Wednesday, March 21, 2018

217>|| বাগান ||---fb

 217> || বাগান ||---fb

        <--আদ্যনাথ-->

বাগান করার আনন্দ,

দুরেযায় সকল দ্বিধা দ্বন্ধ।

মন থাকে সদাই অতি স্নিগ্ধ

আনন্দ পূর্ন ভেজা মাটির গন্ধ।


কোন মহান হৃদয়ের লেখা একটি লাইন

"One is nearer to GOD'S heart in a garden."

সত্যি ভগবানকে উপলব্ধি করার 

একমাত্র জায়গা সুন্দর বাগান।

বাগান মানেই যে ফুলে ফুলে ভরা 

বিশাল কোনো জায়গা হবে তা নয়৷ 


প্রকৃতিকে ভালোবাসলে, 

সামান্য জায়গাকে ভালোবেসে,

ছোট্ট বাড়ি বা ফ্ল্যাটে 

সুন্দর বাগানের গড়ে উঠতে পারে৷ 


সুন্দর  পরিবেশে ছোট্ট একটি বাগানে,

প্রকৃতিকে একান্ত করে কাছে পেতে,

প্রকৃতির সাথে খানিকটা বন্ধুত্ব গড়তে

মনখুলে গাছেদের সাথে কথা বলতে।


এমন স্বর্গীয় সুখে ডুবে থাকতে,

মনের আনন্দে বাগান করতে,

সেই পারে যে ঈশ্বরকে ভালোবাসে,

প্রকৃতিকে ভালোবাসে মনের বিশ্বাসে।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================



216 .||-কি হইবে সমাজের--||

216 .||-কি হইবে সমাজের--||----30/08/2017:::--



সমস্যা, সমস্যা, সমস্যা,
সমস্যায় জর্জরিত আজকের সমাজ।
জীবন মানেই সমস্যা, তাই নিয়ে চলছে সমাজ,
অন্তহীন সমস্যা নিয়েই ব্যস্ত আমাদের  সমাজ।

সমাজ প্রকৃতি আজ অসহায় অন্তহীন সমস্যা,
চলছে আমাদের ক্রমবর্ধমান জীবনের সমস্যা।
নারীর নারীত্ব,শিশুর জীবন,আর যৌবন,
সকলের সন্মুখে আজ সমস্যার জীবন।
নারীত্ব লইয়া সমাজের সমস্যার অন্ত নাই,
শিশুর জীবনে দিশার কুল কিনারা নাই।

শিশুর জীবন সমাজের ভবিষ্যতের অঙ্গ,
নারীওতো সমাজের এক বিশেষ অঙ্গ।
তথাপি সমাজে হউক বা গৃহে,নারীই সমস্যা,
নারীত্ব,মাতৃত্ব হউক বা নেতৃত্বে,নারীই সমস্যা।
রাজনীতিতে বা কর্মক্ষেতে ব্যস্ত আজ নারী,
তাহার ত্রূটি খুজিতে কতই না জারি জুড়ি।
বাড়ন্ত শিশু নির্যাতন,শিশু যৌন অত্যাচার,
নারী নির্যাতনের প্রকোপ ক্রোমবর্ধমান।

সাধুগন দিচ্ছেমন আজ অবাধ সঙ্গমে লিপ্ত,
ধ্যান তপস্যা সকলি কামের তাড়নায় লুপ্ত।
আজ সাধুগন যেন অন্যায় অত্যাচারের কারিগর,
সাধুর মুখোশের আড়ালে যেন কুটিল জাদুগর।
শিশু কিম্বা নারীশরীর সাধুদের লক্ষ মোক্ষ প্রাপ্ত,
সমাজ নিরন্তর ব্যস্ত খুঁজতে নারীর ত্রূটি পর্যাপ্ত।
আয়াস ও যৌনাচারে ভন্ড সাধুদের নাই জুড়ি,
সমাজে প্রীতিদিন বাড়ন্ত সমস্যা ভুঁড়ি ভুঁড়ি।

শিশুরাও পায়না মুক্তি সমস্যার কারণে,
শিশু মন হচ্ছে বিষাক্ত সাধুদের কুআচরণে।
বাড়ন্ত  সমস্যা সাধুদের নিয়ে,
সাধু লুটছে সর্বশ গুরু মন্ত্র দিয়ে।
শিশু পাচার,নারী বলাৎকারে সমাজ জর্জরিত,
সাধুদের আখড়া গুলি ব্যভিচারে প্রর্যবসিত।

শিশু মন সরল উদার ক্রমে হচ্ছে বিষাক্ত,
শিশু যৌনাচারে সাধুরা অতীব আসক্ত।
দিনদিন বাড়ন্ত নারীনির্যাতন শিশু পাচার,
সমাজ বিভ্রান্ত কি হবেএ সমূহের বিচার।
বিচারের মানদন্ড রাজনীতির পরিসরে,
সমাজ ব্যাকুল বিচারের পরিহাসের তরে।

কি হইবে সমাজের বর্তমানের তাড়নায়,
সাধুদের আশ্রম বলাৎকারি আখড়ায়।
কতসাধু ব্যস্ত আয়াসে সঙ্গমে লিপ্ত,
পরোয়া করেনা হলেও সমাজ ক্ষিপ্ত।
কিহবে বর্তমান সমস্যা জর্জরিত সমাজের,
ব্যাকুল হৃদয়ে শুধু আর্তনাদ সুধীজনের।
আমি অতি গন্ডমূর্খ কি বুঝি সমাজবৃত্তে,
শুনি বসে আর্তের ক্রন্দন নীরবে নিভৃতে।

একে একে সব বাবাই যাচ্ছে জেল,
যারা বাকি তারাও দেখাচ্ছে খেল।
 আসছে দিন সব বাবাই নাচবে ধীন ধীন,
জেলের ভেতরেই কাটবে দিন।
এও জানি ওদের হবে মুক্তি বাজিয়ে তুরী,
ওদের মাথায় আছে হাত নেতাদের ভুঁড়ি ভুঁড়ি।

||--©➽-ANRC--30/08/2917-------||
||========================||

Tuesday, March 20, 2018

215 .| |--মৃত্যু রে ডরাই কেন -||-

215 .| |--মৃত্যু রে ডরাই কেন !--||--12/07/2017::-[নাম পাল্টালাম ছিল উপলব্ধি ]

মৃত্যু,মৃত্যু, 
মৃত্যু রে ডরাই কেন ! 
জন্মকালে ছিলনা কোন ভয় ভাবনা, 
তবে মৃত্যুরে এত ভয় কেন? 
""জন্মিলে মরিতে হবে, 
অমর কে কোথা কবে।""

মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী,মানুষ মরণ শীল, 
এই শরীর একদিন পঞ্চভূতে হবে লীন।
কিছূই যাবেনা সাথে মৃত্যু কালে। 
যাআছে ধরাধামে আমার বলে, 
এসেছি একলা খালি হাতে, 
যাবও একলা খালি হাতে।

প্রতিপত্তি,অর্থ,সম্পত্তি যাই করেছি আয়, 
যেটুকু নিজে বহুকষ্টে করেছি সঞ্চয়, 
সকলি রইবে পড়ে অপরের তরে। 
কে জানে কে লুটে পুটে খাবে। 

এইসুন্দর ধরাধামে জন্ম, মৃত্যু, জীবন, 
কেবল মাত্র তিনটি পৃষ্ঠার কথন। 
জন্ম,মৃত্যুর রহস্য সেতো বিধাতার সাধ্য, 
মাঝের সময় টুকু নিজের কর্মেই আবদ্ধ। 
যেমনি কর্ম তেমনি ফল অবশ্যই হয় প্রাপ্ত, 
মানুষের কর্ম জীবনে জানি এটি চির সত্য।

মৃত্যুর পরেও সমাজে কারুর মস্তিষ্কে হয়তো, 
থাকবে একটু চিন্তার অবশেষ হয়তো।
একান্ত আপন কারুর হৃদয়ে হয়তো, 
থাকবে একটু প্রেমের ছোঁয়া হয়তো। 
কিলাভ তাতে? 
জীবন সার্থক হবে কি তাতে?

জীবনের সার্থকতা লাভের তরে,
দিতে হবে ভালোবাসা সকলের তরে। 
আর্ত জনে প্রেমের পরশ যদি দিয়ে যেতে পারি, 
কর্মের উদ্দীপনা যদি রেখে যেতে পারি। 
প্রদীপ স্বর্ণের কিংবা  মৃত্তিকার, 
কি আসে যায় তাতে। 
মূল্য কেবল অন্ধকার যেখানে, 
কতোটা প্ৰকাশ দিচ্ছে সেখানে।

সমস্যার সমাধান খুঁজি হেথায় হোথায়, 
কিন্তু সমস্যা যেথায় সমাধান ও সেথায়। 
বিপদ থেকে রক্ষার উপায় একটাই, 
সেটা যে সংযম তা জানি সবাই।

অন্যের উপরে দোষচাপিয়ে আরামে থাকা যায়, 
সেই দোষআরপ যখন হিংসায় পরিণত হয়, 
তখন চুপ থাকা টাও
অপরাধ রূপে গণ্য হয়।

মৃত্যুরে জানি,সেতো চিরন্তন, 
এহেন চিন্তায় না হয়ে ভীত অনুক্ষণ। 
সহজ সরল নির্ভীক জীবন কাটাতে, 
জীবনের কিছুসময় হোক ব্যয় সেবাতে। 
" শিব জ্ঞানে জীবের সেবা" তে আত্ম নিয়োগ, 
 সার্থক প্রচেষ্টা হোক  জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম যোগ। 
||-©➽ANRC---12/07/2017-----------||
||=========================||

214 .৷৷---আমরা ভাবি অনেক--৷৷-

214 .৷৷--আমরা ভাবি অনেক--৷--22/06/2017-------------(N)

আমরা ভাবি অনেক, //
আমাদের ভাবনাও অনেক। //
কার কি ভাবনা তারও খবর রাখি, //
ভাবনা গুলির গুরুত্ব অনেক জানি। //
ভাবনার কি আছে কোনো শেষ, //
সমস্ত বিশ্ব ব্রহ্মান্ড থেকে  দেশ। //
কোনটা কখন কেন দিতে হবে বাদ, //
সেটানিয়েও গড়ি অনেক প্রতিবাদ। //
তবুও ভাবনার নাই কোনো অন্ত, //
ভাবতে চাই সবকিছুর আদি অন্ত। //
ভাবনার জগতেই থাকতে ভাল বাসি, //
কিন্তু বর্তমান থেকে অতীত নিয়ে বেশি। //
অতীত গুলোই মনে দাগ কাটে বেশি, //
বর্তমানের দগ্ধতা হয়তো অনেকই বেশি। //
বহু জনে বলেন অতীত আমাদের চারণভূমি, //
মনেগেঁথে আছে   অতীতের ছবি ভুঁড়ি ভুঁড়ি। //
তবুও নিত্য নুতন কে ভুলি কি করে, //
অতীত নিয়ে করি তর্ক আলোচনা, //
বর্তমান নিয়ে গড়ি আন্দলন সমালোচনা। //
বাদ যায় না কোনচিন্তা স্পোর্টস থেকে স্পেস, //
রান্না ঘরথেকে রাজনীতি,ধর্ম থেকে ধর্ষন, //
দেশ থেকে বিদেশ, কি নাই আলোচনায়। //
ভাবনা নিয়েই তো আছে বাংলা চিরকাল, //
বাংলার  ভাবনা আজ বিশ্ব ভাববে কাল। //
তাইত বাংলার জয় জয়কার চিরকাল। //
৷৷-©➽--ANRC---22/06/2017----৷৷

৷৷=======================৷৷

213.।।--এইতো আমরা---।।

213 .।।--এইতো আমরা---।।25/05/17-----------(N)



দিতে এজেন্ডা,
খেতে হবে ডান্ডা।
এটাই আমাদের বাংলার,
আজকের ফান্ডা।
হুজুগে বাংগাল,
পেদানির কাঙাল।
হুজুগে মাতে জনতা,
ফটদা তোলে নেতা,
পেদানি খায় জনতা।

 প্ৰচারে নিজের নাম।
দেশ, মানুষ,
যাক জাহান্নামে।
শধু থাকলেই হবে,

নিজের ও পার্টির নাম। //
নেতাদেরই তো আছে, //
মান সম্মান অপমান। //
সাধারণ মানুষ. //

শুধু ভোটেই অধিকার। //
ভোট পার হলেই নেতা শের। //
আর সকলে মামুলি ভের। //
সাধারণ মানুষ, //

কিচাই, কেনচাই, কিহবে ওদের। //
শুধু দিক ভোট, //

আর পার্টির মিটিংয়ে বাঁধুক জোট। //
ব্যস তবেই উন্নতি, //

নেতার পকেট গরম। //
তোমরা থাক নিয়ে রোজকার, //

অশান্তি চরম। //
আমরা জোটবেন্ধে ভোট দিয়ে, //
পাল্টাই শাসকের পতাকার রং। //
মানুষ গুলো তো একই থাকে, //
পাল্টাতে পারি কি তাদের মনের রং। //
সেদিন কিআর আসবে, //
সকল রং ভুলে মানুষ, //

মানুষকে ভাল বসবে। //
মানুষ, মানুষের জন্যে //
প্রত্যেকে ভাববে অপরেরজন্যে। //
©➽=ANRC----25/05/17__::09:25 pm



||=======================||