215 .| |--মৃত্যু রে ডরাই কেন !--||--12/07/2017::-[নাম পাল্টালাম ছিল উপলব্ধি ]
মৃত্যু,মৃত্যু,
মৃত্যু রে ডরাই কেন !
জন্মকালে ছিলনা কোন ভয় ভাবনা,
তবে মৃত্যুরে এত ভয় কেন?
""জন্মিলে মরিতে হবে,
অমর কে কোথা কবে।""
মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী,মানুষ মরণ শীল,
এই শরীর একদিন পঞ্চভূতে হবে লীন।
কিছূই যাবেনা সাথে মৃত্যু কালে।
যাআছে ধরাধামে আমার বলে,
এসেছি একলা খালি হাতে,
যাবও একলা খালি হাতে।
প্রতিপত্তি,অর্থ,সম্পত্তি যাই করেছি আয়,
যেটুকু নিজে বহুকষ্টে করেছি সঞ্চয়,
সকলি রইবে পড়ে অপরের তরে।
কে জানে কে লুটে পুটে খাবে।
এইসুন্দর ধরাধামে জন্ম, মৃত্যু, জীবন,
কেবল মাত্র তিনটি পৃষ্ঠার কথন।
জন্ম,মৃত্যুর রহস্য সেতো বিধাতার সাধ্য,
মাঝের সময় টুকু নিজের কর্মেই আবদ্ধ।
যেমনি কর্ম তেমনি ফল অবশ্যই হয় প্রাপ্ত,
মানুষের কর্ম জীবনে জানি এটি চির সত্য।
মৃত্যুর পরেও সমাজে কারুর মস্তিষ্কে হয়তো,
থাকবে একটু চিন্তার অবশেষ হয়তো।
একান্ত আপন কারুর হৃদয়ে হয়তো,
থাকবে একটু প্রেমের ছোঁয়া হয়তো।
কিলাভ তাতে?
জীবন সার্থক হবে কি তাতে?
জীবনের সার্থকতা লাভের তরে,
দিতে হবে ভালোবাসা সকলের তরে।
আর্ত জনে প্রেমের পরশ যদি দিয়ে যেতে পারি,
কর্মের উদ্দীপনা যদি রেখে যেতে পারি।
প্রদীপ স্বর্ণের কিংবা মৃত্তিকার,
কি আসে যায় তাতে।
মূল্য কেবল অন্ধকার যেখানে,
কতোটা প্ৰকাশ দিচ্ছে সেখানে।
সমস্যার সমাধান খুঁজি হেথায় হোথায়,
কিন্তু সমস্যা যেথায় সমাধান ও সেথায়।
বিপদ থেকে রক্ষার উপায় একটাই,
সেটা যে সংযম তা জানি সবাই।
অন্যের উপরে দোষচাপিয়ে আরামে থাকা যায়,
সেই দোষআরপ যখন হিংসায় পরিণত হয়,
তখন চুপ থাকা টাও
অপরাধ রূপে গণ্য হয়।
মৃত্যুরে জানি,সেতো চিরন্তন,
এহেন চিন্তায় না হয়ে ভীত অনুক্ষণ।
সহজ সরল নির্ভীক জীবন কাটাতে,
জীবনের কিছুসময় হোক ব্যয় সেবাতে।
" শিব জ্ঞানে জীবের সেবা" তে আত্ম নিয়োগ,
সার্থক প্রচেষ্টা হোক জীবনের শ্রেষ্ঠ কর্ম যোগ।
||-©➽ANRC---12/07/2017-----------||
||=========================||