আমি মরুভুমির মতন ধূসর,
প্রচন্ড গ্রীষ্মের তাপদাহনের হুঙ্কার।
হিনালয়ের গিরি শীর্ষে তুষার ঝঞ্ঝা,
মহা সাগরের মাঝে ঘূর্ণি ঝঞ্ঝা।
আমি দুরন্ত দাবানল সহ ঝঞ্ঝা,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার,
প্রকৃতির রোষে প্রকৃতিকে লয়ে
প্রকৃতিকেই করি ধ্বস্ত।
আমি বাঁধ ভাঙা প্রলয় অশান্ত,
কখনো সৃষ্টির নিমিত্তে সুচারু শান্ত।
আমি একলাই চলি অসীমের পথে
গিরিখাদ বয়ে ধেয়ে সমুদ্রের মাঝে।
ধ্বংসের পরেই নূতন সৃষ্টির যোজনা,
সৃষ্টির আনন্দে প্রকৃতির নিত্য নুতন ভাবনা।
আমি প্রেয়সীর পেলব ওষ্ঠ,
ষোড়শী তন্বীর ক্ষীণ কটি স্পষ্ট।
মসৃন দীর্ঘ লোলায়মান জঙ্ঘা,
লালশার স্রোতে হারিয়ে যাওয়ার সংজ্ঞা।
সুগভীর নাভিচক্রে কঞ্জমুখী,
কামনামত্ত প্রথম শিহরন প্রদায়ী।
প্রেয়সীর বিস্তৃত সুগঠিত সূচাগ্র নিতম্ব,
মাখন সম সুডোল সূচাগ্র স্তনবৃন্তের শিহরন।
প্রেয়সীর আজানু লম্বিত কেশ রাজি,
বসন্তের হওয়ায় ফুলরেণু মাখি।
আমি ভালোবাসা,
কখনো আমি দুরাশা,
কখনো আমি প্রচণ্ড পিপাসা,
কখনো আমি হৃদয় বিদারী,
হৃদয় নিয়ে করি তামাশা।
আমি পুঙ্গব নাচি উলঙ্গ নৃত্য,
প্রকৃতির আনন্দ চির সত্য।
প্রেয়সীর হৃদয়ে আনন্দে রই ব্যাপৃত,
আমি নিতান্ত অনাহুত বিভ্রান্ত।
প্রকৃতি সদা নূতনের গন্ধে মাতোয়ারা
সৃষ্টির আনন্দে মেতেই বুঝি দিশেহারা।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
====================
No comments:
Post a Comment