল ক্লান্ত।

সকল পড়ি ভেবেই আকুল,
মনজে তাদের হোল ব্যাকুল।
কোথায় পাবে মেঘের বাড়ি,
সকলে ভেবে ভেবে পায় না কুল।

হঠাৎ হোল মেঘের গর্জন,
পরীদের বাড়ল হৃদ কম্পন।
লুকোবার স্থান টি কোথায়,
সকল পরীর সে কি ক্রন্দন।

ক্রন্দন শুনে পাখির দল,
এলো পরীদের দিতে আশ্রয় স্থল।
একে একে পরি সকল,
পাখিদের নির করলো দখোল।

মেঘের ক্রোধ থামলো না কো,
ঝম ঝমিয়ে বৃষ্টি এলো।
ছোট সেই পাখির বাসায়,
পরীরা সব রইল মজায়।

এমনি ভাবে দিনটি গেল,
পরীদের খিদের জ্বালা বেড়ে গেল।
কোথায় পাবে একটু আহার,
ঝড় বাদলে পাখিরাও বেহাল।

বৃষ্টি আর মেঘের গর্জন,
চললো তিন দিন তিন রাত্রি।
পাখিরা সবে নিজেরা ভিজে,
পরীদের থাকতে দিল আপন ভেবে।

অবশেষে বৃষ্টি ও মেঘের রোশ থামল,
পাখি আর পরীদের বন্ধুত্য বাড়লো।
সকাল হতেই পাখিরা বলে কিগো পরি,
জাবেকিআর ওই মেঘের বাড়ি।

পরিরা বলে হেসে হেসে ইচ্ছা ছিল দেখতে
মেঘের বাড়ি কেমন হয় যদি পেতাম দেখতে।
পাখিরা কয় মেঘের তো নাই কোন বাড়ি,
ওরা ভেসে বেড়ায় আকাশে ভর কড়ি।

সূর্য্য মামা জলটেনে জমিয়ে রাখেন মেঘে,
জলের ওজন বেশি হলেই বৃষ্টি রূপে ঝরে।
খাল বিল সব জলে ভরে,
গাছ গুলো সব ফুলে ভরে।

আমরা পাই কতো খাবার চারি ধরে,
কচি কাঁচা বাছাগুলোর স্বাথ ফেরে।
সবাই মিলে আনন্দেতে দিন যে কাটে,
সে অনেক কথা বলতে পারি বটে।

পরিরা বেজায় খুশি পাখিদের সাথে,
পরীদের তো পাতাল পুরী অন্ধকার থেকে।
সেসব কথা বললে পাখিরা যদি ভয় পায়,
এমনি ভেবেই পরিরা চুপ থেকে যায়।

রাত পেরিয়ে সকাল হোল,
সূর্য্য মামার উদয় হোল।
এবার পরিরা তৈরি হোল,
পাতাল পুরীরতে ফিরতে হোল।

||----ANRC------06/10/2017::------||

||=========================||

























244>||-একটু শুভ চেতনা--||-( উপহার -)-


244>||-একটু শুভ চেতনা--||-26 /11/2017:::--উপহার


সমাজে আমাদের অনেক আতিথিয়তাই রক্ষা করতে হয় যেমন বিয়ে, পৈতা, জন্মদিন,বিবাহ বার্ষিকী,গৃহ প্রবেশ,ইত্যাদি,নানান অনুষ্ঠান।
এই আতিথিয়তা রক্ষা করতে আমরা নানান

উপঢৌকন নিয়ে যাই সাথে করে।
নিদান পক্ষ্যে টাকা ভবর্তি খাম তো থেকেই।
কিন্তু আমরা যখন কোন অসুস্থ্য মানুষ কে দেখতে যায় তাঁর বাড়িতে, হাসপাতালে,বা নারসিং হোমে তখন কিন্তু আমরা খালি হতেই যাই শুধু নিজের উপস্থিতির জানান দিতে।এবং বোঝাতে চাই আমরা তোমার শুভাকাঙ্খী। ব্যস এইটুকুর জন্যই উলিস্থিতি জানাই।
আমরা একটু চিন্তা করলেই বা নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই অনেক উত্তর পেতে পাড়ি।
যেমন কোন ক্ষেত্রে আমাদের উপঢৌকন রূপী টাকার খাম দেওয়া উচিত বা কোনটাতে বিশেষ
জরুরি।একজন গরিব পরিবারের বিবাহ অনুষ্ঠানে কিছু সাহায্য অবশ্য দরকার।
ততোধিক প্রয়োজন একজন রুগীর চিকিৎসার জন্য।চিকিৎসাধীন রুগী যদি আর্থিক দিক থেকে কমজোর হয় তবে সেখানে অর্থের প্রয়োজন অনেক বেশি।এমন রুগীকে দেখতে গেলেও আমরা খলি হাতেই যাই।

অতঃ আমার একটাই নিবেদন-----–


এবার থেকে অনুদান,দান,উপঢৌকন,সহায়তা যাই করিনা কেন, একটু চিন্তা করেই করা উচিত।
আজও দেশের কতো মানুষ অর্থের কারনে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন।
আমাদের অতি সামান্য অনুদানের কারনে হয়তো বাঁচতে পারবে একটা পরিবার।কমপক্ষে বাঁচার আশার আলো দেখতে পাবে।
তারজন্য প্ৰয়োজন শুধু আমাদের শুভ চেতনা ও অতি সামান্য প্রচেষ্টা।
মানব জনম অমূল্য রতন আসে না বার বার ,
শুভ কর্মে হও ব্রতী, শুভ কর্ম করো এই বার।
আমার মনেহয় কবিগুরু সেইকারনেই বলেগেছেন,
"" "শুভ কর্মপথে ধর’ নির্ভয় গান।
সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।"

||----ANRC---26/11/2017:---------||
||========================||

               

243>||--অবুঝ মন-

243>
1>||--অবুঝ মন--||-

 

======================================================

1>||--অবুঝ মন--||

অনেক আশাই রয়ে যাবে অপূর্ণ,
আপন জনকে কে না চায় আদরে রাখতে।
তাঁদের ভাবনা করি বুঝি নিজের সার্থে।
কি জানি কেন সেদিন সেল বিঁধেছিল বুকে,
কিছু কথা ভাবনার ঝোঁকে।
এমন কিছু ভাবনার উত্তরে,
চলে যাওয়া উচিত অনেক দূরে।
কি করে ছেড়েজাই আদরের শিশুকে,
স্নেহ বড়ই বিষম বস্তু বুঝিনি আগে।

কিমকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে কাটছে দিন,
কিকরে ভুলি সেই অতীতের দিন।
যাদের চিন্তায় গুনে চলেছি দিন।

স্নেহাসপদ জদিহয় অবুঝ সর্বদা,
যদি নাবোঝে স্নেহের মর্যাদা,
সেই ব্যাথা বাড়ায় বেদনা সর্বদা।

কিকরি কাকে বোঝাই হৃদয়ের ব্যাথ,
মুখ হয়ে বসে থাকি সয়ে সকল ব্যাথা,
একলা প্রলাপ সেও নিতান্ত অযথা।

সকল বেদনা বুকে সয়ে কাটছে দিন,
চোখের জল শুকিয়ে গেছে বহুদিন।
স্নেহ ভালবাসা যেন বিড়ম্বনা মাত্র,
দিনগত পাপক্ষয় চিন্তার অবক্ষয় মাত্র।
||---anrc------04/12/2017::---------------||
||=========================||
===============================================================
 

242>||--ভালোবাসার জন---||-


242>||--ভালোবাসার জন---||

জানিনা কতদিন বাঁচবো,
যদি মরেজাই তবে,
তোমার জন্যই ফিরে আসবো।
রোজ আবার ঝগড়া করবো।
খুঁটি নাটি নিয়ে লড়বো।
খুনটুসীর লরাইতেইত মজা,
যারা বোঝেনা,
সারাজীবন পায় অনাদরের সাজা।
কত আদর ওই কথার তীক্ষ্ন বানে,
বোঝে সে যে ভালোবাসে মনেমনে।
ভালোবাসার গোপন কথা,
মিটায় মনের অনেক ব্যাথা।
ভসলবাসা মনেমনে 
বোঝে যে আনমনে।
হৃদয়ের অনেক কথা অনেক ব্যাথ,
নিমেষে মিলায় মিলনে, নাবলে কথা।
হৃদয় আছে যার ভালবাসা বোঝে সে,
হোক খুনটুসি,কথার বান উভয়ে আপসে।

||----ANRC---------06/12/2017::------------||
||===========================||

241>||---কিছু ভাবনা---||

241>||---কিছু ভাবনা---||

কিছু ভাবনা জাগে ক্ষনিকের তরে,
সময়ের ব্যবধানে মনের কোণে।
সেগুলোই লিখেজাই,
একান্ত আপন মনে।
হাসিতো ক্ষনিকের উত্তেজনা মাত্র,
কান্না সেতো হৃদয়ের ব্যাকুলতার জন্য।
যার সাথে হাসতে পাড়া যায়, 
তারসাথে কিছুটা সময় কাটান যায়।
যার সামনে কান্না করা জায়,
সারা জীবনই তার সাথে কাটানো যায়।
জীবন তো এক নাট্য শালা মাত্র,
প্রতিটি মানুষ নাটকের এক একটি পাত্র।
জীবন যুদ্ধে কষ্ট ভোগ তো কোরতেই হবে,
কষ্ট ছাড়া যুদ্ধে জয়ী হয়েছে কে কবে।
কর্মে দায়িত্ব বোধ যার জতো বেশি,
কষ্ট তারই ভোগ করতে হয় ততো বেশি।
দায়িত্ববোধ সহ দায়িত্ব সহকারে কাজ করে যে,
জীবন যুদ্ধে কখনো হারেনা সে।
দায়িত্ববান মানুষ জীবন যুদ্ধে হয় জিতবে,
নয়তো জীবন থেকে কিছু নুতন শিখবে।
মানব জীবন তো কর্ম করার জন্য,
কর্ম ছাড়া জীবন বোধ হয়না গন্য।
কর্ম প্রধান বিশ্ব মাঝে কর্মই ধর্ম,
দায়িত্ব সহকারে কর্ম করাই শ্রেষ্ঠ।
কর্ম করো পরের তরে শুভ চিন্তা নিয়ে,
নিজেরে বিলায়ে দাও সকলের মাঝে গিয়ে।
মিলায়ে মিলিবে সকলের তরে,
কর্ম করাচাই নিঃস্বার্থে দায়িত্ব নিয়ে।
||---ANRC------10/12/2017:::-----------||
||==================≠=======||


Monday, April 16, 2018

240>||--যোজনার লাড্ডু--+অপূর্ব পরিকল্পনা--|

240>-------------------------------( 1 to 3 )
1>||--যোজনার লাড্ডু-------||
2>| |--অপূর্ব পরিকল্পনা--||

====================================

140/1>||--যোজনার লাড্ডু-------||

কে বলে দেশের কর্মসংস্থানের যোগান সঙ্কটে।
আমাদের আছে বহু প্রকল্প,ও পরিকল্পনা,
কতো যোজনা।
যেমন---
"মেক ইন ইন্ডিয়া"র মতোই "স্কিল ইন্ডিয়া",
"ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট" বা "জনসমষ্টির লাভ"।
"ন্যাশনাল স্কিল ডেভলপমেন্ট" পলিসি
"প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা"-
"পিপিপি মডেল"--
"স্টার" যোজনা--
হয়তো আরও কতো মডেল,প্রকল্প যোজনা
দেশের মাথা,শুভ চিন্তক মহাজনেরা করছেন চিন্তা,
আরও কতো চিন্তা ফিকির।
কর্মসংস্থান হোক বা নাই হোক আছেতো যোজনা, প্রকল্প,মডেলের ভিড়।
চিন্তায় ঘুম হয়না ওনাদের,
ঠান্ডা ঘরেবসে চিন্তা করছেন,অঢেল।
এতো চিন্তার ফলে,হচ্ছেন নানান ব্যাধির শিকার,
দেশের মানুষের তরে,
দেশের কাজ কোরে কোরে।
নাইবা হোল চাকুরী কর্মসংস্থান,
আপ্রাণ করছেন চেষ্টা অবিরাম।
যারা গাইছেন ওদের কুৎসা,
জানিনা তারা কেমন সমঝদার।
||----ANRC--------13/12/2017-:::-----------||
||=====================||
2>| |--অপূর্ব পরিকল্পনা--||

বাঃ কিসুন্দর সমস্ত পরিকল্পনার বাহার,
এমন পরিকল্পনার জুড়ি মেলা ভার।

মা দিদিমার কিছু সঞ্চয় একান্ত
লুকিয়েরাখা 500/1000 নোট সর্বশান্ত।
বের করে নিলো কৌশলো শেষ পর্যন্ত,
পুঁজিপতি দের সুদিন,গরিব দের সর্বশান্ত।

দিল্লিকা লাড্ডু খেয়ে জনগন দিচ্ছে ঢেকুর,
FRDI বিল গরিবের সর্বনাশের চিকুর।
পুঁজিপতি দের সুদিন,গরি হবে সর্বশান্ত,
ফুল দেখিয়েই গরিব কে করল সর্বশান্ত।

ফুল আর রামের মিলন অপরূপ কথন,
মিলন মেলায় ক্ষমতাশীলের আস্ফানল।
গরিবদের চলছে নিরন্তর শোষণ,
ব্যাংক ও ক্ষমতাশীলের আস্ফানল।
||--©➽---ANRC--------12/12/2017;;---------||
||=====================||
=============================================================
 

239>||--আয়না---||-

239>||--আয়না---||

আয়না কখনই মিথ্যা বলেনা
সামনের সত্যকে দেখাতে ভোলেনা।
নিজে কিছু না বলে প্রতিফলনই করে,
মিথ্যা,অসত্যকে সদা বর্জন করে।

আয়নাইতো প্রকৃত সুন্দর বন্ধু,
প্রতিদান চায় না সদা সত্য বলে।
আঘাত করলেও প্রত্যাঘাত করেনা,
প্রত্যুত্তরে ভেঙে পড়লেও কাঁদেনা।

অতি নিরীহ বস্তু আয়না বা দর্পণ,
দিনে একবার না দেখলে মানেনা মন।
তার সামনে না দাঁড়ালে চলেনা না একদম।

আবার কেউ তো থাকতেই পারেন না
দর্পণ ছাড়া একদম।
দর্পণ এমনই এক বস্তু, যাকে ছাড়া
হয়তো দিনই কাটবে না একদম।

অনেক সতর্কবাণী, কুসংস্কার,
আছে আয়নাকে ঘিরে,
কেউতো মানে জীবিত আর মৃত জগতের

পার্থক্যটুকু লোপ পায় নাকি আয়নায়।


কেউ বলে অন্য জগতের প্রবেশপথ আয়না,
কোনো অসতর্ক মুহূর্তে বেরিয়ে আসতে পারে
অন্য জগতের কেউ যা ভাবা যায়না।
এই নিয়ে অনেক সাবধান বাণীর কারন,
অনেক নাকি ঘটতে পারে ভয়ের কারন।

রোমানরদের মতেতো ভেঙলে আয়না,
ক্ষতি হয় আত্মার ভাঙা আয়নার কারন।
ইহুদি সংস্কৃতিতে কেউ গেলে মারা
বাড়ির সমস্ত আয়না দিয়ে দেয় ঢাকা।
নয়ত মৃতের আত্মা আটকে থাকবে
আয়নার ফাঁদে।

ঘুমন্ত মানুষের স্বপ্নকে নাকি
আটকে দিতে পারে আয়না,
যদি ঘুমোবার আগে না দেয় ঢাকা,
ঘরের আয়না।


আর সেই গল্প কথার
'ব্লাডি মেরি'-র নির্জন ঘরে আয়না!
সামনে দাঁড়িয়ে মহিলারা তাকে ডাকলে,
ব্লাডি মেরি নাকি আবির্ভূত হয় আয়নাতে।
আর আছেন 'ক্যান্ডিম্যান' সেও সেই চরিত্রে
ব্লাডি মেরির মত তিনিও আসেন আয়নাতে।

পশ্চিমের অবিবাহিত যুবতীরা মানেন মনে,
আপেল খেতে খেতে আয়না দেখলে
হবু স্বামীকে দেখতে পাওয়া যাবে।
ভূত দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনার কারন।
রাতে কিংবা মোমের আলোতে
আয়না দেখা বারণ।

সবশেষে বলি এবুঝি কেবল ভাবনা,
হয়তোবা কখনো এও আমাদের কল্পনা।
অপ্রাকৃত জীবদের এই জগতের সঙ্গে
সংযোগ রাখার মাধ্যম বুঝি আয়না।

||-©➽-ANRC----15/12/2017::----------||
||=======================||

238>|জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে ঘিরে ধরে ||


 238>|| জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে    
            ঘিরে ধরে ||

জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে ঘিরে ধরে,
বার্ধক্য তখন যৌবনকে কাছে পেতে চায়।
আজ যৌবন বার্ধক্য কে বোধহয় দয়া করে,
সমাজে নিন্দার ভয়।
হয়তো বিবেক কিছু কয়।
নয়তো পাশ্চাত্য শিক্ষায়,
পশুদের ন্যায়,
পশুরা বার্ধক্য কে এড়িয়ে চলে। 
মুস্কিল তো বার্ধক্যকে বোঝা ভাবলে,
সমাজের বোঝা বিবেচিত হলে,
যৌবনের গলগ্রহ হলে।
বয়ঃবৃদ্ধ কেউ কিছু পায়,
কেউ কিছুই পায় না।
যে পায়না সে তো বেঘরে মরে,
যে পায় সে আরো চায়,
নাপেলেই গোল পাকায়।
এই চাওয়া পাওয়া,এক গোলক ধাঁধা,
তুষ্ট কেউ নয়।
যে রক্ষণশীল, সেতো বুদ্ধিমান
সে বজায় রাখে তার সম্মান।

আজ  মা য়েরা শিশুদের,
শিশুকালে শিখিয়ে দেয়, 
গুড টাচ ও ব্যাড টাচ।
যৌবন বড়ই সতর্ক,
নিজেকে সামলাতেই সদা ব্যস্ত।
পাশ্চাত্যের আগ্রাসনে,
মোরগও চায় ময়ুরের মতন পেখম তুলতে।
সেকি ময়ুরের দোষ নাকি মোরগের।
সুন্দরকে কে না চায়,
মুস্কিল যখন ক্ষমতা ভুলে যায়।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

 fb এতে প্রশংসিত
============================


         

 

237>||-ঘরই শ্রেষ্ঠ মন্দির ||

 237> || ঘরই শ্রেষ্ঠ মন্দির ||

          <--©➽-আদ্যনাথ--->


একান্ত চিন্তা,নীরব ভাবনার কারণ,

হয়তো কিছু স্বপ্ন ভ্রমণ।

অনুভব করেছি গল্পে ভ্রমণ,

আর কিছু চিন্তার আনন্দ ভ্রমণ।


স্বশরীরে ভ্রমণ নিশ্চই ভালো,

স্বাস্থ্যের জন্যও অবশ্যই ভাল।

স্বপ্ন ভ্রমণে মনের খোরাক জোটে,

আর গল্প ভ্রমণে জ্ঞানের প্রসার বাড়ে।

একান্ত মনের ভ্রমণ,

শ্রেষ্ঠ ভ্রমণের তরে।

চিন্তার রথে চড়ে,

উরেজাওয়া আকাশ পথে।

শঙ্খচিলের দেখা হবে,

ওরাই আবার নুতন পথ খুঁজে দেবে।

ওই সাত সমুদ্র পারে,

ঘন কুয়াশায় ঘেরা গভীর জঙ্গলের ওপারে,

যেখানে মনের দুও রানী 

একলা বসে দিন গোনে।


হাসতে হবে ,হাসাতে হবে,

তবেই মনের আনন্দ রবে।

যতোই দুঃখ থাকুকনা কেন মনে,

দুয়ার খুলতে হবে হাসি মাখা

মুখে।

প্রকৃতি যে সদাই হাসে

তাই হাসতে হবে, হাসাতে হবে।

কিহবে গোমড়া মুখে বসে থেকে,

আনন্দ কুঁড়াতে হবে সকলের সাথে।

ভাবনাতেইতো দুঃখ আনন্দ গায়ে মাখে,

নচেৎ কে কাকে দুঃখ দেবে!

চাওয়া পাওয়াতেই সুখ দুঃখ মিশে থাকে,

পেলেই সুখ, না পেলেই দুঃখ বাড়ে।

আসলে মনের ভাবনা গুলোই 

চিন্তাকে পঙ্গু করে।

তাই তো দুঃখের বোঝা বাড়ে।

জগতের শ্ৰেষ্ঠ সুখ নিজের ঘরে।

আনন্দিত মন চিরদিন সুন্দর রবে 

ঘরকে মন্দির রূপে পূঁজা করে।

   <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

========================

   

Friday, April 13, 2018

235>||- অনেক দিনের পরে ||


235> || অনেক দিনের পরে ||

         <--©➽-আদ্যনাথ--->


দেখাহয়েছিল বহুদিন পরে,

মনে পরে, সেই ষ্টেশন রোডে।

একলাই ছিলে, এড়িয়ে গেলে,

মনে হয় কিছু না দেখার ছলে।


সেদিন চলে গেলে কেন জানিনা,

এওকি ছিল তোমার  ছলনা।

দাঁড়িয়ে ছিলাম পথের ধারে,

তুমি চলে গেলে যেন অবহেলা করে।


মনে পরে সেই কলেজের ছুটির পরে,

তুমি অপেক্ষা করতে হেদুয়ার কাছে।

ভুলিনি আজও তোমার সেই প্রতীক্ষা,

আর তোমার সেই তিক্ত তিতিক্ষা।


সেদিনের সেই প্রেমের প্রতীক্ষা,

দীর্ঘদিনের ভালোলাগার প্রতীক্ষা।

হাতে হাত রেখে গল্পে মেতে থাকার প্রতীক্ষা,

সেদিনের সেই নীরব ধৈর্যের প্রতীক্ষা।


মনেআছে উষ্ণ আবেদনের তিতিক্ষা,

শীতল ঠোঁট উষ্ণ হবার প্রতীক্ষা,

মনের তিয়াসা তৃপ্ত হবার প্রতীক্ষা

বোধহয় ছিল মিথ্যে ছলনার প্রতীক্ষা।


অহংকার তোমার লাজুকতা,

সুপ্ত মনে মিলনের প্রবল ব্যাকুলতা,

কিছুতেই মিটত না মনের পিপাসা,

তিলোত্তমা তোমার আসঙ্গলিপ্সা।


চাইনি কোন অপ্সরা বা আকাশের তারা,

প্রেম নিবেদনের ভাষা ছিলনা জানা।

চেয়েছিলাম তোমাকেই ভালোবাসতে,

একান্ত ভাবে মনের কিছু কথা বলতে।


দিন যায় রাত আসে, সময়ের সাথে সাথে,

আমার চোখের জলে কার কি যায় আসে,

যদি প্রশ্ন কর নিজেকে নিজে, একবার ভালোবেসে।

দেখবে প্রকৃতি সদাই আছে তোমার পাশে।


আজ দূর থেকে তোমাকে দেখে,

কিছু ভাবনা জাগল  গোপনে মনে।

সে দেখা স্বপ্ন দেখার মতন মনে হল,

হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি ভিজিয়ে দিল।


এমন বৃষ্টিতে ভিজে গেলো মন,

ভিজেগেল সপ্ন , ভিজলো চোখের কোন ।

আকাশের মেঘের ছায়া ঘনিয়েছে পথে,

আমি দেখেছিলাম তোমাকে দূর হতে।


তুমি ইশারায় দেখে  রইলে দূরে সরে,

আমিতো ছিলাম অপেক্ষায় বেদনা ভরে।

কে বুঝবে এহেন পথ ভোলার বেদনা,

কে জানবে তোমার চিরদিনের ছলনা।


বুঝতে পারিনি কোনটা তোমার কামনা

কোনটা ছলনা,

উজান বেয়েও পাইনি মনের ঠিকানা।

বুঝেছি নারী চরিত্র বিচিত্র ভারী,

কি করে বুঝব নারী মন আমি আনাড়ি।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

   15/02/2021;;সকাল 09:30am

========================


Thursday, April 12, 2018

234 ||--আর্সেনিক বিষ--||

234>||--আর্সেনিক বিষ--||

ক্রমে বাড়ন্ত আর্সেনিক বিষ, 
ভুগর্বস্তিত জলে।
কোলকাতার আশেপাশে,
মানুষ বিপন্ন আর্সেনিকের ফলে।
এই বিষে ভুগছে কারা,
ওই দরিদ্র অসহায় যারা।
বিত্তবানদের আছে অনেক প্ৰযুক্তি,
তাঁরা অনাআসে পাচ্ছেন মুক্তি।
দিন দিন বাড়ছে সুবিশাল অট্টালিকা,
গগন চুম্ভী সকল ইমারত অট্টালিকা।
বাড়ছে ডিপ টিউবলের চাহিদা,
চাষ আবাসে জলের মেটাতে খিদা।
চলছে ভুগর্বস্থ জলের অপব্যবহার,
সাথে পাল্লা দিয়ে আর্সেনিকের প্রহার।
গরিবের ভরসা কূপ ও টিউবয়েল,
সাথে নিত্য বাড়ন্ত এই আর্সেনিকের খেল।
আমরা উন্নত প্রযুক্তির করি বড়াই,
তথাপি ওই দরিদ্রদেরই বলি চড়াই।
প্রতিদিন বাড়ছে আর্সেনিক বিষের ভয়,
তথাপি সর্বত্র ভুগর্বস্থ জলের বিপুল অপচয়।
আকাশ বাতাস প্রদুশন বিষে ভরা,
পথ ঘাট শব্দ দুশনের আখড়া।
খাদ্য, ফল,মূল,আজ ভেজালের বিষেপূর্ন,
জল ছিল স্বচ্ছ অপব্যবহারে তাওহল বিষপূর্ন।
আধুনিকতার অহংকারে মত্ত সর্বজন,
ন্যায়,অন্যায়,পাপ,পুণ্য দিয়ে বিসর্জন।
আমরা উন্নত,করি প্রগতির অহংকার,
উপেক্ষা করে চলেছি  প্রকৃতির হুঙ্কার।
তাইত ডেঙ্গু, আর্সেনিক নিত্য নুতন রূপে,
হামলা করে চলেছে আমাদের দুয়ারে।
খাদ্যে বিষ,ওষুধে ভেজাল,জলে আর্সেনিক,
তথাপি চলছে আমাদে জীব স্বাভাবিক।
সর্বত্র বিষের এহেন বার বাড়ন্ত, 
জানিনা আমাদের জ্ঞান হবে কবে।
এতো বিষের বোঝা নিয়ে বাড়ন্ত,
কেজানে পরবর্তী প্রজন্মের কি হবে ।
||-----ANRC--------06/01/2018----------||
||=========================||

233>||--কটাক্ষ----------( 1--3)

233>-----( 1 to 3 )
1>||---কটাক্ষ---|| 
2> .||বর্তমানের মিনি সংসারের বুড়ো কর্ত্তা, 
3>অনেকেই বলেন ভুলে যাই 
================================
 1>||---কটাক্ষ---|| 

তুমি তো আছো নিজগৃহে
মুক্ত বিহঙ্গিনী বহ্নিজ্বালা।
তুমি কি করে বুঝবে,
পরাধীন মানুষের মনের জ্বালা।

তাই তুমি করো বিদ্রুপ বারংবার,
নীরবে সইতে হয় শান্ত মনে।
তোমার বিদ্রুপ কটাক্ষের তীর,
বেঁধে হৃদয়ের ঠিক মাঝখানে।

তোমার বিদ্রুপ মাখা বাঁকা হাসি,
হৃদয়ে বেঁধে যেন তীক্ষ্ণ অসি।
সুপ্ত আগুনের বহ্নিজ্বালা,
পুরিছে অন্তর কটাক্ষ সর্বনাশী।

সুপ্ত আগুনে জ্বলছি নিরন্তর,
অসীম নরক জ্বালা।
শেষ জীবন টুকু কাটবে জানি
সয়ে সংসার পাকের সৌখিন মালা।

মনচায় ছুটে যাই বারে বারে,
আত্মঘাতীর পথে।
ফিরে ফিরে আসি,
সন্মুখে নিষ্পাপ শিশুটির,
প্রতিচ্ছবি সামনে ভেসে ওঠে।

তোমরা করেজাও বিদ্রুপ,
মনের আনন্দে অসহ্য শেল হেনে।
আজকে করছি পন থাকব নিশ্চল,
গৃহ কোনে একান্তে নীরবে।
||-----anrc-----02/12/2017::-----------||
||==========================|| 
================================================================= 

 2> .||বর্তমানের মিনি সংসারের বুড়ো কর্ত্তা, 

বর্ননা করি তাঁর বর্তমান অবস্থা।
বুড়োর ভাবনা গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল,
ভাবে না যে কাঁঠাল ভাঙতেও লাগে তেল।
এস আমার বুড়োকর্ত্তা ছাড়াও নাড়কেল,
তারপরে তোমার মাথায় ভাঙবো বেল। 
||----ANRC----18/10/2017----------|| 
================================================================== 

3>অনেকেই বলেন ভুলে যাই 

অনেকেই বলেন ভুলে যাই ,
ভুলে কেউ যায়না,
প্রয়োজন শেষ,
তাই মনে রাখতে চায় না।

কথাটি আংশিক হলেও সত্য,
তবে কি, আমরা ওতো জানি
আকর্ষণ অথবা বিকর্ষণ, একেলা হয়না।
কম বেশি দুজনকেই প্রয়োজন।
আমি মনে করি,
নিকট আর দূর, এতো সময়ের ব্যবধান।
সময় তো চলে নিজের গতিতে।
আসলে কোন দুরই দূর নয়, কাছে বা নিকটে
তা হৃদয় জানে।
মনটাই সব, মন থাকলে সব থাকা হয়।
দূর আর কাছে কিছু নাহি হয়।
মন টি থাকলেই সব থাকা হয়।
মনের টান বড় কঠিন,
তাকে ছিন্ন করাও কঠিন। 
=========================== 
 

232>||বসন্ত হারিয়ে গেছে


232>বসন্ত হারিয়ে গেছে

======================

 232>=বসন্ত হারিয়ে গেছে--||

আজি ফাল্গুনের বসন্ত হারিয়ে গেছে,
পলাশের পাপড়ি ম্লান হয়ে গেছে।
ভ্রমরেরা গুন গুন ভুলে গেছে,
মৌমাছিরা পথ ভুলে গেছে।
প্রকৃতি অনেক পাল্টে গেছে,
বসন্তের হওয়া বইতে ভুলে গেছে।
মনে হয় বেদনায় ভরেগেছে প্রকৃতি,
আজ দূষণে বিষিত পরিবেশ প্রকৃতি।
তাই প্রকৃতি বসন্তের রূপ ভুলে গেছে,
দূষণে, জল,আকাশ,বাতাস ভরে গেছে।
প্রকৃতির চেনা সেই প্রকৃত বসন্ত,
বোধ হয় আজ হয়েছে তার অন্ত।
তথাপি আসুক বা নাই আশুক বসন্ত,
মন আমাদের যেন না ভোলে বসন্ত।
ফাল্গুনের বসন্ত আজ হয়তো অশান্ত,
মনের বসন্ত ই তো প্রকৃত বসন্ত।
লাগলে মনে বসন্তের হাওয়ার দোল,
শুদ্ধ হবে মন, দূর হবে মনের গড়ল।
দুরহবে মনের গ্লানি সকল দুঃখ যাবে দূর,
বসন্তের রং মাখা সুবাসে হৃদয় ভরপুর।
।।--anrc--01/04/2017:::-------।।
||==================||
====================