245>||---বন্ধু-------||6/10/2017
পাতাল পুরীর নিঝুম পুরী,
সেথায় থাকে গোলাপ পড়ি।
সাধ জাগলো হঠাৎ করে,
দেখবে যাবে মেঘের বাড়ি।
সঙ্গে নিয়ে ফুল পরীদের,
গোলাপ পড়ি উড়লো মেঘে।
দিন ফুরোল রাত ফুরালো,
সূর্য্য মামা উঠল জেগে।
আলোয় ভরলো দিক দিগন্ত,
প্রবল তাপের বার বাড়ন্ত।
ফুলপরিরা হাঁপিয়ে ওঠে,
গোলাপ পরীও হোল ক্লান্ত।
সকল পড়ি ভেবেই আকুল,
মনজে তাদের হোল ব্যাকুল।
কোথায় পাবে মেঘের বাড়ি,
সকলে ভেবে ভেবে পায় না কুল।
হঠাৎ হোল মেঘের গর্জন,
পরীদের বাড়ল হৃদ কম্পন।
লুকোবার স্থান টি কোথায়,
সকল পরীর সে কি ক্রন্দন।
ক্রন্দন শুনে পাখির দল,
এলো পরীদের দিতে আশ্রয় স্থল।
একে একে পরি সকল,
পাখিদের নির করলো দখোল।
মেঘের ক্রোধ থামলো না কো,
ঝম ঝমিয়ে বৃষ্টি এলো।
ছোট সেই পাখির বাসায়,
পরীরা সব রইল মজায়।
এমনি ভাবে দিনটি গেল,
পরীদের খিদের জ্বালা বেড়ে গেল।
কোথায় পাবে একটু আহার,
ঝড় বাদলে পাখিরাও বেহাল।
বৃষ্টি আর মেঘের গর্জন,
চললো তিন দিন তিন রাত্রি।
পাখিরা সবে নিজেরা ভিজে,
পরীদের থাকতে দিল আপন ভেবে।
অবশেষে বৃষ্টি ও মেঘের রোশ থামল,
পাখি আর পরীদের বন্ধুত্য বাড়লো।
সকাল হতেই পাখিরা বলে কিগো পরি,
জাবেকিআর ওই মেঘের বাড়ি।
পরিরা বলে হেসে হেসে ইচ্ছা ছিল দেখতে
মেঘের বাড়ি কেমন হয় যদি পেতাম দেখতে।
পাখিরা কয় মেঘের তো নাই কোন বাড়ি,
ওরা ভেসে বেড়ায় আকাশে ভর কড়ি।
সূর্য্য মামা জলটেনে জমিয়ে রাখেন মেঘে,
জলের ওজন বেশি হলেই বৃষ্টি রূপে ঝরে।
খাল বিল সব জলে ভরে,
গাছ গুলো সব ফুলে ভরে।
আমরা পাই কতো খাবার চারি ধরে,
কচি কাঁচা বাছাগুলোর স্বাথ ফেরে।
সবাই মিলে আনন্দেতে দিন যে কাটে,
সে অনেক কথা বলতে পারি বটে।
পরিরা বেজায় খুশি পাখিদের সাথে,
পরীদের তো পাতাল পুরী অন্ধকার থেকে।
সেসব কথা বললে পাখিরা যদি ভয় পায়,
এমনি ভেবেই পরিরা চুপ থেকে যায়।
রাত পেরিয়ে সকাল হোল,
সূর্য্য মামার উদয় হোল।
এবার পরিরা তৈরি হোল,
পাতাল পুরীরতে ফিরতে হোল।
||----ANRC------06/10/2017::------||
||=========================||
No comments:
Post a Comment