সমাজে আমাদের অনেক আতিথিয়তাই রক্ষা করতে হয় যেমন বিয়ে, পৈতা, জন্মদিন,বিবাহ বার্ষিকী,গৃহ প্রবেশ,ইত্যাদি,নানান অনুষ্ঠান।
এই আতিথিয়তা রক্ষা করতে আমরা নানান
উপঢৌকন নিয়ে যাই সাথে করে।
নিদান পক্ষ্যে টাকা ভবর্তি খাম তো থেকেই।
কিন্তু আমরা যখন কোন অসুস্থ্য মানুষ কে দেখতে যায় তাঁর বাড়িতে, হাসপাতালে,বা নারসিং হোমে তখন কিন্তু আমরা খালি হতেই যাই শুধু নিজের উপস্থিতির জানান দিতে।এবং বোঝাতে চাই আমরা তোমার শুভাকাঙ্খী। ব্যস এইটুকুর জন্যই উলিস্থিতি জানাই।
আমরা একটু চিন্তা করলেই বা নিজেদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই অনেক উত্তর পেতে পাড়ি।
যেমন কোন ক্ষেত্রে আমাদের উপঢৌকন রূপী টাকার খাম দেওয়া উচিত বা কোনটাতে বিশেষ
জরুরি।একজন গরিব পরিবারের বিবাহ অনুষ্ঠানে কিছু সাহায্য অবশ্য দরকার।
ততোধিক প্রয়োজন একজন রুগীর চিকিৎসার জন্য।চিকিৎসাধীন রুগী যদি আর্থিক দিক থেকে কমজোর হয় তবে সেখানে অর্থের প্রয়োজন অনেক বেশি।এমন রুগীকে দেখতে গেলেও আমরা খলি হাতেই যাই।
অতঃ আমার একটাই নিবেদন-----–
এবার থেকে অনুদান,দান,উপঢৌকন,সহায়তা যাই করিনা কেন, একটু চিন্তা করেই করা উচিত।
আজও দেশের কতো মানুষ অর্থের কারনে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন।
আমাদের অতি সামান্য অনুদানের কারনে হয়তো বাঁচতে পারবে একটা পরিবার।কমপক্ষে বাঁচার আশার আলো দেখতে পাবে।
তারজন্য প্ৰয়োজন শুধু আমাদের শুভ চেতনা ও অতি সামান্য প্রচেষ্টা।
মানব জনম অমূল্য রতন আসে না বার বার ,
শুভ কর্মে হও ব্রতী, শুভ কর্ম করো এই বার।
আমার মনেহয় কবিগুরু সেইকারনেই বলেগেছেন,
"" "শুভ কর্মপথে ধর’ নির্ভয় গান।
সব দুর্বল সংশয় হোক অবসান।"
||----ANRC---26/11/2017:---------||
||========================||
No comments:
Post a Comment