Wednesday, August 4, 2021

236>বন্ধুর খোঁজে =+বন্ধু প্রাপ্তি==--(1--5)

 236>বন্ধুর খোঁজে =+বন্ধু প্রাপ্তি

         2)বন্ধু প্রাপ্তি

          3)|| বন্ধু প্রাপ্তি ||

            4>শুভ বন্ধুত্ব দিবস,2021

             5>हैप्पी मित्रता दिवस।

========================

 831>বন্ধুর খোঁজে 


  1>|| বন্ধুর খোঁজে ||

      <-©➽-আদ্যনাথ-->

ঘরের বাইরে কাছে পেয়ে,

কাছের মানুষকে আদর করে,

ভালোবাসা দিতে ইচ্ছা করে

আনন্দে মন উজাড় করে।


এমন মিলনের আনন্দ মহলে

মনে এক আলাদা মাত্রা মেলে,

যে মাত্রার থাকেনা কোন সীমা

স্বর্গীয় আনন্দ সুরে বাজে হৃদয় বীনা।


হোক আনন্দ, হোক মিলন,

শত শত  রূপে নিত্য নুতন করে।

শান্ত মনের অতল তলে,

যেখানে খুঁজলে মুক্তা মেলে।


শান্ত সুন্দরে মাখা দক্ষিনা হওয়ায়,

দিকচক্রবালে সবুজের মেলায়।

দুহাত মেলে একান্ত আলিঙ্গনে,

হৃদয়ের গন্ধ, মনের শিহরণে।


এসোহে বন্ধু এসো, হৃদয়ের কাছে,

তোমার স্বপ্ন আজো মনে আছে।

আজও বসে একলা উদাস মনে

তোমার পরশ পাওয়ার লোভে।


দুরদেশে হয়তো নিজের গৃহে,

আজও মন সুন্দরকে খোঁজে।

তুমি সুন্দর, সুন্দর তোমার মন,

তুমি শ্ৰেষ্ঠ, সুন্দর থাকো অনুক্ষণ।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=======================


  2>|| বন্ধু প্রাপ্তি ||

        <-©➽-আদ্যনাথ-->

বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে

নিশ্চিত কিছু বিশ্বাসে,

অলিক স্বপ্নের আশ্বাসে,

মন ভ্রমরের হাসির উল্লাসে,

দুস্টুমিতে  কিছু জিজ্ঞাসে।

আমার চাওয়াতে কি যায় আসে?

নেহাত আছি তেপান্তরে

তাইত বোধহয় অমন করে।

হনুমান নই তো আমি,

কেমনকরে দেখাব বুকচিড়ে।

ভাবনা গুলোই ওলট পালট,

লিখেছিলাম কিছু ঠাট্টা করে।

বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে,

যেওনা আবার এজলাসে।


আজ যে আছে কালকে নাই,

সকলে কি পায় তেমন ঠাই।

নিত্যগোপাল হারিয়ে গোপাল,

ভোর বেলাতে গরুর খাটাল।

এমনি করেই বাড়ছে ভুঁড়ি

খাওয়ার তেমন নাইকো জুড়ি।

সেদিন হাট খোলার ওই হরিপালে,

প্রানের  বন্ধুর দেখা মেলে।

হরিহর আত্মা উভয় মিলে,

ভাবনা,মাছ ধরবে ঝিলের জলে।

গল্প গুজব অনেক হোল

সকলে মিলে হরি হরি বলো।

বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে,

হরিহর আত্মা প্রাণ খুলে হাসে।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================

  3)|| বন্ধু প্রাপ্তি ||

        <-©➽-আদ্যনাথ-->


বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে

নিশ্চিত কিছু বিশ্বাসে,

অলিক স্বপ্নের আশ্বাসে,

মন ভ্রমরের বিশ্বাসে।


দুস্টুমির কিছু স্বাচ্ছন্দে,

চাওয়ার কিছু পিছন্দে।

নেহাত আছি তেপান্তরে,

বোঝাই আমি কেমন করে।


আজ যে আছে কালকে নাই,

সকলে কি পায় তেমন ঠাই।

নিত্যগোপাল হারিয়ে গোপাল,

ভোর বেলাতে গরুর খাটাল।


এমনি করেই বাড়ছে ভুঁড়ি

খাওয়ার তেমন নাইকো জুড়ি।

সেদিন হাট খোলার ওই হরিপালে,

প্রানের  বন্ধুর দেখা মেলে।


হরিহর আত্মা উভয় মিলে,

ভাবনা,মাছ ধরবে ঝিলের জলে।

গল্প গুজব অনেক হোল,

সকলে মিলে হরি হরি বলো।


বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে,

হরিহর আত্মা হাসে প্রাণ খুলে।

হনুমানের মতন হলে পরে,

দেখাতে পারতাম বুকচিড়ে।


ভাবনা গুলো অদল বদল,

এসব কিছু  ঠাট্টা কেবল।

বন্ধু প্রাপ্তির উল্লাসে,

যেওনা আবার এজলাসে।


হতভাগা আমি ভবঘুরে,

ভাবনা আজ অনেক দূরে।

করোনা বাঁধলো আষ্ঠে পিষ্ঠে,

মারণ রোগ ধরলো অবশিষ্ঠে।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->


======================


  4>শুভ বন্ধুত্ব দিবস,2021

আগস্ট মাসে প্রথম রবিবার।

আজ ১লা আগস্ট রবিবার,

আজ বন্ধুত্ব দিবস।

সকলের বন্ধু হোক 

শ্রীকৃষ্ণ সুদামার মতন।


অনেক অনেক সুন্দর হোক

আজকের বন্ধুত্ব দিবস।

     <---আদ্যনাথ--->



5>हैप्पी मित्रता दिवस।

मित्रता दिवस की मेरा हार्दिक

शुभकामनायेँ।


आज 1ऑगस्ट 2021रविवार।

आज मित्रता दिवस।

आप सभी की मित्रता बनी रहे

श्री कृष्ण ओर सुदामा की तरह।

    <-----ए एन राय चौधुरी---->





Tuesday, March 26, 2019

299> || পরোয়া করিনা ||

 
 299> || পরোয়া করিনা ||

  আমি কোন পরোয়া করিনা,
              কে কি ভাবছে,
              আমাকে নিয়ে।
          আমার ভাবনা একটা,
          আমি কখনো কারুর,
          কোন অনিষ্ঠ চাইনা।
                 <---©-আদ্যনাথ--->
--    ================  - - -

আমায় নিয়ে কেকি ভাবছে ভাবুক,
আমি কোনো পরোয়া করিনা।
কে কি বললো তাও ভাবিনা,
আমি ঐসকল চিন্তাই করিনা।

আমার ভাবনা সকলের ভালো হোক,
সকলের হৃদয় আনন্দ পূর্ণ হোক।
ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুক,
মানুষ মাত্রেই ঈশ্বরের প্রতি রূপ।
জীব মাত্রেই "শিব",
মানুষ সর্ব শ্রেষ্ঠ জীব।
   <---©-আদ্যনাথ---> 【--anrc-26/03/2019--】
            01:24:12 am
     ______________________
==========================
मुझे कुछ फर्क नहीं पड़ता,
मेरे बारेमे कोन क्या सोचता।

             जानते हैं मेरा सोच
                    हैं केया,
में किसिका कभी कोई बुरा नहीं चाहा।
                   ANRC
          २६/०३/२०१९: ०२:१०:११am
===========================

Monday, March 25, 2019

298>|| তোমরা ভালো থেকো ||

  298>|| তোমরা ভালো থেকো ||
                 <-----©-আদ্যনাথ--->

কি এতো ভাবছো আমাকে নিয়ে,
কই আমিতো পারিনা একটুও
ভাবতে তোমায় নিয়ে।
আমি জানি তোমার আছে অভিমান,
কোনদিন দিতে পারিনি
তোমার ভালোবাসার প্রতিদান।

কিকরি বলো
তুমিতো সকলি জানো।
কালকে গিয়েছিলাম
ঝাড়খণ্ডের ঐ প্রত্যন্ত গ্রামে।
দেখলাম ---
নানা রোগে অনাহারে
ভুকছে চারটি পরিবার।

যেটুকু ছিলো সম্বল,
কোনমতে ওদের মুখে
একবেলা কিছু যোটালাম।
জানো ডাক্তার সরকার,
নিজেই রাজি হলেন যাবে সেখানে।

এইতো দেখে এলাম,
ওনারা কতো ওষুধ প্যাক করছে।
ওদের চোখে মুখে কি আনন্দ,
আমিতো ভাবতেই পারিনা
কিসের এতো আনন্দ ওদের।

তবুও হোক ঐ শিশু গুলি
পাবে তো একটু চিকিৎসা।
বুঝতেই পারছ,
ঔষদের চিন্তা মিটেছে,
হোকনা ক্ষণিকের তরে।
এবার ওদের ভাতের চিন্তা
সেটা মিটাই কি করে।

একি তুমি একি করছো,
না না এটা ঠিক হবেনা,
ঐ বালাটা তোমার বাবার দেওয়া।
ওতে কতো স্মৃতি জড়িয়ে,
আমি পারবনা ওটি বেচতে।
বরঞ্চ আমায় দেও,
আমার সেই স্কুলের মেডেল টা
কি হবে ওটি দিয়ে ,
বাক্সেইত বন্ধ পড়ে আছে,
আজ নাহয় সত্যি কারের কাজে লাগবে।
কতগুলো মানুষের মুখে ভাত যোটাবে।

ঐদেখো তোমার ছেলে আসল ,
ভালই হোল তুমি এলে
ঠিক সময়ে।
তুমি তোমার মাকে একটু দেখো
আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে।

হ্যাঁ আমিজনি ঘরে চাল ডাল বাড়ন্ত
তোমার মা যেটুকু ফুটিয়ে ছিলো
নিজের জন্য,
তাও আমাকে খাইয়ে দিল জোর করে।
তুমি একটু তোমার মাকে দেখো
আমাকে যেতে হবে অনেক দূরে,
আসবো ফিরে কোয়েক দিন পরে।

একি এতো টাকা
কেন দিচ্ছ আমাকে
এদিয়ে বরঞ্চ তোমার মাকে
একটু ডাক্তার দেখাও,
ও বোধহয় ভুগছে বেশ কদিন ধরে
ঘরে কিছু আনাজ কিনে
আগে খাওয়াও তোমার মাকে।
আমাকে টাকা নাদিলেও হবে,
আমাকে জে যেতেই হবে।
আমি নাগেলে ঐ পরিবার গুলো
নাখেয়েই মরে যাবে
অসুখে ভুগে।
তাই আমাকে যেতেই হবে।
আমি চলি
তোমরা ভালো থেকো সকলে।

        <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc--26/03/2019--】
     【=সকাল:04:08:18am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
========================

শঙ্কর দা জানালেন মতামত,
অপূর্ব " তোমরা ভালো থেকো "
মনটা নাড়া দিয়ে গেল ।

Sunday, March 24, 2019

297>|| জীবন-সঙ্গী ||

 
          297>|| জীবন-সঙ্গী ||
                  <----আদ্যনাথ--->

শরীরই একমাত্র সত্য জীবন-সঙ্গী,
শরীর নাথাকলে কেউ রবেনা সঙ্গী ।
শরীর যেদিন দেবেনা আর সারা
সকলেই যাবে দূরে কাছে ছিলো যারা।

নিজের শরীরের দায়িত্ব নিজেতেই বর্তায়,
কেউ ভোগেনা অন্যের কষ্ট কোন উপায়
সুখাদ্য, পানীয় সকলি শরীর সুস্থ রাখতে,
শুভ চিন্তা, মন ও ভাবনা সুন্দর রাখতে।

জপ ধ্যান, মনের একাগ্রতার তরে,
ব্যাম, যোগা শরীর সুস্থ রাখার তরে।
শুভ কর্মে গড়ে ওঠে সুন্দর জীবন,
শুভ চেতনায় সুন্দর হয় সমাজ জীবন।

মনের একাগ্রতায় মস্তিষ্কের বিকাশ,
মনের একাগ্রতায়  জ্ঞানের বিকাশ,
মনের একাগ্রতা মানষিক শক্তির উন্মেষ
মনের একাগ্রতা স্মৃতিশক্তির সহায়ক।

জন্ম থেকে মৃত্যু শরীরই সঙ্গে থাকে,
অর্থ,ধন সম্পদ মরনে সকলি পরে রবে।
মিথ্যা অহঙ্কার রাগ হিংসা দ্বেষ,
এ সকল মিলে জীবনকে করে শেষ।

সার্থক জীবন-সঙ্গী নিজের শরীর,
জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ নিজের শরীর।
মানুষই ঈশ্বর হন শরীকে নির্ভর করে,
অসীম শক্তি নিহিত শরীরের ভিতরে।

পঞ্চভূতে নির্মিত শরীর প্রকৃতির সৃষ্টি,
স্থূল শরীর অন্নময় কোষের সমষ্টি।
শরীর নিশ্চিত একদিন শেষ হয়ে যাবে,
শুভ কর্ম,শুভ চিন্তায় জীবন অমর হবে।
       <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
      11/08/2019;;11:36:15pm
==========================

  

Thursday, March 14, 2019

296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||

   296>||- বিদ্যার্থী জীবন- ||
          <---©-আদ্যনাথ--->

"বিদ্যা দদাতি বিনয়ম্ !
শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম্ !" -


বিদ্যার্থী দেশ ও জাতির সম্পদ,
বিদ্যার্থীর পরিচয় তার  মনুষ্যত্বের।
শিক্ষার চূড়ান্ত ফল সহনশীলতা,
মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা।

বিদ্যা শিক্ষাতে হয় জ্ঞানের প্রকাশ,
খেলা ধুলা ব্যামে হয় শরীরের বিকাশ।
স্বচ্ছ  চিন্তা সম্ভব স্বাস্থ্যবান্ শরীরে,
নির্মল সুন্দর চিন্তা সমাজ কল্যাণের তরে।

নিত্য ক্রীড়া কৌশল ও শরীরচর্চা,
বিদ্যার্থী জীবনে উচিত রোজ নামচা।
সুশিক্ষা, সুন্দর শরীর সুঠাম
এমন বিদ্যার্থী সমাজে একান্ত মূল্যবান।

একনিষ্ঠ সাধন ও কর্মনিষ্ঠ বিদ্যার্থী জীবন,
প্রত্যহ নিজ কর্মের উচিত পর্যবেক্ষণ।
ক্রোধ,আনন্দ,দুঃখ,কষ্ট, জিবনে অপরিহার্য,
সকলি জীবন যুদ্ধে সময়ের ধর্ম।

শিক্ষা দিয়ে জীবন শুরু স্বাস্থ্যই সম্পদ,
প্রকৃত শিক্ষাইতো দেশের সম্পদ।
শিক্ষার পূর্ণতা হয় নম্রতার গুণে,
অহঙ্কার বর্জিত শিক্ষা নম্রতা দানে।

বিদ্যার্থী জীবনে শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠা শ্রেষ্ঠ ধর্ম,
অহঙ্কার,জীবনের চরম শত্রু ও দুষ্কর্ম।
পিতা মাতা শিক্ষাগুরুই বিদ্যার্থীর শরণ্য,
শ্রদ্ধাবান বিদ্যার্থী সদাই বরেণ্য।

নদীতো চায় ঝর্নাকে সমুদ্রে পৌঁছে দিতে,
ঝর্না বলে বিশাল হতে সমুদ্রে গিয়ে,
বিশালতার লোভে লবণাক্ত হবার থেকে,
ছোট হয়ে মিষ্টি থাকাই শ্রেয়।

গুন ও কর্মই মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয়,
জাতপাত ধর্ম  অহঙ্কার বাড়ায়।
রূপের সৌন্দর্য ক্ষণিকের তরে,
সময়ে শুকনো পাতার মত ঝড়ে পরে।
গুনের সৌন্দর্য চিরকাল রয়,
সময়ের সাথে গুণের সৌন্দর্য ক্রমে বাড়ে।

রুপে মুগ্ধ হয় লোভী,
গুণে মুগ্ধ হয় জ্ঞানী।
বিদ্যার্থীর জ্ঞান শিক্ষার গুনে,
বিদ্যার্থী আদরনিয় তার শ্রদ্ধার গুণে।

     <---©-আদ্যনাথ--->
 【--anrc--19/03/2019 --】
     【=সকাল:08:08:12=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56-】
===========================

Wednesday, March 13, 2019

295>||- চিন্তার গুরত্ব ||


295>||- চিন্তার গুরত্ব ||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

চিন্তার শক্তি অসীম।
আবার এমনও  বলাহয়
চিন্তা চিতার সমান।
আসলে
চিন্তার শক্তি অসীম,
যে শক্তি ব্যর্থ নাহি  যায়।

মনুষ্য শরীর বহু শক্তির আঁধার ,
সেথা চিন্তা শক্তির শক্তি অপার।
চিন্তা শক্তি বা চিন্তার কম্পন বলয়,
জল তরঙ্গেরন্যায় প্রবাহ হয়।

সর্বদা সকলের শুভ চিন্তাই করতে হয়,
শুভ চিন্তায় গভীরতা রাখতে হয়।
চিন্তা যদি পসিটিভ চিন্তা হয়,
এবং একাগ্র চিত্তের চিন্তা হয়,
তবে নিশ্চিত শুভ ফল লাভ হয় ।
সাথে নিজেরও কল্যাণ হয়।

সেইরূপ অশুভ বা অকল্যাণ চিন্তন,
মন হয়েযায় উচাটন।
ক্ষনিকের তরেও অকল্যাণ চিন্তা যদি হয় ,
কারুর অকল্যাণ হোক বা নাই হয় ,
নিজের অকল্যাণ নিশ্চয় হয়।

তাইতো সদা শুভ চিন্তাই মনুষত্বের লক্ষণ।

একটি অতি সাধারণ কাজ যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই লক্ষ্য কিরি,
যেমন আমরা যখন কোন পূজার ভোগ প্রসাদ খাই তখন এমনটাই পাই যে
ভোগ প্রসাদ অপূর্ব স্বাদিষ্ট হয়।
আমরা ভাবতে পারি যে যিনি রান্না করেছেন তার হাতের গুনেই এমন স্বাদিষ্ট
অথবা কোনো ভালো মশলা ব্যাবহার হয়েছে।
এমন ধারণা মোটেও ঠিক নয়।
কারণ আমরা যদি ওই একই রাধুনি দিয়ে একই মশলা ব্যবহার করে নিজেদের খাবার জন্য
রান্না করাই তাতে কিন্তু স্বাদ হবে অন্যরকম। ওই ভোগের প্রসাদের মতন স্বদিস্ট হবেনা।
একই লোক রান্না করলো একই মশলা দিয়ে, তথাপি স্বাদে পার্থক্য হলো কেন?
এমন হবার কারন খুবই সাধারন। সে হলো ওই চিন্তা শুভ চিন্তা।
যখন ভোগের প্রসাদ রান্না হচ্ছিল তখন রাধুনী এবং অন্য সকলের চিন্তা ছিল ঈশ্বরের প্রতি ,
ভগবানের ভোগের প্রতি।
সকলের শুভ ও সুন্দর চিন্তার কারণে কতো গুলি শুভ পজেটিভ চিন্তা তরঙ্গের
মিলিত প্রভাবের  শুভ শক্তি ভোগের প্রসাদের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।
আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবো যে বাড়িতে মা যখন রান্না করেন
তার স্বামীও সন্তানদের জন্য তখন সেই রান্নার স্বাদ আর কাজের লোক দিয়ে রান্না
করলে তার স্বাদ অনেক পার্থ্যক্য হয়।
এর কারণও ওই রকম ,কারণ মা নিজের স্বামী স্বন্তান দেড় জন্য যে মন ও চিন্তা
নিয়ে রান্না করেন, কাজের লোকের  সেই মন ও চিন্তা থাকে না। ফলে রান্নার
স্বাদ পার্থক্য হবেই।
তবে আবার মজার ব্যাপার এটাই যে হয়তো কাজের লোক রান্না করছেন এবং
মা নিজে রান্না  ঘরে ঐ রান্না করার সময় উপস্থিত আছেন ,এবং মা তখন ওই
রান্নার বিষয়ে চিন্তা করছেন তখন কিন্তু আমরা মায়ের রান্না করার স্বাদই পাবো।

এমন টাই হয় সকল ব্যাপারে।
চিন্তার শক্তি কাজকরে সূক্ষ্ম রূপে তার অদৃশ্য তরঙ্গের মাধ্যমে।
আবার এমনটাও দেখা গেছে যে নিজের কাছের কেউ যেমন নিজের সন্তান
হয়তো দিনের পড়দিন ঠিক আমার মনের মতন কাজ করছে না।
আমার ইচ্ছা সে আমার মনের মতন চলুক বা কাজ করুক ,কিন্তু এই বিষয়ে
তাকে বার বার বলেও কোন লাভ হচ্ছেনা।
তখন আমরা যদি মনে মনে একাগ্র চিত্তে সদা সর্বদা তার শুভ চিন্তা করি
এবং আমার যা বলবার তা যদি বার বার তার মঙ্গলের কামনা করে তার জন্য
শুভ চিন্তা করে প্রার্থনা করি তবে এই শুভ প্রার্থনার চিন্তার  ফলে সন্তানের
পরিবর্তন হবেই হবে।
যে কাজ মুখে বলে হয়নি প্রার্থনার শুভ চিন্তার দ্বারা
সেই কাজ সহজেই হয়ে যায়।
আমার এই লেখার সত্যতা যেকেউ পরীক্ষা করে দেখলেই জানতে পারবে।
                                                                                             আদ্যনাথ

            <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================

Tuesday, March 12, 2019

294>||-সুখ সুখ সুখ-||



294>||-সুখ সুখ সুখ-||
            <-----©-আদ্যনাথ--->

সুখ সুখ সুখ------
ছিলাম নিতান্ত অন্ধকারে,
তাইতো সুখের সন্ধানে,
ভ্রমিলাম দেশ দেশান্তরে।
সুখ যে আছে নিরালায় বসে
নিজ অন্তর দেশে।
বুঝিনাই আগে ,
তারে খুঁজিলাম বৃথাই বাহিরে
অজ্ঞান অন্ধকারে ভ্রমে
ঘুড়িলাম দেশে দেশে ,
ব্যর্থ পরিশ্রমে।

সৎ, চিৎ, আনন্দ,
সত্যম্,  শিবমম্, সুন্দরম্,
অস্তি, ভাতি, প্রিয়,
হলেও ভিন্ন ভিন্ন,
মুলেতে কই সত্তার অঙ্গ।
নিত্য যাহা কিছু তাই তো আনন্দ ,
যেখানে জ্ঞান সেখানেই আনন্দ।

আনন্দইতো আত্মার স্বরূপ,
জীবাত্মার স্বরূপ।
এহেন আনন্দ ময় স্বরূপের সাক্ষাৎকার ,
এইতো জীবনের লক্ষ্য।
এখানেই হয় আত্ম দর্শন ,
এখানেই হয় সকল আনন্দের কর্ষণ।
বুদ্ধিই পারে করতে এই আনন্দের বিশ্লেষণ,
বুদ্ধির দ্বারাই বাড়ে আনন্দ উপলব্ধি আকর্ষণ।

একবার বোধে বোধ হলে ,
সকল বাঁধা যাবে দূরে চলে।
ভয় থাকেনা বিপথ গামী হবার ,
জাগতিক সকল সুখের হয় অধিকার।
জাগতিক সকল সুখ,দুঃখ,
সমাহিত হয় তার অন্তরে।
তখন কার সাধ্য তারে বিচলিত করে।

 <-----©-আদ্যনাথ--->
     【--anrc-11/03/2019--】
     【=রাত্রি:10:10:22pm=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================