226/1>||স্বর্গ-মর্ত-পাতাল ধর্মের আকাল ||(1 to 7)
2>|| জাগো মা জাগো ||
3>|| প্রেম V/S ভালবাসা ||
4> ||--জীবনের ছন্দ--||
5>||--প্রেম আসে নীরবে--||
6>||-প্রেম ও কামনা--||
7>|| জীবন স্বর্গীয় সুষমা ময় ||
=======================
226/1>|| স্বর্গ-মর্ত-পাতাল ধর্মের আকাল ||
আজ সরস্বতী পূজা ঘরে ঘরে উৎসব,
ছোট ছোট পড়ির মতন শিশু সব,
হলুদ শাড়িতে একজোট করে,
হলুদরাঙা শাড়ির উৎসব হয় এমনি করে।
একসাথে অঞ্জলী দেওয়া,
তারপরে খিচুড়ি ভোগ খাওয়া।
বন্ধুদের সাথে একটু ঘুরে বেড়িয়ে আসা,
বৎসরে একদিন পাড়ায়, বেপাড়ায় ঘুরে দেখা।
সরস্বতী পূজা ভালোবাসার স্নেহ মাখা,
বাৎসরিক প্রেম পার্বনকে জিইয়ে রাখা।
ভালোলাগা, মনেধরা,
ভালোবাসার শুরুকরা।
মনের মানুষকে একটু কাছে পেতে চাওয়া,
বন্ধুত্বের ফাঁকে প্রেম বিনিময় করা।
একটু আড়ালে আবডালে,
বেপাড়ায় গোলির মোড়ে,
মনের মানুষের সাথে,
একটু কথা একটু খুনসুটির ছলে,
না বলা কথা গুলি বলে ফেলা,
ভালোবাসার জনকে একটু ছোঁয়া।
পুষ্পাঞ্জলির মন্ত্রে মাতৃ আরাধনা হোল সাঙ্গ,
মনের মতন সাজিয়েছি ফুলমালায় মাতৃ অঙ্গ।
মাগো সকলি হোল সমাপন,
পুষ্পাঞ্জলি, হাতেখড়ি, প্রেম পার্বন,
এবার হোক তোমার জাগরণ,
হোক শিশু মনে ভাবনার একাত্মকরণ।
সকল মিটলেও তোমার পূজায় বুঝি,
আসোল টুকুই হয়েগেল ফাঁকি।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
========================
2>|| জাগো মা জাগো || May be OK
<----আদ্যনাথ---->
জাগো মা জাগো,
তোমার পূজার নামে,
হচ্ছে কি তা দেখ।
বিদ্যা তো অনেক হোল,
দেখিনি জাহাজ,বিদ্যে বোঝাই,
আমাদের প্রকৃত শিক্ষা হলো কই।
পুঁথি পরে সার্টিফিকেট নিয়ে,
ভাবছি নিজেকে কেউ কেটা নিশ্চই।
মাগো এক বার তুমি জাগো,
এ কেমন শিক্ষা দীক্ষা দেখো।
মানুষ কেবল করছে নিজের বরাই,
শুধু স্বার্থ আর অর্থের জন্য লরাই।
আজ মানুষ গুলো কেমন পাল্টে গেছে,
সামাজিক শিক্ষার বোধটাই ভুলে গেছে।
মানুষ গুলো যেন ছন্নছাড়া বন্য তার ধন্ধ,
স্বভাবে কেমন যেন কামাতুর গন্ধ।
মানুষের চরিত্র গুলো পাল্টে গেছে,
আচরণ কেমন যেন অদ্ভুত লাগে,
ভাবনা মানুষ কি আর মানুষ আছে,
পড়েলিখে কেমন যেন বদলে গেছে।
মাগো বাজাও তোমার প্রলয় বীনা,
সুন্দর-সমাজের হোক শুভ সূচনা।
বিদ্যার নামে এ কেমন বিদ্যা,
শুধু প্রশংসা পত্রের চাহিদা।
শিক্ষা যাক জাহান্নামে,
আনন্দ ভরুক সকলের মনে।
পরীক্ষায় পাশ করলেই হবে,
এমনি করে আর কতদিন চলবে,
মাগো এবার তুমি জাগো,
বিদ্যা বুদ্ধি না দিলে মাগো,
ভালো মন্দ কি করে কী দেবে।
মা গো বাড়ছে তোমার পূজার পরিসর,
প্রকৃত শিক্ষা গেলো রসাতল।
পূজার নামে নাচ গান আর ডী-জে,
ছেলে মেয়েগুলোর হোল কি-জে।
অঞ্জলী দেওয়াতে ছিলো কতো ভক্তি,
তার পরেই চলতো দিনভর মস্তি।
ডেন্স আর ডী-জে র চোটে প্রাণ যায়,
ঘরে বাইরে রস্থায় টেকাই দায়।
মা গো এবার তুমি জাগো।
আমাদের একটু দেখে শুনে রাখো।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
===========================
3>|| প্রেম V/S ভালবাসা ||-------OK
<----আদ্যনাথ---->
প্রেম ও ভালবাসার স্বরূপ অনেক জানি,
উভয় আবেগ পরিস্থিতির কারনেই মানি।
স্বকাম, নিষ্কাম,ঐশী,আরও কতো ভেদ,
সকলই ,হৃদয়,ও পরিস্থিতির রকম-ভেদ।
ভোলাকি সম্ভব প্রথম ভালবাসা কে?
শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা পারেননি ভুলতে কেউ কাউকে।
কে বলে প্রেম কেবলই মানসিক ব্যাধি অতি,
প্রেম এক সুমধুর স্বর্গীয় সুখের অনুভূতি।
যৌবনে যদি না হয় প্ৰেম তাবে জীবন বৃথা,
জীবনে জমে থাকে মনের অনেক ব্যথা।
ঐশিক প্রেম তথা মনুষ্য প্রেম উভয় প্রয়োজন,
প্রেমের শুরু যৌবনেই শ্ৰেষ্ঠ উচিৎ আয়োজন।
প্রেমের আনন্দ অপেক্ষা বেদনা দীর্ঘস্থায়ী,
প্রেম পরশের স্বপ্ন সকলই হয় দীর্ঘস্থায়ী।
প্রেম কি করা যায়! হয়ে যায় লক্ষ্যে,
ভালোবাসা(সকাম) ক্ষনিকের চোখের নেশা শখ্যে।
প্রেমের শুরু নীরবে হৃদয়ের আবেগ থেকে,
ভালোবাসার শুরু হয় ভালোলাগা থেকে।
প্রেম হয় হৃদয়ের ব্যাকুলতা দিয়ে,
ভালবাস হয় মনের চাহিদা দিয়ে।
প্রেমতো হয়না কখনো পরিকল্পনা মতো।
প্রেম আসে জীবনে স্নিগ্ধ শীতল বাতাসের মতো।
গোলাপ চয়নে কাটার আঘাত লাগবেই,
প্রেমেও তদ্রুপ নিন্দার কাটা বিধবেই।
নচেৎ কণ্টক হীন প্রেমে সৌন্দর্য কোথায়!
কলঙ্ক-ই প্রেমের সৌন্দর্য,অলঙ্কার যেথায় ।
ক্ষনিকের বিচ্ছেদ প্রেমকে গভীর করে,
দীর্ঘ বিচ্ছেদ প্রেমকে হত্যা করে।
জীবনে আনন্দ ইত উৎস প্রেম ও জ্ঞানের,
ব্যাকুল হৃদয়ের উত্তাল দুটি মনের।
প্রেম শুধু দিয়েই থাকে জানেনা প্রতিদান নিতে ,
ভালবাসা যা দেয়,তারথেকে বেশি জানে নিতে।
|| <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
===========================
4> ||--জীবনের ছন্দ--||-----OK
আনন্দই সকল শুভকামনার স্ফুরণ,
সঙ্গী বিনা নিরস নিঃসঙ্গ জীবন।
ঠিক যেন নুন বিনা ডিমের মতন,
পুষ্টি থাকলেও স্বাদ বিহীন জীবন।
নারীদেহের সৌন্দর্য,
সৃষ্টির অফুরন্ত মাধুর্য,
যেন স্থাপত্যকর্ম ঈশ্বরের দান,
নারীর আকর্ষণ যেন অপার্থিব স্বর্গীয় আহ্বান।
প্রকৃত প্রেমে যদি না থাকে একটু ভয়,
প্রেম মিলনের রসানন্দ গভীর নাহি হয় ।
রূপসীর ভালবাসা অহেতুক প্রলাপ উৎফুল্ল,
সেইক্ষনে মনে হয় স্বর্গীয় বাণীর সমতুল্য।
ঘুমন্ত রূপবতী যুবতী নারী সুন্দর দেখায়,
সুঠাম সুপুরুষের সৌন্দর্য একলা পথ চলায়।
প্রেম হীন হৃদয় মরুভূমি সম তুল্য,
প্রেম বিলম্বিত নিশ্চিত শুভআনুকূল্য।
প্রেম প্রলোভনে থাকে অনেক আশা মনের গভীরে,
হৃদয়ে সযত্নে রাখে তারে আপন করে।
পুরস্কার, দু-একবার ভাল, প্রেরণা জাগে ।
অতিপুরস্কা মনে তাচ্ছিল্য অনাচার জাগে।
প্রেমে পরশ একটু আধটু পাওয়া নিতান্ত দরকার,
অতি পরশের ফলে হয় লম্পট, করে অনাচার।
বিবাহে প্রকৃত প্রেমের পরিণতি হয় ব্যর্থ,
বিবাহের পরে থাকে ভালবাসা ও স্বার্থ।
ভাল লাগা এমন জিনিস যা চলতেই থাকে,
শুরু হলে সব কিছুই ভালো লাগতে থাকে।
যাকে ভালবাসি তার সকলকিছুই সুন্দর হয়,
যাকে না-ভালবাসি তার সকলকিছুই
কদর্যময়।
ভালোবাসা একান্ত মানসিক সংযুক্তির অনুভূতি,
ভালোবাসার কারণে সৃষ্টি উদারতা ও সহানুভূতি।
সৃষ্টির বীজ ভালোবাসাতেই প্রোথিত,
সৃষ্টি, স্থিতি,বিনাশ, শক্তি ও স্নেহরসে অভিষিক্ত।
সৃষ্টি প্রকৃতির এক অমোঘ লীলা খেলা,
প্রকৃতির জীবন-চক্র সৃষ্টি-শক্তির করেনা
অবহেলা।
প্রকৃতি সদাই যত্নশীল সৃষ্টি, স্থিতির কল্যানে,
সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়, প্রকৃতির কারণে।
যে শক্তি সৃষ্টির মূলে, সেই ধ্বংসের কারণ,
প্রকৃতির লীলা বোঝা ভার অযুত কারণ।
<-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
===========================
5>||--প্রেম আসে নীরবে--||--OK
<-----আদ্যনাথ----->
ভালবাসা হচ্ছে নিরন্তর অনিশ্চয়তা,
বিয়ে হচ্ছে সংসার গড়ার নিশ্চিন্ততা,
মাঝে চলতে থাকে মনমালিন্য, মন দেওয়া নেওয়ার বাহার,
প্রেম,সঙ্গম,নিদ্রা,সন্তান,ও আহরা বিহার।
মন সুন্দর হলেও সুন্দর শরীর লোভায়,
রূপসীর হাসির শোভা কভু হৃদয়ের নাহি হয়।
সচরাচর সুন্দরীর হাসি ঠোঁটের কেরামতি,
ঐহাসিতেই করে কামাতুরের হৃদয়ের মেরামতি।
একমাত্র ভালবাসাই সর্ব রোগের শ্রেষ্ঠ নিদান,
ভালবাসা বিহনে জীবনে নানান রোগ ভোগের কারণ
নারীর জীবনের প্রথম ভালবাসা,
সেতো পাগল করা সর্বগ্রাসী নেশা।
কত নারী পুরুষের প্রথম প্রেম থাকে অপ্রকাশিত,
নারীর বুক ফাঁটে তবু মুখে হয়না প্রকাশিত।
ভালবাসার অগ্নি জ্বলে ধিরে পিপাশিত মনে,
পুরুষ বোঝেনা সে ব্যাথা ভাবে আনমনে।
প্রথম প্রেমের আগুনে নারী জ্বলে আজীবন,
পুরুষের সাধ্য কি বোঝা নারীর মনের মতন।
জীবন তো ফুলের মতন,একদিন যাবে ঝরে,
ভালবাসা হৃদয়ের দরজা সহসা দেয় খুলে।
জীবনে ওঠা পড়া মনমালিন্য লেগেই থাকে,
ভালোবাসার নদীতে জোয়ারভাটা চলতেই থাকে।
ভালোবাসা-তেই ভালোবাসার ঋণ পরিশোধ হয়,
ভালোবাসার কোন সার্থক অর্থ নাহি হয়।
ভালবাসা সেতো কদাচিৎ ছলনার অঙ্গ,
কে-জানে কখন কিভাবে ছেড়ে যাবে সঙ্গ।
ভালোবাসা প্রেমিক প্রেমিকার হৃদয়ের ভাষা,
প্রেম ভালোবাসা প্রকৃতির লীলার অঙ্গ,
প্রকৃতি সর্বদা উদার রাখেনা কোন ধন্দ।
পুরুষ ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে,
হয়তো কখনো সত্যি ভালোবেসে ফেলে।
নারীর বিচিত্র স্বভাব হয়তোভাল বাসতে বাসতে,
অভিনয় শুরু করে গোপনে অজান্তে
অজ্ঞাতে।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
===========================
6>||-প্রেম ও কামনা--||----OK
<----আদ্যনাথ---->
নারীর প্রথম প্রেম যদি হয় অনাদৃত,
নারী ভুলতেপারে না হলেও সমাদৃত।
প্রেম ভেঙে যাবার পরে আবার জুড়লে,
কিছু-দাগ নির্মূল করা যায় না সমূলে।
আয়নার ভাঙা কাঁচের মতন,
জুড়লেও সুষ্ম দাগ রয়ে যায় যেমন।
নারী জানে তাঁর হাসির কেরামতি,
করতে পারে ঋষি,তপস্বীর বিভ্রান্ত মতি।
নারী ছলনাময়ী,মায়াই তাঁর ছলনা,
পুরুষের সাধ্য কি তাকে উপেক্ষা করা।
ভালবাসার পাত্রী কে কাছে পাবার ছলে,
হয়তো ভুলকরে শরীরের লোভে পরে।
মিটিয়ে শরীরের কামনা হয় কিছু ভুল,
পরে হয়তো শোধরানো যায়না সেই ভুল।
প্রেমে পড়লে ---------
সকলেই কবি হয়ে যায়,
বোকা বুদ্ধিমান আর বুদ্ধিমান বোকা হয়ে যায়।
প্রেম ও কামনা সম্পুর্ণ পৃথক ভাবনা,
কামনা সাময়িক, প্রবল উত্তেজনা।
প্রেম তো ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন সুশান্ত,
ভালোবাসা হলে চোখের নেশা, মন হয় অশান্ত।
কামুক মন, লম্পট জীবন,কামনার আগুনে জ্বলে সারা জীবন।
কামনা বোঝেনা চরিত্র আর সুন্দর জীবন,
কামনার বাসনায় পেতে চায় সুখের মিলন,
ভাবনা এভাবেই কেটে যাবে সহস্র জীবন।
প্রেম ও কামনা কখনো মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে,
কখনো আবার রসাতলে নিয়ে চলে।
কামনা যদি হয় শুভ কর্মের প্রেরণা,
প্রেম তখন সকল মন জয়ের সম্ভাবনা।
প্রেমের অভিব্যক্তি করুণা,
প্রেম দুস্থের মনে জাগিয়ে তোলে নুতন সম্ভাবনা
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অস্ত্র হোল করুণা,
ভালোবাসা বিনা কারুর মন জয় সম্ভব হয়না
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
===========================
7>|| জীবন স্বর্গীয় সুষমা ময় ||---OK
<-----আদ্যনাথ---->
ভালোবাসার শুখস্বপ্ন, নিদ্রা ভঙ্গেই অন্ত,
ভালোবাসার স্নেহস্পর্শে মন হয় শান্ত।
অশান্তমনে বিপর্যয় আসে অজান্তে,
দুর্বলমন সর্বদা স্পর্শকাতর একান্তে।
জীবনকে ঘৃণা করা মূর্খতা মহা পাপ,
ভালোবাসাএমন অস্ত্র মেটায় সব পাপ।
ভালোবাসার পরশে জীবন হয় মধুময়,
জীবন সুন্দর স্বর্গীয় সুষমা ময়।
জীবন সুন্দর হয় সুন্দর স্বভাবের গুনে,
জীবন সুশোভন হয় ভালোবাসার কারণে।
ভালোবাসা এক মহামন্ত্র,বিলায় আনন্দ,
ভালোবাসা প্রাপ্তির থেকে দানেই আনন্দ।
ভালোবাসা দিতে পারা এক মহান ধর্ম,
ভালোবাসার পরশদান জীবনে শ্রেষ্ঠ কর্ম।
ভালোবাসা এনে দেয় জীবনে উদ্বিপনা,
ভালোবাসা দূর করে সকল দুর্ভাবনা।
ভালোবাসাই পরিতোষ আর্তের ক্রন্দনে,
ভালোবাসাই একমাত্র আশা দুঃখী জনে।
প্রেমর ঐশ্বরিক শক্তিতে জীবন হয় মহান,
প্রেমের ঐকান্তিক পরশে সম্ভব নবজীবন দান।
প্রেমের সাধনায় লাভ অফুরন্ত শক্তি,
প্রেম একমাত্র শক্তি বাড়ায় মনের ভক্তি।
প্রেমের ব্যাকুলতায় বাড়ায় মনের শক্তি,
প্রেমের আকর্ষণে বাড়ে হৃদয়ের ভক্তি।
প্রেমের পরশে জীবন হয় মহান ধন্য,
প্রেমের নিমিত্তেই ত্যাগ, তপস্যা, গণ্য, মান্য।
প্রেমের ভাষা বিনয়ী, নম্রতা,শালীনতা,
প্রেমের পরশে বাড়ে মনের একাগ্রতা।
বিশ্ব প্রকৃতির মাঝে প্রেম এক ঐশ্বর্য।
প্রেমেই বাড়ে অফুরন্ত জ্ঞান ও ধৈর্য
প্রেমই স্বর্গ, প্রেমই ধর্ম, প্রেমই যখন কর্ম,
প্রেমের পৃথিবীতে দুর্লভ কিছুইনয় নিষ্কাম কর্মে।
||<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->||
========================
No comments:
Post a Comment