Thursday, April 12, 2018

228>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||-------------( 1 to 6 )

228>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||-----( 1 to 6 )

1>||-শীত বসেছে জাকিয়ে--||
2>শীতের কাঁপন লাগবে বুঝি,
3>জে রানীর পরশের লাগি
4>||--শীতের সকাল--||
5>||--প্রথম শীতের পরশ--||
6>|| এই শীতের রাতে, ||

=====================================

1>শীত বসেছে জাকিয়ে,
বসেথাকুন হাতপা গুটিয়ে।
দিনেরবেলায় সূর্য্য মামার দিকে তাকিয়ে,
রাতের বেলায় লেপ কম্বল জড়িয়ে নিয়ে।
সূর্য্য মাম দেখাদিলে উঠোনে পড়তে বসে,
চাদর জড়িয়ে তেল দিয়ে মুড়ি মেখে।
মায়ের হাতের পিঠে পুলি,
হরেক গল্পের সাথে ঠাকুরমার ঝুলি।
গ্রাম বাংলার সেই ঢেকিসালে,
সকাল থেকেই চাউল কোটার পর্ব চলে।
১০টা বাজলেই গায়ে তেল মেখে,
মাঝ পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
কিআনন্দ গ্রাম বাংলার পুরের জলে,
স্কুল ছুটির পরে পুকুরপারে খেলার মাঠে।
বাবার লাঠি আর মায়ের বকুনী,
পন্ডিত মশায়ের সংস্কৃতের ব্যাকরণ খানি।
অঙ্ক আর ভূগোল স্যারের লম্বা লাঠি,
ইংরেজি আর ইতিহাসের দাঁত কপাটি।
স্কুল ছুটির পরে বইখাতা রেখেই ঘরে,
খাই বা নাখাই দে দৌড় খেলার মাঠের পানে।
সন্ধে হলেই ঘরে ফেরা,
খেত খামারের পেরিয়ে বাড়া।
ঘর মুখী ওই হাঁস মুরগি গরু ছাগল,
চাষি ফেরেন উঠিয়ে নাঙ্গল।
সন্ধাতে আবার পড়তে বসা,
মা মাস্টারের চলে বকা ঝকা।
গ্রাম বাংলার সেই শীতের সকাল,
যেন ছবির মতন ছিল সেইকাল।
আজকে ফ্লাটেবসে তেমনটি কোথায় পাবে,
উঠোন গুলি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।
গ্রাম বাংলার সেই পুকুর ঘাট,মাঠ,
কেমনযেন উবে গিয়ে পাকা হোল পথ ঘাট।
মানুষের ভিড়ে খেত খামার,পশুপাখি,
সকল হারিয়ে অবাক চোখে চেয়ে থাকি।
নেতাদের লম্বা বুলি, প্রমোটারের লম্বা হাত,
গ্রামবাংলার আজকের দিনে রাতের ত্রাস।
শহরের অট্টালিকার রাহুর গ্রাস,
গ্রামবাংলাকেই ধীরে ধীরে করছে গ্রাস।
গ্রাম বাংলার সেই মেঠো পথের আলী গলি,
আজকে মনেহয় জেন কেবলই কল্পনার ছবি।
||---ANRC--------15/01/2018-------||
||==========================||

2>শীতের কাঁপন লাগবে বুঝি,
বুড়ো হারের মজ্জাতে।
শ্যাম বিহারের সিনিয়র সিটিজেন আমরা,
2018 এর হালিশহরের চড়ুই ভাতিতে।
10 তারিকে যাচ্ছি আমরা হালিশহর,
চড়ুই ভাতির আমেজ নিতে।
শীত বলছে ছাড়বো নাকো,কাঁপিয়ে দেব,
বুড়োদের চিংড়ি, মটন খেতে।
কাঁপবে শীতে, বেড়াবে কোথায়,
শীতের হওয়া লাগলে গায়ে।
বনভোজন আর চড়ুইভাতি,
বুড়োদের,না হয় যেন দাঁত কপাটির দায়।

|-----ANRC----08/01/2018---------------||
||=========================||

3>জে রানীর পরশের লাগি
ঘুরিনু বাংলা বিহার ঝাড়খন্ড দেশে,
অবশেষে পাইনু তার একটু পরশ,
জামশেদপুর মানগো তে এসে।
এখানে শীত রানী জমিয়েছে বেশ,
সাথে শীতল হওয়া মজাদার বেশ।
রাত্রি কালে পশমের কম্বলের পরশ,
দিনভর সোয়েটার মাফলালের গরম পরশ।
শীত রানীর এমন মধুর পরশ ছাড়ি,
ফিরিতে মন চায় না এতো তাড়াতাড়ি।
অবশেষে আরও দিনদুই তরে করিনু স্থির,
এমন শীতল রানীর ক্রোড়ে রহিব স্থির।
||---ANRC----27/12/2017::-----------||
||========================||





4>||--শীতের সকাল--||


শীতের সকালে মেজাজটাই জরুরি,
তাই বানালাম করাই শুঁটির কচুরি।
সাথে ফুলকপি নুতন আলুর তরকারি,
আর আম ও ইচরের আচারের বাহারি।

ঘরের বাইরে বইছে ঠান্ডা হওয়া,
এদিকে কচুরির গন্ধ ও গরম ধোঁয়া।
ফুলকো কচুরির গন্ধে কিবাহার,
আজকের সকালটাই ভীষণ চমৎকার।

ভোজন রসিক বাঙালির শীতকাল,
লেপ কম্বল,আর রকমারি খাবার চিরকাল।
মন্ডা মিঠাই পিঠে পুলি,
বাঙালির খাবারের আছে হরেক ঝুলি।
শীতের মিঠাই নলেন গুড়ের পায়েস,
বাঙালি জানে খাবারে কত আয়েশ।

শীতের বেলায় দিদা ঠাকুর মা অভ্যস্ত,
রকমারী খাবার বানাতেই সারা দিন ব্যস্ত।
আমিও এক পেটুক বাঙালি সন্তান,
নিত্য নুতন খাদ্যে মনকে করি শান্ত।
||--ANRC-----20/12/2017--------------||
||====≠===================||




=============================
5>||--প্রথম শীতের পরশ--||

আজ প্রথম শীতের ছোঁয়া পেয়ে,
আমেজ লাগলো মনে।
তাই বানালাম মেথি পরটা,
আর নুতন আলু মটর শুটির কষা।
ভেবেছিলাম কিনে আনব,
জয়নগরের মোয়া।
ঘুরলাম অনেক দোকান,
মনের মতন পেলামনা তেমন।
তাই মোয়ায় দিয়ে ক্ষান্ত,
মনকে করলাম শান্ত।
||-©➽-ANRC-----19/12/2017::-------||

||========================||

6>|| এই শীতের রাতে, ||


এই শীতের রাতে, রাত ভর বৃষ্টি
রৌদ্রজ্জ্বল প্রভাত অপূর্ব মিষ্টি,
প্রকৃতির কোলে নূতনের সৃষ্টি,
আনন্দ উচ্ছাসে মিশেছে কৃষ্টি।

আপনার শুভেচ্ছা গুলি
ছুঁয়ে যায় মনের অলি গোলি।
স্বপ্নের তরী বেয়ে আনন্দ আবেগে
হারিয়ে যাই দূরে অজানা পথে।

এমন প্রভাতে জানাই আপনাকে,
মনের আবেগ ও ভালবাসতে,
পূর্ন হোক আপনার হৃদয় উল্লাসে,
ঠাঁই যেন পাই আপনার সুন্দর মনে।

পাঠালাম আমার  উষ্ণভালবাসা,
মনে নিয়ে অফুরন্ত ভালবাসা।
চাই আপনার একটু ভালবাস,
শীতের প্রভাতে তাই সমান্য আশা।
 <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
======================

No comments:

Post a Comment