261>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||(1--9)
2>||খাদ্য রসিক ||
3>|| খাই খাই করে মন ||(ফুচকা)
4>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||
5>||-কেক আর পিকনিক-||
6>।।-পৌষ পাবনের পিঠে--।।
7>||--ভোজন সূত্র-----||
8>কেডবেরি কেডবেরি
স্বাদে গন্ধে কাড়াকাড়ি।
5>||-কেক আর পিকনিক-||
6>।।-পৌষ পাবনের পিঠে--।।
7>||--ভোজন সূত্র-----||
8>কেডবেরি কেডবেরি
স্বাদে গন্ধে কাড়াকাড়ি।
9>||-আহামরি,কেডবেরি,-||
=============================
261>||--খাদ্য রসিক বাঙালি----||
ডিসেম্বর, জানুয়ারি, দুই মাস,
বাঙালির হুড়োহুড়ির হতে নেই অবকাশ।
ডিসেম্বরের উৎসবে কেকের আড়ম্বর,
কেকনিয়ে চলে হুড়োহুড়ি মাস ভর।
ডিসেম্বরের স্বপ্ন থাকে বৎসর ভর,
25শে ডিসেম্বরের উৎসবের উল্লাশ আড়ম্বর।
ডিসেম্বরের কেকের স্বাদ,আনন্দ,রকমারি,
মাস ভর চলে এই ডিসেম্বরের হুড়োহুড়ি।
ডিসেম্বরের পরেই জানুয়ারির উৎসব,
চলতে থাকে পিকনিকের মহোৎসব।
পিকনিকের হুড়োহুড়ি মাসভর চলে,
আমিষ,নিরানিষের বাদবিচার না করে।
উদ্যান, কটেজ,নদীর পাড়,কিংবা পার্কে,
যেথা যাও পিকনিক স্পট বাদ নাই তর্কে।
বাঙালির অতি প্রিয় ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
এই দুটি মাসে উৎসবের নাই জুড়ি।
অফিস কাছারীতে বাঙালি দিলখুশ,
সকলেই চড়ুই ভাতির জল্পনা কল্পনায় উন্মুখ।
কেহ চায়,কেহ যোগ দেয়,কেহ করে আশা,
পিকনিক ব্যাতিরিকে মনে জাগে হতাশা।
একদিকে পৌষের পিঠে পায়েসের রকমারি,
তারসাথে পিকনিকের বাড়াবাড়ির নাই জুড়ি।
বাঙালির অতি আদরের পৌষ পাবন,
পিঠে পুলির কতইনা চলে পূজা পাবন।
ডিসেম্বর, জানুয়ারির নাই কোন জুড়ি,
শীতের আমেজে বাঙালির বাড়ে ভূরি।
নাইখেদ আপসোস রকমারি খাবারের দিন,
খাদ্য রসিক বাঙালির হরেক খাবারের দিন।
শীত বাড়ার সাথে বাড়ে সোয়ার্টার কম্বল,
যতই খবেনাকেন শেষে চাই টক অম্বল।
শীত কাল ভর মনেহয় খাওয়াই সম্বল,
ভালখেয়ে রাতের সম্বল লেপ কাথা কম্বল।
শীতের পারদ জতো নীচে নামে,
খাবার ও সোবার আমেজ বাড়ে মনে মনে।
কিকরে কাটবে শীত তার থাকেনা চিন্তা,
রকমারি খাবারের আমেজে কাটে দিনটা।
শীতে বাঙালির খাবারের সাতকাহন,
ডিসেম্বর, জানুয়ারি,আর পৌষ পাবেন।
খাবারে রসিক বাবুয়ানীতে ফিট ফাট,
ডিসেম্বর,জানুয়ারিতে চলে বাঙালির ঠাট বাট।
<--------(c)-----অনাথ ----------->
[--anrc----11/01/2018--]
[--03:14:12--am---------]
[--কোলকাতা --56------]
||===========================||
দিনভর খাই খাই
কি খাব কোথা পাই।
খাবার চিন্তায় মগজ ধোলাই
খেয়েনি চট পট যখন যা পাই।
খাবার মজা কি আর জানে সবাই
আমিপেটুক তাই খাবারের ঘ্রান পাই।
ভালো খাবারের সুমিষ্ট ঘ্রান
সর্বদা মন করে আন চান।
তবুও কিছু চিন্তা উদ্ভট
মগজে করে কচ কচ।
যা মনেআসে চট পট
বলেফেলি ফট ফট।
পরে হলে খট খট,
ক্ষমা চাই চট পট।
মিটে যায় চট পট
আবার মন করে ছট ফট।
গিয়ে ছিলাম চাটগাঁও
মনে পড়ে চাট টা ও।
তাহোল অনেক দিন
মনে হয় এইতো সেদিন।
খেয়ে ছিলাম ইলিশ ভাতপান্তা,
আলবাৎ ওরা সব জান্তা।
ভুলিনি আজও সেটা
খাবার সাথে বেগুন বাঁটা।
আজও জিভে আসে জল
শুটকি ও খারকোলের গেরাকল।
সেদিন গিয়েছিলাম ঢাকা
ওরা তো রান্নায় পাকা।
গিয়ে ছিলাম বিক্রমপুর
হোলই না হয় একটু দূর।
আমিও জিভের জন্য মজবুর,
খাওয়ার লোভে জিভকরে তুর তুর।
আহা সেই রসমালাই,
যার কোন তুলনাই নাই।
গুড় আর নারকেলের নাড়ু,
খেলেই মনটা হয় উরু উরু।
আমিতো একটু পেটুক,
সবটাই খাই পাই যতটুক।
সুযোগ পেলেই জলদি চট পট
ছুটি এদিক ওদিক ঝটা পট।
সবাই বলে পেটুক গনেশ কিমভূত,
দিই না পাত্তা ওদের,সব যে অদ্ভুত।
যতই দিক তিনট্যাং ধুৎ কার,
উড়িয়ে দি সব, দিয়ে ফুৎকার।
পম পম ফুঁস ফাঁস,
কভু নয়তো ঢুস ঢাস।
আর কতো খাবারের বার্তা,
বিক্রমপুরের 36ভর্ত্তা।
নারানপুরের খাসীর লেবুশ,
চাখলেই প্রাণ টা মহা খুশ।
হাতিরপুলের কিআর বলবো চাচা,
নান্ ও কাচ্চি বিরিয়ানী খাসা।
ব্রেন ফ্রাই,ভূনা খিচুড়ির মজা,
আর সেই রুটি কলিজা ভাজা!!
জীবন তো আর পাবনা বার বার,
তাই গিয়ে খেয়ে আসুন একবার।
05/04/2020::সন্ধ্যা 07:45:
=====================
ডিসেম্বর, জানুয়ারি, দুই মাস,
বাঙালির হুড়োহুড়ির হতে নেই অবকাশ।
ডিসেম্বরের উৎসবে কেকের আড়ম্বর,
কেকনিয়ে চলে হুড়োহুড়ি মাস ভর।
ডিসেম্বরের স্বপ্ন থাকে বৎসর ভর,
25শে ডিসেম্বরের উৎসবের উল্লাশ আড়ম্বর।
ডিসেম্বরের কেকের স্বাদ,আনন্দ,রকমারি,
মাস ভর চলে এই ডিসেম্বরের হুড়োহুড়ি।
ডিসেম্বরের পরেই জানুয়ারির উৎসব,
চলতে থাকে পিকনিকের মহোৎসব।
পিকনিকের হুড়োহুড়ি মাসভর চলে,
আমিষ,নিরানিষের বাদবিচার না করে।
উদ্যান, কটেজ,নদীর পাড়,কিংবা পার্কে,
যেথা যাও পিকনিক স্পট বাদ নাই তর্কে।
বাঙালির অতি প্রিয় ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
এই দুটি মাসে উৎসবের নাই জুড়ি।
অফিস কাছারীতে বাঙালি দিলখুশ,
সকলেই চড়ুই ভাতির জল্পনা কল্পনায় উন্মুখ।
কেহ চায়,কেহ যোগ দেয়,কেহ করে আশা,
পিকনিক ব্যাতিরিকে মনে জাগে হতাশা।
একদিকে পৌষের পিঠে পায়েসের রকমারি,
তারসাথে পিকনিকের বাড়াবাড়ির নাই জুড়ি।
বাঙালির অতি আদরের পৌষ পাবন,
পিঠে পুলির কতইনা চলে পূজা পাবন।
ডিসেম্বর, জানুয়ারির নাই কোন জুড়ি,
শীতের আমেজে বাঙালির বাড়ে ভূরি।
নাইখেদ আপসোস রকমারি খাবারের দিন,
খাদ্য রসিক বাঙালির হরেক খাবারের দিন।
শীত বাড়ার সাথে বাড়ে সোয়ার্টার কম্বল,
যতই খবেনাকেন শেষে চাই টক অম্বল।
শীত কাল ভর মনেহয় খাওয়াই সম্বল,
ভালখেয়ে রাতের সম্বল লেপ কাথা কম্বল।
শীতের পারদ জতো নীচে নামে,
খাবার ও সোবার আমেজ বাড়ে মনে মনে।
কিকরে কাটবে শীত তার থাকেনা চিন্তা,
রকমারি খাবারের আমেজে কাটে দিনটা।
শীতে বাঙালির খাবারের সাতকাহন,
ডিসেম্বর, জানুয়ারি,আর পৌষ পাবেন।
খাবারে রসিক বাবুয়ানীতে ফিট ফাট,
ডিসেম্বর,জানুয়ারিতে চলে বাঙালির ঠাট বাট।
<--------(c)-----অনাথ ----------->
[--anrc----11/01/2018--]
[--03:14:12--am---------]
[--কোলকাতা --56------]
||===========================||
2>||খাদ্য রসিক ||
<--©-আদ্যনাথ-->দিনভর খাই খাই
কি খাব কোথা পাই।
খাবার চিন্তায় মগজ ধোলাই
খেয়েনি চট পট যখন যা পাই।
খাবার মজা কি আর জানে সবাই
আমিপেটুক তাই খাবারের ঘ্রান পাই।
ভালো খাবারের সুমিষ্ট ঘ্রান
সর্বদা মন করে আন চান।
তবুও কিছু চিন্তা উদ্ভট
মগজে করে কচ কচ।
যা মনেআসে চট পট
বলেফেলি ফট ফট।
পরে হলে খট খট,
ক্ষমা চাই চট পট।
মিটে যায় চট পট
আবার মন করে ছট ফট।
গিয়ে ছিলাম চাটগাঁও
মনে পড়ে চাট টা ও।
তাহোল অনেক দিন
মনে হয় এইতো সেদিন।
খেয়ে ছিলাম ইলিশ ভাতপান্তা,
আলবাৎ ওরা সব জান্তা।
ভুলিনি আজও সেটা
খাবার সাথে বেগুন বাঁটা।
আজও জিভে আসে জল
শুটকি ও খারকোলের গেরাকল।
সেদিন গিয়েছিলাম ঢাকা
ওরা তো রান্নায় পাকা।
গিয়ে ছিলাম বিক্রমপুর
হোলই না হয় একটু দূর।
আমিও জিভের জন্য মজবুর,
খাওয়ার লোভে জিভকরে তুর তুর।
আহা সেই রসমালাই,
যার কোন তুলনাই নাই।
গুড় আর নারকেলের নাড়ু,
খেলেই মনটা হয় উরু উরু।
আমিতো একটু পেটুক,
সবটাই খাই পাই যতটুক।
সুযোগ পেলেই জলদি চট পট
ছুটি এদিক ওদিক ঝটা পট।
সবাই বলে পেটুক গনেশ কিমভূত,
দিই না পাত্তা ওদের,সব যে অদ্ভুত।
যতই দিক তিনট্যাং ধুৎ কার,
উড়িয়ে দি সব, দিয়ে ফুৎকার।
পম পম ফুঁস ফাঁস,
কভু নয়তো ঢুস ঢাস।
আর কতো খাবারের বার্তা,
বিক্রমপুরের 36ভর্ত্তা।
নারানপুরের খাসীর লেবুশ,
চাখলেই প্রাণ টা মহা খুশ।
হাতিরপুলের কিআর বলবো চাচা,
নান্ ও কাচ্চি বিরিয়ানী খাসা।
ব্রেন ফ্রাই,ভূনা খিচুড়ির মজা,
আর সেই রুটি কলিজা ভাজা!!
জীবন তো আর পাবনা বার বার,
তাই গিয়ে খেয়ে আসুন একবার।
05/04/2020::সন্ধ্যা 07:45:
=====================
3>|| খাই খাই করে মন ||(ফুচকা)
<--©-আদ্যনাথ-->
সেদিন গিয়েছিলাম শ্রী পল্লী,
মনের ইচ্ছা খাব গুড় ঝিল্লি।
কি যে তার মজা
সবফেলে খাবে খাজা গজা।
<--©-আদ্যনাথ-->
সেদিন গিয়েছিলাম শ্রী পল্লী,
মনের ইচ্ছা খাব গুড় ঝিল্লি।
কি যে তার মজা
সবফেলে খাবে খাজা গজা।
আর সেই মিলের গেটের সামনে সেথা,
খেয়েছকি বলরামের ফুচকা?
খেয়েছকি বলরামের ফুচকা?
সেতো নয় শুধু ফুচকা,
সে প্রাণ মন খোলা হেঁচকা।
রাস্তার মোড়ে ফুচকা খাবে,
ফুলকো লুচি ফুটো করে,
চটকে মাখা মশলা আলু ভরে,
কামড়ে খাবে -------
তেঁতুল জলে চুবিয়ে নিয়ে।
( ফু===ফুলকো ছোট্ট লুচি,
চ===চটকে মাখা মশলা আলু,
কা===কামড়ে কামড়ে খা।
ফুচকা==ফুচুক করে তেঁতুল জলে
চুবিয়ে নিয়ে খা।)
যার হাতের আঙুলে সাদা সাদা ঘাঁ।
আর আছে লুঙ্গির নীচে ঐ খুজলি,
ওতে চুলকে তেঁতুল জলে ডুবকি।
খুজলির সাথে যদি থাকে সর্দি,
তেঁতুল জলের স্বাদ বেড়ে যায় চট জলদি।
কত বলবো হক কথার হোতকাত কিম্মত,
অনেক খেয়েও নাখাওয়া কিসমত।
মনেনাই সেকথা
নাই কোন লেখা জোখা।
চুলকাইতে বড় সুখ
বিকৃতি করিয়া মুখ।
আর আছে লুঙ্গির নীচে ঐ খুজলি,
ওতে চুলকে তেঁতুল জলে ডুবকি।
খুজলির সাথে যদি থাকে সর্দি,
তেঁতুল জলের স্বাদ বেড়ে যায় চট জলদি।
কত বলবো হক কথার হোতকাত কিম্মত,
অনেক খেয়েও নাখাওয়া কিসমত।
মনেনাই সেকথা
নাই কোন লেখা জোখা।
চুলকাইতে বড় সুখ
বিকৃতি করিয়া মুখ।
মিষ্টির দোকানির ভুঁড়ি
ঠিক যেন ধামা ঝুড়ি।
ছাড়ে যখন তেলে ভাজা,
মনে পড়ে ল্যাট্রিনের কমোডে বসা।
পরে সব টুপ টাপ,
যেন গরম তেলে পড়ছে চপ।
মুড়ি আর চপ গরম
গল্প আছে হরেক রকম।
কিখাব কিখাব করে মন,
লোভনীয় খাওয়াতে মজেজায় মন।
সব হোতকা গোনে শুধু লাভের বোচকা ,
আমি বেটা পেটুক শেষে খাব কি হেচকা।
থাকলে ভাগ্য কিসমৎ পোক্ত,
নচেৎ কাঁচা কলার ঝোল আর শুক্ত।
বলে ওরা খেলে মাছের মূড়ি
তাড়াতাড়ি কমে নাকি ভুঁড়ি।
আমি পেটুক ভুঁড়ি,মূড়ি, ধুতৎত্তরী
খাবার পেলে মানিনা কোন তুৎকারি।
খটকা ভোটকা যত সব বাজে ভন্ড
নাই ওদের কোন জ্ঞান কান্ড।
ওরা ভন্ড, ওদের হয়নি হাতেখড়ি
জানবে কি,যার নেই কোন নারী ভুঁড়ি।
আছে শুধু ফাঁকা বুলির ফুলঝুরি,
5কিলো মাংসেই ছোটে প্যারপেরি।
খাবার মত খেতে হলে খাবি যা
ভাগলপুরে দেখবি যা।
খাবার মতন খাওয়া ভোজ নয় সেটা
5কিলো চিঁড়ে আর একটা রামপাঠা।
দশ হাড়ি দই আর দশ কিলো বোদে,
শখানেক পরোটার সাথে।
তাও যদি না পারিস সামলাতে,
গুষ্ঠি শুদ্ধ মর গে যা ভাগারেতে।
05/04/2020:: দুপুর 01:20:12:
=========================
আমি বেটা পেটুক শেষে খাব কি হেচকা।
থাকলে ভাগ্য কিসমৎ পোক্ত,
নচেৎ কাঁচা কলার ঝোল আর শুক্ত।
বলে ওরা খেলে মাছের মূড়ি
তাড়াতাড়ি কমে নাকি ভুঁড়ি।
আমি পেটুক ভুঁড়ি,মূড়ি, ধুতৎত্তরী
খাবার পেলে মানিনা কোন তুৎকারি।
খটকা ভোটকা যত সব বাজে ভন্ড
নাই ওদের কোন জ্ঞান কান্ড।
ওরা ভন্ড, ওদের হয়নি হাতেখড়ি
জানবে কি,যার নেই কোন নারী ভুঁড়ি।
আছে শুধু ফাঁকা বুলির ফুলঝুরি,
5কিলো মাংসেই ছোটে প্যারপেরি।
খাবার মত খেতে হলে খাবি যা
ভাগলপুরে দেখবি যা।
খাবার মতন খাওয়া ভোজ নয় সেটা
5কিলো চিঁড়ে আর একটা রামপাঠা।
দশ হাড়ি দই আর দশ কিলো বোদে,
শখানেক পরোটার সাথে।
তাও যদি না পারিস সামলাতে,
গুষ্ঠি শুদ্ধ মর গে যা ভাগারেতে।
05/04/2020:: দুপুর 01:20:12:
=========================
4>||-খাদ্য রসিক বাঙালি-||
খাদ্য রসিক বাঙালির জীবন,
খাদ্যের রকমারি পার্বণ।
বারমাসে তের পার্বণের ফর্দ ,
ঝোলে ঝালে চর্ব্য চোষ্য খাদ্য।
খাদ্যে পটু বাঙালির খাদ্যের তালিকা,
নানান পার্বণের নানান স্বাদের বর্ণালিকা।
রূপে রসে গন্ধে ঋতুর তালে মিলিয়ে,
খাবার ব্যঞ্জন তৈরী হয় আদর দিয়ে।
রন্ধনে পটু বাঙালির গৃহ বধূ,
দশভুজা রূপে রন্ধনকর্মে পটু।
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা হরেক খাদ্যের খসড়া,
পরব উৎসব গুলি সুখাদ্যের মহড়া।
ইলিশ পার্বণ , চিঁড়ি পার্বণ কতকি আয়োজন,
বর্ষভর রকমারি সুগন্ধি মশলার ব্যঞ্জন।
বাঙালির উৎসব নানান খাদ্যের বাহার,
সুসজ্জিত পরিবেশন লোভনীয় আহার।
বাংলার প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকা ,
বর্ণময় ঋতু, কাল, দিনের সারিকা।
লোভনীয় স্বাদিষ্ট এক উৎকৃষ্ট সৃজন ,
আদর ও ভক্তি সমন্বিত পরিবেশন।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-28/06/2018--】
【01:52:18 am==20 L=】
==================================
5>||-কেক আর পিকনিক --||
দুটি মাস ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
চলতে থাকে বাঙালির হুড়োহুড়ির।
ডিসেম্বরের উৎসবে কেকের আড়ম্বর,
রকমারি কেকের চিন্তা চলে মাস ভর।
ডিসেম্বরের স্বপ্ন,চলে বৎসর ভর,
25শে ডিসেম্বর উৎসবের উল্লাশ রাতভর ।
ডিসেম্বরে কমারি কেকের স্বাদ,আনন্দ,রকমারি,
মাস ভর চলে এই কেকের হুড়োহুড়ি।
ডিসেম্বরের পরেই জানুয়ারির,
চলতে থাকে পিকনিকের হুড়োহুড়ি।
উদ্যান, কটেজ,নদীর পাড়,কিংবা পার্কে,
যেথা যাও পিকনিক স্পট বাদ নাই তর্কে।
বাঙালির অতি প্রিয় ডিসেম্বর, জানুয়ারি,
এই দুটি মাসে উৎসবের নাই জুড়ি।
অফিস কাছারীতে বাঙালি দিলখুশ,
সকলেই চড়ুই ভাতির জল্পনা প্ল্পনায় উন্মুখ।
কেহ চায়,কেহ যোগ দেয়,কেহ করে আশা,
পিকনিক ব্যাতিরিকে মনে থেকেজায় হতাশা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】
=≠==≠=====================
==========================
6>।।-পৌষ পাবনের পিঠে--।।
পৌষের পিঠে পায়েসের রকমারি,
তারসাথে পিকনিকের বাড়াবাড়ির নাই জুড়ি।
বাঙালির অতি আদরের পৌষ পাবন,
পিঠে পুলির কতইনা চলে পূজা পাবন।
ডিসেম্বর, জানুয়ারির নাই কোন জুড়ি,
শীতের আমেজে বাঙালির বাড়ে ভূরি।
নাইখেদ আপসোস রকমারি খাবারের দিন,
খাদ্য রসিক বাঙালির হরেক খাবারের দিন।
শীতের সাথে বাড়ে সোয়ার্টার কম্বল,
যতই খবেনাকেন শেষে চাই টক অম্বল।
শীত কাল ভর মনেহয় খাওয়াই সম্বল,
ভালখেয়ে রাতের সম্বল লেপ কাথা কম্বল।
শীতের পারদ জতো নীচে নামে,
খাবার ও সোবার আমেজ বাড়ে মনে মনে।
কিকরে কাটবে শীত তার থাকেনা চিন্তা,
রকমারি খাবারের আমেজে কাটে দিনটা।
শীতে বাঙালির খাবারের সাতকাহন,
ডিসেম্বর, জানুয়ারি,আর পৌষ পাবেন।
খাবারে রসিক বাবুয়ানীতে ফিট ফাট,
ডিসেম্বর,জানুয়ারিতে চলে বাঙালির ঠাট বাট।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-12/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】
=≠==≠=====================
||-----ANRC-------------11/01/2018----------||
||===========================||
7>||--ভোজন সূত্র-----||
আনন্দে কাটাতে জীবন,
সাথে লয়ে আপন পরিজন।
প্রতি দিন হৈ হৈ করে বাঁচতে,
ভোজন সূত্র হবে জানতে।
নিরালায় একবার করেন ভোজন যোগী,
আয়েশ করে দুই বার চব্য চস্য খায় ভোগী,
লোভের বশে বারে-বারে ভোজন করে রোগী।
সুস্থ্য সুন্দর রাখতে ভাত খাও আধপেট,
সবজি খাও স্বাদ নিয়ে ভাতের দ্বিগুন,
একঘন্টা পরে বিশুদ্ধ জল পান কর তিনগুন,
রোজ প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসো চতুর্গুন।
মনে রাখবে উনা ভাতে দুনা বল,
অধিক ভাতে রসাতল।
আয়ু বাড়তে পারে,রোজ একটু কম খেলে,
স্বাদিস্ট নয় স্বাদনিয়ে চিবিয়ে খাবে ভাল করে।
স্বাস্থ্যের হানিকারক মাত্রাধিক ভোজন,
রোজ উচিত নয় অধিক ভোজন--
জেনেরাখা ভাল, হজম হয় ভোজনের অর্ধেক,
ডাক্তারের জন্য জমা রয় ভোজনের বাকি অর্ধেক।
ডাকাত ধরলে একবার পাবে ঘাঁ,
পুলিশ ধরলে এক কিংবা দুই বার ঘাঁ।
উকিল ধরলে বার বার বারো ঘাঁ,
ডাক্তার ধরলে জীবন ভর খাবে ঘাঁ।
তাই ভোজন সূত্র মেনে চলা উচিত জীবনে,
নয়তো ডাক্তার ধরলে পরিত্রান নাই জীবনে।
ভোজন সূত্র মানলে সুস্বাস্থ্য পাবে জীবনে,
নচেৎ নিশ্চিত রসাতলে যাবে এই জীবনে।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】
=≠==≠=====================
||---anrc---16/01/2018::-----------||
||=====================||
8>কেডবেরি কেডবেরি
স্বাদে গন্ধে কাড়াকাড়ি।
কেউচায় কেউখায় চলছে হুড়োহুড়ি,
আছে মন মুগদ্ধ কর কেডবেরি রকমারি।
বানাও আর খাও কেডবেরি মিষ্টি,
কেডবেরি নিজেই এক অপরূপ সৃষ্টি।
কেডবেরির সাথে দিন রকমারি মিষ্টি,
তাহলেই খুঁজে পাবেন আপনার সৃষ্টি।
আপনার সৃষ্টি হয়ে উঠুক চমৎকার কৃষ্টি,
সকলের মন মাতিয়ে দেবে কেডবেরির সৃষ্টি।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-10/01/2018--】
【09:42:18 am==18 L=】
=≠==≠=====================
||---anrc----25/03/2018-----------||
9>||-আহামরি,কেডবেরি,-||
কেডবেরি কেডবেরি,
স্বাদে গন্ধে রকমারি।
কেডবেরি রূপেতেও আহামরি,
কেডবেরির লোভে কিকরি কিনা করি।
কেউচায় কেউখায় চলছে দেখো হুড়োহুড়ি,
মন মুগদ্ধ কর কেডবেরি রকমারি।
বানাও আর খাও কেডবেরি মিষ্টি,
কেডবেরি নিজেই এক অপরূপ সৃষ্টি।
কেডবেরির সাথে দিন রকমারি মিষ্টি,
তাহলেই খুঁজে পাবেন আপনার সৃষ্টি।
আপনার সৃষ্টি হয়ে উঠুক চমৎকার কৃষ্টি,
সকলের মন মাতিয়ে দেবে কেডবেরির সৃষ্টি।
||---anrc----25/03/2018-----------||
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--2018--】
【-TIME L=】
========================
No comments:
Post a Comment