Thursday, April 19, 2018

259>|| SV2 এর আমরা কজন (1 to 6 )

259>||
|1>|--SV2 এর আমরা কজন,||
2>আমাদের আড্ডা
3>||-Senior Citizens' Forum
Shyam Vihar Phase -2.--||
4>||SV2 পুজোর আনন্দ2019 ||
5>আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
6>মুখোরোচক আড্ডা::---


 =============================
1>||-SV2 এর আমরা কজন,||

অবসর জীবনে চলে আমাদের
রোজকার আড্ডাটা,
প্রাই থাকেনা মনে।
সকাল বিকেল,
প্রায়শই মনে হয় পরে,
তাই ভুলেযাই সময় কখোন।
এমনি করেই আড্ডাটা পরে যায় ফাঁকি।
পরে একালা বসেই সময় কাটাতে থাকি।

আসলে
সময়ের বাঁধনে বেঁধে ছিলাম
37টি বছর চাকুরী জীবন।
অবসর জীবন কাটুক
সময়কে ভুলে বেহিসেবী জীবন।
সেদিন ছিল সময় নিয়নের বাঁধনে
দায়িত্ব ছিল অনেক ।
আজ ভুলে যেতে চাই
সকল দায়িত্ব নিয়ম কানুন জতেক।
ভাবা হবে ভুল উচ্ছ্রিঙ্খল জীবন,
পাখা থাকলে ভালো হোত বিহঙ্গের মতন।
উড়েই বেড়াতাম মনের মতন,
জেদিগে চায় উন্মুক্ত মন যখোন যেমন।

সময়ে পারিনা সময় দিতে সকলের সাথে,
তাই বুঝি অসময়ে ভুগি
বিরহ বেদনাতে।

আকুলি ব্যকুলি মনের কতোনা ভাবনা,
নিরালায় গেঁথে চলি
স্বপ্নের মালা,ভাবনা।

যেদিন জমে জমাটিয়া আড্ডাটা,
সকলেই হাঁসে হৃদয় খুলে,
দিনভরের ক্লান্তি,অবসাদ,
সকলি নিমেষে মিলায়ে যায়।

আড্ডাটা জরুরি অবসর জীবনে,
সকাল সন্ধ্যা,এক ঘন্টার মিলনে।

নাই যৌবনের নচ্ছারতা
তবুও চলে গল্প।
কথা মালার না থাকুক মাথা মুন্ডু,
চলে হাসির প্ৰকল্প।

এমন আড্ডাটা জখোন হয় ফাঁকি
অনুশোনায় সাঁতরে চলতে থাকি।
||--22/11/2017::---------||
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【--2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56=】
||=====================||
2>আমাদের আড্ডা

আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
সকাল সন্ধ্যায় চলে আড্ডা,
এমনিকরেই কাটে দিন,
আড্ডাটা জমে সন্ধ্যায়।

আজকাল হয়েছে শুরু,
তাস, টি টি আর দাবার ফান্ডা,
আমি একা ইনডোরে আনাড়ি,
বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

দিন কেটে যায় সংশয়ে,
মনের ভেতরে স্রোত বয় সংশয়ে,
দিন প্রতিদিন পারহয় সংশয়ে,
সংশয়ের বোঝা বেড়েই চলে সন্ধ্যায়।

আমাদের ষাটোত্তরের আড্ডা,
আগে চলতো হাসির ও গল্পের আড্ডা,
আজকাল চলে ইনডোর প্রচেষ্টা,
আমি একা বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

আড্ডার সময় আড্ডা
নো তাস, নো দাবা, নো টিটি
আড্ডার আগে পরে
বা অন্য সময়ে ওসব
চলতে পারে।
ইনডোর খেলা ওতি প্রয়োজন।
স্বাস্থ ও মাথা উভয়ের উপকার।
আড্ডায় কিন্তু মাথা ও মন
ধুয়ে যায় সবাকার।
তাই যেমন চলছে চলুক,
কোনো দোষ নাই।
আমার লেখা শুধু
আমার মনের বিকার।
ওনিয়ে চিন্তা করা ই বেকার।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
||--07/12/2017::-------||
【--2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56=】



||=========================||

3>||-Senior Citizens' Forum
Shyam Vihar Phase -2.--||

অনেক চিন্তা প্রসূত ভাবনায় উঠেছিল গড়ে,
আমাদের শ্যাম বিহার ফেজ 2 আবাসনে,
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের শুভ চেতনা।
কিন্তু সদস্যদের চেতনায় ছিল ভাটার টান,
তাই আজ এমন ভাবনার হতে চলেছে অবসান।
অজুহাত সদস্যদের গর উপস্থিতি অনেক,
আসলে সদস্যদের হয়নি চেতনার উদ্রেক।
সদস্য ছিলেন অনেক কিন্তু অভাব মনের টানে,
তাই ব্রেক ডাউন বাসের মতন দাঁড়িয়ে এক স্থানে।
কন্ডাক্টার, টিকিট কেটেছিলেন সকলের,
যাত্রীরা নির্বাক দুরন্ত, রাজধানীর কবলে।
বসন্ত আগমনের পূর্বে প্রেমদিবসের তাড়নায়,
ভাটা পড়লো সি সি ফোরামের শুভ চেতনায়।
টিকিটের মূল্য দেওয়া হবে ফেরত,
ক্যাশিয়ার,সেক্রেটারির মারফত।
হলেও দেবনা দায়ক,
নিদারুণ সত্যকে মেনে নেওয়াই সহায়ক।
শ্যাম বিহার ফেজ 2 আবাসনের সি,সি,ফ, বাস
গন্তব্যের দিগে এগোবার আর নাই কোন আশ।
তাই আজ এমন অপমৃত্যু শুভ চেতনার,
নাড়িয়ে দেবেনাকী আবাসনের বয়ঃচেতনার।
ভাবাবে নিশ্চই আগামী দিনে------------
এমন চিন্তা আছে আমার মনে।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
-SV-2//-6-2A----12/02/2018----||
【---2018--】
【=রাত্রি:01:08:22=】
【=কোলকাতা -56
==========================

4>||SV2 পুজোর আনন্দ2019 ||

শ্যাম বিহার ফেজ2 পুজোর আনন্দ,
মহা ষষ্টির আকর্ষন অনন্দ মেলার ছন্দ।
এবার আকর্ষনে পরল ভাটা ,
আনন্দ মেলার রেসিপি কনটেস্ট টা গেল কাটা।


চলেছে ভালো খাবার, খাবারের মেলা,
ঠিক জেন ঠেলাওয়ালা দের সাজান ঠেলা।
আসলে ষষ্টির আনন্দের মুল ওই কনটেস্ট,
কতো নুতন খাবারের রকমারি টেস্ট ।


সেই টান টান উত্তেজনা বিচারকের বিচার,
নুতন কিছু খাবার বানিয়ে দেখাবার।
সেই উত্তেজনার মুহুর্তটাই গেল হারিয়ে,
রইল কেক, চাট, দৈ বড়া বিক্রি হাকিয়ে।


তাই আর আনন্দ মেলা নয়,
এর পর থেকে হবে ভুঁড়ি ভোজ মেলা।
মিলবেনা আর নূতন খাবারের স্বাদ,
ষষ্টির আকর্ষন আনন্দটাই দিয়ে দিল বাদ।


এবারের মেলা ঠিক যেন
নুন বিহীন ডিমের মতন স্বাদ,
আনন্দ মেলার প্রান টাই দিল বাদ।
ভুড়ীভোজ আর ঠেলার খাবার,
আনন্দ নয় খাবার বিক্রির বাজার।


এবারের শুরুটা কেমন যেন ফাঁকি,ফাঁকি
ষষ্ঠীর সন্ধাটা কাটা কুটি ফাঁকি ।
এখনো তিন দিন বাকি,আর কত দেবে ফাঁকি,
শ্যামবিহার ফেজ2 পুজোর অনন্দ এবার
কিছুটা হলেও অনেকটাই হবে মাটি।


আমাদের শ্যামবিহার ফেজ2 পুজোর আনন্দ,
শুরুতেই বেসাতী বেসাতী গন্ধ।
হারিয়েছে পুরাতন প্রান খোলা আনন্দ,
বেসাতীতেই বুঝি সকলের আনন্দ।


এবার শুরুতেই হৃদয়বিদারক ছাট কাট,
খাবারের ঠেলা সাজিয়ে বেসাতীর ঠাট বাট।
প্রান,মন,হৃদয় উচ্ছাসের অফুরন্ত আনন্দ,
হারিয়েছি সেই সাবেকী হৃদয়ের আনন্দ
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
04/10/2019
রাত্রি 02:25:18--
শ্যামবিহার ফেজ2
=============================

5>আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
সকাল সন্ধ্যায় চলে আড্ডা,
এমনিকরেই কাটে দিন,
আড্ডাটা জমে সন্ধ্যায়।

আজকাল হয়েছে শুরু,
তাস, টি টি আর দাবার ফান্ডা,
আমি একা ইনডোরে আনাড়ি,
বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

দিন কেটে যায় সংশয়ে,
মনের ভেতরে স্রোত বয় সংশয়ে,
দিন প্রতিদিন পারহয় সংশয়ে,
সংশয়ের বোঝা বেড়েই চলে সন্ধ্যায়।

আমাদের ষাটোত্তরের আড্ডা,
আগে চলতো হাসির ও গল্পের আড্ডা,
আজকাল চলে ইনডোর প্রচেষ্টা,
আমি একা বসে বসেই কাটাই সন্ধ্যায়।

আড্ডার সময় আড্ডা
নো তাস, নো দাবা, নো টিটি
আড্ডার আগে পরে
বা অন্য সময়ে ওসব
চলতে পারে।
ইনডোর খেলা ওতি প্রয়োজন।
স্বাস্থ ও মাথা উভয়ের উপকার।
আড্ডায় কিন্তু মাথা ও মন
ধুয়ে যায় সবাকার।
তাই যেমন চলছে চলুক,
কোনো দোষ নাই।
আমার লেখা শুধু
আমার মনের বিকার।
ওনিয়ে চিন্তা করা ই বেকার।
=====================
||------ANRC-----07/12/2017::--------||
||=========================||




6>মুখোরোচক আড্ডা::---

শ্যমবিহারফেজ2 বয়স্কদের আড্ডা অবসর,
চলছে তাস,টিটি,ও দাবার,আসর।
যেন পুরোনো দিনে ফিরে তাকাবার চেষ্টা।
আগে তাস চলতো শংকর দা ওনারা তিনজন,
আজকাল ওনাদের আনাগোনা নাই ঠিক মতন।
শংকর দা তো থিয়েটার পাগল তাই ব্যস্ত।
কারুর কারুর টি টি তেই মন,
কোমরে ব্যাথা,পিঠে ও হাথুতেও ব্যথা,
তবুও টি টি চলছে ওনাদের মতন।
চক্রবর্তী দা আনলেন তাস পেকেট এক গোটা,
বর্মন দা কিনলেন দাবার গুটি ও কোটটা।
কখনো দাবা কখনো রং মেলেনি ফিস,
আজকাল ক্লাবে রোজ সন্ধ্যায় চলেবেশ।
আসর তেমন জমেনা সেটাই বিশেষ ভাবনা,
আমরা সিনিয়র মেম্বার পঞ্চাশ জন,
আগে আসতো আড্ডায় নয় কি দশ জন।
দিন দিন সংখ্যা কমছিল,
শীতের হাওয়া আরো কমিয়ে দিল।
এখন আমরা জনা চার পাঁচ জন,
তাইতো ওনারা খেলায় দিয়েছে মন।
গ্রীষ্ম কালে ব্লক2এর নিচে বসত আড্ডা,
চেয়ারে গোল হয়ে চলত জনা দশের আড্ডা।
তারপরে শুরু হলো মশার বার বাড়ন্ত
আমরা এন্ট্রি নিলাম ক্লাব ঘরে শেষ পর্যন্ত।
এখানেও চলছিল বেশ,আড্ডার আবেশ,
তারপরেই শুরু হল শীতের আবেশ।
আমাদের সংখ্যাও কমলো অনেক,
এখন নিরস ওই আড্ডায় খেলা চলছে বেশ।
গড়া হয়েছিল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম,
এইতো কদিন আগেও মঙ্গলবার যোগ দিতাম।
ভেবেছিলাম এবার জমেউঠবে আড্ডাটা,
কিন্তু হায় মেম্বারের এভাবে ভেস্তে গেল আড্ডাটা।
বর্মন দা, কানুনগো দা, চক্রবর্তী দা, মজেছেন তাসে,
টি টি খেলা রায়চৌধুরী দা ও আলোক দার পাসে।
আমি একা বসে উপভোগ করি ওনাদের খেলা
টিটিতে ভয় হাটু ব্যাথা,তাসের জানিনা কোন খেলা।
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামএর আয়ু বাড়ন্ত
জন্মের পরেই হোল বোধ হয় অন্তিম অন্ত।
মাঝে কিছু কাগজ খাতায় খচ খচ
সকল কিছুই বোধহয় হয়েগেল হচপছ।
জানুয়ারির দশেতে হবে চড়ুইভাতি,
সেখানে জড়ো হবো সকলের সথে।
দেখাযাক যেমন জমে এবারের পিকনিক,
আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সৈনিক।
||---©➽---ANRC-------21/12/2017:::---------||
||============================

258>||--গৃহ সুখের সন্ধানে--||--23/11/2017-


258>||--গৃহ সুখের সন্ধানে--||
                <---আদ্যনাথ--->
বর্তমানের ডিজিটাল কর্ম ব্যস্ত জীবনে,
গিন্নিকে সামলাতে হয় ঘর অতি নীরবে।
সাংসারিক ঝামেলা সাথে স্বামী নামের 
চাকুরী রত অহংকারী মানুষ টিকে।
তাই হয়তো----বোধহয় এটাই সত্য,
গৃহিণীর  রান্না করতে করতে 
হয় মাথা গরম।
আর--
বোধ হয় রান্না ঘরে কর্তাদের 
মাথা থাকে ঠান্ডা ও মনটি নরম,
কারন গিন্নীকে খাওয়াবে গরম গরম।
খাওয়াতে পারলে গিন্নীকে গরম গরম,
গিন্নির মাথা হবে ঠান্ডা মনটি হবে নরম।
তখনই লাভ হবে আনন্দ চরম।
গিন্নির ঠান্ডা মাথায় গৃহ লক্ষ্মী বসেন,
গিন্নির আনন্দিত মনে গৃহে শান্তি থাকে,
গিন্নির উদার হৃদয়ের আওভানে স্বামী বসে থাকে।
গিন্নির হৃদয়ে ই তো মৌ চাক থাকে।
মৌ এর নেশাতে স্বামী বিভোর হয়ে থাকে।
তাই বোধ হয় আজকাল প্রাই স্বামীগন
রান্নাঘরেই মন দিয়ে থাকে।
||---ANRC------23/11/2017:::----------||
||=======================||









257>||--একটু সচেতনতা--||::21/11/2017:


257>||--একটু সচেতনতা--||:---


আজ ক্রুধ্য বুঝি আমাদের আকাশ,
প্রকৃতিও মলিনতায় ঢাকেছে প্রকাশ।
পরিবেশ চাইছে প্রতিশোধ নিতে,
আমাদের কৃত কর্ম ফিরিয়ে দিতে।

আমরাই করে চলেছি বিষাক্ত পরিবেশ,
নিত্য অবহেলায় করছি বায়ু ও শব্দ দূষণ।
আমাদের পরিবেশের বন্ধু সকল,
কীট পতঙ্গ পশু পাখি সকল।

আমরা শিক্ষার করি বড়াই,
করি জ্ঞানের অহংকার।
অথচ নিত্য করি অবহেলনা পরিবেশকে,
ভাবিনা পরিবেশ সচ্ছতা নিতান্ত দরকার।

মানুষ হয়েও গড়ে চলেছি মানুষ মারার কল,
দিন প্রতিদিন করে চলেছি অজস্র গড়ল।
বিজ্ঞ জন বিজ্ঞানকে দিয়ে দোহাই,
করেচলেছেন প্রকৃতিরে ধংশ অবিরল।

আমরা মানুষ নিজেকে ভাবি উন্নত,
কীট, পতঙ্গ,পরজীবীরাও বাড়ন্ত।
আমাদের নিত্য নুতন আবিষ্কার,
কীট, পতঙ্গেরাও হচ্ছে দুর্নিবার।

মরছে মানুষ,মারছি মশা,মাছি,
দিনদিন বাড়ন্ত মানুষের ভিড়।
কেউ নাই পিছিয়ে,
কীট, পতঙ্গ,মশা,মাছির ভিড়।

কবে হবো আমরা সচেতন,
করবো পরিবেশের জতন।
বাতাস,জল,বৃক্ষকে করে জতন,
নিজ আপন সচ্ছ মনের মতন।

বায়ু,জল,বৃক্ষ, এরাই জীবের জীবন,
এই অতি সামান্য জ্ঞানেই বাঁচবে জীবন।
বৃক্ষ কুলের ধংশ ও পরিবেশ দূষণ,
পৃথিবীর বুকে আনছে ধংশ ভীষণ।

আমাদের শুভ সচেতনতাই একমাত্র অস্ত্র,
পৃথিবী কে করতে রক্ষা,
নচেৎ ধংশ অনিবার্য ।
||--©➽ ---ANRC---21/11/2917::-----||




<--©--●অনাথ●--->

【--anrc---------2018--】

【=রাত্রি:01:08:22=】

【=কোলকাতা -56=】





||========================||



256>|| উলঙ্গ সৃষ্টি ||

  256>|| উলঙ্গ সৃষ্টি ||


আমি মরুভুমির মতন ধূসর,

প্রচন্ড গ্রীষ্মের তাপদাহনের হুঙ্কার।

হিনালয়ের গিরি শীর্ষে তুষার ঝঞ্ঝা,

মহা সাগরের মাঝে ঘূর্ণি ঝঞ্ঝা।

আমি দুরন্ত দাবানল সহ ঝঞ্ঝা,

আমি ভেঙে করি সব চুরমার,

প্রকৃতির রোষে প্রকৃতিকে লয়ে

প্রকৃতিকেই করি ধ্বস্ত।

আমি বাঁধ ভাঙা প্রলয় অশান্ত,

কখনো সৃষ্টির নিমিত্তে সুচারু শান্ত।

আমি একলাই চলি অসীমের পথে

গিরিখাদ বয়ে ধেয়ে সমুদ্রের মাঝে।

ধ্বংসের পরেই নূতন সৃষ্টির যোজনা,

সৃষ্টির আনন্দে প্রকৃতির নিত্য নুতন ভাবনা।



আমি প্রেয়সীর পেলব ওষ্ঠ,

ষোড়শী তন্বীর ক্ষীণ কটি স্পষ্ট।

মসৃন দীর্ঘ লোলায়মান জঙ্ঘা,

লালশার স্রোতে হারিয়ে যাওয়ার সংজ্ঞা।

সুগভীর নাভিচক্রে কঞ্জমুখী,

কামনামত্ত প্রথম শিহরন প্রদায়ী।

প্রেয়সীর বিস্তৃত সুগঠিত সূচাগ্র নিতম্ব,

মাখন সম সুডোল সূচাগ্র স্তনবৃন্তের শিহরন।

প্রেয়সীর আজানু লম্বিত কেশ রাজি,

বসন্তের হওয়ায় ফুলরেণু মাখি।


আমি ভালোবাসা,

কখনো আমি দুরাশা,

কখনো আমি প্রচণ্ড পিপাসা,

কখনো আমি হৃদয় বিদারী,

হৃদয় নিয়ে করি তামাশা।

আমি পুঙ্গব নাচি উলঙ্গ নৃত্য,

প্রকৃতির আনন্দ চির সত্য।

প্রেয়সীর হৃদয়ে আনন্দে রই ব্যাপৃত,

আমি নিতান্ত অনাহুত বিভ্রান্ত।

প্রকৃতি সদা নূতনের গন্ধে মাতোয়ারা

সৃষ্টির আনন্দে মেতেই বুঝি  দিশেহারা।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

====================

         

255>||--বিড়ির সুখ টান--||


255>||--বিড়ির সুখ টান--||


কিনলে দোকান থেকে কত সমাদরে ,
ধোঁয়া পানের গভীর টানে।
রাখলে পকেটে/গাটে যত্নকরে,
জানি সিগারেটের মতন আদর আমার নাই,
আমিজে বিড়ি দেশের গরিবের তৈরি তাই।
সিগারেট হলে রাখতে প্যাকেটে করে,
কতনা যত্ন সমাদরে।
কিন্তু আমিজে বিড়ি তাই এত যত্ন নাই।
তবুও নেশার প্রয়োজনে রাখো গাটে করে,
সুখ টানটি টানার পরে ছুড়ে ফেলো দূরে।

কেন ভাই একটু ধোঁয়া নাটানলেই কি নয়,
আমাকে জ্বালিয়ে তুমি পাও সুখ,
তোমার ছেড়ে দেওয়া ধোঁয়া,
কতো শিশুর জীবন নিয়ে করে খেলা।

লোক সমাজে সিগারেট ধুম্রপান,
লুকিয়ে আড়ালে (বিড়ি) আমাতে ই সুখ টান।
তুমি করছো সুখ, ধুম্র পানে আসক্ত,
একটু ভেবোকি পরিবেশকে করছো বিষাক্ত।
তুমিতো ওই বিষাক্ত ধোঁয়ায় আসক্ত,
ধীরে ধীরে পরিবেশ কে করে চলেছে বিষাক্ত।
তোমার পাশেই বসে ওই রুগ্ণ শিশুটি,
হচ্ছে শিকার ওই ধোঁয়াতে বিষাক্ত।

পানকর সুখ টান দিয়ে চলো মনের মতন,
কেউই করবেন মানা কারন তুমি আসক্ত,
অবিরল ধোঁয়া পানে তুমি নিত্য ব্যস্ত।
প্রতিটি টানের আগে যদি একটু ভাব,
তোমার একটু শুভ চিন্তায়,
বাঁচতে পারে কত শিশু,
কতো পরিজন,
পরিবেশ প্রকৃতিকে বাঁচাতে অতি প্রয়োজন।
||----ANRC---------08/12/2017::------------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||==========================||




254> ||-যেন কত আপন -||

254> ||-যেন কত আপন -||
         <-------©-আদ্যনাথ--->


মানুষ মরলেই হয় কাজের জন,

কতো কান্না কাটির আয়োজন,

কতো দুঃখ প্রকাশ তখন,

যে গেলো চলে ছিলো আপোন,

আপোন বলেই কান্নার আয়োজন।

আমরা জানি আজ যে আছে,

নিশ্চই একদিন চলে যাবে।

তবে কান্নাকাটির কি প্রয়োজন,

তবুও কাঁদি আমরা মূর্খের মতন।

এখনো যেন কতো আপোন।




আসলে কান্না কাটির অনেক কারণ,

কখনো রাখতে চাই করে আপোন।

কখনো কাঁদি লোক দেখবার কারন।

কখনো কাঁদি কিছু হারাবার কারণ।

হয় তো ছিলো সম্পত্তি,

ভাগ হয়নী ঠিক মতন।

এখন কাঁদি মূর্খের মতন।

এখনো যেন কতো আপোন।




যারা আছেন তাদের করি কি যতন?

বয়ঃ বৃদ্ধজনের সামান্য চাহিদা

একটু ভালোবাসা একটু আদর,

আমরা করীকি তার চাহিদা পূরণ?

যারে চাইনি করতে আপোন,

তার মৃত্যুতেও কাঁদি,

যেন কতো আপোন।




কখনো করি লোকদেখানো,

কান্নার আয়োজন।

যারা আসছে কাছে,

তারা জানে কান্নার কি কারণ।

দুনিয়া বরই কঠিন নিষ্ঠুর,

আজ যে আপন কাল সেও হয় পর।

স্বার্থের জন্য আপন ক্ষণিকের আপন।

লোভের জন্য আপন তৎকাল আপন,

স্বার্থ,লোভ,অহঙ্কার, আপনকে করে পর।

এই দুনিয়ায় কিছুই নাই আপন,

তবুও কাঁদি মূর্খের মতন।

যেন কত আপোন।




<--©--●অনাথ●--->

【--anrc-20/01/2019--】

【=রাত্রি:01:30:24=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】




=======================

253>||২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -||


253>1>২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -|| 14/12/2016- 

===============================================
1>২৫ টি বসন্ত পারের সৌজন্যে -|| 14/12/2016-

শেখর দা ও ছোট বৌদির ২৫ তম
বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে -------
--------------
ওগো ও সজনী, //
মনে পরে কি সেই রজনী। //
জীবনের প্রথম সেই সুন্দর মধুর অপার্থিব মিলন। //
সেই দিন টিকে কি আজ করছেন স্বরণ। //
সেই অটুট বন্ধনের অঙ্গীকারের অপূর্ব মিলন। //
আজ মনে হয়নাকি //
একবার ফিরে যেতে সেই দিনটিতে। //
মনে আছে কি অপূর্ব সেদিন, //
প্রকৃতিও যেন সেজে ছিল, //
তাঁর অপূর্ব রূপে রসে গন্ধে, //
সেদিনের সেই সন্ধে। //
কত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ওগো সজনী , //
মধুর মিলনের প্রথম সেই রজনী। //
মনে পরে কি? কিমধুর নানা পুষ্প ঘ্রাণে //
প্রকৃতিও যেন মেতে ছিল সেদিন //
তাঁর একান্ত আপন গোপন ছলে। //
দুটি মন প্রাণের একান্ত গভীর মিলনে
ভরে ছিল বোধ হয় মন প্রাণ,সেই রজনী তে। //

আজ ২৫টি বসন্ত হলো পার //
তাই মনে পরে বার বার। //
সেদিনের সেই মিলন অপূর্ব অপার, //
বর্ণাতীত দেহ গন্ধ মিলিয়ে, //
ফুলের রেণু মেখে দুটি শরীরে , //
মনে পরেকি আজ আবার। //
সেদিনের ভয়ঙ্কর যৌন তীক্ষ্নতাঁর তেজ , //
যৌবন শক্তি পেয়েছিল মুক্তি, //
ভেঙ্গে দিয়ে সব লজ্জা ভয়, //
নিঃশেষ করে সকল যুক্তি, //
মন খুঁজে পেয়ে ছিল পূর্ণ মুক্তি। //
বর্ণাতীত সেই সেদিনের স্পন্দন, //
ভুলে থাকা কি করে সম্ভব। //
সেইহতে বার বার প্রতিটি রাতে, //
নিঃস্বাসের প্রতিটি কম্পন মনে পড়ে কি //
হৃদয়ের সেই প্রবল স্পন্দন। //
কিদারুন অপূর্ব সেই প্রকৃতির লীলা, //
নিবৃত্তি হয় শেষ ভোরের পাখির করলবে। //
মধুর মিলনের সেই নিশি, //
গগনে ছিল বুঝি পূর্ণ শশী। //
জানিনা , যদি থেকে থাকে তবে, //
তাঁর স্নিগ্দ্ধ আলোয় ভেসেছিল কি //
এসেছিলো কি আবেগের পূর্ন জোয়ার দুটি মনে। //
উত্থাল সমুদ্রের উথাল পাথাল করা, //
প্রচন্ড ঢেউয়ের তালে তালে আবেগ পূর্ন মন , //
নিশ্চয় পেয়েছিল পরম তৃপ্তির স্বাদ মনে। //
কি দারুন সেই ক্ষণ ,//
মনেকি পড়েনা অনুক্ষণ। //
ফিরে যেতে চায় নাকি মন //
সেদিনের প্রতিক্ষণ। //
মুখে লাজ মনে ইচ্ছা //
তবুও ভালো ভেবে সেই ক্ষণের //
গোপন ইচ্ছা। //
হয়তো ছিল চোখে এক ফোটা জল। //
ভেবে নিজ পিতা মাতার, //
স্নেহ আদর হাশি কল কল। //
শিশু কাল হল যে অন্ত ,//
লেগেছে মনে নুতন বসন্ত। //
হায় রে জীবন কত তার লীলা //
কে জানে কোথায় শেষ হবে , //
তাঁর নিত্য নুতন খেলা। //
থাকতে বেলা সেই ছোট বেলা //
আমকুড়োনোর দিনে , //
ফ্রক পরে উদাল হয়ে //
ছোটা আপন মনে। //
আজ লেগে হওয়া বসন্তের, //
মনে পরে কি সেই দিগন্তের, //
যার ছিলোনা দিগ্ না অন্ত //
এখনো বোধ হয় হয়নি অন্ত। //
আছে অনেক বাকি। //
থাকে থাক একটু বাকি এখন আমি থামি। //
আপনা দেড় ভরুক মন ,আনন্দে করুক চন মন। //

প্রণাম আন্তে ------

সবিতা -আদ্য
১৪ ডিসেম্বর ২০১৬
০২:৫৬:১২সে :
-----------------------

25 টি বসন্ত =300 টি মাস //
=9125 টি দিন //
=219000 টি ঘন্টা //
=13,140,000 টি মিনিট //
=788,400,000 টি সেকেন্ড //
কম তো নয় ? //
কাটালেন কেমন ? //
ভাবলেন না হয় একটু //
দোষ তাতে কি হবে। //
যা হবার তা হয়ে গেছে //
25 বছর থেকে। //
এখন শুধু ভাবনা আর //
মন দিয়ে করুন রান্না। //
।।©➽-ANRC---14/12/2016----||
||===========================||


 

252>||-হারিয়ে যাওয়া ||

    252>|| হারিয়ে যাওয়া ||

    <--©➽-আদ্যনাথ--->


মন চায়  হারিয়ে যেতে,

সকলকে ছেড়ে অনেক দূরে,

কিন্তু কে যেন পিছনে টানে,

ফিরতে হয় ব্যর্থ মনোরথে।


প্রকৃতির ডাকে মনের ইচ্ছা পূরণে,

আবার কোমর বাঁধি দূরে যেতে।

দায়িত্ব গুলি একে একে ঘিরে ধরে,

ফিরিয়ে আনে খানিকটা জোর করে।


কখনো বা ফেরাতে চায় আদর করে,

ইচ্ছা গুলি রয়েজায় মনের গভীরে।

ভাবনা গুলি  ভাবায় সময়ের তালে,

ইচ্ছা গুলি জড়িয়ে যায় চিন্তার জালে।


তবুও মন মানেনা ঘরের কোনে,

সকাল সন্ধ্যা ভাবায় উদাস মনে।

বার বার হারিয়ে যাওয়া আপন মনে,

জঙ্গল, পাহাড়, আর নদীর টানে।


শীতের পড়ন্ত শেষ বেলায়,

পশ্চিম আকাশে গোধূলি বেলায়।

শিশুরা যেখানে দৌড়ে বেড়ায়,

নদী বাঁকের ওই বালুকা বেলায়।


আজ বসন্ত দাঁড়ায়ে দুয়ারে,

বনের শোভা দেখি দুচোখ মেলে।

সকালে শীতের হালকা ছোঁয়ায়,

স্বপ্ন দেখা মন উদাস হয়ে যায়।


মন চায় প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যেতে,

খানিক প্রাণ ভরে  আদর নিতে।

ভাবনা গুলি ছুটে চলে মনের আগে,

কত স্বপ্ন ভাসে মনের নীল আকাশে।


মহুয়ার মিষ্টি গন্ধে  মনের আনন্দে,

হয়তো কখনো নিজের অজান্তে

মন পৌঁছে যায় ওই পাহাড়ের চূড়ায়,

যেখানে মেঘেরা আদরে বৃষ্টি ছড়ায়।

   <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================



251>||-মুখোরচক আড্ডা::---||-

251>||--মুখোরচক আড্ডা::---||

শ্যমবিহারফেজ2 বয়স্কদের আড্ডা অবসর,
চলছে তাস,টিটি,ও দাবার,আসর।
যেন পুরোনো দিনে ফিরে তাকাবার চেষ্টা।
আগে তাস চলতো শংকর দা ওনারা তিনজন,
আজকাল ওনাদের আনাগোনা নাই ঠিক মতন।
শংকর দা তো থিয়েটার পাগল তাই ব্যস্ত।
কারুর কারুর টি টি তেই মন,
কোমরে ব্যাথা,পিঠে ও হাথুতেও ব্যথা,
তবুও টি টি চলছে ওনাদের মতন।
চক্রবর্তী দা আনলেন তাস পেকেট এক গোটা,
বর্মন দা কিনলেন দাবার গুটি ও কোটটা।
কখনো দাবা কখনো রং মেলেনি ফিস,
আজকাল ক্লাবে রোজ সন্ধ্যায় চলেবেশ।
আসর তেমন জমেনা সেটাই বিশেষ ভাবনা,
আমরা সিনিয়র মেম্বার পঞ্চাশ জন,
আগে আসতো আড্ডায় নয় কি দশ জন।
দিন দিন সংখ্যা কমছিল,
শীতের হাওয়া আরো কমিয়ে দিল।
এখন আমরা জনা চার পাঁচ জন,
তাইতো ওনারা খেলায় দিয়েছে মন।
গ্রীষ্ম কালে ব্লক2এর নিচে বসত আড্ডা,
চেয়ারে গোল হয়ে চলত জনা দশের আড্ডা।
তারপরে শুরু হলো মশার বার বাড়ন্ত
আমরা এন্ট্রি নিলাম ক্লাব ঘরে শেষ পর্যন্ত।
এখানেও চলছিল বেশ,আড্ডার আবেশ,
তারপরেই শুরু হল শীতের আবেশ।
আমাদের সংখ্যাও কমলো অনেক,
এখন নিরস ওই আড্ডায় খেলা চলছে বেশ।
গড়া হয়েছিল সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম,
এইতো কদিন আগেও মঙ্গলবার যোগ দিতাম।
ভেবেছিলাম এবার জমেউঠবে আড্ডাটা,
কিন্তু হায় মেম্বারের এভাবে ভেস্তে গেল আড্ডাটা।





বর্মন দা, কানুনগো দা, চক্রবর্তী দা, মজেছেন তাসে,
টি টি খেলা রায়চৌধুরী দা ও আলোক দার পাসে।
আমি একা বসে উপভোগ করি ওনাদের খেলা
টিটিতে ভয় হাটু ব্যাথা,তাসের জানিনা কোন খেলা।
সিনিয়র সিটিজেন ফোরামএর আয়ু বাড়ন্ত
জন্মের পরেই হোল বোধ হয় অন্তিম অন্ত।
মাঝে কিছু কাগজ খাতায় খচ খচ
সকল কিছুই বোধহয় হয়েগেল হচপছ।
জানুয়ারির দশেতে হবে চড়ুইভাতি,
সেখানে জড়ো হবো সকলের সথে।
দেখাযাক যেমন জমে এবারের পিকনিক,
আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সৈনিক।
||------ANRC-------21/12/2017:::---------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||============================||














250>||-বাঙালির আত্মবিস্মৃতি---||


250>||-বাঙালির আত্মবিস্মৃতি---||

আমরা বাঙালি লুপ্ত প্রায়,
আমাদের সকল ঐতিহ্য ও লুপ্ত প্রায়।
বিদেশি তকমার না করলে যাচনা,
আমাদের 'হেরিটেজ', সংরক্ষণ হয় না।
একে একে সকল কিছু হারিয়ে,
চলেছি রসগোল্লা নিয়ে ঢাক ঢোল বাজিয়ে।
তাইত আজ নিজেদের অস্তিত্য হারিয়ে,
হেরিটেজ খুঁজি বিদেশি তকমা দিয়ে।
সামান্য খেজুর গুড়,ছিল সুস্বাদু চিরকাল,
তাও হচ্ছে আজ নকল ভেজাল।
শিউলির সেই গল্পো রস দিয়ে গুড় বানাবার,
আজ হারিয়ে গেছে শিউলি পরিবার।
আজ বাজারের পাটালি তাও নকল,
ভেলি গুড় ও চিনির রসে কেমন,
মিশিয়ে চায়ের রং,কেমিকেল সুগন্ধি সকল।
তাল পাটালির স্বপ্ন হয়ত দেখি কেউ,
তাল, খেজুরের গাছগুলোই যে উধাও।
আজ সর্বস্তরে ভেজালের কারবারি,
খাদ্য ঔষধ সকল জতো নিত্য দরকারি।
আমরা বাঙালি হারিয়েছি সকল স্মৃতি,
তথাপি আমদের ঐতিহ্যের প্রতি আছে প্রীতি।
||----ANRC---23/12/2017:::--------------||
【=রাত্রি:01:08:22=]
【=কোলকাতা -56=】

||=========================||

249>|। মনের গোপনে ||

  249> || মনের গোপনে ||

           <--©➽-আদ্যনাথ --->


কে আসে কার সাথে?

কে যায় কার সাথে?

একলাই চলে আসা যাওয়া,

মাঝে কিছু কাল একসাথে 

পথ চলা।


মনের কিছু  কথা বলা,

সুন্দরকে মনে রাখা,

এনেক কথাই ভুলে যাওয়া,

কিছু চাহিদা মিটিয়ে নেওয়া।


যেটুকু পাই সবটাই কি চাই,

যাকিছু চাই সবটাই কি পাই!

কিছু দ্বিধা রয়ে যায় মনের গোপনে,

চাওয়া পাওয়ার সুপ্ত কারণে।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================


Tuesday, April 17, 2018

248>||--বিপন্ন প্রকৃতি--||


248>||--বিপন্ন প্রকৃতি--||

আমরা মানুষ এই প্রকৃতির বিশেষ অংশ,

তথাপি অবহেলায় প্রকৃতিরে করছি ধ্বংস।

আজ কান্ডারি হবে কোনজন,

শক্ত হাতে ধরবে হাল,বাঁচাতে এই প্রকৃতিরে,

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




আমাদের নিত্য নুতন শ্রেষ্ঠত্বের প্রদর্শন,

প্রকৃতিরে করছে নুতন রূপে প্ৰদূষণ,

আমাদের বাড়ন্ত আহমিকার নিদর্শন,

সকলি প্রকৃতির ধ্বংসের কারন।

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




জগৎ প্রকৃতি আজ বিপন্ন অতি,

দিন প্রতিদিন হচ্ছে ধ্বংস।

আমাদের একটু শুভ চেতনা,

রুখতে সক্ষম এহেন ধ্বংস।

বাঁচাতে পৃথিবী ও প্রকৃতিরে,

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।




যুগ অরিবর্তনের ঝোড়ো হওয়া,

আজ শহর গ্রাম গঞ্জের ত্রাস,

ফেসবুক, হোয়াটস আপের এর প্লাবন,

বিশ্বকে করছে গ্রাস।

নির্মল পরিবেশ প্রকৃতির চিন্তায়,

আমরা সকলেই উদাস।

আজ কে আছো সুজন,

হও অগ্রসর বাঁচাতে বিপন্ন প্রকৃতিরে।

||-----anrc---------------------||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||====================||

247>||--বীক্ষণ--||-

247>||--বীক্ষণ--||

ফুলের রঙে রাঙিয়ে,

মনের কলম দিয়ে,

আজ লিখি তোমায় মন নিয়ে।

কি করে বলি,

কেমনে কাটে প্রহর।

একলা তোমার চিন্তা মনের কোণে,

দিন রাত কত চিন্তার যাতনা সয়ে মনে।

শুতে জাগতে,পথ চলতে একাকী,

তোমারই ছবি মনে মনে আঁকি।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার ঐদুটি চোখের নেশা,

কি জাদু মাখানো তাঁর নেশা।

কম্পিত হৃদয়ে জাগে নুতন আশা,

ভুলিয়ে দেয় আমার পথের দিশা।

পলকহীন আকর্ষণ উলঙ্গ দৃষ্টি,

যেন সেই কামদেবের অপরূপ কৃষ্টি।

আমাকে ভাবায় অনেক,

ধরে রাখতে চাই মিলনের গন্ধ, আবেগ।

গভীরতার কুন্ড খুঁজে চলি মনে মনে,

নিরালায় একলা পথে স্বপ্নের গল্প বুনে।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার সিক্ত পেবল ওষ্ঠ,

রক্তিম গোলাপ পাপড়ির মতন,

ভোরের শিশির স্পর্শের শিহরণ।

ফুল চন্দন আতরের গন্ধ মাখা,

তোমার সর্বাঙ্গে ফুলের রেনু মাখা,

প্রথম পরশের সেই ব্যথার শিহরন।

সেদিন বর্ষায়,

সিক্ত বস্ত্রে শরীরের সবটুকু,

বিহ্বল চিত্তে একাগ্র মনে,

গোগ্রাসে গিলেছিলাম তোমার ছবি।

আজও মনেপরে যায়,

তোমার চলায়।

শরীরের ঢেউ উথলে ওঠা,

সাগর সলিলের ফেনিল ফেনা,

জল কন্যা যেন ললিত ললনা।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




হিমালয় শৃঙ্গের জমেথাকা তুষার,

যেন তোমার সর্বাঙ্গে মাখা।

সেই শীতলতার পরশের স্বপ্ন,

হৃদয় আপ্লুত শ্রান্ত তুষার মাখা।

তোমার মাতানো প্রেমের নেশা,

আমার মনের পাগলের দশা।

তোমাকে জানতে বুঝতে,

তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে হবে বার বার জন্ম নিতে।




তোমার চকিত চাহনির ছলনা,

তোমার মনের আদর করুনা,

দীর্ঘ করে আমার নিঃস্বাস প্রশ্বাস,

বাড়িয়ে তোলে আমার হৃদ কম্পন,

রোমে রোমে জাগে শিহরন স্পন্দন।

তুমি আমার মনের সরগম,

হৃদস্পন্দন যেন বীণার মূর্ছনা,

স্বপ্নের ফুল কুমারী তন্বী তনয়া তনিমা,

স্নিগ্ধ ভোরের দক্ষিণা বায়ুর স্পর্শ প্রেরণা।

তোমার একটু পরশের লাগি,

হৃদয়ে জাগে অনাবিল হর্ষ মাধুরী।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে বার বার হবে জন্ম নিতে।




তবুও ব্যথিত মনে চেয়ে থাকি,

চেয়ে চেয়ে লাল গোলাপ কেই দেখি।

গোলাপের বাগিচায় মধুকর যেমন,

নেশায় মত্ত একমনে করে মধুর চয়ন।

আমার ভালোবাসা করে পর্যবেক্ষণ,

তোমার রূপের গন্ধ খোঁজে সর্বক্ষণ।

তোমার স্বপ্ন হৃদয়ে আঁকি সর্বক্ষণ,

এ নয় আমার মোহাচ্ছন্ন মনের বীক্ষণ।

জানি তোমার মনের তল পেতে,

আমাকে বার বার হবে জন্ম নিতে।




||----anrc-------09/03/2018::-----||





<--©--●অনাথ●--->


【--anrc---------2018--】


【=রাত্রি:01:08:22=】


【=কোলকাতা -56=】





||=====================||

246>||--আমরা জানি অনেক-||

246>আমরা জানি অনেক।


এই অনেক জানার মাঝেও 
বোধহয় কিছু জেনেও জানিনা সবটা।
অথবা কিছু রয়েযায় বাকি।
এমনি কিছু জেনেছি-----
সেই টুকুই বলতে চাই , যদি শোন---
শোনার থেকে পড়ে নেওয়াটাই ভালো----

1>Correct meaning of "OK" = is the name of a German engineer Otto Krovens 
who worked for Ford car company in America.
As chief inspector he wrote his initial as OK upon each car he passed.
Hence it continued till date as All correct

2>News paper =

North East West South past and present events report.

3>Chess =

Chariot, Horse, Elephant, Soldiers.

4>Cold =

Chronic Obstructive Lung Disease.

5>Joke =

Joy of Kids Entertainment.

6>Aim =

Ambition in Mind.

7>Date =

Day and Time Evolution.

8>Eat =

Energy and Taste.

9>Tea =

Taste and Energy Admitted.

10>Pen =

Power Enriched in Nib.

11>Smile =

Sweet Memories in Lips Expression.

12>SIM =

Subscriber Identity Module

13>etc. =

End of Thinking Capacity

14>Or =

Orl Korec (Greek Word)

15>Bye =

Be with you Everytime.

16>WOMAN=

W=Wonderful Mother.

O=Outstanding Friend.

M=Marvelous Daughter.

A=Adorable Sister.

N=Nice Gift to Men from God.

এইটুকু লেখা পছন্দ হোল কিনা জানিনা,
পছন্দ হলেই ভাল,আনন্দ পাব মনে।
নচেৎ কাগজে কিছু ব্যর্থ কলির দাগ
ভেবে গুটিয়ে রেখে দেব টেবিলের কোনে।
||----anrc--------16/03/2018::----||
||=======================||

245>||---বন্ধু-------||6/10/2017-


245>||---বন্ধু-------||6/10/2017


পাতাল পুরীর নিঝুম পুরী,
সেথায় থাকে গোলাপ পড়ি।
সাধ জাগলো হঠাৎ করে,
দেখবে যাবে মেঘের বাড়ি।

সঙ্গে নিয়ে ফুল পরীদের,
গোলাপ পড়ি উড়লো মেঘে।
দিন ফুরোল রাত ফুরালো,
সূর্য্য মামা উঠল জেগে।

আলোয় ভরলো দিক দিগন্ত,
প্রবল তাপের বার বাড়ন্ত।
ফুলপরিরা হাঁপিয়ে ওঠে,
গোলাপ পরীও হোল ক্লান্ত।

সকল পড়ি ভেবেই আকুল,
মনজে তাদের হোল ব্যাকুল।
কোথায় পাবে মেঘের বাড়ি,
সকলে ভেবে ভেবে পায় না কুল।

হঠাৎ হোল মেঘের গর্জন,
পরীদের বাড়ল হৃদ কম্পন।
লুকোবার স্থান টি কোথায়,
সকল পরীর সে কি ক্রন্দন।

ক্রন্দন শুনে পাখির দল,
এলো পরীদের দিতে আশ্রয় স্থল।
একে একে পরি সকল,
পাখিদের নির করলো দখোল।

মেঘের ক্রোধ থামলো না কো,
ঝম ঝমিয়ে বৃষ্টি এলো।
ছোট সেই পাখির বাসায়,
পরীরা সব রইল মজায়।

এমনি ভাবে দিনটি গেল,
পরীদের খিদের জ্বালা বেড়ে গেল।
কোথায় পাবে একটু আহার,
ঝড় বাদলে পাখিরাও বেহাল।

বৃষ্টি আর মেঘের গর্জন,
চললো তিন দিন তিন রাত্রি।
পাখিরা সবে নিজেরা ভিজে,
পরীদের থাকতে দিল আপন ভেবে।

অবশেষে বৃষ্টি ও মেঘের রোশ থামল,
পাখি আর পরীদের বন্ধুত্য বাড়লো।
সকাল হতেই পাখিরা বলে কিগো পরি,
জাবেকিআর ওই মেঘের বাড়ি।

পরিরা বলে হেসে হেসে ইচ্ছা ছিল দেখতে
মেঘের বাড়ি কেমন হয় যদি পেতাম দেখতে।
পাখিরা কয় মেঘের তো নাই কোন বাড়ি,
ওরা ভেসে বেড়ায় আকাশে ভর কড়ি।

সূর্য্য মামা জলটেনে জমিয়ে রাখেন মেঘে,
জলের ওজন বেশি হলেই বৃষ্টি রূপে ঝরে।
খাল বিল সব জলে ভরে,
গাছ গুলো সব ফুলে ভরে।

আমরা পাই কতো খাবার চারি ধরে,
কচি কাঁচা বাছাগুলোর স্বাথ ফেরে।
সবাই মিলে আনন্দেতে দিন যে কাটে,
সে অনেক কথা বলতে পারি বটে।

পরিরা বেজায় খুশি পাখিদের সাথে,
পরীদের তো পাতাল পুরী অন্ধকার থেকে।
সেসব কথা বললে পাখিরা যদি ভয় পায়,
এমনি ভেবেই পরিরা চুপ থেকে যায়।

রাত পেরিয়ে সকাল হোল,
সূর্য্য মামার উদয় হোল।
এবার পরিরা তৈরি হোল,
পাতাল পুরীরতে ফিরতে হোল।

||----ANRC------06/10/2017::------||

||=========================||

























244>||-একটু শুভ চেতনা--||-( উপহার -)-


244>||-একটু শুভ চেতনা--||-26 /11/2017:::--উপহার


সমাজে আমাদের অনেক আতিথিয়তাই রক্ষা করতে হয় যেমন বিয়ে, পৈতা, জন্মদিন,বিবাহ বার্ষিকী,গৃহ প্রবেশ,ইত্যাদি,নানান অনুষ্ঠান।
এই আতিথিয়তা রক্ষা করতে আমরা নানান

উপঢৌকন নিয়ে যাই সাথে করে।
নিদান পক্ষ্যে টাকা ভবর্তি খাম তো থেকেই।
কিন্তু আমরা যখন কোন অসুস্থ্য মানুষ কে দেখতে যায় তাঁর বাড়িতে, হাসপাতালে,বা নারসিং হোমে তখন কিন্তু আমরা খালি হতেই যাই শুধু নিজের উপস্থিতির জানান দিতে।এবং বোঝাতে চাই আমরা তোমার শুভাকাঙ্খী। ব্যস এইটুকুর জন্যই উলিস্থিতি জানাই।
আমরা একটু চিন্তা করলেই বা নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই অনেক উত্তর পেতে পাড়ি।
যেমন কোন ক্ষেত্রে আমাদের উপঢৌকন রূপী টাকার খাম দেওয়া উচিত বা কোনটাতে বিশেষ
জরুরি।একজন গরিব পরিবারের বিবাহ অনুষ্ঠানে কিছু সাহায্য অবশ্য দরকার।
ততোধিক প্রয়োজন একজন রুগীর চিকিৎসার জন্য।চিকিৎসাধীন রুগী যদি আর্থিক দিক থেকে কমজোর হয় তবে সেখানে অর্থের প্রয়োজন অনেক বেশি।এমন রুগীকে দেখতে গেলেও আমরা খলি হাতেই যাই।

অতঃ আমার একটাই নিবেদন-----–


এবার থেকে অনুদান,দান,উপঢৌকন,সহায়তা যাই করিনা কেন, একটু চিন্তা করেই করা উচিত।
আজও দেশের কতো মানুষ অর্থের কারনে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন।
আমাদের অতি সামান্য অনুদানের কারনে হয়তো বাঁচতে পারবে একটা পরিবার।কমপক্ষে বাঁচার আশার আলো দেখতে পাবে।
তারজন্য প্ৰয়োজন শুধু আমাদের শুভ চেতনা ও অতি সামান্য প্রচেষ্টা।
মানব জনম অমূল্য রতন আসে না বার বার ,
শুভ কর্মে হও ব্রতী, শুভ কর্ম করো এই বার।
আমার মনেহয় কবিগুরু সেইকারনেই বলেগেছেন,
"" "শুভ কর্মপথে ধর’ নির্ভয় গান।
সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।"

||----ANRC---26/11/2017:---------||
||========================||

               

243>||--অবুঝ মন-

243>
1>||--অবুঝ মন--||-

 

======================================================

1>||--অবুঝ মন--||

অনেক আশাই রয়ে যাবে অপূর্ণ,
আপন জনকে কে না চায় আদরে রাখতে।
তাঁদের ভাবনা করি বুঝি নিজের সার্থে।
কি জানি কেন সেদিন সেল বিঁধেছিল বুকে,
কিছু কথা ভাবনার ঝোঁকে।
এমন কিছু ভাবনার উত্তরে,
চলে যাওয়া উচিত অনেক দূরে।
কি করে ছেড়েজাই আদরের শিশুকে,
স্নেহ বড়ই বিষম বস্তু বুঝিনি আগে।

কিমকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে কাটছে দিন,
কিকরে ভুলি সেই অতীতের দিন।
যাদের চিন্তায় গুনে চলেছি দিন।

স্নেহাসপদ জদিহয় অবুঝ সর্বদা,
যদি নাবোঝে স্নেহের মর্যাদা,
সেই ব্যাথা বাড়ায় বেদনা সর্বদা।

কিকরি কাকে বোঝাই হৃদয়ের ব্যাথ,
মুখ হয়ে বসে থাকি সয়ে সকল ব্যাথা,
একলা প্রলাপ সেও নিতান্ত অযথা।

সকল বেদনা বুকে সয়ে কাটছে দিন,
চোখের জল শুকিয়ে গেছে বহুদিন।
স্নেহ ভালবাসা যেন বিড়ম্বনা মাত্র,
দিনগত পাপক্ষয় চিন্তার অবক্ষয় মাত্র।
||---anrc------04/12/2017::---------------||
||=========================||
===============================================================
 

242>||--ভালোবাসার জন---||-


242>||--ভালোবাসার জন---||

জানিনা কতদিন বাঁচবো,
যদি মরেজাই তবে,
তোমার জন্যই ফিরে আসবো।
রোজ আবার ঝগড়া করবো।
খুঁটি নাটি নিয়ে লড়বো।
খুনটুসীর লরাইতেইত মজা,
যারা বোঝেনা,
সারাজীবন পায় অনাদরের সাজা।
কত আদর ওই কথার তীক্ষ্ন বানে,
বোঝে সে যে ভালোবাসে মনেমনে।
ভালোবাসার গোপন কথা,
মিটায় মনের অনেক ব্যাথা।
ভসলবাসা মনেমনে 
বোঝে যে আনমনে।
হৃদয়ের অনেক কথা অনেক ব্যাথ,
নিমেষে মিলায় মিলনে, নাবলে কথা।
হৃদয় আছে যার ভালবাসা বোঝে সে,
হোক খুনটুসি,কথার বান উভয়ে আপসে।

||----ANRC---------06/12/2017::------------||
||===========================||

241>||---কিছু ভাবনা---||

241>||---কিছু ভাবনা---||

কিছু ভাবনা জাগে ক্ষনিকের তরে,
সময়ের ব্যবধানে মনের কোণে।
সেগুলোই লিখেজাই,
একান্ত আপন মনে।
হাসিতো ক্ষনিকের উত্তেজনা মাত্র,
কান্না সেতো হৃদয়ের ব্যাকুলতার জন্য।
যার সাথে হাসতে পাড়া যায়, 
তারসাথে কিছুটা সময় কাটান যায়।
যার সামনে কান্না করা জায়,
সারা জীবনই তার সাথে কাটানো যায়।
জীবন তো এক নাট্য শালা মাত্র,
প্রতিটি মানুষ নাটকের এক একটি পাত্র।
জীবন যুদ্ধে কষ্ট ভোগ তো কোরতেই হবে,
কষ্ট ছাড়া যুদ্ধে জয়ী হয়েছে কে কবে।
কর্মে দায়িত্ব বোধ যার জতো বেশি,
কষ্ট তারই ভোগ করতে হয় ততো বেশি।
দায়িত্ববোধ সহ দায়িত্ব সহকারে কাজ করে যে,
জীবন যুদ্ধে কখনো হারেনা সে।
দায়িত্ববান মানুষ জীবন যুদ্ধে হয় জিতবে,
নয়তো জীবন থেকে কিছু নুতন শিখবে।
মানব জীবন তো কর্ম করার জন্য,
কর্ম ছাড়া জীবন বোধ হয়না গন্য।
কর্ম প্রধান বিশ্ব মাঝে কর্মই ধর্ম,
দায়িত্ব সহকারে কর্ম করাই শ্রেষ্ঠ।
কর্ম করো পরের তরে শুভ চিন্তা নিয়ে,
নিজেরে বিলায়ে দাও সকলের মাঝে গিয়ে।
মিলায়ে মিলিবে সকলের তরে,
কর্ম করাচাই নিঃস্বার্থে দায়িত্ব নিয়ে।
||---ANRC------10/12/2017:::-----------||
||==================≠=======||


Monday, April 16, 2018

240>||--যোজনার লাড্ডু--+অপূর্ব পরিকল্পনা--|

240>-------------------------------( 1 to 3 )
1>||--যোজনার লাড্ডু-------||
2>| |--অপূর্ব পরিকল্পনা--||

====================================

140/1>||--যোজনার লাড্ডু-------||

কে বলে দেশের কর্মসংস্থানের যোগান সঙ্কটে।
আমাদের আছে বহু প্রকল্প,ও পরিকল্পনা,
কতো যোজনা।
যেমন---
"মেক ইন ইন্ডিয়া"র মতোই "স্কিল ইন্ডিয়া",
"ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট" বা "জনসমষ্টির লাভ"।
"ন্যাশনাল স্কিল ডেভলপমেন্ট" পলিসি
"প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা"-
"পিপিপি মডেল"--
"স্টার" যোজনা--
হয়তো আরও কতো মডেল,প্রকল্প যোজনা
দেশের মাথা,শুভ চিন্তক মহাজনেরা করছেন চিন্তা,
আরও কতো চিন্তা ফিকির।
কর্মসংস্থান হোক বা নাই হোক আছেতো যোজনা, প্রকল্প,মডেলের ভিড়।
চিন্তায় ঘুম হয়না ওনাদের,
ঠান্ডা ঘরেবসে চিন্তা করছেন,অঢেল।
এতো চিন্তার ফলে,হচ্ছেন নানান ব্যাধির শিকার,
দেশের মানুষের তরে,
দেশের কাজ কোরে কোরে।
নাইবা হোল চাকুরী কর্মসংস্থান,
আপ্রাণ করছেন চেষ্টা অবিরাম।
যারা গাইছেন ওদের কুৎসা,
জানিনা তারা কেমন সমঝদার।
||----ANRC--------13/12/2017-:::-----------||
||=====================||
2>| |--অপূর্ব পরিকল্পনা--||

বাঃ কিসুন্দর সমস্ত পরিকল্পনার বাহার,
এমন পরিকল্পনার জুড়ি মেলা ভার।

মা দিদিমার কিছু সঞ্চয় একান্ত
লুকিয়েরাখা 500/1000 নোট সর্বশান্ত।
বের করে নিলো কৌশলো শেষ পর্যন্ত,
পুঁজিপতি দের সুদিন,গরিব দের সর্বশান্ত।

দিল্লিকা লাড্ডু খেয়ে জনগন দিচ্ছে ঢেকুর,
FRDI বিল গরিবের সর্বনাশের চিকুর।
পুঁজিপতি দের সুদিন,গরি হবে সর্বশান্ত,
ফুল দেখিয়েই গরিব কে করল সর্বশান্ত।

ফুল আর রামের মিলন অপরূপ কথন,
মিলন মেলায় ক্ষমতাশীলের আস্ফানল।
গরিবদের চলছে নিরন্তর শোষণ,
ব্যাংক ও ক্ষমতাশীলের আস্ফানল।
||--©➽---ANRC--------12/12/2017;;---------||
||=====================||
=============================================================
 

239>||--আয়না---||-

239>||--আয়না---||

আয়না কখনই মিথ্যা বলেনা
সামনের সত্যকে দেখাতে ভোলেনা।
নিজে কিছু না বলে প্রতিফলনই করে,
মিথ্যা,অসত্যকে সদা বর্জন করে।

আয়নাইতো প্রকৃত সুন্দর বন্ধু,
প্রতিদান চায় না সদা সত্য বলে।
আঘাত করলেও প্রত্যাঘাত করেনা,
প্রত্যুত্তরে ভেঙে পড়লেও কাঁদেনা।

অতি নিরীহ বস্তু আয়না বা দর্পণ,
দিনে একবার না দেখলে মানেনা মন।
তার সামনে না দাঁড়ালে চলেনা না একদম।

আবার কেউ তো থাকতেই পারেন না
দর্পণ ছাড়া একদম।
দর্পণ এমনই এক বস্তু, যাকে ছাড়া
হয়তো দিনই কাটবে না একদম।

অনেক সতর্কবাণী, কুসংস্কার,
আছে আয়নাকে ঘিরে,
কেউতো মানে জীবিত আর মৃত জগতের

পার্থক্যটুকু লোপ পায় নাকি আয়নায়।


কেউ বলে অন্য জগতের প্রবেশপথ আয়না,
কোনো অসতর্ক মুহূর্তে বেরিয়ে আসতে পারে
অন্য জগতের কেউ যা ভাবা যায়না।
এই নিয়ে অনেক সাবধান বাণীর কারন,
অনেক নাকি ঘটতে পারে ভয়ের কারন।

রোমানরদের মতেতো ভেঙলে আয়না,
ক্ষতি হয় আত্মার ভাঙা আয়নার কারন।
ইহুদি সংস্কৃতিতে কেউ গেলে মারা
বাড়ির সমস্ত আয়না দিয়ে দেয় ঢাকা।
নয়ত মৃতের আত্মা আটকে থাকবে
আয়নার ফাঁদে।

ঘুমন্ত মানুষের স্বপ্নকে নাকি
আটকে দিতে পারে আয়না,
যদি ঘুমোবার আগে না দেয় ঢাকা,
ঘরের আয়না।


আর সেই গল্প কথার
'ব্লাডি মেরি'-র নির্জন ঘরে আয়না!
সামনে দাঁড়িয়ে মহিলারা তাকে ডাকলে,
ব্লাডি মেরি নাকি আবির্ভূত হয় আয়নাতে।
আর আছেন 'ক্যান্ডিম্যান' সেও সেই চরিত্রে
ব্লাডি মেরির মত তিনিও আসেন আয়নাতে।

পশ্চিমের অবিবাহিত যুবতীরা মানেন মনে,
আপেল খেতে খেতে আয়না দেখলে
হবু স্বামীকে দেখতে পাওয়া যাবে।
ভূত দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনার কারন।
রাতে কিংবা মোমের আলোতে
আয়না দেখা বারণ।

সবশেষে বলি এবুঝি কেবল ভাবনা,
হয়তোবা কখনো এও আমাদের কল্পনা।
অপ্রাকৃত জীবদের এই জগতের সঙ্গে
সংযোগ রাখার মাধ্যম বুঝি আয়না।

||-©➽-ANRC----15/12/2017::----------||
||=======================||

238>|জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে ঘিরে ধরে ||


 238>|| জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে    
            ঘিরে ধরে ||

জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে ঘিরে ধরে,
বার্ধক্য তখন যৌবনকে কাছে পেতে চায়।
আজ যৌবন বার্ধক্য কে বোধহয় দয়া করে,
সমাজে নিন্দার ভয়।
হয়তো বিবেক কিছু কয়।
নয়তো পাশ্চাত্য শিক্ষায়,
পশুদের ন্যায়,
পশুরা বার্ধক্য কে এড়িয়ে চলে। 
মুস্কিল তো বার্ধক্যকে বোঝা ভাবলে,
সমাজের বোঝা বিবেচিত হলে,
যৌবনের গলগ্রহ হলে।
বয়ঃবৃদ্ধ কেউ কিছু পায়,
কেউ কিছুই পায় না।
যে পায়না সে তো বেঘরে মরে,
যে পায় সে আরো চায়,
নাপেলেই গোল পাকায়।
এই চাওয়া পাওয়া,এক গোলক ধাঁধা,
তুষ্ট কেউ নয়।
যে রক্ষণশীল, সেতো বুদ্ধিমান
সে বজায় রাখে তার সম্মান।

আজ  মা য়েরা শিশুদের,
শিশুকালে শিখিয়ে দেয়, 
গুড টাচ ও ব্যাড টাচ।
যৌবন বড়ই সতর্ক,
নিজেকে সামলাতেই সদা ব্যস্ত।
পাশ্চাত্যের আগ্রাসনে,
মোরগও চায় ময়ুরের মতন পেখম তুলতে।
সেকি ময়ুরের দোষ নাকি মোরগের।
সুন্দরকে কে না চায়,
মুস্কিল যখন ক্ষমতা ভুলে যায়।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

 fb এতে প্রশংসিত
============================


         

 

237>||-ঘরই শ্রেষ্ঠ মন্দির ||

 237> || ঘরই শ্রেষ্ঠ মন্দির ||

          <--©➽-আদ্যনাথ--->


একান্ত চিন্তা,নীরব ভাবনার কারণ,

হয়তো কিছু স্বপ্ন ভ্রমণ।

অনুভব করেছি গল্পে ভ্রমণ,

আর কিছু চিন্তার আনন্দ ভ্রমণ।


স্বশরীরে ভ্রমণ নিশ্চই ভালো,

স্বাস্থ্যের জন্যও অবশ্যই ভাল।

স্বপ্ন ভ্রমণে মনের খোরাক জোটে,

আর গল্প ভ্রমণে জ্ঞানের প্রসার বাড়ে।

একান্ত মনের ভ্রমণ,

শ্রেষ্ঠ ভ্রমণের তরে।

চিন্তার রথে চড়ে,

উরেজাওয়া আকাশ পথে।

শঙ্খচিলের দেখা হবে,

ওরাই আবার নুতন পথ খুঁজে দেবে।

ওই সাত সমুদ্র পারে,

ঘন কুয়াশায় ঘেরা গভীর জঙ্গলের ওপারে,

যেখানে মনের দুও রানী 

একলা বসে দিন গোনে।


হাসতে হবে ,হাসাতে হবে,

তবেই মনের আনন্দ রবে।

যতোই দুঃখ থাকুকনা কেন মনে,

দুয়ার খুলতে হবে হাসি মাখা

মুখে।

প্রকৃতি যে সদাই হাসে

তাই হাসতে হবে, হাসাতে হবে।

কিহবে গোমড়া মুখে বসে থেকে,

আনন্দ কুঁড়াতে হবে সকলের সাথে।

ভাবনাতেইতো দুঃখ আনন্দ গায়ে মাখে,

নচেৎ কে কাকে দুঃখ দেবে!

চাওয়া পাওয়াতেই সুখ দুঃখ মিশে থাকে,

পেলেই সুখ, না পেলেই দুঃখ বাড়ে।

আসলে মনের ভাবনা গুলোই 

চিন্তাকে পঙ্গু করে।

তাই তো দুঃখের বোঝা বাড়ে।

জগতের শ্ৰেষ্ঠ সুখ নিজের ঘরে।

আনন্দিত মন চিরদিন সুন্দর রবে 

ঘরকে মন্দির রূপে পূঁজা করে।

   <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

========================

   

Friday, April 13, 2018

235>||- অনেক দিনের পরে ||


235> || অনেক দিনের পরে ||

         <--©➽-আদ্যনাথ--->


দেখাহয়েছিল বহুদিন পরে,

মনে পরে, সেই ষ্টেশন রোডে।

একলাই ছিলে, এড়িয়ে গেলে,

মনে হয় কিছু না দেখার ছলে।


সেদিন চলে গেলে কেন জানিনা,

এওকি ছিল তোমার  ছলনা।

দাঁড়িয়ে ছিলাম পথের ধারে,

তুমি চলে গেলে যেন অবহেলা করে।


মনে পরে সেই কলেজের ছুটির পরে,

তুমি অপেক্ষা করতে হেদুয়ার কাছে।

ভুলিনি আজও তোমার সেই প্রতীক্ষা,

আর তোমার সেই তিক্ত তিতিক্ষা।


সেদিনের সেই প্রেমের প্রতীক্ষা,

দীর্ঘদিনের ভালোলাগার প্রতীক্ষা।

হাতে হাত রেখে গল্পে মেতে থাকার প্রতীক্ষা,

সেদিনের সেই নীরব ধৈর্যের প্রতীক্ষা।


মনেআছে উষ্ণ আবেদনের তিতিক্ষা,

শীতল ঠোঁট উষ্ণ হবার প্রতীক্ষা,

মনের তিয়াসা তৃপ্ত হবার প্রতীক্ষা

বোধহয় ছিল মিথ্যে ছলনার প্রতীক্ষা।


অহংকার তোমার লাজুকতা,

সুপ্ত মনে মিলনের প্রবল ব্যাকুলতা,

কিছুতেই মিটত না মনের পিপাসা,

তিলোত্তমা তোমার আসঙ্গলিপ্সা।


চাইনি কোন অপ্সরা বা আকাশের তারা,

প্রেম নিবেদনের ভাষা ছিলনা জানা।

চেয়েছিলাম তোমাকেই ভালোবাসতে,

একান্ত ভাবে মনের কিছু কথা বলতে।


দিন যায় রাত আসে, সময়ের সাথে সাথে,

আমার চোখের জলে কার কি যায় আসে,

যদি প্রশ্ন কর নিজেকে নিজে, একবার ভালোবেসে।

দেখবে প্রকৃতি সদাই আছে তোমার পাশে।


আজ দূর থেকে তোমাকে দেখে,

কিছু ভাবনা জাগল  গোপনে মনে।

সে দেখা স্বপ্ন দেখার মতন মনে হল,

হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি ভিজিয়ে দিল।


এমন বৃষ্টিতে ভিজে গেলো মন,

ভিজেগেল সপ্ন , ভিজলো চোখের কোন ।

আকাশের মেঘের ছায়া ঘনিয়েছে পথে,

আমি দেখেছিলাম তোমাকে দূর হতে।


তুমি ইশারায় দেখে  রইলে দূরে সরে,

আমিতো ছিলাম অপেক্ষায় বেদনা ভরে।

কে বুঝবে এহেন পথ ভোলার বেদনা,

কে জানবে তোমার চিরদিনের ছলনা।


বুঝতে পারিনি কোনটা তোমার কামনা

কোনটা ছলনা,

উজান বেয়েও পাইনি মনের ঠিকানা।

বুঝেছি নারী চরিত্র বিচিত্র ভারী,

কি করে বুঝব নারী মন আমি আনাড়ি।


<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

   15/02/2021;;সকাল 09:30am

========================


Thursday, April 12, 2018

234 ||--আর্সেনিক বিষ--||

234>||--আর্সেনিক বিষ--||

ক্রমে বাড়ন্ত আর্সেনিক বিষ, 
ভুগর্বস্তিত জলে।
কোলকাতার আশেপাশে,
মানুষ বিপন্ন আর্সেনিকের ফলে।
এই বিষে ভুগছে কারা,
ওই দরিদ্র অসহায় যারা।
বিত্তবানদের আছে অনেক প্ৰযুক্তি,
তাঁরা অনাআসে পাচ্ছেন মুক্তি।
দিন দিন বাড়ছে সুবিশাল অট্টালিকা,
গগন চুম্ভী সকল ইমারত অট্টালিকা।
বাড়ছে ডিপ টিউবলের চাহিদা,
চাষ আবাসে জলের মেটাতে খিদা।
চলছে ভুগর্বস্থ জলের অপব্যবহার,
সাথে পাল্লা দিয়ে আর্সেনিকের প্রহার।
গরিবের ভরসা কূপ ও টিউবয়েল,
সাথে নিত্য বাড়ন্ত এই আর্সেনিকের খেল।
আমরা উন্নত প্রযুক্তির করি বড়াই,
তথাপি ওই দরিদ্রদেরই বলি চড়াই।
প্রতিদিন বাড়ছে আর্সেনিক বিষের ভয়,
তথাপি সর্বত্র ভুগর্বস্থ জলের বিপুল অপচয়।
আকাশ বাতাস প্রদুশন বিষে ভরা,
পথ ঘাট শব্দ দুশনের আখড়া।
খাদ্য, ফল,মূল,আজ ভেজালের বিষেপূর্ন,
জল ছিল স্বচ্ছ অপব্যবহারে তাওহল বিষপূর্ন।
আধুনিকতার অহংকারে মত্ত সর্বজন,
ন্যায়,অন্যায়,পাপ,পুণ্য দিয়ে বিসর্জন।
আমরা উন্নত,করি প্রগতির অহংকার,
উপেক্ষা করে চলেছি  প্রকৃতির হুঙ্কার।
তাইত ডেঙ্গু, আর্সেনিক নিত্য নুতন রূপে,
হামলা করে চলেছে আমাদের দুয়ারে।
খাদ্যে বিষ,ওষুধে ভেজাল,জলে আর্সেনিক,
তথাপি চলছে আমাদে জীব স্বাভাবিক।
সর্বত্র বিষের এহেন বার বাড়ন্ত, 
জানিনা আমাদের জ্ঞান হবে কবে।
এতো বিষের বোঝা নিয়ে বাড়ন্ত,
কেজানে পরবর্তী প্রজন্মের কি হবে ।
||-----ANRC--------06/01/2018----------||
||=========================||

233>||--কটাক্ষ----------( 1--3)

233>-----( 1 to 3 )
1>||---কটাক্ষ---|| 
2> .||বর্তমানের মিনি সংসারের বুড়ো কর্ত্তা, 
3>অনেকেই বলেন ভুলে যাই 
================================
 1>||---কটাক্ষ---|| 

তুমি তো আছো নিজগৃহে
মুক্ত বিহঙ্গিনী বহ্নিজ্বালা।
তুমি কি করে বুঝবে,
পরাধীন মানুষের মনের জ্বালা।

তাই তুমি করো বিদ্রুপ বারংবার,
নীরবে সইতে হয় শান্ত মনে।
তোমার বিদ্রুপ কটাক্ষের তীর,
বেঁধে হৃদয়ের ঠিক মাঝখানে।

তোমার বিদ্রুপ মাখা বাঁকা হাসি,
হৃদয়ে বেঁধে যেন তীক্ষ্ণ অসি।
সুপ্ত আগুনের বহ্নিজ্বালা,
পুরিছে অন্তর কটাক্ষ সর্বনাশী।

সুপ্ত আগুনে জ্বলছি নিরন্তর,
অসীম নরক জ্বালা।
শেষ জীবন টুকু কাটবে জানি
সয়ে সংসার পাকের সৌখিন মালা।

মনচায় ছুটে যাই বারে বারে,
আত্মঘাতীর পথে।
ফিরে ফিরে আসি,
সন্মুখে নিষ্পাপ শিশুটির,
প্রতিচ্ছবি সামনে ভেসে ওঠে।

তোমরা করেজাও বিদ্রুপ,
মনের আনন্দে অসহ্য শেল হেনে।
আজকে করছি পন থাকব নিশ্চল,
গৃহ কোনে একান্তে নীরবে।
||-----anrc-----02/12/2017::-----------||
||==========================|| 
================================================================= 

 2> .||বর্তমানের মিনি সংসারের বুড়ো কর্ত্তা, 

বর্ননা করি তাঁর বর্তমান অবস্থা।
বুড়োর ভাবনা গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল,
ভাবে না যে কাঁঠাল ভাঙতেও লাগে তেল।
এস আমার বুড়োকর্ত্তা ছাড়াও নাড়কেল,
তারপরে তোমার মাথায় ভাঙবো বেল। 
||----ANRC----18/10/2017----------|| 
================================================================== 

3>অনেকেই বলেন ভুলে যাই 

অনেকেই বলেন ভুলে যাই ,
ভুলে কেউ যায়না,
প্রয়োজন শেষ,
তাই মনে রাখতে চায় না।

কথাটি আংশিক হলেও সত্য,
তবে কি, আমরা ওতো জানি
আকর্ষণ অথবা বিকর্ষণ, একেলা হয়না।
কম বেশি দুজনকেই প্রয়োজন।
আমি মনে করি,
নিকট আর দূর, এতো সময়ের ব্যবধান।
সময় তো চলে নিজের গতিতে।
আসলে কোন দুরই দূর নয়, কাছে বা নিকটে
তা হৃদয় জানে।
মনটাই সব, মন থাকলে সব থাকা হয়।
দূর আর কাছে কিছু নাহি হয়।
মন টি থাকলেই সব থাকা হয়।
মনের টান বড় কঠিন,
তাকে ছিন্ন করাও কঠিন। 
=========================== 
 

232>||বসন্ত হারিয়ে গেছে


232>বসন্ত হারিয়ে গেছে

======================

 232>=বসন্ত হারিয়ে গেছে--||

আজি ফাল্গুনের বসন্ত হারিয়ে গেছে,
পলাশের পাপড়ি ম্লান হয়ে গেছে।
ভ্রমরেরা গুন গুন ভুলে গেছে,
মৌমাছিরা পথ ভুলে গেছে।
প্রকৃতি অনেক পাল্টে গেছে,
বসন্তের হওয়া বইতে ভুলে গেছে।
মনে হয় বেদনায় ভরেগেছে প্রকৃতি,
আজ দূষণে বিষিত পরিবেশ প্রকৃতি।
তাই প্রকৃতি বসন্তের রূপ ভুলে গেছে,
দূষণে, জল,আকাশ,বাতাস ভরে গেছে।
প্রকৃতির চেনা সেই প্রকৃত বসন্ত,
বোধ হয় আজ হয়েছে তার অন্ত।
তথাপি আসুক বা নাই আশুক বসন্ত,
মন আমাদের যেন না ভোলে বসন্ত।
ফাল্গুনের বসন্ত আজ হয়তো অশান্ত,
মনের বসন্ত ই তো প্রকৃত বসন্ত।
লাগলে মনে বসন্তের হাওয়ার দোল,
শুদ্ধ হবে মন, দূর হবে মনের গড়ল।
দুরহবে মনের গ্লানি সকল দুঃখ যাবে দূর,
বসন্তের রং মাখা সুবাসে হৃদয় ভরপুর।
।।--anrc--01/04/2017:::-------।।
||==================||
====================


 
 

231> ||- বাঁচার লড়াই ||

 231> || বাঁচার লড়াই ||

              <--©➽-আদ্যনাথ--->

ওই যে দেখো ওদের 

ওরাই বাড়ায় সর্বত্র ভিড়,

ওরা কি বাঁদর, নাকি গাধা,

আর ঐযে দেখ পালের গোদা,

ওরা যে ভন্ড, দলে ভারি,

চেহারা গুলিও বেশ নাদুস নুদুস ভারী,

অর্থ বল আছে কারি কারি।

ওরা নিজেরাই জানেনা ওরা 

কোন নীতির কারবারি।


ওরা সদাই চুপ, যদিও নয় মুক,

দিন রাত দেখে সমাজের 

লজ্যা হীন উলঙ্গ বুক।

বন্যায় ভাসে, বৃষ্টিতে ভেজে

শীতের তীব্রতা সয় সহজে।

শহরে এলে ভিক্ষা করে,

তবুও ওদের ধর্ষণ করে।

ওরা নয় মুক, তবুও থাকে চুপ।


দুঃখী মা দুধ পায় না শহরে

শিশু কন্যা কোলে,

একটু দুধের খোঁজে দ্বারে দ্বারে,

ব্যর্থ মনরথে ফিরতে হয় তারে।

দিনান্তে কোন মতে জোটে

ভিক্ষা করা সবটুকু দিয়ে,

প্যাকেটে গোলা দুধ।


মা বুঝলেন শহরে বাঁচা ভীষণ দায়,

প্রত্যন্ত গ্রামে দুয়ারে দুয়ারে ঘোরে,

গ্রামে এখনো আছে প্রাণ।

সামান্য হলেও জুটেযায় আহার দিনান্তে

শিশুর দুধের জন্য লাগেনা মূল্য দিতে।

হতো দরিদ্র তবুও ফেরায় না অভুক্ত জনে

যেটুকু আছে ওরা ভাগ করে দিতে জানে।


আজ তোমরা কেন চুপ

সময়ে তো দেখাও খুব,

তবে এবার কেন চুপ।

ভয় কি, ওঠো, জাগো, এগিয়ে চলো,

দেখছো না দেশে দরিদ্র কতো,

কত দুঃখী জনের জোটেনা পেটের অন্য

ওরা চায় অন্য,বস্ত্র,স্বাস্থ্য,শিক্ষা, ও কর্ম।

ওরা যায় মিটিং মিছিলে

ঘর সংসার সব ভুলে

একবেলা খাবারের লোভে।

দিনকে দিন বাড়ন্ত শিক্ষিত বেকার,

কে দেবে ওদের কাজের জোগাড়।

কর্মহীন বেকার যুবক বিভ্রান্ত অতি,

আড্ডা আর মিছিল ছাড়া নাই গতি।

আর ঐযে রবিঠাকুর বলে গেছেন

" রাজার হস্ত করে সমস্ত 

কাঙালের ধন চুরি"।


ধর্ম নিয়ে চলেছে কত টানা টানি

এখন সিসিএ, এন আর সি, নিয়ে হানা হানি।

বেকার দের চাকুরী কোথায়,

গরীবের পেটে খাবার কোথায়।

কৃষক পায়না ফসলের মূল্য

ফোরেরা বাড়িয়ে চলে ফসলের মূল্য।

মানুষের চলেছে বাঁচার লড়াই,

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=====================

230>||---প্রেম বড়ই জটিল-||

230>||---প্রেম বড়ই জটিল-||

প্রেম, সেতো বড়ই জটিল,
প্রেম হীন মন হয় যে কুটিল।
প্রেমের 'প্রে' বলে প্রানদিয়ে,
প্রেমের 'ম' হোল মনদিয়ে।
প্রানের প্রেরণায় প্রেমের হয় স্ফুরণ,
মনের সদ ইচ্ছায় বাড়ে প্রেমের আকর্ষণ।
প্রেমের 'প্ৰে'-অর্থে প্রানের প্রবল প্রেরণা,
প্রেমের 'ম' অর্থে মনের একান্ত করুনা।
প্রেম হয় নিঃস্বার্থ, নির্লোভ ভাবনা, 
তাই প্রেমে থাকে করুনা, নাইকোন বেদনা।
ভালোবাসা তো অন্ধ প্রতিদান কামুখ,
ভালোবাসায় থাকে অনেক আশা,স্বপ্ন সুখ।
নারী পুরুষে প্রেম সেত ভালোবাসা মাত্র,
বিপরীত লিঙ্গে প্রেম নিতান্ত তুচ্ছ মাত্র।
জীবে ও প্রকৃতিকে প্রেম সমার্থক,সার্থক,
এমন প্রেমেই পৃথিবীতে জন্ম হয় সার্থক।
প্রেমই একমাত্র অস্ত্র শ্ৰেষ্ঠ সামর্থ্য,
বিশ্বপ্রেমেই নিহিত বিশ্বজয়ের সামর্থ্য।
অকাতরে বিলাও প্রেম সর্ব্ব জীবের তরে,
প্রকৃতিরে ভালোবাসো একান্ত আপনকরে।
||----ANRC-----13/01/2018----------||
||========================||


229>||- চেখে দেখা মেনুর ফিরিস্তি -||D

 229>||-- চেখে দেখা মেনুর ফিরিস্তি -||D

                  <--©➽-আদ্যনাথ--->

    

সে দিন খেয়েছিলাম আমি ওখানে,

যায়গাটাযর নাম বলিনি আগে।

গিয়েছিলাম ওই সেই বাওফিনে,

না না, ঠিক হোমোক্লিনের উত্তরে।

আজব নামের আজব সে দেশ, 

তাজা জ্যান্ত আইস্ক্রিমের দেশ।

খেয়ে ভীষণ মজা,তাজা তাজা,

নাখেলেই দেবে ওরা সাজা।


হাজার রকম মেনু পাবে হেথা,

বসেপর গুটিয়ে নিয়ে জামার হাতা।

কেন্নোর রসালো জিলিপি আর,

গাধার সম্পুর্ন লেজের রোস্ট।

খেয়েছ কি উকুনের পাতুরি?

দাঁতে চেবালেই ফুর ফুরি,

ফটাফট ফাটবে উকুন গুলি।


এমন আরও কত মজার খাবার,

পেয়ে যাবে গেলে সেই কাংখাবার।

সেথায় গিয়ে খেয়ে ছিলাম গুণে,গুণে,

ইঁদুরের চাটনি চেয়ে নিয়ে।

আরশোলা আর উইপোকা ভাজা,

সব কিছুই ছিল একেবারে তাজা।

অনেক বাজার ঘুরে হিমশিম,

শেষে পেলাম গোবরে পোকার ডিম।

জোক গুলির দাম একটু বেশি,

খেলেই নাকি বাড়ে টাইসেফের পেশী।

আর কিনেছিলাম উচুঙ্গার ডিম,

আর কিনে ছিলাম একপোয়া ছিম।

রান্নাটা শিখেছিলাম বটে,

ছোকং এতে গিয়ে তবে।

করেছিলাম রান্না সেদিন দুপুরে,

সবাই খেল আনন্দে পেটপুরে।

সে রান্না নয় এমনি সেমনি,

বিখ্যাত কম্পিটিশন খানি।


নামটি হলো বেজায় আমার,

পেয়েছিলাম প্রথম পুরষ্কার।

পরে জানলাম বাঙালীরাও জুটে,

খেয়েছিল চেটে পুটে ।

তাজা গোবরের চাটনিও ছিল,

সুস্বাদু হজমি বড়িও ছিল।


তাতে শুকরের চর্বি মিশিয়ে,

খুব ভালো করে কষিয়ে।

এটাই হজমের আসল ক্লু,

যা খেলে কখন হবেনা ফ্লু।

খেয়ে নিতে পার কিছু,

জ্যান্ত ছুঁচোর তাজা ঘিলু কিছু।


শুনতে কি চাও সকল ফিরিস্তি,

জানি নাকের জল মাথায় মুছেই পাবে স্বস্তি।

চোখের জলে কপাল ভিজবে।

শর্টপ্যান্টটা রাখবেন কাছে।

নাকের জলযে মুছতে হবে।


আরশোলার দই বরা,

কাঁকড়া বিছের মাখা সন্দেশ।

কুঁচ কৃমির স্পেশাল রস বড়া।

কাকের ডিমের ওমলেট,

শুঁটকি মাছের কেক গুলো বেশ।

কেঁচো বাটার চাটনি আর 

ছারপোকার কড়াপাকের সন্দেশ।

তেঁতুল বিছার  চচ্চড়ি আর,

মাখন পোস্ত দিয়ে কেচোর ঝাল,

আর কত বলবো সেই রান্নার হাল।

আজ এইটুকুতেই দিলাম ক্ষ্যান্ত।

শিখে নিতে পার সহজ কিছু পন্থা,

খেয়ে নিয়ে গীরগীটি ভাজা আর পান্তা।

 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

     【---27/12/2020--】

     【=সকাল:09:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】

==========================

228>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||-------------( 1 to 6 )

228>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||-----( 1 to 6 )

1>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||
2>শীতের কাঁপন লাগবে বুঝি,
3>জে রানীর পরশের লাগি
4>||--শীতের সকাল--||
5>||--প্রথম শীতের পরশ--||
6>|| এই শীতের রাতে, ||

=====================================

1>শীত বসেছে জাকিয়ে,
বসেথাকুন হাতপা গুটিয়ে।
দিনেরবেলায় সূর্য্য মামার দিকে তাকিয়ে,
রাতের বেলায় লেপ কম্বল জড়িয়ে নিয়ে।
সূর্য্য মাম দেখাদিলে উঠোনে পড়তে বসে,
চাদর জড়িয়ে তেল দিয়ে মুড়ি মেখে।
মায়ের হাতের পিঠে পুলি,
হরেক গল্পের সাথে ঠাকুরমার ঝুলি।
গ্রাম বাংলার সেই ঢেকিসালে,
সকাল থেকেই চাউল কোটার পর্ব চলে।
১০টা বাজলেই গায়ে তেল মেখে,
মাঝ পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
কিআনন্দ গ্রাম বাংলার পুরের জলে,
স্কুল ছুটির পরে পুকুরপারে খেলার মাঠে।
বাবার লাঠি আর মায়ের বকুনী,
পন্ডিত মশায়ের সংস্কৃতের ব্যাকরণ খানি।
অঙ্ক আর ভূগোল স্যারের লম্বা লাঠি,
ইংরেজি আর ইতিহাসের দাঁত কপাটি।
স্কুল ছুটির পরে বইখাতা রেখেই ঘরে,
খাই বা নাখাই দে দৌড় খেলার মাঠের পানে।
সন্ধে হলেই ঘরে ফেরা,
খেত খামারের পেরিয়ে বাড়া।
ঘর মুখী ওই হাঁস মুরগি গরু ছাগল,
চাষি ফেরেন উঠিয়ে নাঙ্গল।
সন্ধাতে আবার পড়তে বসা,
মা মাস্টারের চলে বকা ঝকা।
গ্রাম বাংলার সেই শীতের সকাল,
যেন ছবির মতন ছিল সেইকাল।
আজকে ফ্লাটেবসে তেমনটি কোথায় পাবে,
উঠোন গুলি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।
গ্রাম বাংলার সেই পুকুর ঘাট,মাঠ,
কেমনযেন উবে গিয়ে পাকা হোল পথ ঘাট।
মানুষের ভিড়ে খেত খামার,পশুপাখি,
সকল হারিয়ে অবাক চোখে চেয়ে থাকি।
নেতাদের লম্বা বুলি, প্রমোটারের লম্বা হাত,
গ্রামবাংলার আজকের দিনে রাতের ত্রাস।
শহরের অট্টালিকার রাহুর গ্রাস,
গ্রামবাংলাকেই ধীরে ধীরে করছে গ্রাস।
গ্রাম বাংলার সেই মেঠো পথের আলী গলি,
আজকে মনেহয় জেন কেবলই কল্পনার ছবি।
||---ANRC--------15/01/2018-------||
||==========================||

2>শীতের কাঁপন লাগবে বুঝি,
বুড়ো হারের মজ্জাতে।
শ্যাম বিহারের সিনিয়র সিটিজেন আমরা,
2018 এর হালিশহরের চড়ুই ভাতিতে।
10 তারিকে যাচ্ছি আমরা হালিশহর,
চড়ুই ভাতির আমেজ নিতে।
শীত বলছে ছাড়বো নাকো,কাঁপিয়ে দেব,
বুড়োদের চিংড়ি, মটন খেতে।
কাঁপবে শীতে, বেড়াবে কোথায়,
শীতের হওয়া লাগলে গায়ে।
বনভোজন আর চড়ুইভাতি,
বুড়োদের,না হয় যেন দাঁত কপাটির দায়।

|-----ANRC----08/01/2018---------------||
||=========================||

3>জে রানীর পরশের লাগি
ঘুরিনু বাংলা বিহার ঝাড়খন্ড দেশে,
অবশেষে পাইনু তার একটু পরশ,
জামশেদপুর মানগো তে এসে।
এখানে শীত রানী জমিয়েছে বেশ,
সাথে শীতল হওয়া মজাদার বেশ।
রাত্রি কালে পশমের কম্বলের পরশ,
দিনভর সোয়েটার মাফলালের গরম পরশ।
শীত রানীর এমন মধুর পরশ ছাড়ি,
ফিরিতে মন চায় না এতো তাড়াতাড়ি।
অবশেষে আরও দিনদুই তরে করিনু স্থির,
এমন শীতল রানীর ক্রোড়ে রহিব স্থির।
||---ANRC----27/12/2017::-----------||
||========================||





4>||--শীতের সকাল--||


শীতের সকালে মেজাজটাই জরুরি,
তাই বানালাম করাই শুঁটির কচুরি।
সাথে ফুলকপি নুতন আলুর তরকারি,
আর আম ও ইচরের আচারের বাহারি।

ঘরের বাইরে বইছে ঠান্ডা হওয়া,
এদিকে কচুরির গন্ধ ও গরম ধোঁয়া।
ফুলকো কচুরির গন্ধে কিবাহার,
আজকের সকালটাই ভীষণ চমৎকার।

ভোজন রসিক বাঙালির শীতকাল,
লেপ কম্বল,আর রকমারি খাবার চিরকাল।
মন্ডা মিঠাই পিঠে পুলি,
বাঙালির খাবারের আছে হরেক ঝুলি।
শীতের মিঠাই নলেন গুড়ের পায়েস,
বাঙালি জানে খাবারে কত আয়েশ।

শীতের বেলায় দিদা ঠাকুর মা অভ্যস্ত,
রকমারী খাবার বানাতেই সারা দিন ব্যস্ত।
আমিও এক পেটুক বাঙালি সন্তান,
নিত্য নুতন খাদ্যে মনকে করি শান্ত।
||--ANRC-----20/12/2017--------------||
||====≠===================||




=============================
5>||--প্রথম শীতের পরশ--||

আজ প্রথম শীতের ছোঁয়া পেয়ে,
আমেজ লাগলো মনে।
তাই বানালাম মেথি পরটা,
আর নুতন আলু মটর শুটির কষা।
ভেবেছিলাম কিনে আনব,
জয়নগরের মোয়া।
ঘুরলাম অনেক দোকান,
মনের মতন পেলামনা তেমন।
তাই মোয়ায় দিয়ে ক্ষান্ত,
মনকে করলাম শান্ত।
||-©➽-ANRC-----19/12/2017::-------||

||========================||

6>|| এই শীতের রাতে, ||


এই শীতের রাতে, রাত ভর বৃষ্টি
রৌদ্রজ্জ্বল প্রভাত অপূর্ব মিষ্টি,
প্রকৃতির কোলে নূতনের সৃষ্টি,
আনন্দ উচ্ছাসে মিশেছে কৃষ্টি।

আপনার শুভেচ্ছা গুলি
ছুঁয়ে যায় মনের অলি গোলি।
স্বপ্নের তরী বেয়ে আনন্দ আবেগে
হারিয়ে যাই দূরে অজানা পথে।

এমন প্রভাতে জানাই আপনাকে,
মনের আবেগ ও ভালবাসতে,
পূর্ন হোক আপনার হৃদয় উল্লাসে,
ঠাঁই যেন পাই আপনার সুন্দর মনে।

পাঠালাম আমার  উষ্ণভালবাসা,
মনে নিয়ে অফুরন্ত ভালবাসা।
চাই আপনার একটু ভালবাস,
শীতের প্রভাতে তাই সমান্য আশা।
 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
======================

227>||--ষাটোত্তরে --||


227>||--ষাটোত্তরে||-::07/12/2017

বয়ঃ বৃদ্ধের ষাটোত্তর
জীবন যুদ্ধের মহত্তর।
ষাটের পরে আবার শুরু,
জীবন যুদ্ধের কল্পতরু।
ষাটোত্তরে জীবন দুর্বিষহ,
কতকি ইচ্ছা পূরণের উৎসাহ।
বয়সের ভারে মুহ্যমান,
ভাবান্ত্ররের শক্তিমান।

ষাটোত্তরে ভেঙেছে মনো বল,
তাহলেই ভুগতে হবে বাকি জীবন।
ষাটোত্তরে থাকলে ত্রিশের মনোবল,
সংসারের সকল কিছুই হবে সহজ সরল।

জীবন তরীর ষাটোত্তর,
পরাজিত সৈনিকের অবসর।
স্নেহ ভালোবাসার সদুত্তর,
খুঁজতে গেলেই হতাশার দুস্তর।
জীবনের গড় আয়ু তো ষাট,
এই বৃদ্ধ বয়সেইতো আসল ঠাট বাট।
নাই স্কুলের হোম ওয়র্ক,
নাই জীবনের নেট ওয়ার্ক।
নাই কোন সংঘর্ষের চিন্তা ফিকির,
নাই সেই ফেলেআশা দিনের ফিকির।
মনে শুধু অতীতের নানান জিগীর।

জীবনের সঠিক আয়ু তো ষাট,
এই বয়সেইতো আসল গাঁট।
না আছে স্কুলের তারা হুড়ো
না আছে অফিসের ঝনঝাট।
না আছে অফিস কাঁচারীর ঠাট বাট।
না আছে বাসের লাইন,ট্রেনের চিন্তার জট,
না আছে ট্রাফিক জামের চিন্তার মতামত।

সকালে আস্থায় রামদেবের যোগ,
দিনভর প্রকৃতির রূপ উপভোগ।
সকাল বিকাল সমবয়সীদের সাথে আড্ডা,
চলে পুরোনো দিনের স্মৃতি চারনের ফান্ডা।
রাজনীতি, অর্থনীতির কচ কচানির আড্ডা,
অগুনতি রকমারি কতনা ফান্ডা।
ষাটোত্তরের আড্ডায় চলে কতনা গুল,
হলেও গুল গপ্পো কেউ ধরবেনা ভুল।

আদর সমাদর কেবল এক জায়গাতে,
নাতি নাতনির আদর সোহাগ মেটাতে।
মনে যতই থাক খোব অহংকার,
সকলের জন্যই থাকে নির্মল আশীর্বাদ।
জীবনের ষাটে বৃদ্ধ বয়সের আসল ঠাট,
জীবন যৌবন সকল হারিয়ে বেদনার গাঁট।
দুমুঠো ভাত বা দূটি রুটি তাও গ্যাস অম্বল,
গাঁটে ব্যাথা কতনা রোগের হতে হয় সম্বল।


মনজদি থাকে ত্রিশের কাছা কাছি,
ইচ্ছা হবে সকল কিছুই নুতন করে যাচি।
মনটাই আসল সত্যের বাদশা,
বয়স তো কেবলি মনের দশা।
মনে থাকতে হবে আত্ম বিশ্বাস,
ষাটোত্তরেও সুস্থ ভাবে বাঁচার আশ্বাস।
ত্রিশ কিংবা ষাট মনেই জতো গাঠ,
শরীর জখোন চলছে, ক্ষয় তো হবেই,
কিলাভ ভেবে কখন পেরলাম ষাট,
জীবন যুদ্ধে রাখতে হবে ঠাট বাট।
বুকে ব্যাথা হাটুতে ব্যাথা,গ্যাস অম্বল,
চিন্তা ফিকি ঔষধের ঝোলা সম্বল।

ষাটোত্তরে দিয়ে সব জলাঞ্জলি,
গুটিয়ে নেওয়া সকল পাত্তারি।
ষাটোত্তরে কতো আর বাকি জীবন,
যতদিন থাকবো হৈ হৈ করে ঠাটে বাটে বাঁচবো,
ষাটোত্তরে যতদিন বাঁচবো।
বাঁচার মতই বাচঁবো।
||-----ANRC----07/12/2017::---||
||======================||

226/1>||স্বর্গ-মর্ত-পাতাল ধর্মের আকাল ||(1 to 7)

 226/1>||স্বর্গ-মর্ত-পাতাল ধর্মের আকাল ||(1 to 7)

2>|| জাগো মা জাগো ||  

3>||  প্রেম V/S ভালবাসা ||

4> ||--জীবনের ছন্দ--||

5>||--প্রেম আসে নীরবে--||

6>||-প্রেম ও কামনা--||

7>|| জীবন স্বর্গীয় সুষমা ময় ||


=======================

226/1>|| স্বর্গ-মর্ত-পাতাল ধর্মের আকাল ||


আজ সরস্বতী পূজা ঘরে ঘরে উৎসব,

ছোট ছোট পড়ির মতন শিশু সব,

 হলুদ শাড়িতে একজোট করে,

হলুদরাঙা শাড়ির উৎসব হয় এমনি করে।


একসাথে অঞ্জলী দেওয়া,

তারপরে খিচুড়ি ভোগ খাওয়া।

বন্ধুদের সাথে একটু ঘুরে বেড়িয়ে আসা,

বৎসরে একদিন পাড়ায়, বেপাড়ায় ঘুরে দেখা। 

সরস্বতী পূজা ভালোবাসার স্নেহ মাখা, 

বাৎসরিক প্রেম পার্বনকে জিইয়ে রাখা।

ভালোলাগা, মনেধরা,

ভালোবাসার শুরুকরা।

মনের মানুষকে একটু কাছে পেতে চাওয়া,

বন্ধুত্বের ফাঁকে প্রেম বিনিময় করা।


একটু আড়ালে আবডালে,

বেপাড়ায় গোলির মোড়ে,

মনের মানুষের সাথে,

একটু কথা একটু খুনসুটির ছলে,

না বলা কথা গুলি বলে ফেলা,

ভালোবাসার জনকে একটু ছোঁয়া।


পুষ্পাঞ্জলির মন্ত্রে মাতৃ আরাধনা হোল সাঙ্গ,

মনের মতন সাজিয়েছি ফুলমালায় মাতৃ অঙ্গ।

মাগো সকলি হোল সমাপন,

পুষ্পাঞ্জলি, হাতেখড়ি, প্রেম পার্বন,

এবার হোক তোমার জাগরণ,

হোক শিশু মনে ভাবনার একাত্মকরণ।

সকল মিটলেও তোমার পূজায় বুঝি,

আসোল টুকুই হয়েগেল ফাঁকি।

<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

========================

    2>|| জাগো মা জাগো || May be OK

           <----আদ্যনাথ---->

জাগো মা জাগো,

তোমার পূজার নামে,

হচ্ছে কি তা দেখ।

বিদ্যা তো অনেক হোল,

দেখিনি জাহাজ,বিদ্যে বোঝাই, 

আমাদের প্রকৃত শিক্ষা হলো কই।

পুঁথি পরে সার্টিফিকেট নিয়ে,

ভাবছি নিজেকে কেউ কেটা নিশ্চই।


মাগো এক বার তুমি জাগো,

এ কেমন শিক্ষা দীক্ষা দেখো।

মানুষ কেবল করছে নিজের বরাই,

শুধু স্বার্থ আর অর্থের জন্য লরাই।

আজ মানুষ গুলো কেমন পাল্টে গেছে,

সামাজিক শিক্ষার বোধটাই ভুলে গেছে।

মানুষ গুলো যেন ছন্নছাড়া বন্য তার ধন্ধ,

স্বভাবে কেমন যেন কামাতুর গন্ধ।


মানুষের চরিত্র গুলো পাল্টে গেছে,

আচরণ কেমন যেন অদ্ভুত লাগে,

ভাবনা মানুষ কি আর মানুষ আছে,

পড়েলিখে কেমন যেন বদলে গেছে।

মাগো বাজাও তোমার প্রলয় বীনা,

সুন্দর-সমাজের হোক শুভ সূচনা।


বিদ্যার নামে এ কেমন বিদ্যা,

শুধু প্রশংসা পত্রের চাহিদা।

শিক্ষা যাক জাহান্নামে,

আনন্দ ভরুক সকলের  মনে।

পরীক্ষায় পাশ করলেই হবে,

এমনি করে আর কতদিন চলবে,


মাগো এবার তুমি জাগো,

বিদ্যা বুদ্ধি না দিলে মাগো,

ভালো মন্দ কি করে কী দেবে।

মা গো বাড়ছে তোমার পূজার পরিসর,

প্রকৃত শিক্ষা গেলো রসাতল।

পূজার নামে নাচ গান আর ডী-জে,

ছেলে মেয়েগুলোর হোল কি-জে।


অঞ্জলী দেওয়াতে ছিলো কতো ভক্তি,

তার পরেই চলতো দিনভর মস্তি।

ডেন্স আর ডী-জে র চোটে প্রাণ যায়,

ঘরে বাইরে রস্থায় টেকাই দায়।

মা গো এবার তুমি জাগো।

আমাদের একটু দেখে শুনে রাখো।

<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->


===========================

   3>||  প্রেম V/S ভালবাসা ||-------OK

             <----আদ্যনাথ---->

প্রেম ও ভালবাসার স্বরূপ অনেক জানি,

উভয় আবেগ পরিস্থিতির কারনেই মানি।

স্বকাম, নিষ্কাম,ঐশী,আরও কতো ভেদ,

সকলই ,হৃদয়,ও পরিস্থিতির রকম-ভেদ।


ভোলাকি সম্ভব প্রথম ভালবাসা কে?

শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা পারেননি ভুলতে কেউ কাউকে।

কে বলে প্রেম কেবলই মানসিক ব্যাধি অতি,

প্রেম এক সুমধুর স্বর্গীয় সুখের অনুভূতি।



যৌবনে যদি না হয় প্ৰেম তাবে জীবন বৃথা,

জীবনে জমে থাকে মনের অনেক ব্যথা।

ঐশিক প্রেম তথা মনুষ্য প্রেম উভয় প্রয়োজন,

প্রেমের শুরু যৌবনেই শ্ৰেষ্ঠ উচিৎ আয়োজন।


প্রেমের আনন্দ অপেক্ষা বেদনা দীর্ঘস্থায়ী,

প্রেম পরশের স্বপ্ন সকলই হয় দীর্ঘস্থায়ী।

প্রেম কি করা যায়! হয়ে যায় লক্ষ্যে,

ভালোবাসা(সকাম) ক্ষনিকের চোখের নেশা শখ্যে।


প্রেমের শুরু নীরবে হৃদয়ের আবেগ থেকে,

ভালোবাসার শুরু হয় ভালোলাগা থেকে।

প্রেম হয় হৃদয়ের ব্যাকুলতা দিয়ে, 

ভালবাস হয় মনের চাহিদা দিয়ে।


প্রেমতো হয়না কখনো পরিকল্পনা মতো।

প্রেম আসে জীবনে স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের মতো।

গোলাপ চয়নে কাটার আঘাত লাগবেই,

প্রেমেও তদ্রুপ নিন্দার কাটা বিধবেই।


নচেৎ কণ্টক হীন প্রেমে সৌন্দর্য কোথায়!

কলঙ্ক-ই প্রেমের সৌন্দর্য,অলঙ্কার যেথায় ।

ক্ষনিকের বিচ্ছেদ প্রেমকে গভীর করে, 

দীর্ঘ বিচ্ছেদ প্রেমকে হত্যা করে।


জীবনে আনন্দ ইত উৎস প্রেম ও জ্ঞানের,

ব্যাকুল হৃদয়ের উত্তাল দুটি মনের।

প্রেম শুধু দিয়েই থাকে জানেনা প্রতিদান নিতে ,

ভালবাসা যা দেয়,তারথেকে বেশি জানে নিতে।

    || <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

===========================


   4> ||--জীবনের ছন্দ--||-----OK

আনন্দই সকল শুভকামনার স্ফুরণ,

সঙ্গী বিনা নিরস নিঃসঙ্গ জীবন।

ঠিক যেন নুন বিনা ডিমের মতন,

পুষ্টি থাকলেও স্বাদ বিহীন জীবন।


নারীদেহের সৌন্দর্য, 

সৃষ্টির অফুরন্ত মাধুর্য,

যেন স্থাপত্যকর্ম ঈশ্বরের দান,

নারীর আকর্ষণ যেন অপার্থিব স্বর্গীয় আহ্বান।

প্রকৃত প্রেমে যদি না থাকে একটু ভয়,

প্রেম মিলনের রসানন্দ গভীর নাহি হয় ।


রূপসীর ভালবাসা অহেতুক প্রলাপ উৎফুল্ল,

সেইক্ষনে মনে হয় স্বর্গীয় বাণীর সমতুল্য।

ঘুমন্ত রূপবতী যুবতী নারী সুন্দর দেখায়,

সুঠাম সুপুরুষের সৌন্দর্য একলা পথ চলায়।


প্রেম হীন হৃদয় মরুভূমি সম তুল্য,

প্রেম বিলম্বিত নিশ্চিত শুভআনুকূল্য।

প্রেম প্রলোভনে থাকে অনেক আশা মনের গভীরে,

হৃদয়ে সযত্নে রাখে তারে আপন করে।


পুরস্কার, দু-একবার ভাল, প্রেরণা জাগে ।

অতিপুরস্কা মনে তাচ্ছিল্য অনাচার জাগে।

প্রেমে পরশ একটু আধটু পাওয়া নিতান্ত দরকার,

অতি পরশের ফলে হয় লম্পট, করে অনাচার।


বিবাহে প্রকৃত প্রেমের পরিণতি হয় ব্যর্থ,

বিবাহের পরে থাকে ভালবাসা ও স্বার্থ।

ভাল লাগা এমন জিনিস যা চলতেই থাকে,

শুরু হলে সব কিছুই ভালো লাগতে থাকে।



যাকে ভালবাসি তার সকলকিছুই সুন্দর হয়,

যাকে না-ভালবাসি তার সকলকিছুই 

কদর্যময়।

ভালোবাসা একান্ত মানসিক সংযুক্তির অনুভূতি,

ভালোবাসার কারণে সৃষ্টি উদারতা ও সহানুভূতি।


সৃষ্টির বীজ ভালোবাসাতেই প্রোথিত,

সৃষ্টি, স্থিতি,বিনাশ, শক্তি ও স্নেহরসে অভিষিক্ত। 

সৃষ্টি প্রকৃতির এক অমোঘ লীলা খেলা,

প্রকৃতির জীবন-চক্র সৃষ্টি-শক্তির করেনা

অবহেলা।


প্রকৃতি সদাই যত্নশীল সৃষ্টি, স্থিতির কল্যানে,

সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়, প্রকৃতির কারণে।

যে শক্তি সৃষ্টির মূলে, সেই ধ্বংসের কারণ,

প্রকৃতির লীলা বোঝা ভার অযুত কারণ।

 <-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

===========================

5>||--প্রেম আসে নীরবে--||--OK

        <-----আদ্যনাথ----->

ভালবাসা হচ্ছে নিরন্তর অনিশ্চয়তা,

বিয়ে হচ্ছে সংসার গড়ার নিশ্চিন্ততা,

মাঝে চলতে থাকে মনমালিন্য, মন দেওয়া নেওয়ার বাহার,

প্রেম,সঙ্গম,নিদ্রা,সন্তান,ও আহরা বিহার।


মন সুন্দর হলেও সুন্দর শরীর লোভায়,

রূপসীর হাসির শোভা কভু হৃদয়ের নাহি হয়।

সচরাচর সুন্দরীর হাসি ঠোঁটের কেরামতি,

ঐহাসিতেই করে কামাতুরের হৃদয়ের মেরামতি।


একমাত্র ভালবাসাই সর্ব রোগের শ্রেষ্ঠ নিদান,

ভালবাসা বিহনে জীবনে  নানান রোগ ভোগের কারণ

নারীর জীবনের প্রথম ভালবাসা,

সেতো পাগল করা সর্বগ্রাসী নেশা।


কত নারী পুরুষের প্রথম প্রেম থাকে অপ্রকাশিত,

নারীর বুক ফাঁটে তবু মুখে হয়না প্রকাশিত।

ভালবাসার অগ্নি জ্বলে ধিরে পিপাশিত মনে,

পুরুষ বোঝেনা সে ব্যাথা ভাবে আনমনে।


প্রথম প্রেমের আগুনে নারী জ্বলে আজীবন,

পুরুষের সাধ্য কি বোঝা নারীর মনের মতন।

জীবন তো ফুলের মতন,একদিন যাবে ঝরে,

ভালবাসা হৃদয়ের দরজা সহসা দেয় খুলে।


জীবনে ওঠা পড়া মনমালিন্য লেগেই থাকে,

ভালোবাসার নদীতে জোয়ারভাটা চলতেই থাকে।

ভালোবাসা-তেই ভালোবাসার ঋণ পরিশোধ হয়,

ভালোবাসার কোন সার্থক অর্থ নাহি হয়।


ভালবাসা সেতো কদাচিৎ ছলনার অঙ্গ,

কে-জানে কখন কিভাবে ছেড়ে যাবে সঙ্গ।

ভালোবাসা প্রেমিক প্রেমিকার হৃদয়ের ভাষা,

প্রেম ভালোবাসা প্রকৃতির লীলার অঙ্গ,

প্রকৃতি সর্বদা উদার রাখেনা কোন ধন্দ। 


পুরুষ ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে,

হয়তো কখনো  সত্যি ভালোবেসে ফেলে।

নারীর বিচিত্র স্বভাব হয়তোভাল বাসতে বাসতে,

অভিনয় শুরু করে গোপনে অজান্তে

অজ্ঞাতে।

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

===========================

  6>||-প্রেম ও কামনা--||----OK

        <----আদ্যনাথ---->

নারীর প্রথম প্রেম যদি হয় অনাদৃত,

নারী ভুলতেপারে না হলেও সমাদৃত।

প্রেম ভেঙে যাবার পরে আবার জুড়লে,

কিছু-দাগ নির্মূল করা যায় না সমূলে।

আয়নার ভাঙা কাঁচের মতন,

জুড়লেও সুষ্ম দাগ রয়ে যায় যেমন।


নারী জানে তাঁর হাসির কেরামতি,

করতে পারে ঋষি,তপস্বীর বিভ্রান্ত মতি।

নারী ছলনাময়ী,মায়াই তাঁর ছলনা,

পুরুষের সাধ্য কি তাকে উপেক্ষা করা।

ভালবাসার পাত্রী কে কাছে পাবার ছলে,

হয়তো ভুলকরে শরীরের লোভে পরে।



মিটিয়ে শরীরের কামনা হয় কিছু ভুল,

পরে হয়তো শোধরানো যায়না সেই ভুল।

প্রেমে পড়লে ---------

সকলেই কবি হয়ে যায়,

বোকা বুদ্ধিমান আর বুদ্ধিমান বোকা হয়ে যায়। 


প্রেম ও কামনা  সম্পুর্ণ পৃথক ভাবনা,

কামনা সাময়িক, প্রবল উত্তেজনা।

প্রেম তো ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন সুশান্ত,

ভালোবাসা হলে চোখের নেশা, মন হয় অশান্ত।


কামুক মন, লম্পট জীবন,কামনার আগুনে জ্বলে সারা জীবন।

কামনা বোঝেনা চরিত্র আর সুন্দর জীবন,

কামনার বাসনায় পেতে চায় সুখের মিলন,

ভাবনা এভাবেই কেটে যাবে সহস্র জীবন।


প্রেম ও কামনা কখনো মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে,

কখনো আবার রসাতলে নিয়ে চলে।

কামনা যদি হয় শুভ কর্মের প্রেরণা,

প্রেম তখন সকল মন জয়ের সম্ভাবনা।


প্রেমের অভিব্যক্তি করুণা,

প্রেম দুস্থের মনে জাগিয়ে তোলে নুতন সম্ভাবনা

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অস্ত্র হোল করুণা,

ভালোবাসা বিনা কারুর মন জয় সম্ভব হয়না

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

===========================


    7>|| জীবন স্বর্গীয় সুষমা ময় ||---OK

              <-----আদ্যনাথ---->

ভালোবাসার শুখস্বপ্ন, নিদ্রা ভঙ্গেই অন্ত,

ভালোবাসার স্নেহস্পর্শে মন হয় শান্ত।

অশান্তমনে বিপর্যয় আসে অজান্তে,

দুর্বলমন সর্বদা স্পর্শকাতর একান্তে।


জীবনকে ঘৃণা করা মূর্খতা মহা পাপ,

ভালোবাসাএমন অস্ত্র মেটায় সব পাপ।

ভালোবাসার পরশে জীবন হয় মধুময়,

জীবন সুন্দর স্বর্গীয় সুষমা ময়।


জীবন সুন্দর হয় সুন্দর স্বভাবের গুনে,

জীবন সুশোভন হয় ভালোবাসার কারণে।

ভালোবাসা এক মহামন্ত্র,বিলায় আনন্দ,

ভালোবাসা প্রাপ্তির থেকে দানেই আনন্দ।


ভালোবাসা দিতে পারা এক মহান ধর্ম,

ভালোবাসার পরশদান জীবনে শ্রেষ্ঠ কর্ম।

ভালোবাসা এনে দেয় জীবনে উদ্বিপনা,

ভালোবাসা দূর করে সকল দুর্ভাবনা।


ভালোবাসাই পরিতোষ আর্তের ক্রন্দনে,

ভালোবাসাই একমাত্র আশা দুঃখী জনে।

প্রেমর ঐশ্বরিক শক্তিতে জীবন হয় মহান,

প্রেমের ঐকান্তিক পরশে সম্ভব নবজীবন দান।


প্রেমের সাধনায় লাভ অফুরন্ত শক্তি,

প্রেম একমাত্র শক্তি বাড়ায় মনের ভক্তি।

প্রেমের ব্যাকুলতায় বাড়ায় মনের শক্তি,

প্রেমের আকর্ষণে বাড়ে হৃদয়ের ভক্তি।


প্রেমের পরশে জীবন হয় মহান ধন্য,

প্রেমের নিমিত্তেই ত্যাগ, তপস্যা, গণ্য, মান্য।

প্রেমের ভাষা বিনয়ী, নম্রতা,শালীনতা,

প্রেমের পরশে বাড়ে মনের একাগ্রতা।


বিশ্ব প্রকৃতির মাঝে প্রেম এক ঐশ্বর্য।

প্রেমেই বাড়ে অফুরন্ত জ্ঞান ও ধৈর্য 

প্রেমই স্বর্গ, প্রেমই ধর্ম, প্রেমই যখন কর্ম,

প্রেমের পৃথিবীতে দুর্লভ কিছুইনয় নিষ্কাম কর্মে।

      ||<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->||

========================