<--©➽-আদ্যনাথ--->
সে দিন খেয়েছিলাম আমি ওখানে,
যায়গাটাযর নাম বলিনি আগে।
গিয়েছিলাম ওই সেই বাওফিনে,
না না, ঠিক হোমোক্লিনের উত্তরে।
আজব নামের আজব সে দেশ,
তাজা জ্যান্ত আইস্ক্রিমের দেশ।
খেয়ে ভীষণ মজা,তাজা তাজা,
নাখেলেই দেবে ওরা সাজা।
হাজার রকম মেনু পাবে হেথা,
বসেপর গুটিয়ে নিয়ে জামার হাতা।
কেন্নোর রসালো জিলিপি আর,
গাধার সম্পুর্ন লেজের রোস্ট।
খেয়েছ কি উকুনের পাতুরি?
দাঁতে চেবালেই ফুর ফুরি,
ফটাফট ফাটবে উকুন গুলি।
এমন আরও কত মজার খাবার,
পেয়ে যাবে গেলে সেই কাংখাবার।
সেথায় গিয়ে খেয়ে ছিলাম গুণে,গুণে,
ইঁদুরের চাটনি চেয়ে নিয়ে।
আরশোলা আর উইপোকা ভাজা,
সব কিছুই ছিল একেবারে তাজা।
অনেক বাজার ঘুরে হিমশিম,
শেষে পেলাম গোবরে পোকার ডিম।
জোক গুলির দাম একটু বেশি,
খেলেই নাকি বাড়ে টাইসেফের পেশী।
আর কিনেছিলাম উচুঙ্গার ডিম,
আর কিনে ছিলাম একপোয়া ছিম।
রান্নাটা শিখেছিলাম বটে,
ছোকং এতে গিয়ে তবে।
করেছিলাম রান্না সেদিন দুপুরে,
সবাই খেল আনন্দে পেটপুরে।
সে রান্না নয় এমনি সেমনি,
বিখ্যাত কম্পিটিশন খানি।
নামটি হলো বেজায় আমার,
পেয়েছিলাম প্রথম পুরষ্কার।
পরে জানলাম বাঙালীরাও জুটে,
খেয়েছিল চেটে পুটে ।
তাজা গোবরের চাটনিও ছিল,
সুস্বাদু হজমি বড়িও ছিল।
তাতে শুকরের চর্বি মিশিয়ে,
খুব ভালো করে কষিয়ে।
এটাই হজমের আসল ক্লু,
যা খেলে কখন হবেনা ফ্লু।
খেয়ে নিতে পার কিছু,
জ্যান্ত ছুঁচোর তাজা ঘিলু কিছু।
শুনতে কি চাও সকল ফিরিস্তি,
জানি নাকের জল মাথায় মুছেই পাবে স্বস্তি।
চোখের জলে কপাল ভিজবে।
শর্টপ্যান্টটা রাখবেন কাছে।
নাকের জলযে মুছতে হবে।
আরশোলার দই বরা,
কাঁকড়া বিছের মাখা সন্দেশ।
কুঁচ কৃমির স্পেশাল রস বড়া।
কাকের ডিমের ওমলেট,
শুঁটকি মাছের কেক গুলো বেশ।
কেঁচো বাটার চাটনি আর
ছারপোকার কড়াপাকের সন্দেশ।
তেঁতুল বিছার চচ্চড়ি আর,
মাখন পোস্ত দিয়ে কেচোর ঝাল,
আর কত বলবো সেই রান্নার হাল।
আজ এইটুকুতেই দিলাম ক্ষ্যান্ত।
শিখে নিতে পার সহজ কিছু পন্থা,
খেয়ে নিয়ে গীরগীটি ভাজা আর পান্তা।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【---27/12/2020--】
【=সকাল:09:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================
No comments:
Post a Comment